RELEASEって何? ソーシャルメディア RELEASE
RELEASEって何? ソーシャルメディア RELEASE
公開中 1 to 96 of 211335 写真.
স্ক্রিনের উপরে যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন ছবিটি দেখতে খুবই সুন্দর এবং খুবই চমৎকার কোন ছবিতে দেখা যাচ্ছে তিনটে বাচ্চা মেয়েদের আমার একটি ছবি তুলে ধরা হয়েছে আশা করি ভালো লাগবে কেননা এই ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে তিনটে বাচ্চা নিলে একটি ঘুড়ি উড়াচ্ছে এবং খুবই আনন্দের সাথে যারা আছে এবং এখন ফাঁকা মাঠ মানুষের ধান কাটা শেষ হয়ে গেছে এখন ফাল্গুনে হাওয়া এত পরিমান যাতে গোরা উপন্যাস সুযোগ এবং তারা এখন ঘুড়ি ওড়াচ্ছে বন্ধুদের সাথে ঘোরাঘুরি ঘোরাঘুরি করছে তার নাম চিল ঘুড়ি এবং বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ঘুড়ি উড়াচ্ছে ঘুড়ি ওড়ানো কোরিয়ান টেকনিক্যাল এবং বাতাসে উড়বে যেন মানুষের মন জুড়িয়ে দেবো মনের মানুষ ঘুড়ি উড়ানো দেখতে অনেক পছন্দ করে
এটি হলো একটি পার্ক।  এই পার্কের নাম বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিব সাফারি পার্ক।এটি গাজীপুরে অবস্থিত।  এটা দেখতে খুবই সুন্দর ।  এখানে দর্শনীয় নানা কিছু রয়েছে ।  এখানে আসলে এখানকার সৌন্দর্যে মনপ্রাণ ভরে যায় । এই সাফারি পার্কটা গাজীপুরের অন্যতম একটা দর্শনীয় স্থান । এখানে প্রতিদিন জনমানবের কোলাহলে  পরিপূর্ণ থাকে।  এই সাফারি  পার্কে  কতো দুরদুরান্ত থেকে লোকজন ছুটে আসে।  এখানে আসলে আর ফিরে যেতে মন চায় না।  এখানকার সৌন্দর্য মনের মধ্যে  যেন অন্য রকম একটা অনুভূতির সৃষ্টি করে। এখানকার চারপাশের পরিবেশটা ও খুবই মনোমুগ্ধকর।  এখানকার প্রকৃতির নির্মল বাতাসে মন আনন্দে নেচে নেচে ওঠে।
চট্রগ্রাম শহরেই বহদ্দারহাটে অবস্থিত স্বাধীনতা কমপ্লেক্স। দেখে আসতে পারেন সংসদ ভবন, লালবাগ কেল্লা, কান্তজীর মন্দির,আহসান মঞ্জিল, জাতীয় স্নৃতিসৌধ একই জায়গায়! ওয়াচ টাওয়ারে উঠে দেখে নিতে পারেন পুরো চট্রগ্রাম।ওয়াচ টাওয়ারে উঠলে আপনি পুরো শহরটি দেখতে হবেনা এবার টাওয়ারটি এত লম্বা এবং ইউসুফ বিভিন্ন রকমের এইবার উঠে বিভিন্ন রকমের দর্শনীয় একটি দর্শনীয় স্থান গুলো অনেক সুন্দর সুন্দর দর্শনীয় স্থান আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন এবং কত সুন্দর পরিবেশ আপনি দেখতে পাবেন তেমনই একটি নিদর্শন জায়গা এবং দর্শনীয় স্থান অনেক সুন্দর এবং উন্নত মানের একটি জায়গার নাম হল চট্টগ্রাম চট্টগ্রামে অবস্থিত ওয়াচ টাওয়ারের প্রতি মানুষের একটি অন্যতম স্থান এবং অন্যতম একটি অপরূপ সৌন্দর্য দিয়ে দৃশ্য এবং সুরকার দৃশ্যগুলো আপনি কেন ভোগ করতে পারবেন তেমনি একটি নিদর্শন ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট শেয়ার এবং সাবস্ক্রাইব করবেন।
রায়ের বাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ থেকে ছবিটি তোলা হয়েছে।  বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের এই প্রিয় স্বাধীনতা । মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস ধর্ম - বর্ণ - গােত্র নির্বিশেষে আমরা সবাই একত্রে শত্রুর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলাম । এভাবে মুক্তিযুদ্ধ আমাদের দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবােধে উদ্বুদ্ধ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল । আধুনিক উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের এই জাতীয় ঐক্য ও দেশপ্রেম সবসময় প্রয়ােজন । মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী কর্তৃক বুদ্ধিজীবী হত্যা একটি ন্যাক্করজনক ঘটনা । বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে একটি স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয় ।
