検索結果:: মাছ ধরা
公開中 1 to 81 of 81 写真.
ছবিটির চলন বিলের ছবি। এটা মূলত রাজশাহীতে অবস্থিত বৃহত্তম একটি বিল।সংস্কারের অভাবে অনেক চিকন হয়ে গিয়েছে এর প্রস্থ। এখানে বহু ধরনের মাছের দেখা মিলত, এবং লম্বা বেশ অনেক বড় বিল। এই চলন বিলের পানি রয়েছে বেশ ভালো এবং আশেপাশের মানুষ এই জায়গাটি সাথে সম্পৃক্ত। এই জায়গাটি বহু মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম আপনাদের এখানে বেশ কয়েকটি নেট নেট জাল পেতে রাখা রয়েছে। এর প্রধান কারণ আছে যাদের মাধ্যমে মানুষজন মাছ ধরে থাকে এবং এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশের সৌন্দর্য কে ভালবাসে। তাই এ সকল সৌন্দর্য জায়গা করার কোনো বিকল্প নেই সেটা উপলব্ধি করতে পারবেন এবং বাস্তব উদাহরণ দৈনন্দিন জীবনে এভাবে শেষ করে বেশি ঘুরে দেখার কোনো বিকল্প নেই।আমরা এরকম সৌন্দর্যময় অপরূপ প্রকৃতির মধ্যে টিকে থাকতে পারি। এবং প্রকৃতির মধ্যে টিকে থাকতে হবে। আশাকরি সকলে সবাই বুঝতে পেরেছেন দেখা যায় সকলের সুস্থতা কামনা কর।ছি ধন্যবাদ সকলকে শুভ সকাল।
এখানে কিছুদিনের এক শিশুকে দেখানো হয়েছে যে এক ধরণের গ্রাম পুকুরের শিশুদের সাথে আলোচনা করা হয়েছে এবং সুন্দর সুন্দর এই ঘটনাটি আমাদের পরিবার-পরিজনদের কাছে খুব সুন্দর এই  ুরেুরেুরেুরেুরেুরেুরে ুরেুরেুরে ুরে চ্চ মানুষ মানুষ মানুষ লাগে মানুষ ধর লাগে খুবই ধর খুবই লাগে খুবই খুবই খুবই খুবই খুবই খুবই খুবই খুবই খুবই খুবই খুবই লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে লাগে বিক খুবই খুবই খুবই খুবই খুবই  এখানকার কুকুরের খাবারের জন্য আর্টের গ্রামীণ মানুষগুলি মেটাল রোগীদের জন্য চিকিত্সা করার সময় পুকুর খন এবং তার সাথে জড়িত রোগীদের সাথে আক্রান্ত হওয়া এবং মাছ ধরার বিষয়টি দেখা যায় যে তার মেটের ম্যাটায়া এবং সুন্দর দৃশ্যমান এই দৃশ্যমান সম্প্রদায়ের পরিবারগুলি
বিশাল নদী, বাংলাদেশ নদী মাতৃক দেশ। উক্ত ছবিতে আপনারা দেখ পাচ্ছেন যে একটি নদী। আমাদের দেশে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অনেক ধরনের নদী,নালা, সমুদ্র ইত্যাদী। নদীগুলো অনেক সুন্দর দেখতে। এ নদীগুলো কখনো রুদ্রমূর্তি ধারন করে। আবার কখনো শান্ত সুন্দর। বর্ষাকাণে নদী পানিতে টইটুম্বুর হয়ে ওঠে। তখন নদীতে মাছ ধরার ধুম পড়ে যায়। নদীর দু ধারে কাশবন, ছোটো ছোটো ঘরগুলোকে কোনো শিল্পীর দুলিতে আঁকা ছবির মতো মনে হয়। লঞ্চ, জাহাজ, পালতোলা নৌকারোহী চলাচল দেখতে অপূর্ব সুন্দর লাগে। নদীর দীনেশ গোধূলির সূর্য অন্ত যায়, তীরের সারি সারি গাছগুলো নিরজা ঘুমিয়ে পড়ে। জেলেদের নৌকাগুলিতে মিটমিট করে আলো জ্বলে। নদী ছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন সমূদ্র সৌকত। বাংলাদেশের কক্সবাজারে পৃখিবীর সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত। সাগরের নীল ঢেউ আছড়ে পড়ে পাড়ের গায়। ছোট ছোট লাল কাঁকড়াগুলো  গুটি গুটিেপায়ে তীরে ঘেঁষে ঘেঁষে চলে।
 আশা করি আমার পোষ্টটা সবার ভালো লাগবে। সবাইকে ধন্যবাদ।
আমার বন্ধু সেন্টমার্টিনদ্বীপে ঘুরতে গিয়েছিল। বন্ধুর নাম মাহমুদুল শাকিব সে অনেক উপভোগ করেছিল এই ভ্রমণ টা। সেখানে প্রতি বছর এবং সবসময় প্রায় এখানে পিকনিকে যায়। কেউ দ্বীপের দৃশ্য গুলো দেখতে যায়। এই দ্বীপের দর্শনীয় স্থান রয়েছে সমুদ্রের ঢেউ, নারিকেল গাছ, সমুদ্র সৈকতের দৃশ্য, অনেক কিছু। আরো দেখতে পাওয়া যায় শুটকি মাছের বাজার এবং ভাজা মাছ।

নিচে সেন্ট মার্টিন  দ্বীপ সম্পর্কে কিছু কথা 👇👇

কবে প্রথম এই দ্বীপটিকে মানুষ শনাক্ত করেছিল তা জানা যায় না। প্রথম কিছু আরব বণিক এই দ্বীপটির নামকরণ করেছিল জিঞ্জিরা। চট্টগ্রাম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় যাতায়াতের সময় এই দ্বীপটিতে বিশ্রামের জন্য ব্যবহার করতো। 

কালক্রমে চট্টগ্রাম এবং তৎসংলগ্ন মানুষ এই দ্বীপটিকে জিঞ্জিরা নামেই চিনতো। কালক্রমে পুরো দ্বীপটি একসময় 'নারকেল গাছ প্রধান' দ্বীপে পরিণত হয়। এই সূত্রে স্থানীয় অধিবাসীরা এই দ্বীপের উত্তরাংশকে নারিকেল জিঞ্জিরা নামে অভিহিত করা শুরু করে। দ্বীপটিতে খ্রিষ্টান জনবসতি এবং কোন গির্জা না থাকায় একজন সাধুর নামে দ্বীপটির নামকরণ সঠিক ইতিহাস নয় বলেই মনে হয়। 

তৎকালীন জেলা প্রশাসকের নামে দ্বীপটির নামকরণ করা হয়েছিলো। প্রায় ১০০ থেকে ১২৫ বছর আগে এখানে লোক বসতি শুরু হয়। বর্তমানে এখানে সাত হাজারেরও বেশি লোক বসবাস করে। দ্বীপের লোকসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখানকার বাসিন্দাদের প্রধান পেশা মাছ ধরা। পর্যটক ও হোটেল ব্যবসায়ীরাই প্রধানত তাদের কাছ থেকে মাছ কেনেন। ছোট মাছ পাটিতে বিছিয়ে, পিটকালা মাছ বালুতে বিছিয়ে এবং বড় জাতের মাছ পেট বরাবর ফেড়ে মাচায় শুকানো হয়। এ ছাড়াও দ্বীপবাসী অনেকে মাছ, নারিকেল, পেজালা এবং ঝিনুক ব্যবসা করে। এছাড়াও কিছু মানুষ দোকানের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। ছোট ছোট শিশুরা দ্বীপ থেকে সংগৃহীত শৈবাল পর্যটকদের কাছে বিক্রি করে থাকে। সম্পূর্ণ সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপেই প্রচুর নারিকেল এবং ডাব বিক্রি হয়। মায়ানমারের আরাকন থেকে বাংলাভাষী রোহিঙ্গাদের দ্বীপ অঞ্চলে প্রায়শই দেখা যায়।

 সেন্ট মার্টিন্স দ্বীপটির ভূপ্রকৃতি প্রধানত সমতল। তবে কিছু কিছু বালিয়াড়ি দেখা যায়। এ দ্বীপটির প্রধান গঠন উপাদান হলো চুনাপাথর। দ্বীপটির উত্তর পাড়া এবং দক্ষিণ পাড়া দু’জায়গারই প্রায় মাঝখানে জলাভূমি আছে। এগুলো মিঠা পানি সমৃদ্ধ এবং ফসল উৎপাদনে সহায়ক। দ্বীপটিতে কিছু কৃষিজ দ্রব্য উৎপাদন হয়ে থাকে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগণ্য।
থানচি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর অপরূপ একটি জায়গা। নদী পাহাড়  সবুজ অরণ্যে ভরা এই জায়গায় চোখ জুড়ানোর মতন প্রকৃতি যেন এখানে সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছে। প্রকৃতির রুপ উপচে পড়ছে  চারিদিকে।অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর এই বাংলাদেশ পাহাড়ি মানুষ বসবাস করে নদীর ধার ঘেঁসে। পাহাড়ের উপরে নদীর ধার ঘেঁষে তারা বসবাস করলে তাদের অনেক রকম সুবিধা হয়।অনেকেরই  জীবন জীবিকা নির্ভর করে  নদীভিত্তিক। সেজন্য নদীর ধার ঘেঁষে তারা বসবাস করে এবং নদী থেকে পাথর সংগ্রহ করে। সেগুলো বিক্রি করে। অনেকে নদীতে মাছ ধরার কেউ নদীর ধার ঘেঁষে ধান চাষ করে বিভিন্ন রকমের ফসল ফলায়। এভাবে তারা জীবন প্রবাহিত করতে থাকে পাহাড়ি জীবনের মানুষের বসবাস খুবই কষ্টদায়ক তারপরও তারা জীবন-জীবিকার তাগিদে সংগ্রাম করে এভাবে যুগের পর যুগ বসবাস করে আসছে। তবে জায়গাটা চমৎকার চারিদিকে সৌন্দর্যে ভরপুর।
