食のオンラインマーケット RELEASE COMMERCE
食のオンラインマーケット RELEASE COMMERCE
公開中 1 to 96 of 189707 写真.
শুভ সকাল, এখানে দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে এক ব্যক্তি।  এই দোকানটি একটি বৈদ্যুতিন দোকান। এই দোকান টার নাম বিশ্বাস এন্টার প্রাইজ।  এই স্টোরটি সমস্ত ধরণের বৈদ্যুতিন আইটেম বিক্রি করে।  দোকানটি সাতক্ষীরা থানার সামনের দিকে।  দোকানে বসে আছেন এক ব্যক্তি।  এই দোকানটি সকাল থেকে রাত অবধি খোলা থাকে।  এখানে প্রতিদিন প্রচুর জিনিস বিক্রি হয়।  দোকানের পাশেই একটি রেস্তোঁরা ও ফলের দোকান রয়েছে।  একজন লোক রেস্তোরাঁয় বসে খাচ্ছে।  পাশের একটি দোকান আছে যেখানে বিভিন্ন ধরণের খাবার বিক্রি হয়।  সাতক্ষীরায় এমন অনেক দোকান রয়েছে।  এই দোকানগুলিতে মানুষের ভিড় থাকে।  বিস্কুট, চানাচুর, সাহা ইত্যাদি রয়েছে এখানে রেস্তোঁরাগুলি বৈদ্যুতিন শপের পাশেই।  এই রেস্তোঁরায় খিচুড়ি, ডাল, ভাত ইত্যাদি পাওয়া যায়।  দুপুরে অনেক লোক এখানে মধ্যাহ্নভোজ করতে আসে।  এখান থেকে অনেকে খিচুড়ি কিনে বাড়িতে নিয়ে যায়।
আমরা সুন্দর প্রাচীর দেখতে পাচ্ছি। ইটের গাঁথুনি তারা এবং এটি একটি প্রাচীনতম সভ্যতার ইতিহাসের ফলক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলার সুবাদার মীর জুমলা কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। এটি নারায়ণগঞ্জে জেলার বন্দর উপজেলায় শীতলক্ষা নদীর পূর্বতীরে অবস্থিত। সপ্তদশ শতকে ঢাকা শহরকে বাহিরের শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করতে যে তিনটি জল দুর্গ নির্মাণ করা হয়েছিল সোনাকান্দা দুর্গ তারমধ্যে অন্যতম। ডে ট্রিপের জন্যে আদর্শ একটা জায়গা।সোনাকান্দা কেল্লা মোঘল আমলে তৈরি করা একটি জলদূর্গ।মীর জুমলা বাংলার সুবাদার ছিলেন তৎকালীন সময়ে সমৃদ্ধ শহর ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকাকে নদী পথে আগত মগ ও পর্তুগিজ শত্রুদের আক্রমণ প্রতিহত করতে ও জলদস্যুদের আক্রমণ থেকে রক্ষ্যা করার জন্য নদীর তীরে ৩টি দূর্গ তৈরি করা হয়। এই তিনটি দূর্গকে জলদূর্গ বলা হতো।একটি শীতলক্ষ্যার পশ্চিম পাড়ে হাজীগঞ্জ দুর্গ, আরেকটি শীতলক্ষ্যার পূর্ব পাড়ে সোনাকান্দা দুর্গ এবং অন্যটি মুন্সীগঞ্জের ইদ্রাকপুর দুর্গ। এটি দিনদিন পর্যটন নগরী হিসেবে পরিচিত হচ্ছে এবং এখানে ভ্রমণ করতে অনেকে চলে আসতেছেন সব মিলিয়ে এখানে ভ্রমণ করা অনেক সুন্দর এবং অপূর্ব মুহূর্ত কাটাতে পারবেন।
শুভ সকাল আমি আপনাদের মাঝে সুন্দর একটি পানের দোকান পিকচার তুলে পোষ্ট করলাম এবং এই দোকানটি একটি মাহফিলের অনুষ্ঠানে একটি বাজারের ভিতরে এবং এই মাহফিলটি স্থান ধুলিহর লোবন গোলা দক্ষিণ পাড়া এবং আমি রাতে মাহফিলে ঘুরতে গিয়ে এই দৃশ্যটি আমার চোখে পড়ল এবং এই সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যটি আপনাদের মাঝে তুলে দিলাম এবং এখানে সব ধরনের পান পাওয়া যায় এবং এক একটি পানের দাম একক রকমের যেমন সোনালী মিষ্টি পান দশ টাকা, মিষ্টি মসলা পান পনের টাকা, আগুন পান বিশ টাকা, বিহারী পান পনের টাকা, গরম পান দশ টাকা, কাচা পান পনের টাকা, এ ছাড়া আরও বিভিন্ন ধরনের পান বাক্রায় করা হয় এবং সে গুলোর বিভিন্ন ধরনের মূল্য আছে এবং পান বিক্রায়ের লোকটির নাম মোঃ সমরাট আকবর, লোকটির বাড়ি শিব তলা মাছখোলা এবং পিকচারটিতে দেখা যাচ্ছে তার সামনে একটি টেবিলের উপর অনেক গুলো পান সাজিয়ে রেখেছেন এবং পান গুলোতে বিভিন্ন ধরনের মসলা দেওয়া দেখা যাচ্ছে এবং তার এক পাশে ছোট ছোট কোটায় অনেক গুলো মসলা দেখা যাচ্ছে এবং লোকটির পিছনে একটি ঝাল মুড়ির দোকান দেখা যাচ্ছে এবং সেখানে কয়েকজন লোক দাঁড়িয়ে আছে
ভলিবল খেলার যখন প্র্যাকটিস চলছে ঠিক তখনই ছবিটি উঠানো দেখতে পাচ্ছেন যে সাতক্ষীরা স্টেডিয়াম মাঠের এক কোনায় দাড়ায় কিন্তু সকলেই একসাথে আমরা দাঁড়িয়ে রয়েছি এখন খেলা হবে ঠিক তখনই ছবিটি বোঝানো হয়েছে দেখতে পায় কিন্তু ড্রেস পড়ে দাড়িয়ে রয়েছে এবং তারা কেন্দ্রে খেলার উদ্দেশ্যে এখানে রয়েছে।খেলাধুলার মধ্যে কিন্তু আনন্দ রয়েছে যে আনন্দটা কিন্তু আমাদের অনেক ভালো করে নিয়ে যায় এবং আমাদের শরীর ভালো থাকে সেজন্য পর্যন্ত প্রত্যেক মানুষের বেশি বেশি করে খেলাধুলা করা উচিত এবং শরীর চর্চা করা উচিত আমরা যখন সময় পাই তখনই কিন্তু আমরা শরীর চর্চা করি এবং খেলাধুলা করি এবং সঠিক সময়ে অনেক ভালো যায় আমি বলতে পারি আপনাদের ভালো লাগবে এত সুন্দর ছবি দেখে যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে আমরা সবাই আনন্দ করছে সেই আনন্দের মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী হয়েছে।


আমরা এভাবেই প্রতিনিয়ত বিকালের বেলায় আমরা সময় কাটায় খেলার মাধ্যমে এবং ভালো একটু সময় পার করি প্রত্যেকটি মানুষের কিন্তু এভাবেই কিন্তু খেলাধুলা করা উচিত কারণ খেলাধুলা করলে সবাই অনেক ভালো লাগে সব মিলিয়ে বলতে পারি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে এত সুন্দর ছবি দেখে যেখানে আমরা সবাই একসাথে দাঁড়িয়ে রয়েছে খেলার উদ্দেশ্যে এবং একটু পরেই আমাদের ভলিবল খেলা শুরু হবে আর ভলিবল খেলা আমার অনেক প্রিয় খেলা আর তাই কিন্তু আমি প্রতিনিয়ত বিকেল খেলাটি করে থাকি।
আমরা যে চিত্রটা দেখছি এটি মূলত একটি মিউজিয়াম। এর চিত্র রাজশাহী এলাকায় প্রতাপ নগর গ্রামের। এটি একটি প্রাচীনতম নিদর্শন। এখানে দুজনে আমরা একত্রিত ভাবে দেখতেছি আর একজন কৃষক তার জমিতে ধান কাটছে। নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করে আরেকজন নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এই এলাকাটা একসময় প্রসিদ্ধ জমিদার জমিদার মিউজিয়াম তৈরি করেছে। এবং আমার কাছে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ কারণ এটি একটি প্রাচীনতম সভ্যতা আমার কাছে ভালো লাগে। এবং অনেকের কাছে অনেক ভাল লাগছে আশা করি আপনাকে ছবিটি দেখে আপনি মুগ্ধ হবেন। এখানে বাংলাদেশ সরকার সংরক্ষণের জন্য। মিউজিয়াম টা অনেক সুন্দর এবং অনেক গ্রামের দৃশ্য এই মিউজিয়ামের ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মিউজিয়াম টা দেখতে অনেক সুন্দর এবং পরিপাটি যা দেখে সত্যিই আপনার কাছে ভালো লাগবে।
এটি একটি মিউজিয়াম। অবাক লাগছে আমার কাছে।  আচ্ছা জলটা কি করে পরছে জানতে চান। কলটা এমন ম্যাজিকের মতো কি করে আলগা ভাবে রয়েছে।  রয়েছে বাচ্চাদের বিনোদনের জায়গা।  রয়েছে মজার বাব্ল সোফান সো আরো না জানা বিঞ্জান। এই মিউজিয়ামটা ঢাকা শহরে অবস্থিত। ঢাকা শহরের গাবতলীতে মিউজিয়াম অবস্থিত।  সুন্দর মিউজিয়াম যার 1943 সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখানে দেশ দেশান্তর থেকে অনেকে বেড়াতে আসে এটি অনেক সুন্দর এবং প্রাকৃতিক ভাবে গড়ে উঠেছে গাছগুলি মধ্য দিয়ে মিউজিয়াম রিংটনে অসাধারণ। আমার কাছে এলাকা টা অনেক সুন্দর লাগছে এবং ঘোরাঘুরি করে অনেক মজা পেয়েছিলাম আশাকরি আপনার কাছে ছবিটা অনেক ভালো লাগবে। আপনি চাইলে এখানে বেড়াতে আসতে পারেনি সকাল আটটা হতে রাত 8 টা পর্যন্ত খোলা থাকে। মিউজিয়ামে অনেক সুন্দরী সুন্দরী নিদর্শন রয়েছে নিদর্শনগুলো থেকে সকলের ভাল লাগবে। চারিদিকে গাছগাছালি অপরূপ দৃশ্য ভরা এই এলাকাটা অনেক সুন্দর এলাকায় থাকি দের কন্ঠে সুমধুর ডাক জানিলে এলাকাটা অনেক নির্জন একটি এলাকা।
আপনারা উপরের যেই ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি হলো একটি মার্কেট। এই মার্কেটটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার সদরে বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত। এই মার্কেটটি নাম হচ্ছে শ্যামনগর মার্কেট। এটি শ্যামনগর থানার অন্যতম একটি মার্কেট। আর এই মার্কেটে সবচেয়ে বড় চমক আবাসিক হোটেল। এই মার্কেটটির এতো সুনাম মূলত এই আবাসিক হোটেলের জন্য। এটি শ্যামনগর উপজেলার অন্যতম একটি আবাসিক হোটেল। আবাসিক হোটেলের নাম হচ্ছে হোটেল সৌদিয়া আবাসিক হোটেল। এই হোটেল অন্ত্যান্ত পরিষ্কার পরিছন্ন এবং মানসম্মত। এই হোটেল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। তারপরে রয়েছে অগ্রণী ব্যাংকের থানা কার্যালয়। সে জন্যও হোটেলটি অধিক পরিচিত। তারপর রয়েছে মেসার্স আল আমিন টেলিকম। তারসাথে রয়েছে ইত্যাদি মোবাইল শপ
বিয়ে করতে কার না ভালো লাগে.? জীবনে প্রতিটা মানুষ একবার করে বিয়ে করবে এটাই নিয়ম এটাই প্রকৃতির নিয়ম গত কালকে রাতে আমাদের গ্রামে বসবাস করে আমাদের সমাজে আমরা একসঙ্গে বসবাস করি কিছু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা রয়েছে তাদের বাড়িতে তাদের এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে সেই বিয়েতে আমরা অংশগ্রহণ করেছিলাম এবং কিভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের বিয়ে হয় সেটা আমার নিজের চোখে দেখেছি অনেক সুন্দর একটা মুহূর্ত উপভোগ করেছি নাচ গান বাজনা আনন্দ-বিনোদন খাওয়া-দাওয়া সব মিলিয়ে অসাধারণ কিছু রোমান্টিক মুহূর্ত আমরা গতকাল রাতে উপভোগ করেছি আমাদের গ্রামের যুবক ছেলেদেরকে তারা দাওয়াত দিয়েছিল বিয়েতে অংশগ্রহণ করার জন্য আমাদেরকে এজন্য আমরা সেখানে গিয়েছিলাম তাদেরকে আমরা সাহায্য সহযোগিতা করেছিলাম যতটুকু সম্ভব আমাদের পক্ষে আশাকরি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে রাতের বেলা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের বিয়ের অনুষ্ঠান বিয়ে বাড়িতে প্রচুর পরিমাণ মানুষ তারা সবাই আনন্দ-বিনোদন করছে বসে আছে এবং বর বউ সেখানে দাঁড়িয়ে আছে তাদের যেসব কার্যক্রমগুলো হিসাব নিয়ম গুলো রয়েছে তারা সঠিক নিয়ম গুলো পালন করছে এবং সেগুলো আমরা নিজের চোখে দেখেছিলাম রাতের বেলায় অনেক অনেক ভালো লেগেছিল আমরা গতকাল রাতে রাত বারোটা পর্যন্ত সবাই বিয়ে বাড়িতে আমরা উপস্থাপনা করেছি এবং বিয়ে বাড়িতে আমরা সকল প্রকারের আয়োজন করেছি কারণ আমাদের সমাজে তারা বসবাস করে আমাদের পাড়া প্রতিবেশী তারা এজন্য তাদের কাজে আমরা এগিয়ে গিয়েছি তাদেরকে সাহায্য