写真

The Ainu built their homes along rivers or by the sea where water was plentiful and safe from natural disasters.
Recently, however, things have started to look up for the Ainu. In April 2019, they were legally recognised as an indigenous people of Japan by the Japanese government, after many years of deliberation, which has resulted in a more positive appreciation of Ainu culture and renewed pride in their language and heritage.

"It is important to protect the honour and dignity of the Ainu people and to hand those down to the next generation to realise a vibrant society with diverse values," said government spokesman Yoshihide Suga, as reported in The Straits Times.

Naraki continued showing us around the Ainu kotan (village). Still smiling, she pointed to a wooden, cupboard-like structure. “This is the toilet for the men,” she said, giggling. Next to it was a smaller, teepee-style hut. “And this one is for the women.”

I want to tell the world that Japan has indigenous people

Naraki leads tours of this kotan to teach visitors about her culture. It is part of the Sapporo Pirka Kotan (Ainu Culture Promotion Centre), Japan’s first municipal facility featuring indigenous people, where visitors can experience Ainu handicrafts, watch traditional dancing and imagine traditional Ainu life when this area was a vast wilderness and the people lived on and with the land. Located approximately 40 minutes by car from downtown Sapporo, Hokkaido’s capital city, the centre was opened in 2003 to teach both other Japanese and foreign visitors about Ainu culture and spread their message to the world.

“97% of Ainu are underground. But the people who come here to events are very proud of their culture,” said Jeffry Gayman, an educational anthropologist at Hokkaido University who has been working with the Ainu for 15 years.
This is our bear hut,” the short, vivacious woman shouted through a hand-held loudspeaker, her smile creasing her forehead with deep wrinkles. A blue hat was perched on her head and her short tunic, embroidered with pink geometric designs, was tied sharply at the waist. She pointed at a wooden structure made of round logs, raised high above the ground on stilts.

Our coverage during coronavirus

While travelling is on hold due to the coronavirus outbreak, BBC Travel will continue to inform and inspire our readers who want to learn about the world as much as they want to travel there, offering stories that celebrate the people, places and cultures that make this world so wonderfully diverse and amazing.

For travel information and stories specifically related to coronavirus, please read the latest updates from our colleagues at BBC News.

“We caught the bears as cubs and raised them as a member of the family. They shared our food and lived in our village. When the time came, we set one free back into nature and killed the other to eat.”

Having treated the bear well in life, her people believe the spirit of the sacred animal, which they worship as a deity, will ensure the continued good fortune of their community.

Kimiko Naraki is 70 but looks decades younger. She is Ainu, an indigenous people who now live mostly on Hokkaido, Japan’s northernmost island, but whose lands once spanned from northern Honshu (the Japanese mainland) north to Sakhalin and the Kuril Islands (which are now a disputed part of the Russian Federation). The Ainu have long been of interest to anthropologists because of their cultural, linguistic and physical identity, but most travellers will not have heard of them. That’s because although they were the earliest settlers of Hokkaido, they were oppressed and marginalised by Japanese rule for centuries.
ঝিনাইদহে ঘুর্নিঝড় আম্ফানের দু’দিন পরও জেলায় ৮০ ভাগ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। আবার ইন্টারনেটের গতিও হয়ে পড়েছে দুর্বল! জেলা শহরের কিছু এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হলেও উপজেলা ও গ্রামাঞ্চল অন্ধকারে রয়েছে। এতে করে ব্যাপক ভোগান্তি বেড়েছে জেলাবাসির। বিদ্যুৎ না থাকায় বন্ধ রয়েছে মোবাইল ফোন। চার্জ দিতে না পারায় মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে পারছে না। নষ্ট হচ্ছে ফ্রীজে রাখা খাবার। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ঝড়ের তান্ডবে পল্লী বিদ্যুতের প্রায় দু’শো পোল ভেঙ্গে পড়েছে। পিডিবি’র ৩০টি পিলার ভেঙ্গে পড়েছে। এছাড়াও তার ছিড়ে সঞ্চালন লাইন গুলো বন্ধ হয়ে গেছে। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার রুহুল আমিন বলেন, গত বুধবার থেকে এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুতের তার ছিড়ে গেছে। আজ ২ দিন পার হয়ে গেল বিদ্যুৎ অফিসের কোন লোকজন খোঁজ নিতে এলেন না। আর ক’দিন লাগবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে তা তো বলা যাচ্ছে না। শৈলকুপা উপজেলার ফুলহরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিনুর রহমান বিপুল
নয়ন বাবু, সাপাহার (নওগাঁ): হতাশা যেন কাটছেই না নওগাঁর সাপাহার উপজেলার আম চাষী ও কৃষকদের। একদিকে করোনা ভাইরাসে আম বাজার জাত নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন পার করছে তার মধ্যে আবার হঠাৎ করে ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তান্ডবে উপজেলার বিভিন্ন ফসলের ক্ষয়ক্ষতি সহ আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গাছ থেকে প্রায় শতকরা ৩ থেকে ৪ ভাগ আম ঝড়ে ঝরে পড়েছে। সকাল থেকে বাগানে বাগানে আম কুড়িয়ে বস্তা ও ক্যারেটে করে ১ বস্তা আম ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