চট্রগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১৬ কিমি দূরে পতেঙ্গা সীবিচ। দিনে গিয়ে দিনে চলে আসতে পারেন। উপভোগ করতে পারেন সূর্যাস্ত এবং সমুদ্রের মন মাতানো ঢেউ। ইদানিং কালে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ হওয়ায় অসাধারন লাগে বিকেল বেলাটায়।এই পতেঙ্গা সী বিচ অনেক সুন্দর এবং উন্নত মানের একটি জায়গা যেখানে চট্টগ্রামের একটি উন্নত মানের দর্শনীয় স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কত সুন্দর পরিবেশে বিভিন্ন রকমের মানুষজন এখানে বেড়াতে আসা এবং আনন্দ করা অনেক সুন্দর একটি মুহূর্ত বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ করা।ইদানিংকালে মানুষজনের এখন বেশি আর সে কারণেই জায়গাটা এখন অনেক সুন্দর হয়েছে পাশাপাশি মানুষজনের এই যখন সূর্য ডুবে যাওয়ার একটি চিত্র যখন সবাই দেখার জন্য ছুটে আসেন এখানে অনেক সুন্দর একটি পরিবেশ এবং সূর্য ডুবে যাওয়ার পরিবেশটা দেখে অনেক ভাল লাগে বা আনন্দিত হয়ে সবাই সারিবদ্ধ ভাবে বসে অনেক সুন্দর একটি চিত্র দেখে থাকেন পাশাপাশি সাগরের ঢেউ ঢেউ দেখে আনন্দিত হন কারণ এটা আনন্দের মুহূর্ত পরিবেশের মধ্য দিয়ে মানুষ জনের একটি রোমাঞ্চকর দৃশ্য হিসেবে সেটা উপলব্ধি করে থাকেন তাহলে একটি চিত্র ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট শেয়ার এবং সাবস্ক্রাইব করে সাবস্ক্রাইব করবেন।
এখানে খুব সুন্দর একটি রাস্তার ছবি দেখতে পাচ্ছেন একটি গ্রাম অঞ্চলের রাস্তার রাস্তার পাশে রয়েছে কৃষক মাঠ খুব সুন্দর একটি প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে পাচ্ছে সুন্দর একটি রাস্তা এবং গ্রামের ভিতর দিয়ে চলে যাওয়া খুব সুন্দর একটি দীর্ঘ রাস্তা রাস্তা টা শুরু হয়েছে পাশের গ্রাম থেকে রাস্তা দিয়ে অনেক শ্রেণীর মানুষ চলাচল করে গাড়ি চলাচল করে খুব সুন্দর একটি দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন গ্রামাঞ্চলের রাস্তা খুব সুন্দর একটা রাস্তা ছবি দেখতে পাচ্ছেন রাস্তা দিয়ে অনেক সিনেমায় চলাচল করে অনেক গাড়ি চলাচলের রাস্তা দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ চলাচলের রাস্তায় সুন্দরভাবে তৈরি করা হয়েছে খুব সুন্দর একটি ছবি দেখতে পাচ্ছেন গ্রামাঞ্চলের রাস্তা এবং রাস্তা দিয়ে অনেক গাড়ি চলাচল চলাচল করে রাস্তা টা খুব সুন্দর ভাবে অনেক পরিশ্রম করে তৈরি করা হয়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাস্তার রাস্তার দুই সাইডে রয়েছে কৃষক মাঠ সবুজ ধান ক্ষেত রয়েছে ইত্যাদি,
চট্রগ্রাম শহরেই অবস্থিত ফয়'স লেক। অসাধারন সব রাইডে আপনার বা আপনার বাচ্চাদের ভাল সময় কাটবে। আর লেকে নৌকা ভ্রমন তো আরো অসাধারন।