করেছি এবং এটা দেখেছি তারা অনেক ভালো মনের মানুষ তারা আমাদেরকে হাতের কাছে পেয়ে অনেক অনেক খুশি এবং আনন্দিত এজন্য আমরা খুবই আনন্দিত তাদের প্রতি এবং সবাই মিলেমিশে চলাফেরা করাই আমাদের একান্ত দায়িত্ব এবং কর্তব্য এর জন্য আমরা হিন্দু মুসলিম সবাই একই সমাজে বাস করি তাদেরকে নিয়ে আমরা চলাফেরা করি এবং হিন্দু সম্প্রদায় একটা মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানের কিছু দৃশ্য আপনারা দেখতে পাচ্ছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মেয়েদের এবং ছেলেদের বিয়ের সময় তাদের প্রচুর পরিমাণ নিয়ম মেনে চলতে হয় এবং সকল নিয়মগুলো অনুসরণ করছে একের পর এক নিয়ম মেনে অনুসরণ করে বিয়ের অনুষ্ঠান কার্যক্রম শুরু হয়েছে তারই দৃশ্য  দেখতে পাচ্ছেন সব মিলিয়ে অসাধারণ কিছু মুহূর্ত আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম ছেলেমেয়ে নারী-পুরুষ ছোট-বড় সবাই একসঙ্গে মিলে আনন্দ বিনোদনের মুহূর্তটা রাতের বেলায় খুবই আকর্ষণীয় ছিল খুবই রোমান্টিক করছিলো এখানে দেখতে পাচ্ছেন আমি আপনাদের সামনে এই বিয়ের অনুষ্ঠানে তুলে ধরতে পেরে খুবই খুশি খুবই আনন্দিত হিন্দু সম্প্রদায়ের বিয়ের অনুষ্ঠান রাতের বেলা আমাদের গ্রামে অবস্থিত,তাদের বিয়ের সময় তারা অনেক অনেক আনন্দ করে হাজার হাজার টাকা খরচ করে তারা জীবনে একবার করেই বিয়ে করতে পারবে এজন্য তারা অনেক আনন্দ বিনোদন করে আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে বিয়ের অসাধারণ মুহূর্ত প্রতিটা মানুষ রাতে এই বিয়ে বাড়িতে অংশগ্রহণ করেছিল এবং তাদের অনুষ্ঠানগুলো দেখেছিল
শুভ সকাল, সকালবেলায় আমি প্রতিদিন খুবই দ্রুত ঘুম থেকে উঠে ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়ে রাস্তার  দিকে হাঁটতে যাই এবং গ্রামের সৌন্দর্যই সকাল বেলার দৃশ্য উপভোগ করি অনেক সুন্দর মুহূর্ত আজকে আমি দেখছিলাম যে একটু একটু কুয়াশা আমাদের এই গ্রাম তারই একটা চিত্র আপনারা দেখতে পাচ্ছেন গাছগাছালি গুলো ঝাপসা মতন দেখা যাচ্ছে কুয়াশায় ভরে উঠেছে এবং পাখিগুলো উড়ে উড়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং কিসমিস আওয়াজে তারা উড়ে উড়ে বেড়াচ্ছে অনেক সুন্দর মুহূর্ত আমি সকালে ভোগ করেছি আশা করি এগুলা দেখে আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমাদের গ্রামের সকাল বেলার একটা মুহূর্ত আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি বর্তমান সময়টা এমন একটা সময় সকাল বেলায় পরিবেশটা অনেক ঠান্ডা খুবই সহজ পাখির ডাক মানুষের সব মিলিয়ে অসাধারণ একটা দৃশ্য এবং গাছগুলো নিস্তব্ধ হয়ে গিয়েছে ভরে উঠেছে অনেক সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যাচ্ছে আমি নিয়মিত প্রতিদিন সকালে ভোর পাঁচটার সময় ঘুম থেকে উঠে রাস্তার দিকে একটু হাঁটাহাঁটি করতে চাই ব্যায়াম করতে চাই আজকে রাস্তার দিকে হাঁটতে গিয়ে অসাধারণ একটা মুহূর্ত আমার সামনে পড়ল সেটা আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম যে আমাদের গ্রামের সকাল বেলার অনুভূতিটা কেমন সকালবেলায় কেমন দেখা যায় গ্রামীণ সৌন্দর্যটা বর্তমান সময়ে গ্রামের সৌন্দর্য তা এখন কমে গিয়েছে কারণ শহর অঞ্চলের সকালের এই অসাধারণ গ্রামের সৌন্দর্য দেখা যায় না শোনা যায় না এজন্য সকালের এই গ্রামের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য নিজের চোখে দেখার জন্য খুবই দ্রুত ঘুম থেকে উঠে আমি এদিকে ওদিকে চলে যায় গ্রামের সৌন্দর্য উপভোগ করতে খুবই ভালো লাগে আমার ইচ্ছা আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমাদের গ্রামের কুয়াশাচ্ছন্ন একটা দৃশ্য আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম খুবই মনোরম সৌন্দর্য আমাদের গ্রাম সকালবেলা,আমি সকালে এখনো রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি এবং গ্রামের সৌন্দর্য অনুভব করছি এবং আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে পারে সকালবেলায় খুবই ভালো লাগলো এবং খুবই সুন্দর মনে হচ্ছে আজকে আশা করি আমার এই ছবিটা আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগলো
একতলা বিশিষ্ট একটি বিল্ডিং দেখতে পাচ্ছি সেটা হচ্ছে একটা মন্দির। পালযুগে গৌড়বঙ্গে সর্বত্র মাতৃকা উপাসনার গণধর্ম রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ও জনগণের উৎসাহে প্রচলিত হয়েছিল। হরিপালের বিশালাক্ষী সেই স্মৃতি বহন করে এই মন্দরটি তৈরি করা হয়েছে বলে আমি জানতে পারছি। পালযুগের একটি বিশালাক্ষী মূর্তির ছবি দিয়েছিলাম, পালযুগে দুর্গার সপরিবার উপাসনার অন্যতম প্রমাণ। বস্তুত বিশালাক্ষী মূর্তি থেকেই পালযুগে দুর্গার সপরিবার সনার একটা আইকোনোগ্রাফি পাওয়া যায়। যদিও চার সঙ্গীসহ মাতৃকা উপাসনা চন্দ্রকেতুগড় গঙ্গারিডাই সভ্যতার বৈশিষ্ট্য ছিল।হরিপালের বিশালাক্ষী মন্দির ও বর্তমান মাতৃকামূর্তির ছবি দেখছেন। সেই সঙ্গে পালযুগের একটি গৌরী  বিশালাক্ষী মূর্তির চিত্র রইল। অনেক ভালো লাগে বেড়াতে এখানে। অনেক সুন্দর লাগলো ঘুরতে এসে।আশা করি আপনার কাছে ভালো লাগছে ছবিটি দেখে ।
একটি সুন্দর একটি রিসোর্ট সেন্টার। গাছগাছালির ভেতর তৈরি  করা হয়েছে।এখানে     শিশুরা যেন খোলামেলা পরিবেশে আরো বেশি খেলাধুলা করতে পারে সেজন্য আছে কিডস জোন।অনেকটা শিশুপার্কের আদলে তৈরি করা এই জোন। বড়রাও চাইলে আউটডোর গেইম খেলে  অবসর সময় কাটাতে পারেন। রাতে এই রিসোর্টের সৌন্দর্য্য অনেক গুণ বেশি বৃদ্ধি পায়।অল্প আলোয় ওয়াকওয়েতে হেঁটে বেড়ালে মনে হবে যেন গ্রামের সেই ছোট্ট পথে এগিয়ে চলছে গ্রামেরই সন্তান।রাত সবাই মিলে  যখন আড্ডা আর গানে ভরিয়ে রাখে আর  নির্জন এই রিসোর্টও প্রাণ ফিরে পায়।শহুরে কোলাহল থেকে মুক্তি পেতে চাইলে ছুটে যেতে পারেন স্নিগ্ধতায় ভরপুর, সাজানো গ্রামেরই প্রতিচ্ছবি রিসোর্ট ।আমার কাছে ভালো লাগছে ঘুরতে এসে।আপনি চাইলে বেড়াতে পারেন। সবমিলিয়ে অসাধারণ একটা জায়গা এটি অনেক ভালো লাগছে ঘুরতে।
অপরূপ সুন্দর্য্যে একটি বিল্ডিং দেখতে পাচ্ছেন। চারিদিকে গাছগাছালি অপরুপ সব মিলে গেলে ভালোবাসা ছবিটি আপনার কাছে ভালো লাগবে আমার কাছে সুন্দর লাগলো।ভোরবেলায় পাখিদের কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙবে, সবুজ রাজ্য দু’বাহু বাড়িয়ে ডাকবে।স্নিগ্ধ পরিবেশে একান্তে সময় কাটানোর জন্য  গাছ-গাছালির ফাঁকে ফাঁকে আছে বসার জন্য প্রাকৃতিক চেয়ার। নানাধরণের বৃক্ষরাজির ভিড়ে তালগাছের সারি আরো শোভা ছড়াচ্ছে।নিরিবিলি পরিবেশে বই পড়ার জন্য উত্তম এই দুই জায়গা যেন  কল্পনার জগতকেও হার মানায়।সাহিত্যপ্রেমী কিংবা প্রকৃতিপ্রেমীদের বিকেলকে আরো বেশি আনন্দদায়ক করে তুলতে এ স্থানদ্বয়ের জুড়ি নেই।আধুনিক স্থাপত্যশৈলির  ভবনের প্রতিটি রুমেই রয়েছে প্রয়োজনীয় সব সুবিধা। খুবই সাদামাঠা ইন্টেরিয়র ডিজাইনের রুমগুলিতে  কৃত্রিমতার ছাপ নেই, নেই আতিশায্যের জোয়ার।গ্রামের বাড়িগুলোর মতোই  বারান্দায় দাঁড়িয়ে চারপাশের সৌন্দর্য্য অবলোকন করা যাবে।যেকোনো অনুষ্ঠান বা সভার জন্য রিসোর্টেটিতে রয়েছে কনফারেন্স রুম।পিকনিক কিংবা গেটটুগেদারের জন্য পারফেক্ট এই রিসোর্ট । প্রকৃতির সান্নিধ্যে ভোজনবিলাসের  জন্য রয়েছে বেশ বড়সড় রেস্টুরেন্ট।যেখানে পাওয়া যায় দেশী-বিদেশী বাহারী ধরণের খাবার।সবমিলিয়ে অপরুপ চিত্র ভেসে আসে এখানে।
সুন্দর একটা বিল্ডিং দেখতে পাচ্ছি। আমরা বন্ধুরা মিলে বেরিয়ে ছিলাম বেড়াতে  কিছু চেনা অচেনা জায়গায় ঘুরতে। আসলে বেরিয়ে পড়াটাই ছিল উদ্দেশ্য,  বেড়ানোটা বাহুল্য। প্রথমেই গেলাম  সাতক্ষীরার একটা মন্দিরে  , মন্দির সাড়ে বারোটায় বন্ধ হয়ে যায়। ওখান থেকে গেলাম জাফর খাঁ গাজী সাহেবের দরগায়। বহু প্রাচীন নির্জন এই ধর্মস্থান।ত্রিবেণী ব্রিজের কাছেই চোখে পড়ল একটা পার্ক,  দেবরায় পার্ক, সেখানে একটু বসে জলযোগ সারলাম। তারপর সোজা ব্যান্ডেল চার্চ। কিন্তু চার্চ এখনও বন্ধ। দোকানদারদের মন খারাপ। ওখান থেকে গেলাম ইমামবাড়া। খুবই সুন্দর। শতাব্দী প্রাচীন ঘড়ি ঘরে চড়লাম। তারপর গঙ্গার ধারে সূর্যঘড়ি দেখে চলে এলাম চুঁচুড়ায় ডাচ্ সেমেট্রি তে। স্থানীয় লোক গোরস্থান বলেই বেশি চেনে। সন্ধ্যা নামার মুখে চলে এলাম সুসানা  মারিয়া টোম । সেখান থেকে সোজা বাড়ির পথে মাঝে একটা ধাবায় বসে গরম গরম সিঙাড়া সহযোগে চা।সব কিছু দেখা যায় কিন্তু আমার পছন্দের মানুষের জন্য একটা জায়গা দেখতে পাই। সেটা হচ্ছে ভালো একটা জায়গা।   চারিদিকে গাছগাছালি অপরূপ দৃশ্য কার কার ভালো লাগে।    বাড়ির অপরূপ দৃশ্য দেখে সত্যিই আমি অবাক এবং চাহিদা কি মনোরম পরিবেশ আমাকে মুগ্ধ করেছে আশা করি সবার ভালো লাগবে। আপনি চাইলে এখানে বেড়াতে বেড়ানোর অনেক ভালো।
আপনারা উপরের ছবিগুলোতে যেটা দেখতে পাচ্ছেন সেটি হলো মোমবাতি। মোমবাতি গ্রামে শহরে সবজায়গায় ব্যাবহৃত হয়। মোমবাতি বিভিন্ন কাজে লাগে। যেমন হিন্দু ধর্মের ধর্মীয় রীতি অর্থাৎ পুজোর সময়ও মোমবাতি জ্বালানো হয়। জন্মদিন পালনের সময় মোমবাতি জ্বালানো হয়। কাউকে স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানানোর জন্যও অধিকাংশ মানুষ মোমবাতি প্রজ্জলন করে থাকেন।কিংবা কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সময়ও মোমবাতি জ্বালিয়ে থাকেন। এই ছবিটির পেছনেও একটা বিরাট কারণ রয়েছে। সেটি হলো আপনারা সকলেই জানেন বিগত কয়েকমাস আগে বাংলাদেশে ধর্ষণের ঘটনা প্রবলভাবে বেড়ে যায়। শিশু থেকে শুরু করে তরুণী, গৃহবধু, বৃদ্ধা কেউই বাদ জান নি। তখন আমি ঢাকায় কাকুর বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। তখন আবার লকডাউনের সময়। বাইরে যেতে পারিনি। তখন রাজধানী ঢাকাশহ দেশের সবজায়গায় ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে জনগণ সোচ্চার ছিলো। এবং সকলেই মোমবাতি প্রজ্জলন করে প্রতিবাদ করেন। সেই সূত্র ধরে কাকুর বাসায় সকলেই মোমবাতি প্রজ্জলন করে প্রতিবাদ জানাই। আমার ছবিটি তুলেছিলেন আল মাসুদ কারিম ভাই। ছবিতে আমার ছবি কেটে দেওয়া হয়েছে।