আমরা অনেকেই মাছ ধরতে পছন্দ করি।যখন আমরা ছোট ছিলাম অনেকেই আমরা ডোবার জলাশয় থেকে মাছ ধরেছি।ছবিতে একজন ছেলে ও সাথে কয়েকজন ছোট মেয়েকে মাছ ধরতে দেখা যাচ্ছে।চারপাশে রয়েছে ধান ক্ষেত।আর ধান ক্ষেতের মাঝে ছোট একটা জলাশয়।ছেলেটিএকটা লাল বালতি দিয়ে পানি সেচ দিচ্ছে আর মেয়ে গুলো দাড়িয়ে আছে।পানি সেচের পর যখন সব পানি শুকিয়ে যাবে তখন মাছ ধরতে শুরু করবে।ছোট বেলায় আমরা অনেকেই এভাবে মাছ ধরেছি।সবাই মিলে এক সাথে মাছ ধরার মজাই অন্য রকম হয়ে থাকে।তারা মাছ ধরার পর সবাই এক সাথে মজা করে রান্না করে খাবে।মেয়ে গুলো জলাশয়ের পানি শুকানোর অপেক্ষায় আছে।পানি শুকালেই সবাই এক সাথে কাদার মধ্যে মাছ ধরবে।
একজন মাছ ব্যবসায়ী তিনি কিন্তু বাগদা এবং গল্লা চিংড়ি মাছ বিক্রি করছেন দেখতে পাচ্ছেন যে তার দোকানের সামনে গুলো সেগুলো কিন্তু রাখা হয়েছে এবং বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কিন্তু সেগুলো রেখেছে এবং সেগুলো কেন্দ্র সুন্দর করেই দোকানদার মালিক মজুদকরণ করেছে এবং সেগুলো কিন্তু বিয়ে করার জন্য এখানে তিনি প্রতিনিয়ত এভাবেই পাশে থাকেন এবং এগুলা বিক্রয় করেন এখানে প্রতি কেজি মাছের মূল্য 600 টাকা এবং আপনি 600 টাকা মূল্যে ক্রয় করতে পারবেন সে জন্য কিন্তু আরো সুন্দর করে এখানে রাখা হয়েছে।  বড়বাজার থেকে উঠানো হয়েছে যেখানে সাতক্ষীরার মানুষ অনেক সুন্দর করে এখান থেকে মাছ ক্রয় করতে পারে এবং বিভিন্ন কিন্তু এখানে মাছ পাওয়া যায় মানুষের চাহিদা অনুযায়ী এখান থেকে মাছ ক্রয় করে এবং প্রতিদিন শত শত মানুষ কিন্তু এখানে আসে এসে তার চাহিদা মতো এবং তার পছন্দমতো মাছ করতে পারে।


আমি বলতে পারি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে এত সুন্দর এখন মাছ বাজারের দৃশ্য দেখে। যেখানে একজন ব্যক্তি মাছ ধরার জন্য বসে রয়েছেন এবং তার সামনে রাখা হয়েছে মজুদকরণ মাছ যেগুলো কিন্তু খেতে অনেক সুস্বাদু এবং মাছ আমাদের আমিষের পরিমাণ মেয়েটাই তাই কিন্তু প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রকার মানুষ এখানে এসে মাছ করায় করে নিয়ে যায়।
নদীতে মাছ ধরার কিছু অসাধারণ রোমান্টিক মুহূর্ত আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন গ্রামের সব বয়সী মানুষ সেরা ছেলেমেয়েরা নারী-পুরুষেরা সবাই একত্রিত হয়ে নদীতে মাছ ধরেছে তার একটা চিত্র আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম আশা করি এই অসাধারণ দৃশ্য আপনাদের কাছে অনেক অনেক ভালো লাগবে আজকে হঠাৎ করে আমাদের নদীতে প্রচুর পরিমাণ এসেছে এজন্য এই মাছগুলো ধরার জন্য গ্রামের মানুষেরা নদীতে গিয়েছে মাছ ধরতে তারই কিছু চিত্র আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আমিও গিয়েছিলাম নদীতে মাছ ধরার জন্য মাছ ধরতে অনেক অনেক ভালো লাগে গ্রামের মানুষের আমারও খুব ভালো লাগে এজন্য আমিও তাদের সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়ে ছিলাম এবং তারই একটা অসাধারণ দৃশ্য আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম আশা করি এগুলা দেখে আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে নদীর দুধার দিয়ে প্রচুর পরিমাণ গাছগাছালি হাজারো মানুষের নদীতে মাছ ধরার জন্য তার দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন সব মিলিয়ে অসাধারণ কিছু মুহূর্ত আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম এবং আমি পেয়েছি নদী থেকে মাছ ধরে খুব সুন্দর একটা মুহূর্ত উপভোগ করছে আমরা গ্রামের মানুষেরা সবাই গিয়েছিলাম ছোট বড় বড় ভাই ছোট ভাই চাচা চাচি গিয়েছিলাম মাছ ধরতে তার একটা চিত্র আপনারা দেখতে পাচ্ছেন প্রতিটা মানুষ অনেক করে মাছ পেয়েছে এবং রুই মাছ কাতলা মাছ গ্লাস কাপ মাছ কৈ মাছ তেলাপিয়া মাছ আর বিভিন্ন ধরনের মাছ আজকে আমরা পেয়েছি এবং অনেক অনেক আনন্দ বিনোদনের মধ্যে আমরা মাছ ধরতে সক্ষম হয়েছে এবং খুবই ভালো লেগেছে আমাদের আমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাবে নদীতে মাছ ধরার দৃশ্যসুন্দর একটা মুহূর্ত আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরতে পেরে নিজেকে অনেক অনেক ভালো লাগছে এবং খুবই আনন্দ উপভোগ করছিল মাছ ধরার কাজে ব্যস্ত রয়েছ
নদী মাছ খেতে খুব ভাল এবং খুব সুস্বাদু।  এই মাছগুলি নদী থেকে ধরা পড়েছে।  জালটি নদী থেকে মাছ ধরতে ব্যবহৃত হয়েছে।  নদীর মাছগুলিতে প্রচুর আয়রন এবং ভিটামিন রয়েছে যা শারীরিক বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।  এ জন্য প্রতিটি মানুষের নদীর মাছ খেতে হবে।  মাছ ধরা হয়েছে খোলপেটুয়া নদী থেকে।  বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ।  এ দেশে প্রচুর নদীর মাছ রয়েছে।  এ দেশের নদী মাছ বিদেশে রফতানি করা হয়।  একইভাবে আমরা কয়েকটি নদীর মাছের ছবিও দিয়েছি।  এই নদীর মাছগুলি মানুষকে অনেক কিছু ভাবতে শেখায়।  এই মাছগুলি ধরার জন্য একজন ব্যক্তি কঠোর পরিশ্রম করেছেন।  ছবিতে দেখা লোকেরা খেতে খুব সুস্বাদু।  প্রত্যেকেই এই নদীর মাছ খেতে ভালবাসেন।  নদী থেকে মাছ ধরার পরে আমি ছবিগুলি তুললাম।
নদীর ধারে দুইটা ছেলে জাল দিয়ে মাছ ধরছে আসলে সেই দৃশ্য দেখলেই কিন্তু মন জুড়িয়ে যায়। কারণ বাঙালি মাছে ভাতে বাঙালি এবং এই দেশে রয়েছে নদ-নদী খাল-বিল যেগুলো দেখলে কিন্তু সত্যিই অনেক ভালো লাগে। ছোট্ট একটি দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ। যেখানে কিন্তু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যতা অফুরন্ত নারীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তার ভিতরে যদি আপনি বলেন তাহলে দেখতে পাবেন নানান রকম বিশ্বের অন্যতম এ দৃশ্যটি দেখে কিন্তু সত্যিই অনেক ভালো লাগে কত সুন্দর করে কিন্তু ছোট বাচ্চারা এখানে জাল দিয়ে মাছ ধরছে এবং তাদের এই মাছ ধরার দৃশ্য আমি আমার মুঠোফোনে ক্যামেরাবন্দি করি কিন্তু আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।


এভাবে কিন্তু মাছ মারছে এবং অনেক সুন্দর সুন্দর মাছ।  এখানে পেয়েছে বাচ্চারা আসলেই মাছমারা কিন্তু অনেক মজার একটি ব্যাপার যদি আপনি মাছ মারতে চান তাহলে কিন্তু আপনার অনেক ভালো লাগবে কারণ যখন জালে মাছ উঠে তখন কিন্তু অনেক আনন্দ লাগে এবং সেই মুহূর্তটা কিন্তু সত্যিই অনেক দারুন হয়। আমি বলতে পারি এভাবে অনেক সুন্দর একটি মুহূর্ত কিন্তু লুকিয়ে রয়েছে যেটি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে কত সুন্দর করে কিন্তু বাচ্চারা মাছ ধরছে সে দৃশ্যটি অনেক সুন্দর করে আগলে ধরে শুই আমি বলতে পারি আপনার অনেক ভালো লাগবে ছবিটি দেখে।
আমরা যেটা দেখতে পাচ্ছি সুইমিংপুলে বাচ্চারা গোসল করছে এটা চট্টগ্রামের তৈরি করা হয়েছে সেনাবাহিনীর আওতাধীন একটি পার্কে হিসেবে।  
চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে অবস্থিত সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি পার্ক। ভাটিয়ারী থেকে হাটহাজারী সংযোগ সড়কে  চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট এর একটু আগেই ক্যাফে পার্কটি অবস্থিত৷ এখানে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন পার্ক, বিভিন্ন প্রকার রাইড, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ফুড আইটেম পরিবেশনায় একটি রেস্টুরেন্ট। ক্যাফে  পার্কটি খুবই অসাধারণ এক‌টি বেড়ানোর জায়গা এবং এই পার্কের ভিতর ও বাহির সবখানে সাজানো গোছানো ও খুবই পরিষ্কার। প্রশিক্ষনের সময় সেনাবাহিনী যেসব উপকরণ ব্যবহার করে থাকেন এখানে সেসবের গুটিকতক সাধারণ জনগণের জন্য বানানো হয়েছে। নির্দিষ্ট ফি এর বিনিময়ে দর্শনার্থীরা এগুলো ব্যবহার করে সম্যক ধারণা নিতে পারবে। গতানুগতিক শিশুপার্ক বা এমিউজমেন্ট পার্কগুলোতে যেসব রাইড থাকে ক্যাফে  পার্ক তাঁর পুরোটাই ব্যতিক্রম। পার্ক এর যে কোন রাইডে যতবার খুশি উঠতে পারা যাবে। এখানের কিছু কিছু রাইডে নিরাপত্তার কারনে একত্রে একজনের বেশি ওঠা নিষেধ। প্রতিটি রাইডে চড়তে গিয়ে আপনি অনুভব করবেন অদ্ভুত রকমের থ্রিলিং। সেই সাথে রোমাঞ্চ ও শতভাগ অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ তো আছেই। আর আছে দুর্দান্ত আনন্দ।এ পার্কের হাতের ডানপাশে রয়েছে গ্রাম্য পরিবেশের মতো করে কিছু ঘর যেগুলোর মধ্যে বাঙালী ঘর এর পাশাপাশি রয়েছে চাকমা, মুরং, ত্রিপুরা ধরনার ঘর এবং বাম পাশে রয়েছে সুবিশাল একটি লেক যেখানে রয়েছে মাছ ধরার ব্যবস্থা। সামনেই রয়েছে এডভেঞ্চার ট্রেইল এর একটি পাহাড়৷
এখানে নদীর ধারে নৌকা এক লাইন দিয়ে সাজানো আছে দেখা যাচ্ছে এক সারি দিয়ে দেখতে খুব সুন্দর লাগছে। সমুদ্রের ধারে এ ধরনের নৌকা দেখতে পাওয়া যায় মাঝিরা জাল নিয়ে মাছ ধরার জন্য এই নৌকায় করে সমুদ্রে যায়।নৌযানগুলি সমুদ্রের পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে।  এই নৌকাগুলি মূলত ফিশিং বোট।  জেলেরা এই নৌকাগুলি দিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়।  নৌকাগুলি খুব সুন্দরভাবে তৈরি এবং সুন্দরভাবে আঁকা।  এখানকার পর্যটকরা এই নৌকাগুলি দেখে খুব উপভোগ করেন।  কারণ আমরা যারা শহরে বাস করি এবং যাদের জীবন ইট এবং বালির তৈরি বিল্ডিংয়ের মধ্যে কাটানো হয়, বয়সের পর যুগ এটি অবাক করা এবং উপভোগ করার মতো লোকেরা তাদের কাছাকাছি সমুদ্রের পাশে বাস করে।  সমুদ্রের ধারে এমন নৌকা দেখা অসম্ভব হবে।  সমুদ্র মানে বিশালতা।  সবাই সেই সৌন্দর্য উপভোগ করতে পছন্দ করবে।
পাটকেল ঘাটা শহরের এক ছোট্ট নদী নদীর নাম বেতনা নদী।  এই নদীরটি তে ছিপ ফেলে মাছ ধরতে দেখা যেত।  বেতনা নদী টি এখন অপরিষ্কার হয়ে আছে এই নদীটি এখন আর রঙিন নয়।  বেতনা নদী এখন আর নৌকা চালে না।  নৌকা সব ঘাঁটে বাঁধা আছে এখন ও দেখছেন এখানে বাধ আছে।  আপনার দেখছেন নদীতে শ্যাওলা জামে আছে।  ছোট ধরণের একটি বাড়ি ও আছে নদীটির পাশে।নৌকাও  বাঁধা আছে। এখানে একটি সুন্দর রাস্তা বানানো হয়েছে।  এখানে আগে জেলেরা মাছ ধরতো এবং বিক্রি করতো। আগে একসময় এখানে কিছু মাছ ধরা হত।  আগেকার এখন আর মাছ ধরা না।  আগে এক সময় নদীর পানি পাওয়া যায়।  পাটকেলঘাটা থানার সামনে এই নদীটা। নদীচরিত মধ্যম শ্যাওলা কচুরি পনায় ভড়ে গেছে
বগুড়া শেরপুরের নদীতে জেলেরা মাছ ধরছে নদীর তীরে যাদের বসবাস যেসব এলাকায় নদী তাদের জীবিকা নির্বাহ করে সেইসব নদীকেন্দ্রিক সারাবছর জীবিকা নির্বাহ করে থাকে নদী থেকে মাছ ধরে কেউ নৌকায় করে মাল বহন করেএখন নদীতে পানি কম কারণ বর্ষার সময় শুরু হলে আবার পানি থইথই হবে অবশ্য পানি ভরে গেল মাছ পাওয়া যায় অনেক তবে পানি কম থাকলে সেই সময়ে মাছ ধরতে সুবিধা হয় অল্প পানিতে নেমে খুব সুন্দর ভাবে জাল টেনে ধরেছে সেই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে দেখতে অনেক চমৎকার লাগছে তারা সারা বছরই এই নদীতে মাছ ধরে থাকে এই মাসে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে তারা জীবিকা নির্বাহ করে এখানকার বেশিরভাগ মানুষই এই নদী থেকে মাছ ধরার কাজ করে থাকে তাছাড়া নদীর পারে যেসব জায়গা আছে সেখানে প্রচার করে থাকে দেখা যাচ্ছে কেমনে কয়েকজন কৃষক ফসলের জমিতে কাজ করছে এরকম নদীর পাড়ে যেসব খালি জায়গা থাকে সেসব জায়গায় নদীর পাড়ের মানুষেরা ফসল ফলায়
অপরূপ সৌন্দর্যময় সুন্দরবনের এমন সুন্দর নদীতে অসাধারণ এই মাছ ধরা নৌকা। আপনারা দেখতে পারবেন যেখানে একটি মাছ ধরা নৌকা রয়েছে এটা মূলত একটা বড় সাইজের নৌকা যেটা মূলত স্টিমার বা ইঞ্জিনচালিত এটাকে মূলত জেলেরা মাছ ধরার হিসেবে ব্যবহার করে থাকে গভীর নদীতে গিয়ে সাগরের পাশে গিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের মৎস্য শিকার করে আনে এবং এ সকল মাছ আমাদের দক্ষিণাঞ্চল মানুষের কাছে প্রধান জীবিকার উৎস হয়ে ওঠে। তারা মাছ বাজারে স্বল্প মূল্যে বিক্রি করে। সেই সকল মাছ  আস্তে আস্তে রপ্তানি হয়। বিশেষ করে বিভিন্ন জাতের মাছ রপ্তানি আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের চিংড়ি মাছের একটা বড় অংশ আমাদের সুন্দরবন থেকে আসে এবং আমাদের সাতক্ষীরার এই দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের একমাত্র উৎস হল মাছের ঘের এবং এই সকল বিভিন্ন পর্যায়ে মাস গুলোর উপরে নির্ভরশীল আমরা আমরা দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ দেশের বেশিরভাগ সোনালী গোল্ডেন যেটাকে বলা হয়ে থাকে চিংড়ি মাছের উৎপাদন করে থাকে একমাত্র আমাদের এখানকার বড় বড় চিংড়ি মাছের চাষ হয়ে থাকে বাগদা গলদা চিংড়ি সহ অন্যান্য বিভিন্ন জাতের অন্যের শহরে সকল চিংড়ি বাইরের দেশে রপ্তানি করে থাকি তো অন্য শহরে অন্য দেশে রপ্তানি কৃত মাস ধরে আমার প্রচুর পরিমাণে আর্থিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করি এবং দেশের বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন করে থাকি।বিশেষ করে সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট হিসেবে পরিচিত যেটা আমাদের দক্ষিণাঞ্চল মানুষের কাছে একটা বড় জীবিকার উৎস উক্ত এলাকায় বেশিরভাগ মানুষের সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল সুন্দর বনের গাছপালা অপরূপ সৌন্দর্য প্রকৃতির মাঝে এমন সুন্দরী স্টিমার নৌকা যেটা দেখতে খুব সুন্দর প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ফিরিয়ে দিয়েছে তাই আমার জন্মদিনে আমরা টিকে থাকতে পারি এবং প্রকৃতির সাথে নিজেদের মানিয়ে গুছিয়ে সৌন্দর্যকে উপভোগ করতে পারি বাংলাদেশের এই আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলা থেকে বহু মানুষ আসে এই সুন্দরবনকে পরিদর্শন করতে আসলে আমাদের এলাকার জন্য গর্বের বিষয় বটে আমাদের এলাকায় এমন সুন্দর একটা বল যেটা সারা বিশ্বের দরবারে ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট হিসেবে পরিচিত এবং সুন্দরবন এ আসলে খুবই সুন্দর দৃশ্য।