নৌকা ভ্রমণের জন্য অনেক সুন্দর একটি জায়গা এই ফয়সালের অনেক সুন্দর ভাবে নদীতে চট্টগ্রাম শহরে নদীতে নৌকা ভ্রমণ করা এবং বিভিন্ন রকমের বাচ্চাদের সব ফ্যামিলি নিয়ে পর্যটক উপজেলা হিসেবে যাওয়া এবং পর্যটক কেন্দ্র অনেক সুন্দর এবং উন্নত মানের একটি জায়গা শাড়িতে অপরূপ সৌন্দর্য এবং কত সুন্দর একটি পরিবেশ সবুজ প্রকৃতির দৃশ্য গুলো এবং নৌকা নিয়ে যাওয়া তার একটি চিত্র কত সুন্দর পরিবেশে চট্টগ্রাম একটি উন্নতমানের ফয়সাল নামে পরিচিত অনেক সুন্দর এবং উন্নত মানের একটি জায়গা এখানে বিভিন্ন রকম দর্শনীয় এবং হিসেবে এখানে বেড়াতে আসেন তার পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের আবাসিক হোটেল রেস্টুরেন্ট অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা আছে সেখানে খাওয়া-দাওয়ার জন্য অনেক সুন্দর পরিবেশের ব্যবস্থা পাশে থাকার জন্য সুব্যবস্থা আছে অনেক সুন্দর এবং উন্নত মানের একটি চট্টগ্রামে অবস্থিত যেটা অনেক সুন্দর এবং উন্নতমানের করে ওখানে নদীতে চলা এবং আনন্দ করা ছোট ছোট বাচ্চাদের সহজ নিজের ফ্যামিলিকে নিয়ে আনন্দ করার একটি মজাদার বিষয় তার একটি চিত্র ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট শেয়ার এবং সাবস্ক্রাইব করবেন।
ছবিটিতে আমরা একটা মূর্তি দেখতে পাচ্ছি না এ মতিন আছে নারীর একটি মধ্যে দিয়ে পানিতে গোসল করছে এটি একটি রেস্টুরেন্টের এটি আমাদের রাজশাহী শহরের আমাদের রাজধানী শহরে অবস্থিত আশাকরি আপনার কাছে কি সুন্দর লাগবে ব্যবহার করতে আসতে চায়না এখানে আসতে পেরে আমাকে ভালোবাসো সত্যি অপূর্ব মনে হয়েছে এটি অনেক সুন্দর এবং ভালো লেগেছে এটা সত্যি কাজ করতে আপনাকে আমাকে সত্যি সত্যি আশ্চর্য করবে সত্যি অনেক সুন্দর একটি জায়গা।নুহাশ পল্লী, গাজীপুর।নুহাশ পল্লী  গাজীপুর জেলার পিরুজ আলী গ্রামে অবস্থিত,  বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্রাম। প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ  গাজীপুরে প্রতিষ্ঠা করেছেন এই প্রাকৃতিক নৈসর্গ নুহাশ পল্লী। এইখানে চির নিদ্রায়।
সুন্দর একটি পার্কের চিত্র নিয়ে আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি কত সুন্দর একটি পার্ক এখানে কতজন মানুষ জন এবং সবাই পান পানিতে গোসল করছে তার একটি চিত্র দেখতে পাচ্ছেন সাইটের পরিবেশ টা কত সুন্দর এবং উন্নত মানের একটি পার্কে গঠিত এটা হল চিটাগাং এ অবস্থিত অনেক সুন্দর এবং উন্নত মানের একটি পার্ক এই পার্কের নাম হল ইকোপার্ক অনেক সুন্দর এবং উন্নতমানের ইকোপার্ক নামে পরিচিত অনেক সুন্দর এবং উন্নত মানের একটি পার্ক এখানে যে দেখতে পাচ্ছেন গোলাকার করে অনেক সুন্দর পরিবেশের লাল রং সবুজ রং অনেক সুন্দর পরিবেশে এর ভিতর দিয়ে অনেক সুন্দর ভাত খেতে হয় সেই শরৎ খাওয়ার পরে পানিতে এসে পড়েন কত সুন্দর একটি চিত্র এবং ভিন্নজগৎ হিসেবে গড়ে ওঠা তেমনই একটি প্রাণী এবং শিশু পার্ক অনেক সুন্দর এবং উন্নত মানের একটি পাখি চিটাগাং অবস্থিত যেটা মানুষের বিভিন্ন রকমের পিকনিক বনভোজন আনন্দ করতে আসা ছুটির দিনে বেড়াতে আসা বিভিন্ন জায়গায় থেকে মানুষজন এখানে বেড়াতে এসে তারা আনন্দ করে থাকেন এখানে দেখতে পাচ্ছেন পুকুরের ভিতর বিভিন্ন রকমের মানুষজন গোসল করছেন কারণ আপনি যখনই পার্কের ভিতরে যাবেন তখনই একটি চিত্র দেখতে পাবেন সেটা হল বিভিন্ন জায ়গা থেকে মানুষজনের আনন্দ করার জন্য অনেক সুন্দর ভাবে বেড়াতে যাওয়া তারই একটি চিত্র বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ করা সত্ত্বেও অন্যতম একটি বিষয় বিশেষ করে যদি পার্কের ভেতরের দৃশ্য চিত্র হয় তাহলে তো আনন্দের কথাই নেই শুধু আনন্দ আর আনন্দ তেমনি একটি চিত্র এবং বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার একটি চিত্র আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করলাম যদি চিত্রটা যদি ইকোপার্ক শিশু পার্কের দৃশ্য যদি দেখতে চান তাহলে এখানে চট্টগ্রামে পার্কে যাওয়া লাগবে কারণ এখানে অনেক সুন্দর এবং উন্নত মানের দেখার মত অনেক কিছু আছে পাশাপাশি ছোট একটি চিড়িয়াখানা বিভিন্ন রকমের প্রাণী নিয়ে গঠিত অনেক সুন্দর একটি চিড়িয়াখানা গঠিত অনেক সুন্দর এবং উন্নত মানের জায়গা চট্টগ্রামে অবস্থিত ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট শেয়ার এবং সাবস্ক্রাইব করবেন।