এই ছবিটি বৃষ্টির সময় তোলা একটি সুন্দর ছবি  বর্ষাকালে একদিন রাস্তা দিয়ে হাটার সময় এই ছবিটা তুলেছিলাম। আমরা প্রায় বৃষ্টির বিকালে ঘুরতে যেতাম। তখন আমি এই দৃশ্য সুন্দর দেখতে পায়।  তখন এই ছবিটা তুলেছিলাম এই ছবিটা  তুলেছিলাম।এটি সুন্দর একটি প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি।এখানে  দেখতে পাচ্ছেন গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এই ছবিতে আপনারা সুন্দর একটি গাছ দেখতে পাচ্ছেন। যার নাম তাল গাছ। এর কাছে থেকে এই ছবিটি তুলেছিলাম। এর সামনে  পানিভর্তি  ফসলের মাঠ দেখা যাচ্ছে। যে ফসলের মাঠটিতে বৃষ্টির পানি জমে আছে। এটি একটি জলাশয়ের মত লাগছে। এর ভিতর বিভিন্ন ধরনের জলজ উদ্ভিদ  জন্মেছে। এছাড়া এখানে একটি সুন্দর কালভার্ট  দেখা যাচ্ছে।  এটি পানি সরবরাহের অন্যতম মাধ্যম। এই এলাকায় বৃষ্টির পানি এখান দিয়ে  চলে। উপরে সুন্দর আকাশের দৃশ্য নিচে পানির মধ্যে  দেখা যাচ্ছে। এই দৃশ্যটি অনেক সুন্দর ।  বিকাল বেলায় এই ছবিটা তোলা হয়েছে। আশা করি আপনাদের এটি অনেক  ভালো লাগবে।
শিক্ষা অর্জনের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে বিদ্যালয়। আপনারা এখানে একটি সুন্দর বিদ্যালয়ের ছবি দেখতে পাচ্ছেন। এটি একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এখানে সুন্দর একটি বিল্ডিং দেখা যাচ্ছে।  এই বিল্ডিং এর সামনের সুন্দর একটি বড় মাঠ দেখা যাচ্ছে। এটি খেলার মাঠে হিসেবে ও বিবেচিত হয়। এখানে একটি গোল পোস্ট  দেখা যাচ্ছে। এখানে ক্রিকেট ফুটবল ভলিবল সহ বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা করা হয়। এছাড়াও মাঠের সুন্দর  ঘাসের উপর আমার অনেক বন্ধুরা মিলে গল্প করি। এর চারিদিকে দেয়াল দিয়ে ঘেরা। এখানে বিভিন্ন ধরনের গাছপালা   দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। এই বিদ্যালয়ের একপাশে  সুন্দর  বাঁশ বাগান দেখা যাচ্ছে। এটি একটি সুন্দর বিদ্যালয় । এর নাম ধুলিহর  আদর্শ মাধ্যমিক  বিদ্যালয় । একদিন বিকেলে এখানে ঘুরতে এসে এই ছবিটি তুলেছিলাম।
আপনারা এই ছবিতে সুন্দর একটি রাস্তা দেখতে পাচ্ছেন। এটি আমাদের এলাকার প্রধান রাস্তা। এই ছবিতে রাস্তার  একটি মোড় দেখা যাচ্ছে। এখানে বিভিন্ন ধরনের গাছপালা  দেখা যাচ্ছে। এর আশেপাশে রয়েছে ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের ঘরবাড়ি।এই রাস্তার মোড়ে একটি বড় গাছ দেখতে পাচ্ছেন। যে গাছটি মাঝারি  ধরনের। এই গাছটিকে আপনারা অনেকেই দেখেছেন ও চেনেন। এই গাছটির নাম বট গাছ। এই ছবিতে এর শাখা প্রশাখা ও বড় বড় পাতা দেখা যাচ্ছে। এখানে দাঁড়িয়ে আমি এই ছবিটি তুলেছিলাম। এছাড়া আপনার এখানে একটি ক্ষেত দেখতে পাচ্ছেন। যা এখন পানিতে ডুবে রয়েছে। এর ওপারে দেখা যাচ্ছে গাছপালায় ভরা একটি সুন্দর স্থান। এর ভিতরে  রয়েছে সরকারি হাসপাতাল।সব মিলিয়ে  এই ছবিটি গ্রামীণ পরিবেশের একটি সুন্দর ছবি।
প্রিয় বন্ধুরা , আশা করি সকলে ভালো আছেন। আজ আপনাদের সামনে একটি সুন্দর ছবি উত্থাপন করছি। এটি আমাদের এলাকার একটি সুন্দর ধানক্ষেতের দৃশ্যের ছবি। যেখানে আপনারা সুন্দর ধানের চারা দেখতে পাচ্ছেন। এই ছবিটি তোলা হয়েছে সকালবেলা। এখানে সকালের সুন্দর কুয়াশায় ঢাকা এ ক্ষেতটি দেখা যাচ্ছে। এটি দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে। আর এই সাদা কুয়াশা ঢাকা পরিবেশটাকেও অনেক ভালো লাগছে। এর আশেপাশে কিছু খেজুর গাছ দেখা যাচ্ছে। শীতকালে এমন সুন্দর  দৃশ্য দেখা যায়।এটি রাস্তার পাশের একটি ক্ষেত। যেখানে কিছুদিন আগে এই ধান গাছ লাগানো হয়েছে। এগুলো কিছুদিন আগে রোপণ করা হলেও এগুলো সবুজ  ও সুন্দর হয়েছে। যেগুলো এখানে দেখা যচ্ছে। এগুলো রয়েছে একটি ফসলের মাঠের একপাশে। যেটি দেখতে অনেক সুন্দর। এটি সকালের একটি সুন্দর  মুহূর্তের ছবি। আশা করি এটি আপনাদের ভালো লাগবে।
এক ব্যক্তি বিক্রি করতে মাথায় পাত্র নিয়ে রাস্তায় হাটছেন।  এই ব্যক্তি এই হাঁড়ি এবং পাতিল গুলি বিক্রি করে এবং তার পরিবার পরিচালনা করে।  লোকটির পিছনে আপনি দেখতে পাচ্ছেন অনেকগুলি কলা গাছ রয়েছে।  বহু মানুষ এই রাস্তায় বহুবার যাতায়াত করে।  আপনি দেখছেন একটি মহিলা রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে।  আপনি অবশ্যই মাটির মেশিনের কথা শুনেছেন।  মাটির পাত্রে বিলে কেটে দেওয়া হচ্ছে।  আর পুকুরের চারপাশে একটি বাগান রয়েছে।  বাগানে সমস্ত সারি লাগানো হয়।  এই গাছগুলিতে কলা থাকলে তা বাজারে বিক্রি হয়।  কলা বিক্রি করে কৃষকরা প্রচুর লাভ করেছেন।  কলা বাজারে 12 মাসের জন্য পাওয়া যায়।  বিলে বরাবর অনেক মাছ রয়েছে যা থেকে অর্থ উপার্জন হয়।  এখানকার লোকটি ভারী জিনিস নিয়ে রাস্তায় হাঁটতে খুব বয়স্ক।  তবে সে যদি এটি না করে তবে পরিবার যাবে না।
চট্টগ্রামের  কর্ণফুলী ব্রিজের রাতের দৃশ্য চারিদিকে ঝলমল করছে ব্রিজের পুরোটা জুড়ে। রাত্রে কর্ণফুলী এক নতুন রঙে রাঙিয়ে দেয় এই লাইটের চমৎকার আলো। কর্নফুলী অনেক সুন্দর একটি নদী। নদীর উপরে গিয়েছে এই বিশাল সেতু। আমাদের বাংলাদেশের বড় বড় নদীর উপর তৈরি করা হয় যে ব্রিজ সেগুলো সেতু নামে পরিচিত।সন্ধ্যার পরে কর্ণফুলী নদীর দৃশ্য পুরোটাই পাল্টে যায় ঝলমলে চারিদিকে আলোর উজ্জ্বলতা ভরে যায় নদীর পানি। সেইসাথে  এক নতুন রূপ দান করে সৌন্দর্যের সেতুটির। এই সুন্দর দৃশ্য দেখতেও ভালো লাগে নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে দূর আকাশের তারার মতন জ্বলজ্বল করতে থাকে। সেতুর অপরূপ সৌন্দর্যের সাজিয়ে দিয়ে প্রকৃতিকে আরো নতুন রূপ ধারণ করেছে।
চেনা-অচেনা সকলে মিলে আমরা একটা ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে তবে আয়োজনে অনেকগুলো লোক উপস্থিত ছিল। আজ অনেক  রোজাদারদের সাথে নফল রোজার ইফতার মাহফিলে একসাথে হয়ে ছবি তুলেছি ।  একটি গ্লাসে মদ না রেখে দুধ রাখা যায় তেমনি একটি খাবারকে ট্রিট বা মানবতার উদ্দেশ্যহীন শ্লোগানে প্ররিবেশন না করে রোজাদারদের সামনে ইফতার হিসেবেও পরিবেশন করা যায় । ইবাদতকে যদি আমরা সংস্কৃতির অংশ না বানাতে পারি তবে অপসংস্কৃতি ঠিক সেভাবে প্রভাব বিস্তার করবে যেভাবে ভুল ওষুধ সেবনে শরীরের অন্য অংশে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া করে । ইসলামে হালাল সংস্কৃতি চর্চার অভাবে আজ পাশ্চাত্য সংস্কৃতি আমাদের সমাজ , অর্থনীতি , রাজনীতির উপর জুলুমের আধিপত্য বিস্তার করছে ।সবকিছু সুন্দরভাবে আয়োজন ও সম্পন্ন করতে পেরেছি । মাঝে মাঝে একসাথে আমরা সকলে মিলে খাদ্য পরিবেশন করে খাদ্য গুলো অনেক সুন্দর এবং অপূর্ব হয়। আমাদের উচিত অন্যকে কিছু খাদ্য দেওয়া খাদ্য তৈরী মানুষ অনেক সুন্দর হয়।
ছবিটিতে আমাকে দেখতে পাচ্ছি খুব সুন্দর ভাবে দই-মিষ্টি এবং বিভিন্ন প্রকার কেক তৈরি করার কারখানা যেখানে খুব সুন্দর ভাবে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে কেক তৈরি করে এবং দই তৈরি করে এগুলো আমরা বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে যাবো বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য এখান থেকে কিনতে পারব সাতক্ষীরা শহরের উপরে দোকানকে অবস্থিত সবসময় এখানে মালামালের পরিপূর্ণ করে রাখেন এবং নিজস্ব খামারে খুব সুন্দর ভাবে দুধ এনে এখানে বিভিন্ন প্রকার মিষ্টান্ন বানিয়ে থাকেন এই রেষ্টুরেন্টের সকল প্রকারের কেক তৈরি করা যায় কারণ এখানে নির্দিষ্ট মেশিনে খুব সুন্দর ভাবে বিভিন্ন জন্মদিন অনুষ্ঠান সহ অনেক ধরনের অনুষ্ঠানের এবং ছোট বাচ্চাদের কেক এখান থেকে বিক্রি করা হয়  দই খুব সুন্দর একটি সুন্দর সুস্বাদু খাবার যদি খাবার জন্য অনেক দূর দূরান্ত থেকে মানুষজন আছে এবং কেনার জন্য আসে সবসময় মানুষজন এখন ভালো জিনিস কেনার জন্য একটু টাইম লাগলে কোন দাম বেশি হলেও সব সময় এই সাতক্ষীরা জেলার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন ভান্ডার আসে
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন প্রকারের মানুষ যারা তারা মহিষ পালন করে থাকেন ছবি আমরা দেখতে পাচ্ছি একদম সুন্দর ভাবে তারা লাফালাফি করছে নদীতে এই নদীটি সুন্দরবনের নদী বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সাতক্ষীরা জেলার সুন্দরবন এই ভুলটি দেখি বিভিন্ন দেশ থেকে আসে এবং তারা এই মহিষের আনাগোনা উপভোগ করতে পারে যখন একসাথে বের হয় খুব শান্তশিষ্ট ইরানি খুব সুন্দর ভাবে চলাফেরা করে পাশাপাশি তারা অর্থনৈতিকভাবে মানুষেরা যারা চাষ করে থাকে তাদের অনেক লাভবান করে দিয়ে যান এ মহিষ পালন করলে আপনি প্রতিনিয়ত দুধ পাবেন প্রতি বছর একটা করে বাচ্চা পাবেন প্রতি বাড়িতে এমন একটা দুটো করে মরেছে দক্ষিণাঞ্চলে মানুষেরা পালন করে থাকেন মহিষের দুধে প্রচুর পরিমাণ শক্তিশালী করে মানুষের দেহ অপুষ্টিকর সম্মিলিত এই মধুর বিভিন্ন দেশে বানানো যায় সাতক্ষীরা জেলা অথবা বাংলাদেশ থেকে
বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ মুসলমান মুসলিম সম্প্রদায়। এ দেশে প্রায় 18 কোটি মানুষের মধ্যে 16 কোটি মুসলমান। বাংলা ভাষাভাষী মানুষ এরা সবাই মিলেমিশে বসবাস করে।সব ধর্মের মানুষের রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি ও প্রার্থনার স্থান। মুসলমান দের পবিত্র স্থান মসজিদ এ তারা পাঁচ নামাজ আদায় করেন। এখন আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও আলোচিত জেলা রাজশাহী জামে মসজিদ। যেখানে  মসজিদের সামনে রয়েছে অনেক বড় একটা পুকুর। এটি অনেক জনপ্রিয় একটি মসজিদ। এখানে একসাথে অনেক মুসল্লি নামাজ আদায় করেন।আর জায়গা টা অনেক পরিচ্ছন্ন হওয়ার কারণে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সব মসজিদের মধ্যে একটি হলো প্রথম সারির।