জানা গেছে, প্রতিবছরের ন্যায় জেলার সাপাহার উপজেলায় সর্ববৃহৎ আমের বাজার গড়ে ওঠে। আড়ত মেরামতের কাজ প্রায় শেষ। ঈদের পর থেকে দেশের বিভিন্ন স্থান বা জেলা থেকে আম ব্যাপারীরা আম কেনার জন্য আসবে। অল্প কিছু দিনের মধ্যে আমের কেনা বেচার কথা ছিল কিন্তু হঠাৎ আম্ফানের তান্ডবে উপজেলার আম চাষীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে গেল। দেখা যেত ঈদের পর আম কেনা বেচা শুরু হলে বাজার দর অনুযায়ী ১০০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০০ টাকা দরে কৃষকের স্বপ্ন প্রথমে ওঠা বিভিন্ন জাতের আম গুলো বিক্রি হত।
সাপাহারে সড়ক ও জনপথের জায়গা অবৈধ ভাবে দখল করে টিনের বেড়া দিয়ে আমের আড়ত ঘর বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে লোকমান নামের এক ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা সদরের পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন গোডাউনপাড়া মেইন রাস্তার পার্শ্বে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন গোডাউনপাড়া এলাকায় শিমূলতলী গ্রামের মৃত তমছের আলীর ছেলে লোকমান তার বাড়ী সংলগ্ন সড়ক ও জনপথের সরকারী জায়গা অবৈধভাবে জোর জবরদস্তি দখল করে আমের আড়ত তৈরী করে জনৈক ব্যক্তিকে ভাড়া দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এই খবর পেয়ে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে যায়।
বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রেক্ষিতে সৃষ্ট মানবিক ও আর্থিক সংকট নিরসনের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কার্যকর ভূমিকা পালন করছেন । এরিসাথে প্রতিনিয়ত নানা প্রনোদণা, আর্থিক সহায়তা ও ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে। এরি মধ্যে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে খ্যাত গণমাধ্যমকর্মীদেরও নানা ভাবে সহায়তা করছেন। যার অংশ হিসেবে এবার চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরামের ৩০ জন সাংবাদিক ও সংবাদ কর্মীদের কাছে পৌছালেন প্রধানমন্ত্রী বিশেষ উপহার সামগ্রী।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে চট্টগ্রাম সংবাদিক ফোরামের আবেদন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এান ও সমাজকল্যাণ উপ কমিটির সদস্য বেলাল নূরী এর প্রচেষ্টায় ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম জেলা প্রসাশন থেকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার সামগ্রী গ্রহণ করেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরামের আহবায়ক শিব্বির আহমেদ ওসমান ও সদস্য সচিব চৌধুরী মোঃ রিপন। এসময় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ফোরামের

ブログ