এখানে দেখা যাইতেছে খুব সুন্দর একটি রাতের  এখানে দেখতে পাচ্ছেন খুব সুন্দর একটি ছবি আপনাদের মাঝে ছবিটা পোস্ট করতে হবে   খুব সুন্দর একটি রাস্তার ছবি দেখতে পাচ্ছেন রাস্তা সাইটে গাছ রয়েছে রাস্তা দিয়ে অনেক গাড়ি চলাচল করে রাস্তাটি পাকা রাস্তা খুব সুন্দর একটি রাস্তা ছবি দেখতে পাচ্ছেন রাস্তাটা অনেকদিন ধরে তৈরি করা হয়েছে এবং অনেক পরিশ্রম করে তৈরি করা হয়েছে খুব সুন্দর একটি ছবি দেখতে পারি খুব সুন্দর একটি রাস্তার ছবি দেখতে পাচ্ছেন রাতের বেলায় রাতের বেলায় খুব সুন্দর একটি গাড়ি চলাচল করতেছে দেখা যাইতেছে রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল করতেছে রাস্তাটা অনেক পরিশ্রম করে তৈরি করা হয়েছে খুব সুন্দর একটি ছবি দেখতে পাচ্ছেন ছবিটা আপনাদের মাঝে অবস্থান আপনারা দেখে মুগ্ধতা  দেখতে হবে ইত্যাদি,
আমাদের ধুলিয়ার গ্রামে একটি সুন্দর ট্রাক নিয়ে আসছিল ট্রাকটি হল আম্বতি করা আম এখন অনেক সুন্দর এবং উন্নতমানের আম এই আমগুলো ট্রাকে করে সাজানো আছে অনেক সুন্দর একটি পরিবেশে তেমনই একটি চিত্র নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি অনেক সুন্দর এবং উন্নতমানের ঢাকা শহরে নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়িতে লোড করা হয়েছে কত সুন্দর একটি পরিবেশে করা হয়েছে তার বাড়ি হল আমাদের গ্রামে আক্তারুল এর আম আম সংগ্রহ করেন বিভিন্ন জায়গা থেকে আম কিনে গাড়িতে আনলোড করেন এবং গাড়িতে আনলোড করে তিনি ঢাকা সাতক্ষীরা খুলনা চিটাগাং রাজশাহী সিলেট রংপুর দিনাজপুর ইত্যাদি জায়গায় তিনি এগুলো বিভিন্ন অঞ্চলে দিয়ে থাকেন তার একটি চিত্র কত সুন্দর পরিবেশে আমাদের গ্রামের বাড়ির একটি চিত্র কত সুন্দর একটি ছবি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন বিভিন্ন রকমের চলাচল করছে তার একটি চিত্র কত সুন্দর একটি পরিবেশে আমাদের গ্রামের মানুষজন এবং বিভিন্ন রকমের একটি বাজার গড়ে ওঠে সেই দোকানের সামনে একটি সুন্দর ভাবে চলে আসছে এবং কত সুন্দর পরিবেশে বিমান চলাচল করছে কত সুন্দর একটি চিত্র এবং আনলোড করে নিয়ে যাব এবং আমাদের বিকালে আজকের আমাদের গ্রামের ভিতরে ঢুকাই কত সুন্দর পরিবেশ ে আমগুলো নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রয় করে তা তিনি লাভবান হবেন তেমনি একটি চিত্র সত্যিই একটি আমের ব্যবসা একটি উন্নত মানের ব্যবসা এবং তার পেক্ষাপটে আজকে যেই আমগুলো বিক্রয় করার জন্য এখন নিয়ে যাচ্ছে সাতক্ষীরায় চলতি যাওয়ার পথে একটি চিত্র ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট শেয়ার এবং সাবস্ক্রাইব করবেন।