পাহাড়ি অঞ্চল থেকে এই ছবিটি আমরা তুলছি বন্ধুরা আমি এর বিস্তারিত সম্পর্কে আপনাদের কিছু কথা বলব এবং দেখানোর চেষ্টা করব খুব সুন্দর ভাবে অনেক বড় বড় বিভিন্ন প্রকার পাহাড় জঙ্গল ঘেরা এবং একটি ছেলে একটি মেয়ে অনেক সুন্দর ভাবে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষের আসে বিভিন্ন দেশ থেকে আসে যারা এই পাহাড় সম্পর্কে বিভিন্ন রহস্য কুষ্টিয়া সে তার ভিতরে ছেলে মেয়েটির পাহাড়ের উপরে উঠে গোটা দেশকে দেখতে চাই পাহাড়ের উপরে আমরা অনেকে বলি যে অনেক মনে হোল মত কিন্তু পাহাড়ের উপরে একদমই সমতল ভূমির মতো মনে হয় সেখানেও আরেকটি পাহাড়ের দেশ রয়েছে উপর থেকে সব দেখা যায় ছোট ছোট এবং অনেক উচু হয় এই পাহাড় গুলো ঠিক তেমনি একটি পাহাড়ের উপরে উঠছে রাখা এবং পাশে বিভিন্ন প্রকার জঙ্গল বিভিন্ন প্রাণী বসবাস করছে একটি মেয়ে পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন প্রকার প্রাণী এবং যার ভিতর পাখি পাখি গুলো উরে
ছবিতে আমি আপনাদেরকে ঢাকা শহরের একটি ছবি তুলে দেখতেছি এবং সৌন্দর্যে ঘেরা এই ঢাকা শহরের রাত্রের ব্রিজ গুলা ঢাকা শহরে এদিকে-ওদিকে আনাগোনা অনেক ধরনের ব্রিজ রয়েছে তার ভিতরে অন্যতম যে এই দেশগুলো লাইটিং করা রয়েছে যার তলা দিয়ে ওপরে দিয়ে বিভিন্ন প্রকার পরিবহন মোটরসাইকেল চলাচল করে একাধারে এক ধরনের কালার এবং রাত্রেবেলা যখন একসাথে আলোগুলো জ্বলে ওঠে পুরো ঢাকা শহরে আলোকিত হয়ে যায় অনেক সুন্দর চোখের ও পরিবেশ মনমুগ্ধকর এবং হালকা ঠাণ্ডা অনেক দেশ থেকে মানুষজন সন্ধ্যার পর থেকে এই ব্রিজের উপরে এসে আকর্ষণীয়ভাবে দেখে ব্রিজের উপরে তাকালে দেখা যায় বিভিন্ন প্রকার বিল্ডিং এবং বিভিন্ন নদী আরো অনেক কিছু বিভিন্ন প্রকার গাড়ি চলাচল করে এই ব্রিজের উপর দিয়ে ওভারব্রিজ দিয়ে উপরে দিয়ে মোটরসাইকেল বর্তমান সময়ে ঘেরা থাকে মানুষের
দেখা যাচ্ছে একটি গামলায় অনেক সুন্দর করে কিছু ছোলা ভুনা এবং খুব সুন্দর করে কিছু পরিয়ে রাখা আছে এবং খুবই সুন্দর দেখা যাচ্ছে এই গুলা দেখতে অনেক সুন্দর দেখা যাচ্ছে এবং খেতেও এগুলো অনেক সুস্বাদু আমাদের বাংলাদেশের সকল মানুষই এই গুলো খুবই পছন্দ করে বাঁচাবো চোখেতে সকলের পছন্দ করে এবং এই ভাজাভুজি খেতে খুবই ভালো লাগে এবং আমাদের এলাকার ভিতরে সবচেয়ে সুন্দর ভাজা তৈরি করে এই দোকান থাকতে এখানে প্রচুর পরিমাণে মানুষ জামায়াত হয় এবং এখানে প্রচুর পরিমাণে ভিড় হয় এবং এই খাবার খেতে অত্যন্ত সুন্দর এবং প্রচুর পরিমাণে ভালো লাগে সেজন্য এখানে প্রচুর পরিমাণে মানুষ এখান থেকে ভাজা কিনে খাওয়ার জন্য এবং খুবই সুন্দর এইগুলি আমাদের বাংলাদেশের মানুষেরা শান্তিপ্রিয় এবং আনন্দপ্রিয় খুবই বেশি সেজন্য তারা এভাবেই তাদের জীবনকে বিভিন্নভাবে রঙিন করার জন্য তারা বন্ধুরা মিলে সবাই একসঙ্গে তারা এই খাবার খায় এবং এই বাজারে দোকানে যায় এবং শুধুমাত্র আমাদের এই দোকানের বিভিন্ন বাজারে দোকানে বসে এবং মনোযোগ সহকারে তারা এগুলো খায় এবং খুবই ভালো লাগে তাদের এগুলো খেতে এবং বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই ভাজা খেয়ে থাকে এবং তাদের একটি খুব প্রিয় একটি খাবার বলে চলে।
এই যে বাজারের ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন বন্ধুরা এটা খুলনা বিভাগের ডুমুরিয়া উপজেলার কাঠালতলা বাজার খুবই অসাধারণ এই বাজার টা দিন দিন বাজার টা যেন বিশাল জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে বাজারে প্রচুর পরিমাণ লোকসমাগম বাড়তে থাকে খুবই অসাধারণ এই বাজারের সুন্দরী সন্ধ্যার পরে আলোর সজ্জায় সজ্জিত এই বাজারের ছবিটা সবার চোখে পড়ার মতো খুবই অসাধারণ এবং দৃশ্যমান এই বাজারে তাই বন্ধুরা এই ডুমুরিয়া উপজেলার কাঠালতলা বাজার এর সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো দৃশ্যমান সৌন্দর্য তাই নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিগুলো খুবই পছন্দ হয়ে থাকবে তাই তোমাদের যদি এই ছবিগুলো হয়ে থাকে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবা আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবা তাই খুলনা বিভাগের ডুমুরিয়া উপজেলার কাঠালতলা বাজার এর সন্ধ্যার পরে দোকানপাট বিল্ডিং মার্কেট রাস্তা কতইনা অসাধারণ দেখতে খুবই দৃশ্যমান তাই রাতের আধারে আলোয় আলোকিত দৃশ্যগুলো চোখে পড়ার মতো তাই নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিটা ভালো লাগে তাই তোমাদের যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবা আর আমার এখানের টা সাবস্ক্রাইব করুন
ছবি দিতে হবে সুন্দর একটি বিল্ডিং ডিপার্টমেন্টে। এই বিল্ডিংটি অনেক সুন্দর  গাছগাছালিতে ভরা অনেক অসাধারণ একটি বিল্ডিং। এটি মোগল আমলে তৈরি করা হয়েছিল মন্দিরের মতো দেখতে কিন্তু অনেক অসাধারণ একটি দৃশ্য। ঐতিহ্যবাহী বিল্ডিং পুরান ঢাকা মুঘলদের তৈরি। আপনার কাছে কি প্রমাণ আছে এগুলো হিন্দু জমিদারদের। আর তারও যে খুব মানুষ যে ছিল না, সেটা ইতিহাসের পাতায় লিখা আছে। পূর্ব বাংলাকে স্বাধীন করতে গিয়ে স্থানীয় কিছু লোক চল যেতে পারে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর পশ্চিম পাকিস্তানীরা যারা পূর্ব বাংলাতে স্থায়ী ভাবে বসবাস করত, তাদেরকেও আমরা দেশ থেকে বের করে দিয়েছি। আশাকরি বিল্ডিংটি দেখি আপনি মুগ্ধ হয়েছেন তাহলে আপনি কমেন্ট করবেন। এই এলাকাটা আমি মাঝে মাঝে বেড়াতে যাবে। এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভ্রমণ করতে আসে এটি একটি পর্যটন নগরী হিসেবে দিন দিন প্রচার হচ্ছে।
এই যে বাজারের ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন বন্ধুরা এটা খুলনা বিভাগের ডুমুরিয়া উপজেলার কাঠালতলা বাজার খুবই অসাধারণ এই বাজার টা দিন দিন বাজার টা যেন বিশাল জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে বাজারে প্রচুর পরিমাণ লোকসমাগম বাড়তে থাকে খুবই অসাধারণ এই বাজারের সুন্দরী সন্ধ্যার পরে আলোর সজ্জায় সজ্জিত এই বাজারের ছবিটা সবার চোখে পড়ার মতো খুবই অসাধারণ এবং দৃশ্যমান এই বাজারে তাই বন্ধুরা এই ডুমুরিয়া উপজেলার কাঠালতলা বাজার এর সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো দৃশ্যমান সৌন্দর্য তাই নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিগুলো খুবই পছন্দ হয়ে থাকবে তাই তোমাদের যদি এই ছবিগুলো হয়ে থাকে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবা আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবা তাই খুলনা বিভাগের ডুমুরিয়া উপজেলার কাঠালতলা বাজার এর সন্ধ্যার পরে দোকানপাট বিল্ডিং মার্কেট রাস্তা কতইনা অসাধারণ দেখতে খুবই দৃশ্যমান তাই রাতের আধারে আলোয় আলোকিত দৃশ্যগুলো চোখে পড়ার মতো তাই নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিটা ভালো লাগে তাই তোমাদের যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবা আর আমার এখানের টা সাবস্ক্রাইব করুন
এখানে কিছু প্রয়োজনীয় খাদ্যের ছবি আছে। আর এগুলো আমাদের বাঙালীর সাধারণ খাদ্য।  এগুলো তৃপ্তি সহকারে খাওয়া যায়। এগুলো পিঠা নামে ও পরিচিত। আর এই পিঠাকে বাঙালীরা পাকান পিঠা বলে ডাকে। যা এদের কাছে অনেক জনপ্রিয়। এটি সুস্বাদু খাদ্য নামে পরিচিত। এগুলো দোকানে তৈরী করতে দেখা যায়। বিশেষ করে শীতকালে বেশি তৈরী করতে দেখা যায়। 
আর অন্য সময় ও তৈরি করা হয়। কিন্তু পরিমাণে কম দেখা ও যাই। এগুলো আমার আম্মু নিজের হাতে তৈরি করেছেন। কারণ, এগুলো বাসায় তৈরি করা যাই তাই। এটি চিনি ও আটা গুলে আরো মসলা দিয়ে তৈরি করা হয়। যারা তৈরি করে তারা এগুলো সম্পর্কে ভালোই জানেন। আর এগুলোর গুরুত্ব অগ্ৰাহ্য করা যাই না।
ছবিগুলো একটি রাস্তার ছবি খুবই অসাধারণ এই রাস্তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ছবিগুলো তাই আমাদের কাছে খুবই প্রিয় এবং অসাধারণ একটি রাস্তা এটা তাই বন্ধুরা আমাদের সাতক্ষীরা শহর থেকে প্রায় 10 কিলোমিটার দূরে থেকে গোবিন্দপুর যাওয়ার জন্য একটি রাস্তা গোবিন্দপুর মাঝখানের এই রাস্তাটা আমাদের কাছে খুবই প্রিয় আমি পড়ন্ত বিকালে সাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় এই রাস্তার ছবিগুলো তোলা হয়েছিল দেখতে পাচ্ছেন রাস্তায় অনেকগুলো যানবাহন চলাচল করছে যেমন মোটর সাইকেল সাইকেল কত কিছুই না এই রাস্তায় তাই আমি সাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় এই কয়েকটা ছবি তুলেছিলাম ফটোগ্রাফি টা খুব অসাধারণ ফটোগ্রাফি হয়েছে তাই নিশ্চয়ই তোমাদের এই ফটোগ্রাফি জন্য ছবিটা খুবই ভালো লাগে তাই বন্ধুরা দেখতে পাচ্ছেন এই ছবিতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আছে আকাশের আকাশ নীল আছে এবং রাস্তার সাইডে গাছ গাছরা কালবাট কতই না কিছু দেখা যাচ্ছে এই ছবিগুলো ছবিগুলো এবং অসাধারণ এই ছবিগুলো খুবই ভালো লাগবে
আমাদের দেশের নাম বাংলাদেশ। এটার আয়তন ১৪৭৫৭০ বর্গ কি:মি:  আমাদের দেশের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভর করে থাকে।কৃষির জন্য সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বীজ। কৃষির মূল উপকরণ হচ্ছে বীজ। বীজ উদ্ভিদ জগতের ধারক ও বাহক। বীজই ফসল উৎপাদনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। সাধারণত আমাদের দেশের চাষিরা নিজ নিজ ফসলের অপেক্ষাকৃত ভালো অংশ পরবর্তী ফসলের বীজ হিসাবে ব্যবহার করে। কিন্তু একই বীজ থেকে বার বার চাষ করলে ফসলের ফলন অনেক হ্রাস পায়। তাই প্রায় ২-৩ বছর পর পর বীজ পরিবর্তন (Seed replacement) খুবই জরুরি। : বীজ বলতে আসলে অনেক কিছুই বোঝায়। ফসলের যে কোনো অংশ, দানা অথবা অঙ্গ যেটি অনুরূপ একটি ফসল পুনঃ উৎপাদনে সক্ষম তাকেই বীজ বলে অভিহিত করা যায়। বীজ উদ্ভিদের বংশ বিস্তারের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। উদ্ভিদতাত্ত্বিক বৈশিষ্টাবলি এবং কৃষি কাজের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার অনুসারে বীজের সংজ্ঞা দু’রকম হতে পারে। প্রথমত, উদ্ভিদতত্ত্বানুসারে ফুলের পরাগরেণু দ্বারা ডিম্বক নিষিক্ত হবার পর পরিপক্ব ডিম্বককে বীজ বলে। যেমন : ধান, গম, পেঁপে বীজ। দ্বিতীয়ত, কৃষিতত্ত্বানুসারে গাছের যে অংশ বংশ বিস্তারের জন্য ব্যবহৃত হয় তাকেই বীজ বলে। যেমন- আলুর টিউবার, মিষ্টিআলুর লতা, কলার সাকার, কুলের  কুঁড়ি, পাথরকুচির পাতা, বিভিন্ন ফুল গাছের শাখা-প্রশাখা ইত্যাদি।নানা ধরনের বীজ পাওয়া যাই।