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ মাছ চাষ করে এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের মস্তিষ্ক থেকে বেশি অর্থ উপার্জন করে।  দক্ষিণ বাংলাদেশের খুলনা-বরিশাল সাতক্ষীরা অঞ্চলের মানুষ চিংড়ির বেশিরভাগ উত্পাদন করেন।  তারা সবাই মাছ ধরল।  তারা এই মাছগুলি বিক্রি করার পরে প্রচুর অর্থোপার্জন করতে পারে।  আপনার বাড়ির সবাই মিলে মাছ ধরছেন।  আমি এই গ্রামগুলিতে মাছ ধরার দৃশ্যগুলি দেখতে সত্যিই পছন্দ করি কারণ আমি একটি গ্রামের শিশু।  মানুষের আমেরিকা পছন্দ করা উচিত।  এই দৃশ্যগুলি বারবার দেখা যায় না, তাই এখন আমি আপনাকে আপনাদের মাঝে দেখাতে চাই, তাহলে আপনি বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলে বাস করার কিছু রহস্য বুঝতে পারবেন।
ভাটিয়া খালি নদী এটা মূলত সিলেটের একটা অন্যতম লম্বা দৈর্ঘ্যের নদী। এটা খুবই সুন্দর চোখ টানে নদীটি, আসলে মনমুগ্ধকর পরিবেশ বান্ধব দেখতে পারবেন যে প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্য নিয়ে নদীতে গড়ে উঠেছে এখানে আরও সুন্দরভাবে লক্ষ্য করলে দেখবেন যে নদী পারাপারের জন্য এলাকার মানুষেরা মিলে এখানে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছে মূলত বাঁশের তৈরি আসলে মানুষদের চারটি নদী পারাপারের সহজ হয় এবং কষ্ট কম হয়। সেই উদ্দেশ্য করে তৈরি করা তাইতো এর প্রয়োজনীয়তা আছে বটে ছবিটি তোলা হয়েছিল সূর্য অস্ত যাচ্ছে ঠিক সেই সময় হালকা লালচে বাদামি ভাবেই সূর্য অস্ত যাওয়ার দৃশ্য ছবিটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে এবং তার পাশাপাশি সাগর নিচে বেশ কয়েকটি রয়েছে এগুলো কাউ ভালো হয়ে থাকে মাছের এর মাধ্যমে নৌকাগুলোকে মাঝে চালনা করে থাকে নৌকাগুলো বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের জেলেরা গ্রামের মানুষেরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতায়াত করে থাকে তা ছাড়াও মাছ ধরার জন্য নদীতে কাজে লাগে এই নদীতে মাছ রয়েছে তা কিন্তু নয় তবে বর্ষার মৌসুমে নদীতে দেখা মেলে তবে বাংলাদেশের সিলেটের এটি মূলত সামনে গিয়ে বিচার এর সাথে যুক্ত হয়েছে নদীটিকে বড় পুরুষ তা দিয়ে সামনে এবং সেখানে গিয়ে জেলেরা মাছ ধরে থাকে বেশিরভাগ সময় তাছাড়া গ্রামের মানুষেরা বিশুদ্ধ পানির জন্যই নদীর উপরে নির্ভর করে থাকে সেক্ষেত্রে বড় একটা ভূমিকা রেখেছে তাইতো সিলেটের এমন সৌন্দর্যময় প্রকৃতিতে আমার নদনদী ও আসলে সুন্দর করে তুলেছে আমাদের বাংলাদেশে মূলত নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশের বেশিরভাগ জায়গায় এবং এই নদী প্রত্যেক জেলায় রয়েছে প্রত্যেক জেলায় কোন কোন নদী রয়েছে হয়তো সংস্করণের অভাবে অনেক জেলায় বিভিন্ন ধরনের নদী গুলো ভরাট হয়ে গিয়েছে তবে এগুলো আবার হয়তো ফিরিয়ে আনা যাবে মনে রাখতে হবে আমাদের দেশকে নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত এবং এ দেশের অর্থনীতির একটা বড় অংশই নদীর উপরে নির্ভর করে নদীর প্রয়োজনীয়তা আছে বটেতোমাদের প্রত্যেক বাঙালির বাংলাদেশি হিসেবে কর্তব্য এটা গ্রামের হয়ে কাজ করবে সকল নদনদী গুলোকে সংরক্ষণ করব নদ-নদীতে ময়লা ফেলবো না তাহলে পানি দূষণ ঘটবে যা আমাদের প্রকৃতির জন্য ভালো নয় তাই আমাদের প্রত্যেকেরই ভালো কাজে ভালো উদ্দেশ্যে সর্বদা এগিয়ে থাকতে হবে তাহলে আমাদের প্রকৃতি দেশ আমরা অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল পরিবেশটা সুন্দর ভালো থাকবে এবং রোগমুক্ত থাকব আশা করি আমরা সকলে দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।
নদীর মাঝখানে একটি নৌকা দেখা যায়।  অনেক লোক নৌকায় অপেক্ষা করছে এবং উপরে উঠতে অপেক্ষা করছে।  যখন নৌকা ডুবে যেতে পারে তখন এত লোককে নৌকায় নিয়ে যাওয়া ঠিক নয়।  আমাদের বাংলাদেশে নৌকাগুলি ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কারণ নৌকায় এত ভিড় যে ডুবে যেতে পারে।  আমাদের নৌকায় যতটা সম্ভব মানুষ বহন করা উচিত।  আমরা জানি যে কোনও বাস বা ট্রাকে কোনও ভারী জিনিস নিয়ে যাওয়া হলে তা উল্টে যাবে, ঠিক যেমন একটি নৌকা অতিরিক্ত লোড হলে ডুবে যাবে।  আপনি একজনকে মাছ ধরার জন্য নদীতে আগুনের কাঠ ফেলে দিচ্ছেন, জেলেরা নদী থেকে মাছটি নিয়ে যায় take  জেলেরা মাছ ধরে এবং তাদের পরিবারকে সহায়তা করতে বাজারে বিক্রি করে।  মাছ ধরতে গিয়ে অনেকে নদীতে ডুবে যায়।
মাছ শিকারের প্রস্তুতি চলছে রাজবাড়ী জেলার একটি অজ পাড়াগাঁয়ের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা নদী মাঝেরপাড়া এই মাঝের পাড়া গ্রামের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা পদ্মা নদীর এ কূল ও কূল গড়ে এই মাছ ধরার জন্য প্রস্তুতি চলছে জেলেরা দেখতে পাচ্ছি নৌকা নিয়ে নদীতে জাল নিয়ে প্রস্তুতি হচ্ছেন মাছ ধরার জন্য কতইনা অসভ্য হয়ে যায় তাই বন্ধুরা এই যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন এটা রাজবাড়ী উপজেলা পদ্মা নদীর কোল ঘেঁষে বয়ে চলা নদী টি এই নদীতে জেলেরা মাছ ধরার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে খুবই অসাধারণ ছবি অসাধারণ ছবি নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিটা ভাল লাগবে আর ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আমার চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করুন
ডমিন্টন খেলা আমাদের দেশে প্রচুর জনপ্রিয় ।শীতকালের প্রথম দিকে ব্যাডমিন্টন খেলা শুরু হয়। আমরা প্রতি বছর শীতকালেরব্যাডমিন্টন খেলা শুরু করি । ব্যাডমিন্টন খেলা খুব ব্যয়বহুল তারপরও আমাদের দেশের কিশোররা এটি খেলতে খুব ভালোবাসে আমিও এর ব্যতিক্রম নয়।আমরা এখান থেকে দেড় মাস আগে ব্যাডমিন্টন খেলা শুরু করি এবং এখনো পর্যন্ত প্রতিদিন খেলা করি। স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য ব্যায়াম করা অন্যতম বিভিন্নভাবে ব্যায়াম করা যেতে পারে এর মধ্যে খেলাধুলা অন্যতম, তাই আমরা খেলাধুলা কে বেছে নিতে পারি স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য।আমি এই ছবিটি যখন তুলেছি তখন আমাদের মাঠে তিনজন খেলা করছিলো ।এখানে আছে রউফ, লালটু এবং সাকিব এরা সবাই রিলিজ সোশ্যাল মিডিয়ার সদস্য। আমরা ব্যাডমিন্টন খেলার আন্তর্জাতিক নিয়ম হিসেবে মাঠ কেটেছি। মাঠ চারকোনা দেখা যাচ্ছে এবং মাঠের মাঝ বরাবর একটি জাল টাঙানো আছে এবং তার দুই পাশে লাইট ব্যবস্থা করা হয়েছে যা বিদ্যুতের মাধ্যমে জ্বলে। এই মাটি অবস্থিত সাতক্ষীরা খুলনা বাংলাদেশ।

Slideshow
Showing 1 to 4 of 4 photos.