এটি হলো সাউথ টাউন জামে মসজিদ।এটি রাজধানী ঢাকার কেরানিগঞ্জ এ অবস্তিত। এই মসজিদের নজর কাড়া স্থাপত্যশৈলী ও বৈচিত্র্যময় নির্মান এই মসজিদকে দিয়েছে বাড়তি স্বাতন্ত্র্যতা।এই মসজিদটি নির্মান করতে প্রায় দুই বছর লেগেছে।এই মসজিদে প্রবেশের জন্য রয়েছে মোট পাচটি ফটক তার মধ্যে তিনটি প্রধান ফটক পূর্বদিকে এবং দুইটি ফটক দুই পাশে।এই মসজিদটি প্রায় আধ বিঘা জমির উপর নির্মিত। এই মসজিদে একসাথে প্রায় ছয়শ মুসুল্লি নামায আদায় করতে পারবে।মসজিদ মূলত প্রার্থনার জায়গা হলেও এর নির্মাণশৈলীর নান্দনিকতায় এটি মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে।অনেক দূরদূরান্ত থেকে অনেকে এই মসজিদটি দেখতে আসে এবং নামায পড়তে আসে।
এ যেন অপরূপ এক প্রকৃতির রূপ।এরূপ সু্ন্দর রূপের মাধুর্যে।যেন মন ভেসে যেতে চায়।এটি হলো জাপানে অবস্তিত। এটির মনোরম সিন্ধতার ছোয়ায় যেন ভেসে যেতে ইচ্ছা করে।এ যেন স্বর্গের উদ্যানের মতো সু্ন্দর আর মায়াময়।এ যেন অপরূপ সিন্ধতার আলোয় আলোকিত। এখানে রয়েছে চেরীর বাগান।এই চেরী ফুলগুলো যেন অপরূপ আলোর বন্যায় ভাসছে।এ যেন এক মায়াময় রূপ।এখানে আমরা একটি সু্ন্দর ব্রীজ দেখতে পাচ্ছি।সেটিও যেন গোলাপি আভায় সেজেছে।এখানে আমরা সু্ন্দর একটি লেক দেখতে পাচ্ছি।যেটি অসম্ভব সু্ন্দর। এখানে সু্ন্দর সিন্ধ একটি জলপ্রপাত। যা আপন সৌন্দর্যের দ্যুতি ছড়াচ্ছে।এটি খুবই সু্ন্দর একটি দৃশ্য।
ছবি দিতে আমরা একটি বিল্ডিং দেখতে পাচ্ছি বিল্ডিং এর আশেপাশে অনেক কাজ কি ছুটি অপরূপ দৃশ্য রয়েছে এগুলো দেখে আশ্চর্য হয়ে গেছে আমার কাছে সুন্দর লাগছে আশা করি আপনার কাছে অনেক সুন্দর লাগছে সত্যিই অপূর্ব একটি দৃশ্য এই দৃশ্যটা দেখে আমি হতবাক কারণ বর্তমান সময়ে বিল্ডিং এর আশেপাশে আমি কাছে থাকলে বিল্ডিংটা অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং সবুজ মনে হয় এবং দেখতে অনেক অদ্ভুত এবং অসাধারণ মনে হয় আশা করি আপনার কাছে ছবিটা অনেক সুন্দর এবং রোমান্টিক লাগবে যদি লাগে তাহলে আপনি কমেন্ট করবেন সত্যিই অসাধারন একটি ছবি ছবিটি আমার কাছে অনেক সুন্দর লেগেছে আমি সত্যি আশ্চর্য হয়েছি আমি অপূর্ব হয়েছে এবং আমার কাছে অনেক অসাধারণ লেগেছে এই লেখাটা অনেক সুন্দর হবে ভাল লাগল এবং সুন্দরভাবে দৃশ্য উপভোগ করে যাচ্ছে সেগুলো দেখান।
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ।ডিমের কুসুমের মতো সূর্যটা জলের অতলে ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছে। জলার ধারে দাঁড়িয়ে এমন দৃশ্য আমাদের বহুবার দেখা। তারপরও আমরা ছুটে যাই সাগরপানে। উদ্দেশ্য, বিশাল জলধির বুকে সূর্য হারিয়ে যাওয়ার দৃশ্য মনভরে অবলোকন করা। তবে এই সাগরতীরে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত আর সূর্যোদয় দেখার মধ্যেও রকমফের আছে। এ ক্ষেত্রে যেন সবাইকে ছাড়িয়ে সাগরকন্যা কুয়াকাটা সৈকত।একবার ভাবুন তো, আপনি আছেন সাগরের তীর থেকে একটু গভীরে; গোধূলির সূর্য তার রাঙা আলোয় সাগরের সঙ্গে রাঙিয়ে দিয়েছে আপনাকেও। চারপাশে শুধু ঢেউ আর ঢেউ, কিছু ঢেউ আছড়ে পড়ছে আপনার ওপর। এরই ফাঁকে চোখ আটকে যাবে দিগন্তজোড়া পূর্বাকাশে আর সাগরের রাশি রাশি রাঙা জলে। সেই জলের ঢেউ সাদা ফেনা তুলে ভেঙে পড়ছে সৈকতের বালুচরে। মাথার কাছ দিয়ে এদিক-ওদিক উড়ে যাচ্ছে গাংচিলের দল। এরই মধ্যে এক সময় মনে হবে, ধীরে ধীরে সূর্যটা যেন গিলে খাচ্ছে রাঙা জলের আস্ত সাগরকে।