ভিলেজ সুপারমার্কেট নামে এই বিল্ডিংটা উদ্বোধন করা হয়েছে যেমন শপিং সেন্টার হয় তেমনই একটি স্বাধীন চিন্তার নতুন উদ্বোধন করা হয়েছে ডুমুরিয়া উপজেলার ডুমুরিয়া বাজারে এই ভিলেজ শপিং সেন্টার উদ্বোধন করা হয় খুবই অসাধারণ এই জায়গাটি তাই এখানে দিনের আসবারপত্র কাঁচামাল সবজি শাড়ি কাপড় সমস্ত ধরনের মাটি পাওয়া যায় তাই খুবই অসাধারণ এই ভিলেজ মার্কেট তাই নিশ্চয়ই তোমাদের এই ভিলেজ মার্কেট এর সৌন্দর্য তুলে ধরতে পারলাম এখানে কয়েকটা ছবি দেখছেন এই ছবিতে এই ভিলেজ মার্কেট এর বিল্ডিং বিল্ডিং এর সাইটে দৃশ্য লাইটিং এর ছবি দেয়ালের দৃশ্য বিতরের সৌন্দর্য অনেক কিছুই তুলে ধরা হয়েছে খুবই অসাধারণ সুপার মার্কেটের ছবিটা নিশ্চয়ই তোমাদের খুবই ভালো লাগবে ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করুন ভিলেজ সুপারমার্কেট ডুমুরিয়া বাজার খুলনা বিউটিফুল ছবি আপনার যদি পছন্দ হয়ে থাকে আপনি আপনার মোবাইলের স্ক্রিন ওয়ালপেপার সেট করে নিতে
ইটের গাথুনির দ্বারা টাওয়ারের মতো যে চিত্রটি দেখতে পাচ্ছি এটির নাম হচ্ছে মাহিলাড়া মঠ। 
নবাব আলী বর্দি খানের শাসনামলে সরকা রুপরাম দাস গুপ্ত নামক এক ব্যাক্তি কর্তৃক নির্মিত। ইহা সরকার মঠ নামেও পরিচিত। মঠটির উচ্চতা ভুমি হতে প্রায় ২৮ মিটার।
মঠটি বর্গাকারে নির্মিত ভিতরে একটি কক্ষ এবং পশ্চিম দেয়ালে একটি খিলান যুক্ত প্রবেশ পথ সহ অলংকরণ রয়েছে। বর্নিত বিবেচনায় মঠটি পর্যটন এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। উল্লেখ্য যে,মাহিলাড়া মঠটি প্রত্মতত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক ঐতিহাসিক মঠ হিসেবে স্বীকৃত পেয়েছে। দিন দিন এটি একটি সুন্দর পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে। এটি দেখতে অনেক জায়গা থেকে অনেক লোক আসে। দূর-দূরান্ত থেকে এটি দর্শনার্থীদের চোখে অনেক সুন্দর লাগে। এদি দেখতে অনেক সু তাহলে নতুন এ চিত্র ভিতরে অনেক স্থানে রয়েছে যা দেখে অবাক হয়েছি। এবং এলাকাটি আমার সব মিলিয়ে অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন গাছগাছালি অপূর্ণ ভালবাসা দেখে আমি অবাক হয়েছি। আমার ইচ্ছে করছে এখানে সারাখন ঘোরাফেরা করতে।
আপনারা উপরের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন একটি দোকান।সেটি কিসের দোকান সেটা প্রথমে দেখে কেউ বুঝতেই পারবেন না। সেটি কম্পিউটারের দোকান, নাকি বিকাশের দোকান নাকি ব্যাট বলের দোকান নাকি বই খাতার দোকান নাকি ফটোকপি প্রিন্টের দোকান,নাকি কসমেটিক্সের দোকান?সামনাসামনি না দেখলে কেউ বুঝতেই পারবেন না। তবে মজার বিষয় এটাই যে এই সকল উপকরণ মিলে একটি দোকান। এটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের হেঞ্চি বাজারের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। দোকানটির নাম মা টেলিকম, দোকানের প্রোপাইটর আমার শ্রদ্ধাভাজন ব্যাক্তি তারপরেও অনেকটা বন্ধুসুলভ মোঃ সিদ্দিকুর রহমান ভাই। এখানে একইসাথে কম্পিউটার মেমোরি লোড, ফটোকপি করা,ছবি বের করা ছবি প্রিন্ট করা,প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লেমিনেটিং করা, বই, খাতা,রাবার,পেন্সিল,কলমসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ তারপরে এখানে টাকা আদানপ্রদান করা হয়। টাকা আদানপ্রদানের অন্যতম মাধ্যম হলো,বিকাশ রকেট, ডাচ বাংলা ব্যাংক। ব্যাট বল সহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী পাওয়া যায়। একই সাথে লিপস্টিক, ক্রিম,ব্রাচলেট,গলার হারসহ বিভিন্ন কসমেটিকস সামগ্রী পাওয়া যায়। ভাইয়ের দোকানের সফলতা কামনা করি।
আমরা একটি বহুতল ভবন দেখতে পাচ্ছি রাস্তার পাশে। সাতক্ষীরা সদরে রাস্তার সাইডে এই বহুতল ভবনটি একজন প্রবাসী বাঙ্গালির। বাড়ির নিচে মার্কেট এবং উপরে আবাসিক। এই বাড়িটি খুব সুন্দর করে তৈরি করা হয়েছিল 2008।এই বাড়িটির সিকিউরিটি ব্যবস্থা অনেক ভালো। আমরা রাস্তা দিয়ে এক জন মোটরসাইকেল চালককে দেখছি। তার মাথায় হেলমেট মুখে মাক্স পড়া পেছনে একটি বিশুদ্ধ পানির পাত্র। তাকে অবশ্যই একজন সচেতন নাগরিক বলতে হবে। কেননা  এই পানি রিফাইন্ড করা  যা আমাদের জন্য খুবই উপকার। তার সাথে হেলমেট ব্যবহার করেছে এবং মাক্স পড়া আছে যার জন্য সে অবশ্যই একজন সচেতন মানুষ। এইভাবে রাস্তায় সচেতনভাবে বার হলে আল্লাহর রহমতে আমাদের অনেক বিপদ থেকে রক্ষা পেতে পারে। সব সময় মোটরসাইকেল চালালে হেলমেট ব্যবহার করতে হবে সেই সাথে অবশ্যই মাক্স পড়তে হবে।
রাস্তার পাশে এমন অনেক হোটেল দেখতে পাবেন। কারণ আমাদের দেশে চারিদিকে হোটেলে ভরপুর। আর এখানে অনেক কিছু তৈরি করে বিক্রি করা হয়। এখানের খাদ্যগুলো অনেকে খেয়ে থাকেন। আর এই জন্য এই সব হোটেলের উপর অনেকে নির্ভরশীল। যাবতীয় খাওয়া এখান থেকে খান। অনেকে সকালের নাস্তা খান। অনেকে দুপুরের খাবার খান। অনেকে রাতে ও খান। আর তাদের জন্য এখানে রান্না করা হয়। 
আর সকালে এক রকম দুপুরে অন্য রকম ও রাতে অন্য রকম রান্না হয়। আর সবাই তৃপ্তি সহকারে খাই। যাদের বাসায় কোন মহিলা নাই রান্না করার লোক নাই তাদের জন্য এই সব হোটেল। অথবা অনেকে নিজের ইচ্ছায় ও খেতে আছেন। এখানে হোটেলের বাইরে সিঙ্গারা সমুসা আছে। আর এগুলো হোটেলের জন্য জনপ্রিয়। এগুলো সুস্বাদু খাদ্য। সবারই পছন্দের খাদ্য এগুলো। তাছাড়া ও পূরি, চপ, পিঁয়াজী, বেগুনি, নিমকি তৈরি করা হয়। যা খেতে অনেকে ভালোবাসেন। এই হোটেলটি আমাদের এলাকায় তৈরী। সাতক্ষীরা জেলার কামাল নগর গ্ৰামে এটি তৈরী।
সাতক্ষীরা খুলনা রোডে বড় করে স্যান্ডালিনা সোপ এর বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড টানানো।আমরা আরো দেখতে পাচ্ছি এখানে বিভিন্ন রকমের দোকান। তার মধ্যে হামদার্দের বড় একটি ওষুধের দোকান। ভেজস ঔষধ হিসেবে আমাদের কাছে পরিচিত। তার পাশে আছে ছোট্ট একটি হোটেল এরকম বিভিন্ন ধরনের দোকানে ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান আছে। রাস্তা দিয়ে সারা দিন প্রচুর পরিমাণে যানবাহন মানুষের যাতায়াত।এ রাস্তাটি  জনবহুল একটি রাস্তা। যশোর খুলনা সাতক্ষীরা তিন রাস্তার মড় পড়ে। এই রাস্তা দিয়ে সারা দিন প্রচুর পরিমাণে যানবাহন মানুষের যাতায়াত করে থাকে। আর আশেপাশে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো খুবই চলে। তাছাড়াও সদর হাসপাতাল আছে এই রাস্তার মোড়ে। যার জন্য এ জায়গাটি আরও বেশি জনবহুল। এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করার সময় অবশ্যই আমাদেরকে সাবধানতা অবলম্বন করে যাতায়াত করতে হবে।
ছবিটিতে যে পার্ক দেখতে পাচ্ছি। পার্কের সামনে একটি মন্দির রয়েছে। এটির সুন্দর দৃশ্য। খেলা মাঠ মাঠ আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। সারাদিন কাজ করার পর উদ্দেশ্য থেকে সত্যিই ব্যাপক হয়েছে। কোন জায়গা থেকে আমার মন জুড়ে গিয়েছে।ভিতরে বাচ্চাদের খেলাধুলা করার ভালো ব্যবস্থা আছে, খুব সুন্দর সুন্দর বসার জায়গা আছে, রংবেরঙের ফুল, মাছ আছে। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কীর্তির বহু নিদর্শন ওখানে দেখা যায়। একেবারে পাশেই গঙ্গা। শৌচাগার আছে। কোথাও কোনো প্রবেশমূল্য নেই। লোকমুখে প্রচার ও ফেসবুকের কল্যানে এখন খুবই ভিড় হচ্ছে। বিকেল 5 টা অবধি খোলা থাকে। সোম থেকে রবি প্রতিদিনই খোলা। তবে বেশিরভাগ ছুটির দিন ভিড়ের আশঙ্কায় বন্ধ থাকছে। ভ্যালেন্টাইন্স ডে, সরস্বতী পূজা, প্রজাতন্ত্র দিবস সবেতেই বন্ধ ছিল। ভিতরে খাবার নিয়ে ঢোকা যাবে না। বাইরে ছোটো ছোটো কিছু অস্থায়ী দোকান আছে। সাইকেল ও বাইক রাখার ও ব্যবস্থা আছে। প্রচুর টোটো আছে, খুব সহজেই কোন্নগর স্টেশন থেকে আসা যাবে। বালি থেকে অটোও আছে। চারিদিকে গাছগাছারী এবং পর্যটকদের ভিড়ে এলাকাটা আমার কাছে অনেক সুন্দর এবং রোমাঞ্চকর মনে হয়েছিল।
শুভ সন্ধ্যা বন্ধুরা , এই  মাঠটি আপনারা দেখতে  পারছেন । এই  সবার  কাছে  অনেক  জনপ্রিয়  । এই  স্থানটি হলো   জাহানাবাজ গ্রাম।   এই  মাঠটি সবার  কাছে  অনেক  জনপ্রিয়  হওয়ার কারন হলো  এখানে  ছোট  বড় ছেলে  মেয়েরা  খেলা ধুলা  করে ।  তারপর  এখানে  বিভিন্ন  অনুষ্ঠান হয় এই  মাঠে ।  এই মাঠটি দেখা  যাচ্ছে  বালি দিয়ে  ভরা ।  মাঠের  ডান পাশে  একটি  ছোট  পাচিল দেখা  যাচ্ছে ।   পাচিলের ডান পাশে  দুই তালা বাড়ি  দেখা  যাচ্ছে ।  নিচের  তালাটি  হলুদ  রং করা  । উপরের  তালাটি  ইটের  তৈরি । দুই তালা ঘরের  নিচের  তালার ভেতরে  একটি  টিনের  জানালা আছে । দুই তালা ঘরের  সামনে কয়েকটি  আম গাছ দেখা  যাচ্ছে ।  মাঠের  বাম পাশে  সামনে  একটি  ধানের  খেত দেখা  যাচ্ছে  ।  ধানের  খেতের সামনে  একটি  ইটের  বাড়ি  দেখা  যাচ্ছে । মাঠের ডান পাশে  আম গাছের  সামনে  একটি  কারেন্টের  খুটি  আছে । তার  পাশে  একটি  বট গাছ  দেখা  যাচ্ছে । কারেন্টের  খুটির সামনে  একটি  মসজিদ  দেখা  যাচ্ছে ।