 100%  6  0
MD. Shohag Hossain 136views   3 days ago 
Tags: ব্যাডমিন্টন, খেলাধুলা, সাতক্ষীরা , বাংলাদেশ
 Comments
8
Roky
Roky 3 days ago
Nc
0  Reply
Nahid5
Nahid hassan 3 days ago
Good via
1  Reply
View Reply
kanai
Tatsuo Kanai 3 days ago
ব্যাটমিন্টন, দুর্দান্ত!
আমিও কিছু করতে চাই তবে আমার ক্ষেত্রে, আমি অনুশীলনের চেয়ে কাজ পছন্দ করি। এজন্য আমি আমার কম্পিউটারের কীবোর্ড দিয়ে আঙ্গুলগুলি অনুশীলন করছি। 😂😂😂
9  Reply
View Reply
Ibrahim
Ibrahim 3 days ago
চালিয়ে যাও
2  Reply
View Reply
Ibrahim
Ibrahim 3 days ago
Nice
2  Reply

 
কক্সবাজার জেলা শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে সাগর বক্ষের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ সেন্টমার্টিন। সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কি.মি. দীর্ঘ এবং কিছুটা উত্তর-দক্ষিন দিকে বিস্তৃত। দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। ভৌগলিকভাবে এটি তিন অংশে বিভক্ত। উত্তরাঞ্চলীয় অংশকে বলা হয় নারিকেল জিঞ্জিরা বা উত্তর পাড়া যা ২১৩৪ মিটার দীর্ঘ ও ১৪০২ মিটার প্রশস্ত। দক্ষিন অংশকে বলে দক্ষিন পাড়া যা ১৯২৯ মিটার দীর্ঘ। একটি সংকীর্ণ অঞ্চল এই দুই অংশকে যুক্ত করেছে যা মধ্য পাড়া নামে পরিচিত।

মূল দ্বীপ ছাড়াও কয়েকটি ১০০ থেকে ৫০০ বর্গমিটার আয়তন বিশিষ্ট ক্ষুদ্র দ্বীপ রয়েছে যা ছেড়াদিয়া বা ছেড়া দ্বীপ নামে পরিচিত। জোয়ারের সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে এর নাম ছেড়া দ্বীপ। মাছ সংগ্রহস্থল, বাজার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু উত্তর পাড়াতেই সীমাবদ্ধ।যেদিকে চোখ যায় শুধু নীল আর নীল, আকাশ আর সমুদ্রের নীল সেখানে মিলেমিশে একাকার। চোখ জুড়ানো এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে ঘুরে আসুন বাংলাদেশের অনন্যসুন্দর প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন যার আরেকটি নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।অগভীর দীর্ঘ সমুদ্রতট, সামুদ্রিক প্রবাল, সাগরের ঢেউয়ের ছন্দ, প্রচুর দক্ষিণা হাওয়া, নান্দনিক নারিকেল বৃক্ষের সারি, সাগর তীরে বাঁধা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার এসবই সেন্টমার্টিন দ্বীপের মহাত্ম যা ছোট্ট এই দ্বীপটিকে করেছে অনন্যসুন্দর। বালি, পাথর, প্রবাল কিংবা নানা জীব বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে সেন্টমার্টিন ভ্রমণ পিপাসু মানুষের জন্য একটি অনুপম অবকাশ কেন্দ্র। এর স্বচ্ছ পানিতে জেলি ফিশ, হরেক রকমের সামুদ্রিক মাছ, কচ্ছপ, প্রবাল দেখতে পাওয়া যায় যা এই দ্বীপের অন্যতম আকর্ষন।এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যার চারিদিকে শুধুই নীল সমুদ্র। দ্বীপের মোট আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার। টেকনাফ থেকে ট্রলারে কিংবা জাহাজে যেতে সময় লাগে দুই থেকে সোয়া দুই ঘণ্টা। এর জনসংখ্যা প্রায় আট হাজার। দ্বীপের অধিবাসীদের প্রায় সবারই মূল পেশা মৎস্য শিকার। তবে ইদানীং পর্যটন শিল্পের বিকাশের কারণে অনেকেই রেস্টুরেন্ট, আবাসিক হোটেল কিংবা গ্রোসারি শপের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের মানুষ নিতান্ত সহজসরল, তাদের উষ্ণ আতিথেয়তা পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। এখানে পর্যটকদের জন্য ভাল মানের হোটেলের পাশাপাশি স্বল্প খরচে থাকা-খাওয়ারও ব্যবস্থা রয়েছে। এই সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণে র‍য়েছে ছেড়া দ্বীপ যা বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত দ্বীপ। প্রচুর প্রবাল, পাথর, স্বচ্ছ পানিতে নানান জীব বৈচিত্র দেখতে হলে আপনাকে অবশ্যই ঘুরে আসতে হবে ছেড়া দ্বীপ। সেন্ট মার্টিন থেকে ট্রলারে মাত্র ২০ মিনিট লাগবে ছেড়া দ্বীপ পৌঁছতে। ভাটার সময় সেন্ট মার্টিন থেকে হেটেও ছেড়া দ্বীপ যাওয়া যায়।
ashikvai's avatar
কক্সবাজার জেলা শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে সাগর বক্ষের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ সেন্টমার্টিন। সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কি.মি. দীর্ঘ এবং কিছুটা উত্তর-দক্ষিন দিকে বিস্তৃত। দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। ভৌগলিকভাবে এটি তিন অংশে বিভক্ত। উত্তরাঞ্চলীয় অংশকে বলা হয় নারিকেল জিঞ্জিরা বা উত্তর পাড়া যা ২১৩৪ মিটার দীর্ঘ ও ১৪০২ মিটার প্রশস্ত। দক্ষিন অংশকে বলে দক্ষিন পাড়া যা ১৯২৯ মিটার দীর্ঘ। একটি সংকীর্ণ অঞ্চল এই দুই অংশকে যুক্ত করেছে যা মধ্য পাড়া নামে পরিচিত। মূল দ্বীপ ছাড়াও কয়েকটি ১০০ থেকে ৫০০ বর্গমিটার আয়তন বিশিষ্ট ক্ষুদ্র দ্বীপ রয়েছে যা ছেড়াদিয়া বা ছেড়া দ্বীপ নামে পরিচিত। জোয়ারের সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে এর নাম ছেড়া দ্বীপ। মাছ সংগ্রহস্থল, বাজার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু উত্তর পাড়াতেই সীমাবদ্ধ।যেদিকে চোখ যায় শুধু নীল আর নীল, আকাশ আর সমুদ্রের নীল সেখানে মিলেমিশে একাকার। চোখ জুড়ানো এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে ঘুরে আসুন বাংলাদেশের অনন্যসুন্দর প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন যার আরে
কক্সবাজার জেলা শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে সাগর বক্ষের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ সেন্টমার্টিন। সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কি.মি. দীর্ঘ এবং কিছুটা উত্তর-দক্ষিন দিকে বিস্তৃত। দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। ভৌগলিকভাবে এটি তিন অংশে বিভক্ত। উত্তরাঞ্চলীয় অংশকে বলা হয় নারিকেল জিঞ্জিরা বা উত্তর পাড়া যা ২১৩৪ মিটার দীর্ঘ ও ১৪০২ মিটার প্রশস্ত। দক্ষিন অংশকে বলে দক্ষিন পাড়া যা ১৯২৯ মিটার দীর্ঘ। একটি সংকীর্ণ অঞ্চল এই দুই অংশকে যুক্ত করেছে যা মধ্য পাড়া নামে পরিচিত।

মূল দ্বীপ ছাড়াও কয়েকটি ১০০ থেকে ৫০০ বর্গমিটার আয়তন বিশিষ্ট ক্ষুদ্র দ্বীপ রয়েছে যা ছেড়াদিয়া বা ছেড়া দ্বীপ নামে পরিচিত। জোয়ারের সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে এর নাম ছেড়া দ্বীপ। মাছ সংগ্রহস্থল, বাজার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু উত্তর পাড়াতেই সীমাবদ্ধ।যেদিকে চোখ যায় শুধু নীল আর নীল, আকাশ আর সমুদ্রের নীল সেখানে মিলেমিশে একাকার। চোখ জুড়ানো এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে ঘুরে আসুন বাংলাদেশের অনন্যসুন্দর প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন যার আরেকটি নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।অগভীর দীর্ঘ সমুদ্রতট, সামুদ্রিক প্রবাল, সাগরের ঢেউয়ের ছন্দ, প্রচুর দক্ষিণা হাওয়া, নান্দনিক নারিকেল বৃক্ষের সারি, সাগর তীরে বাঁধা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার এসবই সেন্টমার্টিন দ্বীপের মহাত্ম যা ছোট্ট এই দ্বীপটিকে করেছে অনন্যসুন্দর। বালি, পাথর, প্রবাল কিংবা নানা জীব বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে সেন্টমার্টিন ভ্রমণ পিপাসু মানুষের জন্য একটি অনুপম অবকাশ কেন্দ্র। এর স্বচ্ছ পানিতে জেলি ফিশ, হরেক রকমের সামুদ্রিক মাছ, কচ্ছপ, প্রবাল দেখতে পাওয়া যায় যা এই দ্বীপের অন্যতম আকর্ষন।এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ যার চারিদিকে শুধুই নীল সমুদ্র। দ্বীপের মোট আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার। টেকনাফ থেকে ট্রলারে কিংবা জাহাজে যেতে সময় লাগে দুই থেকে সোয়া দুই ঘণ্টা। এর জনসংখ্যা প্রায় আট হাজার। দ্বীপের অধিবাসীদের প্রায় সবারই মূল পেশা মৎস্য শিকার। তবে ইদানীং পর্যটন শিল্পের বিকাশের কারণে অনেকেই রেস্টুরেন্ট, আবাসিক হোটেল কিংবা গ্রোসারি শপের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের মানুষ নিতান্ত সহজসরল, তাদের উষ্ণ আতিথেয়তা পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। এখানে পর্যটকদের জন্য ভাল মানের হোটেলের পাশাপাশি স্বল্প খরচে থাকা-খাওয়ারও ব্যবস্থা রয়েছে। এই সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণে র‍য়েছে ছেড়া দ্বীপ যা বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত দ্বীপ। প্রচুর প্রবাল, পাথর, স্বচ্ছ পানিতে নানান জীব বৈচিত্র দেখতে হলে আপনাকে অবশ্যই ঘুরে আসতে হবে ছেড়া দ্বীপ। সেন্ট মার্টিন থেকে ট্রলারে মাত্র ২০ মিনিট লাগবে ছেড়া দ্বীপ পৌঁছতে। ভাটার সময় সেন্ট মার্টিন থেকে হেটেও ছেড়া দ্বীপ যাওয়া যায়।
রাঙামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট ও বনভোজন কেন্দ্রটি ঢাকা শহরের খুব কাছে গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত। নাম রাঙ্গামাটি বলে অনেকেই প্রথমে ভেবে থাকেন রাঙ্গামাটি? সেতো অনেক দূর আসলে রাঙ্গামাটি জেলার নামের সাথে মিল রেখে এই অবকাশ কেন্দ্রের নামকরন করা হয়েছে রাঙ্গামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট। এখানে আছে বনভোজন কেন্দ্র, লেকে মাছ ধরা ও বেড়ানোর ব্যবস্থা এবং কটেজে অবকাশ যাপনের ব্যবস্থা। চারপাশ শালগাছে ঘেরা। এখানে আছে একটি মুক্তমঞ্চ। আছে লেকে নৌ-ভ্রমণের ব্যবস্থা, আছে সুইমিং পুলে শরীর ভিজানোর সুযোগ। পিকনিক স্পট আছে। অন্য সব খাবারের সঙ্গে তন্দুরি আর কাবাবও পাবেন। কটেজ আছে সাতটি, দোতলা ভবন আছে আরো আটটি। সব কক্ষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।
রাঙামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্টটি মুলত পারিবারিক ও কর্পোরেট পিকনিকের জন্য বিশেষ ভাবে প্রস্তুত করা। কামিনি, যামিনি, বিজ ফিল্ড ও এমফি থিয়েটার নামে ৪টি পিকনিক স্পট রয়েছে এখানে। প্রত্যেকটি স্পটে রয়েছে আদালা আলাদা খেলার মাঠ ও রান্না জায়গা। পুরো রিসোর্টের চার পাশে রয়েছে ঘন সবুজ অরন্য, নিরিবিলি পরিবেশ, শিশুদের খেলার জায়গা।
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বন্ধুরা এবার যে ছবিটা তোমাদের মাঝে আমি দেবো এটা একটি অসাধারণ দৃশ্যমান ছবি দেখতে পাচ্ছেন গ্রামের কজন শৈশবের ছেলেরা জাল নিয়ে যাচ্ছেন মাছ মারতে আমরা এটাকে বলে থাকি জাল অসাধারণ এটা এই জাল দিয়ে আমরা ঠেলতে ঠেলতে চিংড়ি মাছ পুঁটি মাছ ধরতে পারি তাই গ্রামের ছোট ছোট ছেলেরা শৈশবে দুরন্ত শৈশব চলছেন তারা নিজ পায়ে নিজে আনন্দ করে মাছ ধরার জন্য খুবই অসাধারণ ছবিটি এই ছবিটা তোলা হয়েছে আমাদের এলাকা গোবিন্দপুর গ্রামের ভিতরে ছবি অসাধারণ গ্রামের ছোট ছোট ছেলেরা এই কাজগুলো করতে খুবই ভালোবাসে এই ছবিটা আমার কাছে অসাধারণ একটা ছবি নিশ্চয়ই তোমাদের এই মাছ ধরার দৃশ্য টা ভালো লাগলে লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করুন
বন্ধুরা এই যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন এটা সেন্টমার্টিন দ্বীপের একটি ছবি অসাধারণ দৃশ্যমান তাই দেখতে পাচ্ছেন দুইজনকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে বেড়াতে যাই ফটোগ্রাফি করা অসাধারণ দেখতে পাচ্ছেন নদীর মাঝখানে অনেকগুলো নৌকা নৌকা দাঁড়িয়েছেন নৌকাগুলো মাছ ধরা নৌকা বাংলাদেশের উত্তরে কক্সবাজার থেকে প্রায় 70 কিলোমিটার দূরে টেকনাফ থেকে অসাধারণ একটি দৃশ্য টেকনাফের একটি নদী চলে গেছেন বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প নগরী সেন্টমার্টিন দ্বীপ নায়িকা অসাধারণ এই নারিকেল জিঞ্জিরার এখানে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণ দর্শনার্থীরা ঘুরতে আসেন এখানে এশিয়া থেকে এশিয়ার বাইরে থেকে অনেক দর্শনার্থীরা ঘুরতে আসেন আমাদের কাছে অসাধারণ প্রাকৃতিক অসাধারণ অসাধারণ লেগেছে ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন সাবস্ক্রাইব করুন
বন্ধুরা এই যে নৌকা টা দেখছেন এটা ইলিশ মাছ ধরা নৌকা খুবই অসাধারণ দেখতে পাচ্ছেন ইলিশ মাছ ধরার জন্য নৌকার উপরে অনেকগুলো সাদা ফুটবলের মত আছে এই দিয়ে জ্বাল নদীতে ফেলে দেয়া হয় তারপরে নৌকা এই নদীতে বাড়িতে থাকা হয় তারপর এখান থেকে ইলিশ মাছ সংগ্রহ করা হয় এটা বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার জেলা বলা হয় খুবই অসাধারণ দৃশ্য মানেই ইলিশের জেলা চাঁদপুর ইলিশ মাছ প্রচুর পরিমাণে থাকে চাঁদপুর জেলায় ডাকাতিয়া নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুবই দৃশ্যমান এবং খুবই অসাধারণ তাই এই ইলিশ মাছ ধরা নৌকা দেখলে প্রাণটা জুড়িয়ে যায় তাই আমার দেখা ছবি ইলিশ মাছ ধরার অসাধারণ একটি দৃশ্য নিশ্চয়ই তোমাদের ভালো লাগবে ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবেন আর ইলিশের চাঁদপুর অবশ্যই আপনারা ঘুরে আসবেন দেখার মত একটি চাঁদপুর বিভাগ খুবই অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
বন্ধুরা এই যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন এই ছবিটা একটি গ্রাম গঞ্জের এলাকার লোকে বলে সোনা সোনা নয় বাংলাদেশের মাটি সোনার চাইতে খাটি খুবই অসাধারণ এই কবিতাটা সেই কবিতার এই জায়গাটা খুবই অসাধারণ কারণ দেখতে পাচ্ছেন এই যে কৃষকের ফসলের জমিতে ফেলেছে সবাই মানে কিসের জন্য খুবই অসাধারণ এই কৃষকের জমিতে চলার কারণে আরে কৃষকের জমির পাশে দেখতে পাচ্ছেন একটি ছোট্ট খাল খুবই অসাধারণ তাই এই ঘরের ভিতর একজন জেলে মাছ ধরার জন্য কি সুন্দর করে বাঁশ দিয়ে তৈরি করা একটি জাল তৈরি করেছে খুবই অসাধারণ দেখার মত মনটা যেন জুড়িয়ে যায় এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেখলে তাই সব মিলিয়ে এই ছবিটা আমার অসাধারণ একটা ছবি নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিটা খুবই ভালো লাগবে আর ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করে
এখানে যে দৃশ্যটা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আশা করিআপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমি আমাদের গ্রামের কিছু ছেলে মেয়েরা আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন এখানে আমি নিজেই মাছ ধরছি আমাদের গ্রামের একটা রাস্তার সাইডে খুব সুন্দর একটা কালভাট রয়েছে আমি এই কালভার্টে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পানিতে নেমে মাছ ধরছি পুটি মাছ তেলাপিয়া মাছ আর বিভিন্ন ধরনের মাছ আমি ধরছি সেখানে পানিতে নেমে তারই একটা দৃশ্য তারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন এই ছবিটা তুলছিলো এডমিন সোহাগ আমার মোবাইল থেকে আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে অসাধারণ একটা দৃশ্য পুরাতন স্মৃতি স্মৃতি গুলো কখনো ভুলতে পারবোনা কারণ আমার জীবনের সাথে জড়িত এবং ছোটবেলার স্মৃতি গুলো রয়েছে আমি এগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমাদের এবং আমি দাঁড়িয়ে এখানে মাছ ধরছি আমার চিত্র আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম সত্যি অসাধারণ এই স্মৃতিগুলা দেখলে মনে পড়ে যায় ছোটবেলার কথাগুলো ছোটবেলায় অনেক আনন্দ বিনোদন করেছি মাছ ধরেছি মাঠে-ঘাটে আনন্দ-বিনোদন করেছি খেলাধূলা করেছি সব মিলিয়ে ছোটবেলার স্মৃতিগুলো অনেক আনন্দ বিনোদনের মধ্যে কেটেছে কিন্তু এখন বড় হয়ে অনেক কাজ কাম করতে হয় সব সময় কাজের মধ্যে থাকতে হয় এজন্য আর আনন্দ-বিনোদন করার সময় পাইনা এজন্য ছোটবেলার স্মৃতি গুলো দেখলে অনেক অনেক আনন্দ বিনোদন হয় এবং মনে পড়ে যায় ছোটবেলার স্মৃতিগুলো মাছ ধরার অসাধারণ দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন অনেক সুন্দর করে আনন্দ-বিনোদন করে বিকেল বেলায় এই ছবিটা তিন বছর আগে তোলা হয়েছিল আমাদের গ্রাম থেকে আমি মাছ ধরছিলাম তারই একটা চিত্র আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম তিন বছরের অতীতের স্মৃতি আজ আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে পেরে অনেক অনেক খুশি এবং আনন্দে তো অনেক অনেক ভালো লাগছে আজ আমার আশা করি এটা দেখে আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমার 3 বছরের পুরাতন অতীতের স্মৃতি মাছ ধরার দৃশ্য আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম
বন্ধুরা এই যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছে না এটা চুয়াডাঙ্গার একটি হাওরের ছবি খুবই অসাধারণ দেখতে পাচ্ছেন বকগুলো মাছের উদ্দেশ্যে আহারের জন্য একপায়ে দাঁড়িয়ে কতই না অসাধারণ দেখলে প্রাণটা জুড়িয়ে যাবে কারণ এইগুলো মাছ খাওয়ার জন্য চুয়াডাঙ্গা এই হরির উপরে দাঁড়িয়ে আছে দেখতে পাচ্ছেন হাওড়ার উপরে ছোট ছোট ঘাস আর আকাশের রোদ্দের তাপে পানি গুলো চিকচিক করছে কতইনা অসাধারণ লাগছে তাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলা চুয়াডাঙ্গা জেলা আমাদের কাছে খুবই প্রিয় একটি জেলা একটি দর্শনার্থীদের জন্য একটি স্থান এখানে প্রতিবছর দর্শনার্থীরা বেড়াতে আসেন তাই বন্ধুরা চুয়াডাঙ্গার ছবি অসাধারণ একটা দৃশ্য তাই নিশ্চয়ই তোমাদের ভালো লাগবে ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবেন
এটাকে বলা হয় ডিঙ্গি নৌকা খুবই অসাধারণ কারণ তিনি নৌকাটা ছোট্ট একটি নৌকা থেকে দুইজন অথবা তিনজন নদীতে চলা যায় এমন একটি ছোট্ট নৌকা নিয়ে একজন জেলে মাছ ধরার জন্য নদীতে নৌকাডুবি অসাধারণ দেখতে পাচ্ছেন নৌকার ওপর একটি লাখ টাকা নয় এটাকে বলা হয় বাদাম বাদাম নৌকাটা যেন আরো জোরে চলতে থাকে খুবই অসাধারণ একটি নৌকা নিয়ে নদীর মাঝখান দিয়ে মাছ ধরার জন্য নদীর পানির ঢেউয়ের তালে তালে নৌকা চলছে তার মতই অসাধারন বন্ধুরা নদীর প্রাকৃতিক দৃশ্য আঁকার জন্য সুন্দর লাগছে এই ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন এটা আমাদের সাতক্ষীরা জেলার কর্ণফুলী নদীর একটি ছবি খুবই অসাধারণ কর্ণফুলী নদীর প্রাকৃতিক দৃশ্য চোখে পড়ার মতো ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করবেন আমার চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবেন
প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু হয় দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট মাছ বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম। কম দামে তাজা মাছ কিনতে এ বাজারে দূর-দূরান্ত থেকে আসেন মাছ ব্যবসায়ীরা।
ঘোড়াঘাটের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে করতোয়া নদীর শাখা। আর এই শাখা নদীতে জেলেরা প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে মাছ ধরছেন। এছাড়া, উপজেলায় বিভিন্ন খালে-বিলে, পুকুরে মাছের চাষ করছেন স্থানীয়রা। এসব মাছ কেনা-বেচা হয় ঘোড়াঘাট বাজারে।রোববার ৮ নভেম্বর সকালে ঘোড়াঘাট মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি-বিদেশি নানা প্রকার মাছ উঠেছে এ বাজারে। বাজারে মলা-ঢেলা, পুঁটি, কই, মাগুর, টেংরাসহ নানা মাছ উঠেছে।

আমরা আড়ৎ থেকে মাছ কিনে খুচরা দরে বিক্রি করি। আজ বড় পাঙাস মাছ ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে কিনে তা বিক্রি করেছি ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে। ছোট পাঙাস ৭৫ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। রুই মাছ ১৪০ টাকা কেজি দরে নিয়ে তা বিক্রি করেছি ১৬০ টাকায়। তেলাপিয়া মাছ ১১০ টাকা কেজি দরে কিনে ১২০ টাকা করে বিক্রি করেছি।
এখানে বিরাট বড় বড় নদী থেকে ছোট ছোট মাছ ধরে বড় বড় মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে তারই একটা গ্রীষ্মকাল এখানে দেখতে পাচ্ছেন আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে মাছ ধরার এবং বিক্রয় করার একটা অসাধারণ দৃশ্য বাজারে বিক্রয় করা হচ্ছে এবং জাঁকজমকপূর্ণ মাছ বাজারের দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত
এই যে ছবিটা দেখছেন বন্ধুরা এটা গ্রামের কৃষক এবং কৃষকের ছেলে 2 বর ছেলে আর বাপ মিলে একসাথে মাঠের ভিতরে আট প্রেসেন্ট খুবই অসাধারণ নয় কারণ বাচ্চারা আমরা যাকে বলে থাকি তা আমরা এই দিয়ে মাছ ধরে দেখি এটা কি আমরা বলে থাকি খুবই অসাধারণ এই গুণী তাই বন্ধুরা এই গুণী আট মাস পরে এই মাছ পুঁটি মাছ চিংড়ি মাছ খেতে পড়তে থাকে এই দুজনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুবই অসাধারণ এবং উপভোগ করার মত একটি অসাধারণ ছবি রয়েছে গোবিন্দপুরপশ্চিম বিলে থেকে তোলা হয়েছে তাই ছবিটা একটি অসাধারণ দৃশ্য মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি গোবিন্দপুর পশ্চিমবঙ্গ কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব
এখানে যে দৃশ্যটা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে গ্রামের কিছু মহিলারা তারা সকালবেলায় মাছ পরিষ্কার করছে তার একটা দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন তারা সবাই একত্রিত হয়ে কাজ করছে অনেক ভাল লেগেছে তাদের এই কাজের অংশটা দেখে আমি তাদের সঙ্গে অনেক কাজ করেছি আমি তাদের সঙ্গে মাছ পরিষ্কার করার কাজে সাহায্য সহযোগিতা করেছে শীতের সকালে তারা সবাই অনেক সুন্দর করে আনন্দ করছে মাছ পরিষ্কার করে তারই একটা দৃশ্য আর তারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন আশা করি এটা দেখে আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আজ আমাদের বাড়ির পুকুর আমরা পানি সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়েছিল এবং এই মাছগুলো খুব সুন্দর করে পরিস্কার করা হচ্ছে পুটি মাছ পুঁটি মাছের মতন দেখতে অন্য এক রকম মাছ  আমরা আলাদা আলাদা ভাগে ভাগ করেছে ময়লা আবর্জনা গুলো আলাদা করছি তার একটা দৃশ্য এখানে দেখতে পাচ্ছেন আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমি তাদের সঙ্গে অনেক কষ্ট করেছ  শীতের সকালে আনন্দ বিনোদনের মধ্যে সময় পার করেছি আশাকরি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে যে আমাদের বাড়ির পুকুর থেকে মাছ ধরে মাছ পরিষ্কার করার গ্রামের মহিলাদের একটা অসাধারণ দৃশ্য আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম এখানে অনেক সুন্দর একটা দৃশ্য গ্রামের মহিলারা এখানে আছে গ্রামের অনেক ছোট ছোট ছেলেরা এখানে রয়েছে আমরা রয়েছে আমরা একটা সুন্দর একটা দৃশ্য আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমাদের বাড়ির পুকুর থেকে মাছ ধরা অসাধারণ একটা দৃশ্য এবং মাছ পরিষ্কার করার অসাধারণ একটা দৃশ্য আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরতে পেরে অনেক অনেক খুশি এবং আনন্দিত