এটা হলো  নৃসিংহ দেবের মন্দির। এটা খু্বই সুন্দর দেখতে একটা মন্দির। এখানে প্রতিদিন নৃসিংহ দেবের পূজা করা হয়।  এই মন্দিরটা খুবই জাগ্রত মন্দির।  এখানে প্রতিদিন বহু ভক্তবৃন্দের আগমন ঘটে।  এটা হিন্দু ধর্মের অনুসারী মানুষের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং পবিত্র স্থান।  মন্দিরে গেলে মনে অন্যরকম ধর্মীয় অনুভূতির সৃষ্টি হয়।  এই মন্দিরটার সৌন্দর্য খুবই মন ছুয়ে যাওয়ার মতো।  এই মন্দিরটি দেখতে দুরদুরান্ত থেকে ভক্তবৃন্দদের সাথে সাথে বহু দর্শনার্থীদের ও আগমন ঘটে।এই মন্দির প্রাঙ্গনে বহু ভক্তবৃন্দের আগমন লেগেই থাকে।এই মন্দিরটি খুবই আকর্ষনীয় একটা  মন্দির।  ভগবান নৃসিংহ দেব ভগবান বিষ্ণুর অবতার। হিন্দু ধর্মের পূজনীয়  দেবতা ভগবান নৃসিংহ দেব।
ছবিটিতে আমরা একটা বটগাছ দেখতে পাচ্ছি বটগাছটা দেখে আমি আশ্চর্য হয়েছে আশাকরি আপনার কাছে অনেক ভালো লাগবে। বটের ফলের মৌসুম এখন, সবুজ সমুদ্রে লাল লাল বাতিঘরের মত জীবনের গান গেয়ে যাচ্ছে ক্ষুদে ক্ষুদে লাল, হলুদ ফলেরা। বট কিন্তু ডুমুর মানে ফিগ জাতীয় উদ্ভিদ, একটা বটগাছের উপরে যে কত লক্ষ প্রাণী বেঁচে থাকে সেটা জানলে হয়তো বট গাছ না কেটে মানুষ নিজের পতিত জমির বট-পাকুড়গুলো অন্তত রেখে দিত। একটা প্রাচীন ফলবান বট গাছে সহজই এক হাজার হরিয়াল জাতীয় পাখি বাঁচতে পারে, এছাড়া কোকিল, বসন্তবৌরিসহ যাবতীয় ফলখেকো পাখিরা তো আছেই, আছে নানা ক্ষুদে স্তন্যপায়ী প্রাণীরা, আর আছে হাজার লক্ষ জাতের পোকামাকড়, যাদের জীবন পুরাপুরি এই গাছের উপরেই নির্ভরশীল।  সহজ কথায় একটা বটগাছকে কেন্দ্র করে বিশাল এক ইকো সিস্টেম গড়ে ওঠে। সেই পাখি, প্রাণীরাই আবার বটের বীজ ফলের মাধ্যমে দূরদূরান্তে নিয়ে যেয়ে গাছের বংশবিস্তারে সাহায্য করে।
এটা হলো একটা মন্দির।  এটা হিন্দুধর্মের অনুসারী মানুষের কাছে খুবই পবিত্র স্থান।  মন্দিরে গেলে দেহমন পবিত্র হয়।  হিন্দু ধর্মালম্বীদের   তীর্থস্থানের সমান মন্দির।  মন্দিরে গেলে মনে অন্যরকম একটা ধর্মীয় অনুভূতির সৃষ্টি হয়।  মন্দিরে ভগবান বাস করেন।  হিন্দু ধর্মালম্বীরা বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে।  বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন দেবদেবীর মন্দির রয়েছে।  সেসব মন্দিরে সেসব দেবদেবীর বিগ্রহ স্থাপন করে সেই দেবতার পূজা করা হয়। প্রতিদিন মন্দিরে বহু ভক্তবৃন্দরা ছুটে আসে ভগবানের কাছে পূজা দিতে।মন্দির প্রাঙ্গনে প্রতিদিন বহু ভক্তবৃন্দের সাথে সাথে দর্শনার্থীদের ও আগমন ঘটে। এই মন্দিরটা দেখতে খুবই চমৎকার।  মন্দিরের চারপাশের পরিবেশটা ও মন ছুয়ে যাওয়ার মতো।
এটা এমন একটা খাবার যা ছোট থেকে সকলেরই ভিষন পছন্দের খাবার।এটি দারুন স্বাদের এবং বিশেষ করে আমার খুব পছন্দের একটি খাবার।এটি যেন দারুন একটি খাবার যা দেখলে না খেয়ে থাকা যায় না।এটা হলো সবার পছন্দের ঝালমুড়ি মাখা।এটাকে আবার বিভিন্ন উপকরন আরও যোগ করে ঘটি গরম ও বলে।ঘটি গরম মানে নামের সাথে এটির মিলও আছে।ঘটি মানে একটি ধাতব পাত্রে মুড়ি,চানাচুর বাদাম আর কিছু নিয়ে গরম গরম বানিয়ে পরিবেশন করা হয়।এটি দারুন লাগে খেতে।অনেকদিন এই খাবারটি খাওয়া হয় না।করোনার কারনে ঘরবন্ধি জীবনযাপন করতে করতে এসবের টেস্ট ভুলতে বসেছি।কবে যে আবার সু্ন্দর স্বাদের সেই ঝালমুড়িটা খেতে পারবো কে জানে।
সূর্য অস্তের দৃশ্য দেখতে সুন্দর লাগে।বাংলাদেশে রয়েছে অসংখ্য গ্রাম।গ্রামের সৌন্দর্য যে কাউকেই মুগ্ধ করে। বিশেষ করে যারা শহরে থাকেন তাদের অনেকেরই মন কিন্তু পড়ে থাকে গ্রামের মেঠো পথে প্রান্তরে। ছবিটি যশোর থেকে তোলা।গ্রামের সাধারণ জীবন-যাপনের একটি অংশ বিশেষ। এমন সরল জীবন দেখতে মাটির টানে নিজেকে নিয়ে চলুন গ্রামের ছোঁয়ায়।নদীতে এখনও দেখা যায় এমন নৌকা নিয়ে নদী পারাপারের দৃশ্য!ফসলের মাঠে স্বপ্ন পূরণ করতে পরিশ্রম করা চাষীদের খাবার খাওয়া হয় মাঠে বসেই। এত ক্লান্তির পরও মুখে থাকে হাসি।ছায়ায় ঘেরা মায়ায় ভরা গ্রাম, আঁকা-বাঁকা বয়ে চলা নদী-খাল, সবুজ শ্যামল মাঠ সবকিছুই প্রাকৃতিক। গ্রামের নদী ও খালে এমন নৌকা বেঁধে রাখার দৃশ্য এখনও চোখে পরবে। গ্রামের পথ দিয়ে গেলে এমন দৃশ্যে চোখ আটকে যাবে।