চারিদিকে বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ মাঝখানে ইটের গাঁথুনিতে আরো সুন্দর সুন্দর স্তম্ভ তৈরি করা হয়েছে যা দেখে সত্যিই আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি এবং এটি একটি পর্যটন নগরী।হাজার বছরের ইতিহাস বিজড়িত রহস্যময় বল্লাল ঢিপি। বল্লাল ঢিপি সত্যিই কি সেন রাজাদের প্রাসাদের ধ্বংস স্তূপ।না কি আসলে এটি একটি প্রাচীন বৌদ্ধ স্তূপ যা পরিবর্তিত হয় দেবতার মন্দিরে।নদীয়া জেলার অন্যতম প্রধান শহর নবদ্বীপের পূর্ব কোণে গঙ্গার পূর্ব পারের মায়াপুরের প্রত্যন্ত গ্রাম বামুনপুকুর। এখানেই খোলা আকাশের নীচে অনাদরে-অবহেলায় পড়ে আছে বল্লাল ঢিপি। যা সঠিকভাবে উৎখনন হলে মধ্যযুগের ইতিহাসের গতিপথটাই হয়তো বদলে যেত, এমনটাই মনে করেন প্রত্নতত্ত্বের গবেষকেরা। বল্লাল ঢিপি চিরকালই রহস্যের চাদরে মোড়া এক আশ্চর্য স্থান।সম্পূর্ন পোড়ামাটির ইট দ্বারা নির্মিত এবং চারিদিকে প্রাচীর বেষ্টিত। এই পুরো নিদর্শনটি প্রধানত দুই ধরনের মাপের ইট দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। মূল নিদর্শনের মধ্য দিয়ে যে রাস্তা রয়েছে সেটি প্রায় ৫ ফুট চওড়া। মনে করা হয় এটিই ছিল অন্দরমহলে প্রবেশের পথ। ধ্বংসস্তূপের বামদিকে কিছু ছোটো ছোটো কাঠামো রয়েছে কিন্তু ডান দিকে অবস্থিত বিশাল কাঠামো। উপরে রয়েছে কুমীরের মুখের আকৃতির প্রস্তরখন্ড, যা জল নিষ্কাশন প্রণালীর অংশ বলে মনে করা হয়। মূল কাঠামোর পাশেই অপেক্ষাকৃত যে ছোটো কাঠামো রয়েছে, অতীতের বন্যার সময় সেখানে মাটি সরে যাওয়ার ফলে নীচের দিকে আরও বিস্তৃত ইঁটের ধ্বংসাবশেষ দেখতে পাওয়া যায়, এ থেকে খুব সহজেই অনুমান করা যায়, ঐ অপেক্ষাকৃত ছোটো কাঠামোটির নীচে হয়তো আরও বড়ো কোনো প্রাসাদ ছিল।বাংলার সর্বকালের, সর্ববৃহৎ এবং সবচাইতে প্রাচীনতম মন্দির বলে পুরাতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশ যাকে চিহ্নিত করেন, সেটি এই বল্লাল ঢিপি। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের অসমাপ্ত গবেষণা থেকে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে মনে করা হয়, বাংলার প্রাচীন এই দেবালয়ের গঠন স্থাপত্যের শৈলী ত্রিরথ সর্বতোভদ্র বৌদ্ধ স্তূপের মতো।বর্তমানে খোলা মাঠে অবহেলায় পড়ে আছে বল্লাল ঢিপি। চারপাশে সরকারি জমি জবরদখল হয়ে যাচ্ছে। এত সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক একটা জায়গায় কোনও নিরাপত্তারক্ষী নেই, পরিকাঠামোর  উন্নয়ন নেই। ধীরে ধীরে ধ্বংসাবশেষে পরিণত হচ্ছে বল্লাল সেনের রাজধানী বল্লাল ঢিপি। ইতিহাসের মূল্যবান উপাদানের দিকে ফিরে তাকানোর সময় নেই কারও। এজন্যই মনে করি আমাদের প্রাচীনতম নিদর্শন গুলো আমাদের রক্ষা করার নৈতিক দায়িত্ব।
The name Rabindranath Tagore is very popular in both Bangladesh and India and is a rebellious name. He was a poet and writer by profession and besides that he fought only for the people of Bengal.  He is known all over the world. He has all the marks of world poet Rabindranath Tagore. The pictures of Uddipak's house are basically of Jorasanko.The house is located in Jorasanko, Burdwan district of Kolkata. It is located in India and is very popular and is now a tourist destination. It is now used as a museum. It is now used as a museum. Rabindranath Tagore spent his life in this house.  All the writings of his career are written here. He was a child of the famous Tagore family which is why when you see these houses you will understand that he was a child of a big family and a man of Burdwan.  He wrote innumerable stories for Bengalis. He wrote stories for young children. He has novels and poems. He became a world poet as a poet and poet at the same time.  He was a generous man, a nature lover and a nature lover  He has presented himself with meditation.  And he has always been in the present life with human fiction so he has always been accepted by the people. He was a famous writer and his books are still read by people of two Bengals and his writings are still read by people all over the world.  A unique example to him is that Rabindranath Tagore died in this house and his place of death was Jorasanko Tagore family and his father was a big hearted man and their lineage was of high caste and they have brought a new writer for the people of Bengal.  We will always remember Rabindranath Tagore forever.
অনেক টা সময় লকডাউনে গৃহবন্দি থাকার পর,  বেড়িয়ে পড়লাম ভ্রমনে।একদিনের জন্য। তার সাথে মুলুটী, বীরচন্দ্রপুর আর নলহাটিও । মুলুটী র বর্ণনা পরে দিচ্ছি ।আমরা গেলাম মাঘী পূণিমার দিন।  প্রচুর প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়েছিল সেদিন। মায়ের আসল ভোগ খাবার সৌভাগ্য হয়েছিল সেদিন। সব মিলিয়ে দেখেন আমার কাছে অনেক সুন্দর লেগেছিল এলাকা দেওয়া সেপ্টেম্বর মন্দিরে মন্দিরে অনেক জন।  সত্যিই আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করবেন। এলাকাটা সুন্দর ও ভোগ করলেও চারিদিকে সুন্দর বাতাস এর কাছে রয়েছে। এই মন্দিরটি হচ্ছে একটি তৃতীয় স্থানে হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন সময় তারা প্রমাণ করে এলাকায় আমার কাছে ভাল লেগেছে।আপনার কাছে আশা করি ভালো লাগবে। এবার সুন্দর আকাশ সুন্দর বাতাস এই এলাকাটি মনমুগ্ধকর রোমাঞ্চকর বলে আমি মনে করি। এটা আমার কাছে অনেক সুন্দর। এবং মনোরম হয়েছে এলাকাটা অনেক সুন্দরী বর্তমান সরকার বিদায় এলাকায় অনেকে মানুষের কাছে জনপ্রিয় দিন দিন হয়ে যাচ্ছে। অনেক খারাপ অনেক ভালো লাগছে এখানে বেড়াতে আমার কাছে সত্যি মনোরম পরিবেশ মনে হচ্ছে।
আমাদের গ্রামের বাসায় মূলত বাগের একটা দৃশ্য। এটা অসাধারণ সৌন্দর্যমন্ডিত একটা জায়গা। আমাদের যে বাড়ির ভিতরে যে সুন্দর ফাঁকা জায়গা রয়েছে যেখানে গাছপালা লাগানো। সেখান থেকে তোলা ছবি এটি। এটাকে আমরা বাগ বলে থাকি। এটা খুবই সুন্দর এবং সবুজে ঘেরা জায়গা। জায়গাটি অবস্থিত আমাদের গ্রামের বাসা পারুলিয়া বিশ্বাস বাড়ি এলাকায়। সেখানকার ছবি এটি। আমাদের জমিতে এত সুন্দর মনমুগ্ধকর এই গাছগুলো লাগানো রয়েছে। যার কারণে জায়গাটি দেখতে খুব সুন্দর। সৌন্দর্যের মধ্যে আমাদের প্রত্যেকের টিকে থাকতে হবে। এবং প্রকৃতি কে ভালবাসতে হবে। এ সকল জায়গাগুলোর মধ্যে টিকে থাকার মাধ্যমে আমরা সুস্থ ও সুন্দরভাবে থাকব। উপলব্ধি করতে পেরেছেন অপরূপ সৌন্দর্যের মধ্যে আমাদের টিকে থাকার মাধ্যমেই আমরা প্রকৃতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নেব।  এরকম সুন্দর সুন্দর গাছপালা আমাদের বাড়িতে ফাঁকা জমিতে লাগাতে পারি। সকলে মিলে বেশি করে গাছ লাগানোর মাধ্যমে আমাদের বাড়ির সুন্দর পরিবেশ বজায় থাকবে। বাড়ি সৌন্দর্যের মধ্যে থাকবে। এবং আমরাও সুন্দর ভালো সুস্থ থাকব। এবং আমাদের প্রত্যেকেরই নিয়মিত রক্তচাপ মধ্য দিয়ে টিকে থাকার মাধ্যমে সুস্থ করে রাখতে হবে নিজেদের চারিদিকে সবুজ গাছপালা লাগানোর মাধ্যমে আমরা পরিবেশ দূষণ রোধে প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পারে। আশাকরি ছবিটি তারই বাস্তব উদাহরণ বটে সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন শান্তিতে থাকুন ধন্যবাদ সকলকে শুভ সন্ধ্যা এবং নিজেদের বাড়ির আশেপাশে থাকলে বেশি বেশি করে গাছ গাছ লাগানোর কোন বিকল্প নেই বর্তমান সময়ে পরিবেশ রক্ষার্থে গাছ লাগাতে বেশি বেশি করে সকলকে।
ছেলে হেঁটে যাচ্ছে গ্রাম রাস্তা দিয়ে এবং খুবই সুন্দর দেখা যাচ্ছে এই দৃশ্যটি আমাদের বাংলাদেশের গ্রাম এলাকার ছেলেরা যখন বিকেল হয় তখন বন্ধুরা সবাই একসঙ্গে বের হয়ে তারা যায় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে এবং খুবই সুন্দর ভাবে তারে এই পরিবেশ-পরিস্থিতি সুন্দর প্রকৃতি সবসময় বাংলাদেশকে দেখার জন্য তারা বিভিন্ন স্থানে হাঁটতে হাঁটতে যায় এবং খুবই সুন্দর করে তারা পর্যবেক্ষণ করে বাংলাদেশের সুন্দর প্রকৃতি গুলো এবং বিকালে আমরা বন্ধুরা সবাই মিলে একসঙ্গে রাস্তা দিয়ে বের হয় এবং রাস্তা দিয়ে বের হয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের প্রকৃতি উপভোগ করি এবং বন্ধুরা একে অপরকে খুব ভালবাসে এবং খুবই সুন্দর আমাদের জীবন কাহিনী এবং আমাদের বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষই তাদের জীবনকে সুন্দর করে দেখতে চাই এবং সেজন্য তারা সারাদিন কাজ কর্মের ফলে বন্ধুরা সবাই একত্রিত হয় এবং একত্রিত হয়ে তারা একই স্থানে ঘুরতে যাই সুন্দর প্রকৃতি উপভোগ করে এটা আমাদের বাংলাদেশের একটি গ্রামীণ মানুষের বৈচিত্র্য
চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত রানী রাসমণির ঘাট হিসেবে পরিচিত। এটি বিশেষ করে এই জায়গাটি বহু মানুষের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। এখানে প্রচুর নৌকা দেখতে পারবেন একসাথে বহু মানুষ এখানে ঘুরতে পারে। আমরা প্রত্যেকে নিয়মিত সকল জায়গায় ঘোর আর কোন বিকল্প নেই। বিশাল জায়গা ঘুরে দেখার মাধ্যমে আমরা সুস্থ-সুন্দর ভাবে চলতে পারি এবং থাকতে পারি আমাদের প্রত্যেকেরই দৈনন্দিন জীবনের সৌন্দর্য জায়গা বেশি করতে হবে এবং প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।রানী রাসমনির এই ঘাটে প্রাচীন আমল থেকেই বহুৎ জনপ্রিয়। এখানে বহু পর্যটক  আসে। চট্টগ্রাম জেলায় মূলত অনেক মানুষই আছে। এবং এখানে অবশ্যই তারা একবার করে দেখে যায় এসব জায়গা। বিশেষ করে এটা একটা ঐতিহ্যবাহী প্রাচীনতম সদরঘাট ছিল,  সুতরাং এটা খুবই সুন্দর একটা জনপ্রিয় জায়গা। দেখতে পারবেন এখানে ফ্যামিলি নিয়ে প্রত্যেকের নিজস্ব নৌকায় করে ঘুরে ঘুরে আনন্দের সাথে বেড়াচ্ছে। প্রত্যেকেই নদীটির জায়গাটি উপভোগ করছেন। রানী রাসমনি নদীর আশেপাশে সবুজ গাছপালা রয়েছে। চট্টগ্রাম জেলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ঘাঁটি গড়ে উঠেছে এখানে। সেটা উপলব্ধি করতে পারবে সকলে।এসকল সৌন্দর্যময় প্রকৃতির অপরূপ প্রাচীনতম জায়গাগুলো আসলে ঘুরে দেখার মত। এবং এগুলো আমাদের দেশের ঐতিহ্যকে ধরে রাখে। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য এর মধ্যে ফুটে উঠেছে। এ সকল জায়গাগুলো ঘুরে দেখার কোনো বিকল্প নাই। শুভ সন্ধ্যা।
শুভ্র সাদা মেঘে ঢাকা আকাশের নিচে ভুবেনশ্বর নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে পর্যটকরা নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর আমাদের এই দেশ। আর নদীমাতৃক এদেশের অনেক নদী আছে। তার মধ্যে ফরিদপুরেরভুবনেশ্বর নদী অন্যতম। ভুবনেশ্বর নদীর পাড় অনেক সুন্দর। এই পাড়ে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন বিকেলবেলা অনেক পর্যটক খুব ভালো সময় কাটান। প্রাকৃতি পছন্দ করে এরকম মানুষ সব সময় প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখার জন্য ছুটে যায় এসব নদীর পাড়ে। নদীর পাড়ে প্রচুর পরিমাণে পর্যটক হয় এবং এখানে অনেক ধরনের খাবারের দোকানে বসে।আমরা একটি খাবারের দোকান দেখতে পাচ্ছি। ছোট্ট ভ্যানে করে এক ফুচকাওয়ালা ফুচকা চটপটি বিক্রয় করছেন। নদীর পাড়ে প্রতিদিন অনেক পর্যটক আসে। নদীটির পাড় অনেক সুন্দর করে বাঁধানো এখানে পর্যটকরা ভালো ভাবে ঘুরে বেড়াতে পারেন সময় কাটাতে পারে আর এইসব এর ভিতরে ফুচকা  বিক্রয় করতে পারেন বিক্রেতা। নদীর ধারে বসে ফুচকা চটপটি খাওয়ার অনুভূতি আলাদা।
আপনারা যেই ছবিগুলো দেখতে পাচ্ছেন সেইগুলো হলো একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ছবি। এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে। এই মাঠে আজ সকাল থেকে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এই প্রতিযোগিতার নাম দেওয়া হয় নড়াইল জেলা আন্তঃস্কুল এথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ২০২১,এবারেই প্রথমবারের মতো শুরু হয় এই প্রতিযোগিতা। এবং এই প্রতিযোগিতা ধারাবাহিকভাবে প্রত্যেক বছর চলবে বলে জানা গেছে। এই প্রতিযোগিতার মূল উদ্যেশ্য হচ্ছে তরুণ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত এবং ক্রীড়ামুখী করা। এখানে একে একে লম্বাদৌড় উচ্চলম্ফন, ভারত্তোলন,ভারী বস্ত নিক্ষেপ বিস্কুট দৌড়, দড়িখেলা ফুটবল ক্রিকেটসহ অন্যান্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতাও করা হয়। এবং এই প্রতিযোগিতার উদ্যোক্তা স্থানীয় এমপি অর্থাৎ নড়াইল-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।  বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলায় খেলাধুলা ও শরীরচর্চার মাধ্যমে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে উঠুক।
আশাশুনি দুর্গাপুর গ্রামের কয়েকজন মহিলা ধানের ক্ষেতে ধান লাগানোর কাজ করছে। এখন মহিলারা কোন কাজেই পিছিয়ে নেই। পুরুষদের পাশাপাশি তারাও সমানতালে কাজ করে যাচ্ছে। নিম্নবিত্ত মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত সকল স্তরের মহিলারা এখন সমানতালে কাজ করছে জীবন-জীবিকার তাগিদে নিজের প্রয়োজনে, যার যেমন ক্ষমতা সে  সেরকমই কাজ বেছে নিতে পারে। এই মহিলা গুলো ফসলের ক্ষেতে ধান লাগানোর কাজ করছেন।ধান আমাদের প্রধান অর্থকরী ফসল ও প্রধান খাদ্য যার জন্য প্রচুর পরিমাণে এই ধরনের চাষ করা হয় আমাদের দেশে। কৃষকেরা এ কাজ করে থাকে। কৃষকদের পাশাপাশি মহিলারা সমানতালে কাজ করে যান, ধান লাগানো থেকে ধান কাটা পর্যন্ত। মহিলারা খুবই কম পারিশ্রমিকে নিয়েই এ কাজ করেন আর প্রচুর পরিমাণে কষ্টে এ সোনার ফসল আমাদের উপহার দেন।  অনেক কষ্টের শীতের সকালে পানিতে দাঁড়িয়ে তারা এই কাজ করছে।
আমরা হয়ডে ভাবচি কিছু বাচ্চা দের কে সাহায্য  করার জন্য  আমাদের  এই ছবি তে দেখা জাচ্ছে  কিন্তু  এই ছবিবজাদের দেকতে পাচ্ছেন এরা সকলে একটা শিক্ষা  জিবন ছেড়ে বেলার জিবন নিয়ে ঘুরে বেড়ায় তে চে   বাচ্শ্বিক এই মহামারিতে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় Anushilon Mojar School এর শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। কেউ কেউ আবারও যুক্ত হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে। অনুশীলন মজার স্কুলের অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণ, ঝরে পড়া অথবা কর্মজীবী শিশু হওয়ায় এই শিশুদের শিক্ষা সহ তাদের শিশু অধিকার পূরণ এবং পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছি আমরা। শিক্ষায় ঝরেপড়া রোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসাবে শিশুদের খাদ্য সামগ্রী সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে আমাদের পরম বন্ধু  এ-টেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।চলমান খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে আজ এ-টেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এর সহযোগিতায় অনুশীলন মজার স্কুলের ১২০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হ
গোধূলি বেলায় পাখিরা উড়ে যাচ্ছে নিজেদের নিরে।  রক্তিম সূর্য ডুবে যাওয়ার আগমুহূর্তে তার রঙ ছড়িয়ে দিয়েছে আকাশ জুড়ে। সেই মূহুর্তে এক ঝাঁক পাখি উড়ে যাচ্ছে এ এক অপূর্ব দৃশ্য।ঝাউবনের মাথায় সূর্য ডুবে যাওয়ার আগ মুহূর্ত এক ঝাঁক পাখি উড়ে যাচ্ছে। রক্তিম আকাশের এক অপূর্ব সৌন্দর্য দৃশ্য যা প্রকৃতিকে নতুন রূপে সাজিয়ে দিয়েছে।প্রকৃতি কখন কিভাবে তার রূপের পসরা সাজিয়ে মেলে দেয় আমাদের মধ্যে  বলাবাহুল্য। এত সুন্দর করে এই সন্ধ্যার আগ মুহূর্তে সূর্য ডুবে যাওয়ার দৃশ্য অপূর্ব আর পাখিগুলো এই সৌন্দর্যকে আরো বেশি করে বৃদ্ধি করে দিয়েছে।পাখিরা সব সময় দলবদ্ধভাবে আকাশে ডানা মেলে উড়ে বেড়ায়। তবে সূর্য ডুবে যাওয়ার আগমুহূর্তে এরকম সুন্দর দৃশ্য খুব একটা দেখা যায়না। সূর্য ডুবে যাওয়ার আগমুহূর্তে রক্তিম আভা ছড়িয়ে দিয়েছে পুরো আকাশ জুড়ে। সেই সাথে ঠিক ঝাউবোনের মাথার উপরে যেন সেই সূর্য কুসুম রংয়ের থালার মতন আকার ধারণ করে আছে। আর তার মধ্যেই পাখিরা ডানা মেলে উড়ে যাচ্ছে। যা প্রকৃতিকে আরো বেশি করে সাজিয়ে দিয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবথেকে বড় সৌন্দর্য এই সৌন্দর্যের এক এক দিন এক এক রকম ভাবে দেখতে পাই। প্রকৃতি যেন সব সময় নতুন রূপে আমাদের মাঝে আসতে থাকে একসময় আমাদের এক এক রকম ভাবে সৌন্দর্য দিয়ে চমকে দিয়েছে। আজ সূর্য ডুবে যাওয়ার আগমুহূর্তে মনের আকাশে এক অন্যরকম দৃশ্য আমরা দেখতে পেয়েছি।
দেখা যাচ্ছে অনেকগুলো মানুষ একসঙ্গে কাজ করছে এবং খুবই সুন্দর ভাবে তারা কাজ করে চলেছে তাদের এই কাজটি মূলত পানি সিংড়া তোলার জন্য এই কোম্পানি সিংড়া পানিতে হয়ে থাকে এবং এগুলো যখন পানি থেকে তুলে বাজারে বিক্রয় করা হয় তখন এগুলো তোলার জন্য অনেক মানুষের প্রয়োজন হয় এবং এর লোকটিই পানি সিংগার তোলার জন্য এই মানুষগুলোকে কাজে নিয়েছে এবং খুবই সুন্দর করে তারা কাজ করছে দেখা যাচ্ছে যে তারা একসঙ্গে অনেকগুলো মানুষ একসঙ্গে কাজ করছে এবং তারা পানি তোলার চেষ্টা করেছে এবং খুবই সুন্দর দেখা যাচ্ছে এই দৃশ্যটি আমাদের বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষ তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করার জন্য বিভিন্ন পেশা বেছে নেয় তেমনি একটি পেশা কৃষি ভিতর এটি একটি অনেক বড় ধরনের একটি পেশা মানুষের এই ফল খেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন হয় এবং এটি খেতে অনেক সুস্বাদু এবং খুবই সুন্দর এই ফলটি আমাদের বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষ এই ফল খেয়ে থাকে এবং এটি পানিতে জন্ম পানিতে বাস পানিতে এটি জন্মায় না পেরে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ পানিতে জন্মায় এবং বৃষ্টির পানিতে জন্ম নেয় এবং এটি দেখতে অনেক সুন্দর এর গায়ে কাটাকাটা থাকে তিনটা করে এবং এটির লাল সবুজ হয় ে থাকে এবং এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন আছে এবং এটি কৃষি ফসল যখন আমাদের বাংলাদেশে একটি বন্যা প্লাবিত দেশ যখন বন্যায় আমাদের বাংলাদেশ প্লাবিত হয়ে যায় তখন তারা এই ফসল লাগায় তাদের কৃষি জমিতে এবং কৃষি জমিতে লাগানোর পরে সেগুলো তারা এক পর্যায়ে ফলন হওয়ার পরে তারা সেগুলো বাজারজাত করে এবং বাজারজাত করে সেগুলো বাজারে বিক্রয় করে
আমরা যে বিল্ডিংটি দেখতে পাচ্ছি বিল্ডিংটা হচ্ছে বালিথা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।বালিথা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 1946 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।1946 সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় এইখানে মোট ছাত্র-ছাত্রীর 50 জন। শিক্ষক রয়েছেন এবং শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় 600 জন। এই স্কুল থেকে প্রতিবছর অনেকে জিপিএ 5 পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। এবং তারা দেশের কর্ণধার হিসেবে কাজ করছেন। এটি মূলত একটি গ্রাম অঞ্চলের বিদ্যালয়। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল গ্রামের ছাত্রছাত্রীরা যেন  ঝড়ে না পড়ে এজন্য বাংলাদেশ সরকার বিনামূল্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করতে পারে সেজন্য হাজার 1946 সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করে। এটি মূলত একটি বৃদ্ধরা যেখানে বিদ্যা অর্জন করা হয়। এ বিদ্যালয়টি শিশুদের জন্য অনেক ভালো এখানে শিশুরা লেখাপড়া করে মানুষের মত মানুষের সেবায় নিয়োজিত হয় বিভিন্ন বাহিনীর মাধ্যমে কাজ করেন।
দেখবেন অনেক পাখি আকাশে উড়ছে।  সন্ধ্যায় পাখিরা সকলেই নিজ নিজ বাড়িতে যায়।  এখানে আপনি প্রচুর পাখিদের বাড়িতে যেতে দেখবেন।  আকাশে পাখি উড়তে দেখে খুব সুন্দর লাগে।  পাখি মেরে আমাদের প্রকৃতি ধ্বংস করতে হবে না।  পাখিরা যখন আকাশের মধ্যে দিয়ে উড়ছিল তখন আমি ছবি তুললাম খুব পাখি খুব সকালে পাখির কিচিরমিচির মতো।  সকালে আপনি পাখির ডাক শুনতে পাবেন।  পাখিরা সকালে খাবার সন্ধান করতে বেরিয়ে সন্ধ্যায় ঘরে ফিরে আসে।  পাখিদের বাড়িতে ছোট ছানা থাকায় কখনও হত্যা করবেন না।  পাখি মারা গেলে তাদের বাচ্চারা না খেয়ে মারা যাবে।  আমাদের বাংলাদেশে প্রচুর ধরণের পাখি রয়েছে।  পাখিরা সব তাদের বাসায়।  তারা তাদের বাচ্চাদের খাবারের সন্ধান করছে।  পাখিরা ঘরে গিয়ে তাদের বাচ্চাদের খাওয়াবে।  পাখির বাচ্চা গুলো সকাল থেকেই খায়নি।