ছবিটিতে আমরা ছোট বাচ্চাকে তাদের দাদী এবং তাদের নানীর কাছে দেখতে পাচ্ছি। তারা শহরের ঈদ উপলক্ষে গ্রামে আইসা আবার শহরে চলে যাচ্ছে এটি একটি বিশেষ মুহূর্তে তারা এখন কান্নাকাটি করছে তাদের জন্য সবাই দোয়া করিবেন। বাড়ির সবার চোখের জলে বিদায় নেবার পালা। সবচেয়ে খারাপ লেগেছে বাবাকে কোনদিন কাঁদতে দেখিনি কিন্তু নাতীকে বিদায় দিতে বাবার হাওমাও করে কান্না আর সেই সাথে আশেপাশে থাকা চাচা-চাচীসহ সবার কান্না। আমার এতটুকু ছেলেও প্রচুর কেঁদেছে কারন ও হয়তো এই বয়সেই বুঝেছে রক্তের বন্ধন অনেক বড় বন্ধন। ইচ্ছে করেই বাবার কান্নামাখা ছবি তুলিনি কারন যারা আমার বাবাকে চেনেন তারা জানেন বাবা কেমন পৌরুষদিপ্ত কঠিন মানুষ তাঁর কান্নামাখা ছবিটা নাহয় আমার অন্তরেই থাকুক।
এটি হলো তীস্তা ব্রীজের ছবি।এটি দারুন সু্ন্দর একটি ছবি।ব্রীজের উপর দিয়ে সারি সারি গাড়ি চলছে।তিস্তা ব্রীজের অপরূপ দৃশ্যের সাথে আমরা দেখতে পাচ্ছি নদীতে জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য।তারা নৌকায় করে মাছ ধরছে।আমরা দেখতে পাচ্ছি এখানে চারটি নৌকা।তারা প্রথমে নদীতে জাল ফেলে এভাবেই আস্তে আস্তে জাল তোলে চার পাশ থেকে মাছ জালের মাঝখানে এসে জড় হয়।এটি খুবই সু্ন্দর একটি দৃশ্য।তারা এভাবেই তাদের জীবন চালায়।এভাবেই নদীতে মাছ ধরে তাদের সংসার চলে।সারাদিন মাছ ধরার পর তাদের আবার মাছ বিক্রির জন্য যেতে হয়।এক ফ্রেমে তিস্তা ব্রিজ আর জেলেদের জাল ধরার এক অপরূপ দৃশ্য ফুটে উঠেছে এখানে।এই সু্ন্দর দৃশ্যটি এখানে তুলে ধরা হলো।
এখানে আপনাদের সামনে যে ছবিটা উপস্থাপন করছি সেটা হলো হনুমানের মন্দির। এখানে আমরা বিশাল আকৃতির একটা হনুমানের মূর্তি দেখতে পাচ্ছি।  এটা অসাধারণ সুন্দর দেখতে একটা মূর্তি।  এটা অন্যতম একটা দর্শনীয় স্থান ।  এই মূর্তিটা মাটি থেকে বহু উচুতে।  উচুতে হলেও  মূর্তিটা অনেক বৃহৎ।  এই মূর্তিটা দেখার জন্য দুরদুরান্ত থেকে বহু পর্যটকের আগমন ঘটে ।  হনুমান হিন্দু ধর্মের অনুসারী মানুষের কাছে খুবই পূজনীয় একজন দেবতা।  হিন্দু ধর্মের দেবতা ভগবান  রামচন্দ্রের পরম ভক্ত হলেন ভগবান হনুমান। এই মূর্তিটা এত বিশাল যে এটার কাছে না গেলে বোঝাই যায়  না। ভগবান হনুমানের নানা কাহিনী  রয়েছে  হিন্দুদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ রামায়ণে।
ছবিতে একটি সুন্দর প্রাথমিক বিদ্যালয় দেখা যাচ্ছে।এই বিদ্যালয়টি দেখতে অনেক বড়। বিদ্যালয়ের সামনে রয়েছে বড় একটি মাঠ। এখানে বিদ্যালয় পড়ালেখা করে যে সব ছাত্ররা তারা খেলাধুলা করে। বিদ্যালয় বা পাঠশালা হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন, যা মূলত শিক্ষাদানের কেন্দ্র, যেখানে শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থী পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে জ্ঞানলাভ করে থাকে। বিদ্যালয় সব সময়ই দালানকোঠায় আবদ্ধ হবে এমন নয়, বরং একজন শিক্ষক, কিছু পরিমাণ শিক্ষার্থী, এবং শিক্ষাসহায়ক পরিবেশই বিদ্যালয় হবার জন্য যথেষ্ট। বিদ্যালয় নির্দিষ্ট পাঠক্রমের অধীনে পরিচালিত হয় এবং বিদ্যালয়ে পঠনের জন্য নির্ধারিত