আমরা ছবিটিতে গাছগাছালির মধ্যে  একটি বিল্ডিং দেখতে পাচ্ছি।  যে বিল্ডিংটি দেখতে পাচ্ছি সেটা   হচ্ছে একটি মসজিদ। মসজিদটি প্রাচীনতম মসজিদ। বিবিচিনি শাহী মসজিদ নামে পরিচিত হয়ে  গেছে।  এটি মোগল স্থাপনা।জানা যায়  আজ থেকে ৩৫০ বছর আগে বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায় ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে এসে এই বিবিচিনি শাহী মসজিদ স্থাপন করে। আরও জানা যায় তার দুই মেয়ে চিনিবিনি আর ইসাবিবি নামানুসারে এই গ্রামের নাম হয় বিবিচিনি এবং এই বিবিচিনি থেকেই মসজিদ এর নাম হয় বিবিচিনি শাহী মসজিদ। মসজিদ টা অনেক সুন্দর। এটি  পর্যটন নগরী হিসেবে পরিচিত হচ্ছে মসজিদের দিকে আমি সুন্দর অবাক হয়েছে যা দেখে সত্যিই আমি অনেক ভাল লাগছে। আশা করি ছবিটি আপনার কাছে ভালো লাগবে। মসজিদ টা অনেক সুন্দর। এবং ভিতর অনেক মজা দেওয়ার মোজাইকগুলো দেখতে আরো সুন্দর। চারিদিকে কাজ গাছের সবুজ দিস্যেমব্রে জন্য এক অপরূপ দৃশ্য যা দেখে সত্যিই আমি অবাক হয়েছি। এখানে একটি সুন্দর প্রকৃতির মাঝে এ মসজিদটি স্থাপন করা হয়েছে।
আপনি ঔষধের দোকান দেখতে পারেন।  মোটরসাইকেল সহ দু'জন লোক ওষুধের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন।  এখানে সব ধরণের ওষুধ পাওয়া যায়।  আমরা যখন অসুস্থ থাকি তখন ডাক্তার দেখানো ওষুধ সেবন করে আমাদের দেহ উন্নত হয়।  লোকেরা এখানে ওষুধ কিনতে এসেছে।  চিকিত্সক যখন পরামর্শ দেয় তখন দোকানদার এ জাতীয় ওষুধ লিখে দেয়।  আপনি তিনটি লোককে দোকানের ভিতরে দাঁড়িয়ে দেখেন, তারা দোকানটি চালান।  এই দোকানটি সাতক্ষীরা কলেজ মোড়ের সামনে।  আমি ওষুধ কিনতে সেই দোকানে গিয়েছিলাম।  এই দোকানে আবার ফ্লেক্সি লোড দেওয়া হয়।  এই দোকানে সব ধরণের সুবিধা পাওয়া যায় যেখানে উন্নয়নের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা যায়।  এই স্টোরের অন্যান্য স্টোরের ওষুধগুলি কম দামে পাওয়া যায়।  আমার মনে হয় দোকানটি সাতক্ষীরা শহরের সবচেয়ে বড় দোকান।  এখানে আরও একটি দোকান রয়েছে যা ওষুধের দোকানও।  এই দোকানটি সামান্য ছোট তবে সমস্ত ওষুধ এখানে পাওয়া যায়।  দোকানে এমন লোক রয়েছে যারা মাদক বিক্রি করে।
একটি দোকান এখানে দেখা যায়।  দোকানে বিভিন্ন ধরণের জিনিস বিক্রি হয়।  প্রসাধনী এছাড়াও এখানে পাওয়া যায়।  সিডুরের আরও শাখা এখানে পাওয়া যায়।  এই স্টোরটিতে অনেকগুলি হার ঝুলছে।  দোকানটি সাতক্ষীরা শহরে অবস্থিত।  খাবারও বিক্রি হয় এই দোকানে।  এই দোকানটি সকাল থেকে রাত দশটা পর্যন্ত খোলা থাকে।  দোকানে বসে আছেন এক ব্যক্তি।  দোকানের নাম আনু শঙ্খা ভান্ডার।  দোকানে শাকা সিদুরসহ বিভিন্ন ধরণের পুজোর আইটেম রয়েছে।  এই দোকানেও গ্যাস পাওয়া যায়।  এখানে গ্যাস সিলিন্ডার রয়েছে।  বসুন্ধরা গ্যাস সকল গ্যাসের মধ্যে সেরা।  এই দোকানে সমস্ত ধরণের জিনিস বিক্রি হয়।  গ্যাসের চুলাও বিক্রি হয়।  বাংলাদেশে গ্যাসের চুলার ব্যবহার অন্যতম।  এই সিলিন্ডারে 10 লিটার গ্যাস রয়েছে।
এটি যশোর এম এম কলেজ। এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় উনিশশো সাতচল্লিশ সালে। কলেজে আমি লেখাপড়া করি অনেকগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম শুরু হয়। এটি একটি উন্নত মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বাংলাদেশ গেজেট পাশ করেছেন। ঐতিহ্যবাহী কলেজ কলেজের সুন্দর সুন্দর সুন্দর সুন্দর ছাত্রদেরকে বিকাশ দোকানের জন্য সুন্দর সুন্দর পন্থা অবলম্বন করে। আমার ফেভারিট কলেজ কলেজের সামনে কিছু শিক্ষার্থী ও শিক্ষক রয়েছে তারা এখন কলেজে আগুন করছে তারা। কলেজে ঢোকার চেষ্টা করছে কারণ তারা কলেজ কলেজে এসেছি।চারিদিকের সুন্দর প্রকৃতি যা দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছে। আশাকরি ছবিটি আপনার কাছে ভালো লাগবে ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন। গাছগাছালি ফুল গাছ এবং কিছু সবজি লাগানো হয়েছে। আমার কাছে অনেক ভাল লেগেছে আপনার কাছে আশা করি ভালো লাগবে। এখান থেকে অনেক কিছু হয়েছে।
আমাদের গ্রামে রোজ শুক্রবার মসজিদে নামাজে যাওয়ার সময় একটি সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং গ্রামটির নাম ধুলিহর বালুই গাছা পূর্ব  পাড়া এবং মসজিদটির নাম বালুই গাছা বায়তুল আকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এবং এই মসজিদটি তৈরী করা হয়েছে 1890  ইং সাল এবং আমি যে পিকচারটি আপনাদের মাঝে পোষ্ট করলাম পিকচারটিতে দেখা যাচ্ছে অনেক গ্রামের ভিতর দিয়ে সুন্দর একটি রাস্তা এবং রাস্তায় অনেক গুলো মানুষ এক সাথে লম্বা লাইন দিয়ে তারা মসজিদের দিকে যাচ্ছে এবং তাদের মাথায় একটি করে টুপি এবং গায়ে পাঞ্জাবী এবং রাস্তাটি ইটের তৈরী রাস্তা এবং রাস্তার বাম পাশে অনেক গুলো মটরসাইকেল রাখা দেখা যাচ্ছে এবং ডান পাশে কয়েকটি আম গাছ এবং রাস্তার দুই পাশ দিয়ে কয়েকটি ছোট বড় ঘর দেখা যাচ্ছে এবং সে গুলো টিন বা টালি দিয়ে ছাউনি করা এবং সেখানে কয়েকটি ভ‍্যান রাখা দেখা যাচ্ছে এবং সাদা কালারের রং করা একটি বাড়ির সামনে কিছু লোক দাঁড়িয়ে আছে
গাছগাছালির মধ্যে একটি মন্দির দেখতে পাচ্ছি।  অনেক প্রাচীনতম ধন্বন্তরি মন্দির।এটা দেখে আমি সট্টি অবাক করেছে। চারিদিকে গাছ দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছে। এখানে পর্যটকদের প্রায় 200 বছর আগে আমাদের এলাকার বিভিন্ন উৎসব আয়োজনে দূর্গা পূজা সরস্বতী পূজা এবং পরবর্তীতে করে থাকে। তারা তাদের কাজগুলো করে থাকে। তারা বিভাগ অন্যান্য কাজগুলোই এর  মধ্যে তিন তলা বিশিষ্ট একটি বিল্ডিং।মন্দির গাত্রে গাছ জগিয়ে উঠেছে। যা মন্দিরে ফাটলের সৃষ্টি করেছে, মন্দিরের গায়ে আবর্জনার স্তূপ। পরিত্যক্ত আটচালা মন্দির টি প্রতিষ্ঠালিপিহীন। স্থানীয় মাঝি পরিবারে কাছে জানি যে মন্দিরে দেবতা বহু কাল আগে অপহৃত হয়েছে। মন্দির চত্বরে সিংহভাগ অংশ দখল করা হয়েছে। মন্দিরে টেরাকোটা ফলক খুলে নিয়ে যেতে  চায় অনেকে। প্রশাসন নিরব। মন্দির টি অবিলম্বে সংস্কার ও সংরক্ষণের আবেদন জানাচ্ছি। ছবিটি যদি আপনার কাছে ভালো লাগে তাহলে আমি আপনাকে জানাচ্ছি আপনাকে আপনার মূল্যবান কমেন্ট করতে পারেন। চারিদিকে সুন্দর দৃশ্য দৃশ্য দেখে আমি অবাক হয়েছি।
সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী উপজেলা তাহিরপুরের লাউরেরগড় এলাকার মানিগাঁওয়ে রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিমুলবাগান। সুনামগঞ্জ শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে জাদুকাটা নদীর তীরে এই শিমুলবাগানের অবস্থান। শুষ্ক মৌসুমে বাগানটির চারদিকে থাকে ধু ধু বালুচর। এই বালুমাটিতেই ১৯ বছর আগে বাদাঘাট (উত্তর) ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বাণিজ্যিকভাবে শিমুলবাগান গড়ে তোলেন। তিনি মারা যাওয়ার পর তাঁর ছেলে বাগানটির দেখভাল করছেন। বর্তমানে ৩৩ একর জমিতে দুই হাজারের বেশি শিমুলগাছ আছে। বসন্ত এলেই হাজারো গাছে ফুটতে শুরু করে ফুল। শিমুলের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে জাদুকাটা নদীর তীর। এ যেন শিমুলের রাজ্য! শিমুলবাগানের এমন সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন এখানে আসেন পর্যটকেরা।
এই পিকচারটির মধ্যে দেখা যাচ্ছে বরফ তৈরী করার মেশিন এবং এই মেশিন গুলো একটি ঘরের ভিতরে এবং এখানে জাপান ও চাইনা, থাইল্যান্ড, ইন্ডিয়ান এর উন্নত মেশিনের দ্বারাই বরফ তৈরী করা হয় এবং এখানে একএকটা মেশিনের দ্বারাই বিভিন্ন ধরনের কাজ করা হয় এবং এখানে বারো জন শ্রমিক এবং তার মধ্যে একজন ম‍্যানেজার এবং এখানে সব মেশিনের দ্বারাই পানি জমাট বেধে বরফ তৈরী করে দেয় এবং মেশিনের পাশে একটি মটরসাইকেল রাখা দেখা যাচ্ছে এবং সেখানে একটি লোক হাটতে হাটতে সামনে দিকে যাচ্ছে এবং এবং এই মেশিনে বরফ তৈরী করে পাশের একটি ঘরে ঢেলে দিচ্ছে এবং পাশের ঘরের দৃশ্য পাশের ঘরে অনেক গুলো টিন দিয়ে তৈরী করা কিছু বরফ তৈরী করার বোর্ড দেখা যাচ্ছে এবং সেই বোর্ড থেকে একটি লোক বরফ বাহির করে বাইরে নিয়ে বাহির করছে এবং বাইরে অনেক গুলো টলি ও ইন্জিন ভ‍্যান দেখা যাচ্ছে এবং সেখানে একটি লোক সেই বরফ গুলো টলিতে তুলে সুন্দর করে সাজিয়ে দিচ্ছে এবং এক একটি বরফের ওজন 50 থেকে 60 কেজি ওজনের এবং সেখানে অনেক গুলো বিল্ডিং দেখা যাচ্ছে এবং বিল্ডিংয়ের সামনে একটি সুন্দর গাড়ি পারকিংয়‍ের জায়গা দেখা যাচ্ছে এবং এখানে দিনে প্রায় পাঁচশত থেকে ছয় শত টি বরফ তৈরী করতে হয় বা ডেলিভারি দিতে হয়
আমাদের এলাকায়  পূজার সময়  আমারা বন্ধুরা  মিলে  নেচেছিলাম।আর আপনারা যে ছবিটি  দেখতে  পাচ্ছেন  সেই  ছবিটি  ছিলো  পূজার  সময়  আমার বন্ধুর ফোনে  তোলা  ছবি।আমারা আমাদের এলাকার বন্ধুরা মিলে  পূজা  দেখতে  যাই।সেখানে গিয়ে দেখতে  পাই খুব  ধুম ধামে পূজা চলছে।প্রথমেই ঢুকে  পড়ি মন্ডপের ভেতরে।তার পর  ভেতরে  দৃশ্য  দেখে  আমি মনোমুদ্ধকর  হয়ে  যাই।লাইট গুলো ছিল দেখার মতো। আর আপনারা যে ছবিটি  দেখতে  পাচ্ছেন  সেই  ছবিটি  ছিলো  পূজার  সময়  আমার বন্ধুর ফোনে  তোলা  ছবি।আমারা আমাদের এলাকার বন্ধুরা মিলে  পূজা  দেখতে  যাই।সেখানে গিয়ে দেখতে  পাই খুব  ধুম ধামে পূজা চলছে।প্রথমেই ঢুকে  পড়ি মন্ডপের ভেতরে।তার পর  ভেতরে  দৃশ্য  দেখে  আমি মনোমুদ্ধকর  হয়ে  যাই।লাইট গুলো ছিল দেখার মতো।
লাইন এক্স. বুখারা. স্পিংগিলিবাস. রেসিং হুমার. সিরাজী লাহরি. এই নাম গুলো হচ্ছে পাঁচ প্রজাতির কবুতর নাম।  এই কবুতর গুলো অনেক সুন্দর একটি প্রাণী। এই কবুতর গুলো সব খাচাই পোসা হচ্ছে। এই ছবি গুলো পাচাঁটি কবুতর দেখা জাচ্ছে এই কবুতর গুলো দাম এক এক রকম। এই কবুতর গুলো সব আমার বাড়িতে খাচাই পোসা হয়েছে । এই কবুতর গুলো দাম এক হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পযর্ন্ত। এই কবুতর গুলো দেখতে অনেক সুন্দর এবং এই কবুতর প্রাণী গুলো খাঁচাই  বন্ধি আছে। এই কবুতর গুলো খাবার হিসেবে দিতে হয়  গম সরিসা ভূট্টা খেসারি মুসুরি বুট রাবিস এবং পানি ইত্যাদি এগুলো দেওয়া হয় । এই কবুতর গুলো হচ্ছে অনেক সখের কবুতর। এই কবুতর গুলো সবাই পুসতে পারে না। এই যে কবুতর গুলো দেখতে পাচ্ছেন এই কবুতর গুলো গায়ের কালার এক এক রকম।