পাঠ্যপুস্তক থাকে। সাধারণত প্রথম শ্রেণী থেকে বিদ্যালয় শুরু হয়। তবে অধুনা প্লেগ্রুপ, নার্সারি, কেজি ইত্যাদিকে প্রিস্কুল বা প্রাক-বিদ্যালয় পঠন হিসেবে গ্রহণ করা হয় এবং এসব পাঠদানও বিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত ধরা হয় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সবকিছুর সাধারণ নামই বিদ্যালয়। কিন্তু সাধারণ্যের কাছে বিদ্যালয় শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণী থেকে বা প্রাক-বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম কিংবা দশম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য।
আমাদের পৃথিবীর অনেক কিছুই আমাদের অজানা।এমন অনেক রূপে আমাদের মুগ্ধ করতে প্রকৃতি তার পশরা সাজিয়ে রেখেছে।এরূপ সু্ন্দর একটি চিত্র এখানে উপস্থাপন করা হলো।এটি হলে একটি মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য।এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি সাদা মেঘে ঢাকা আকাশ।তার নিচে বরফের ন্যায় সাদা পাহাড়।এ যেন এক অপরূপ সু্ন্দর প্রকৃতি।সাদা সাদা পাহাড়কে মনে হয় যপন বরফের কুন্ড।এ যেন সাদার মায়াময় এক রূপ।সবুজে ঢাকা পাহাড় এ যপন এক অপরূপ মাধুর্য নিয়ে আছে।তার মাঝ দিয়েই সু্ন্দর একটি রাস্তা চলে গেছে।তার দুই পাশ দিয়ে রেলিং করা।এখানে আছে সারি সারি ফুলের বাগান তার মাঝেই সু্ন্দর একটি বাড়ি।এ যেন সাজানো একটি ছবির মতো সু্ন্দর।
this is charming scenari pf Bangladesh. It is a pleasant morning to see It's a pleasant morning, see out of the window You will feel brighter in the day Make all your wishes come true The sun is shining at the bay The flowers are blooming for you That sparrow on your window Giving you the light of the day Your spirit is up so get up high Look at the bright and wonderful sky Things will go according to you You will not feel bad and blue Everything will be playful according to you Because its wonderful day and new Wishing you a lovely morning Good morning to you! It is a pleasant morning to see It's a pleasant morning, see out of the window You will feel brighter in the day Make all your wishes come true The sun is shining at the bay The flowers are blooming for you That sparrow on your window Giving you the light of the day Your spirit is up so get up high Look at the bright and wonderful sky Things will go according to you You will not feel bad and blue Everything will be playful according to you Because its wonderful day and new Wishing you a lovely morning Good morning to you! It is a pleasant morning to see It's a pleasant morning, see out of the window You will feel brighter in the day Make all your wishes come true The sun is shining at the bay The flowers are blooming for you That sparrow on your window Giving you the light of the day Your spirit is up so get up high Look at the bright and wonderful sky Things will go according to you You will not feel bad and blue Everything will be playful according to you Because its wonderful day and new Wishing you a lovely morning Good morning to you!