মাঘ মাসের চতুর্থ দিনে কালীগঞ্জবাসীর কাঙ্ক্ষিত দিনটি আসে। এ সময় গাজীপুরের কালীগঞ্জের জনপদ উৎসবের আমেজে রঙিন হয়ে ওঠে। দোকানি এ সময় মেলার মাঠে পসরা সাজিয়ে বসে। ভোর হতেই শিশু-কিশোররা শুরু করে ছোটাছুটি। প্রায় দেড়শ’ বছরের পুরনো কালীগঞ্জ উপজেলার শীতলক্ষ্যা তীরে বকুল তলার এ গ্রামীণ মেলা। শুরুতে মেলাটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য হলেও বর্তমানে তা সব ধর্মের মানুষের উৎসবে পরিণত হয়েছে।  সকালের কুয়াশা কাটতেই মেলা প্রাঙ্গন মুখরিত হয়ে ওঠে নানান বয়সী মানুষের পদচারণায়। শিশুরা বড়দের কাছে বায়না ধরে টমটম গাড়ি, চড়কি, নানা রঙের পুতুল ও বেলুন কিনে দেয়ার জন্য। পাশাপাশি বড়রা কিনছে দৈনন্দিন ব্যবহার্য কাঠ-বাঁশ-বেতের তৈরি আসবাবপত্র ও মাছ ধরার সরঞ্জাম। মেয়েরা কিনছে মাটির হাড়ি, পিঠা তৈরির সাঝ, পিড়ি, মালসা, জলচৌকি ও রান্নার তৈজসপত্রসহ আরো কত কী!১৫ দিনব্যাপী চলবে এ মেলা। তিলা, কদমা, নিমকি, শখের মিঠাই, চানাচুর, মাসের বোরা, খই, বাতাসা ও হরেক রকম খাবারের ঘ্রাণে ভারি হয় মেলার প্রান্তর। পুতুল নাচ, নাগরদোলা, ঘূর্ণি বিদেশ, বেলুন-বন্দুক নিশানায় মেতে ওঠে নানা বয়সী শিশু-কিশোরের দল। মেলা হবে আর চটপটি-ফুচকা হবে না, তা কি হয় আলু-ডাবলির সঙ্গে তেঁতুলের পানি মেশানো ঝাল-টক চটপটি নস্টালজিক বয়স্কদের জিভেও পানি আসে। তাই মেলায় চটপটি-ফুচকা ছাড়া কল্পনাও করা যায় না। মেলায় আসে কুমারদের মাটির গড়া স্বপ্ন। তারা মাটি ছেনে তৈরি করেন দেশি-বিদেশি ফলের রঙিন ব্যাংক, সাহেব-মেম, বউ পুতুল, গরু, ছাগল, হাতি, বাঘ, সিংহ, ঘোড়া, কুমির, হাঁস, মুরগি, মাছ, পেখম তোলা ময়ূর এবং পাখি। যার উপস্থিতি চিরায়ত গ্রামবাংলার কুমারপাড়ার শৈল্পিক জীবনের সংগ্রামী অস্তিত্বের জানান দেয়।
করমজল  পর্যটন কেন্দ্রটি সুন্দরবনে পশুর নদীর তীরে অবস্থিত। বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে ৩০ হেক্টর জমির উপর পর্যটন কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়েছে। যদি একদিনে সুন্দরবন ভ্রমণ স্বাদ নিতে চান তবে করমজল হচ্ছে সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা। প্রকৃতির শোভা বাড়াতে এখানে রয়েছে কুমির, হরিণ, রেসাস বানর সহ নানা প্রজাতির পশুপাখি। এছাড়াও নির্মিত হয়েছে কাঠের ট্রেইল, টাওয়ার এবং জেলেদের মাছ ধরার কর্মজজ্ঞ হচ্ছে অতিরিক্ত প্রাপ্তি। করমজলে বাংলাদেশের একমাত্র কুমিরের প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
মংলা থেকে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করমজল পর্যটন কেন্দ্রে পৌঁছাতে এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। পর্যটন কেন্দ্রের প্রথমেই রয়েছে সুন্দরবনের মানচিত্র, যা সুন্দরবন সম্পর্কে মানচিত্র প্রাথমিক ধারণা দেয়। সামনে আঁকাবাঁকা কাঠের তৈরি মাঙ্কি ট্রেইল নামের হাঁটা পথ ধরে এগিয়ে গেলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্রের সমৃদ্ধতা সম্পর্কে অনুমান করা যায়। এই পথে এগিয়ে পশুর নদীর দেখা পাওয়া যায় চাইলে সেখানে নির্মিত বেঞ্চে বসে বিশ্রাম নিতে পারেন। সেখান থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দক্ষিণে পথের মাথায় একটি শেইড রয়েছে। এই জায়গা থেকে পশ্চিম দিকে আরো একটি কাঠের নির্মিত ট্রেইল দেখতে পাবেন। এই পথ আপনাকে নিয়ে যাবে কুমির এবং হরিণ প্রজনন কেন্দ্র এবং পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে। এই টাওয়ার থেকে আশেপাশের সৌন্দর্য্য দেখে আপনার মন নিশ্চিত প্রশান্তিতে ভরে যাবে।

বাংলাদেশি ও বিদেশী পর্যটকের জন্য করমজল পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ মূল্য যথাক্রমে ২০ এবং ৩০০ টাকা। বাংলাদেশি ছাত্র ও গবেষকরা ২০ ও ৪০ টাকার বিনিময়ে প্রবেশ করতে পারেন। অবশ্য বিদেশী গবেষকদের করমজলে প্রবেশের জন্য ৫০০ টাকা গুনতে হয়। বারো বছরের নিচে যেকেউ করমজলে প্রবেশ করতে ১০ টাকার টিকেট কাটতে হবে। ভিডিও ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশের জন্য এখানে ক্যামেরাপ্রতি অতিরিক্ত টাকা দিতে হয় বাংলাদেশীদের জন্য এই চার্জ ২০০ টাকা এবং বিদেশি জন্য ৩০০ টাকা। বলে রাখা ভালো এখানে সকল মূল্যের সাথে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য।এখানে বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আনন্দ ভ্রমণ করতে যায় নৌকায় করে লঞ্চ করে তারই একটা দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন প্রচুর পরিমাণ মানুষের যাতায়াতের দৃশ্য নদীপথেএকটা চিত্র আপনার এখানে দেখতে পাচ্ছেনআশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে খুলনা জেলার ভিতরে সুন্দরবন এলাকায় করমজল নামক একটি স্থানে দৃশ্য আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম আমরা এখানে দুই থেকে তিনবার আনন্দ ভ্রমণ করতে গিয়েছে অনেক সুন্দর আনন্দ প্রিয় একটা স্থান
নদীতে জেলেরা জাল দিয়ে মাছ ধরছে তারই একটা দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন জেলেদের একমাত্র কাজ সারা দিন নৌকায় ঘুরে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন স্থানে নদীতে মাছ ধরা তাদের প্রধান কাজ হবে এটা করে থাকেন আশা করি আপনাদের এই অসাধারণ দৃশ্য দেখে অনেক অনেক ভালো লাগবে জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য তারা নদীতে জাল ফেলে খুব সুন্দর করে বড় বড় মাছ ধরতে পারে তারই একটা দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন তারা নৌকায় করেন নদীর মাছ ধরতে গিয়ে মাছ ধরছে জাল দিয়ে তারই একটা দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন আবার কিছু কিছু জেলেরা রয়েছে তারা জাল দিয়ে মাছ ধরে এখানে মাছ ধরার চেষ্টা করছেন মাটিতে দাঁড়িয়ে জাল দিয়ে মাছ ধরা এবং নৌকার উপর দাঁড়িয়ে জাল দিয়ে মাছ ধরার অসাধারণ অবলম্বন করে এভাবে মাছ ধরতে হয় আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমাদের গ্রামের মানুষের নদীতে মাছ ধরার অসাধারণ একটা দৃশ্য আমি আপনাকে আমার খুবই ভালো লেগেছে নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশের অলিতে-গলিতে নদী গ্রামের ভিতরে নদী নদী রয়েছে দেখতে খুব সুন্দর অসাধারণ দৃশ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাংলাদেশ আমাদের আপনার এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় দেশে বসবাস করি পদে গুলা দেখতে অনেক সুন্দর নদীর ধার দিয়ে যখন হেটে হেটে যায় তখন মনের ভিতর অনেক আনন্দের অনুভূতি জাগ্রত হয় এত সুন্দর নদী সৃষ্টি করেছেন আমাদের জন্য এই ত্রিভুবনে দেখতে খুবই সুন্দর মানুষের বসবাস চলাফেরা সমাজের ভেতর দিয়ে গড়ে ওঠা এই অসাধারণ দৃশ্য আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে সারাদিন নদীতে মাছ ধরার দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন
এখানে যা দৃশ্যটা দেখতে পাচ্ছেন আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবেএইযে দৃশ্যটা আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি এটা অনেক সুন্দর একটা দৃশ্য গ্রামের ছেলেরা একটা পুকুর সেচে মাছ ধরছে তার একটা দৃশ্য আপনারা এখানে উপভোগ করছেন গ্রামের যুবক ছেলেরা একত্রিত হয়ে আজ এই মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত রয়েছে এবং এই মাছ ধরে মাছ বিক্রি করে টাকা দিয়ে পিকনিক করবে তারা তারা একটা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং আমরা সবাই একত্রিত হয়ে মাছ ধরার কাজে নিয়েছিলাম এবং সবাই মিলে একসঙ্গে মাস ধরে বাজারে বিক্রি করে টাকা দিয়ে পিকনিক করার জন্য একটা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমাদের গ্রামের যুবক ছেলেদের খুব সুন্দর করে শীতের সকালে মাছ ধরার একটা অসাধারণ দৃশ্য আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে আনন্দ বিনোদনের মধ্যে মাছ ধরার অন্যরকম একটা আনন্দ বিনোদন পানি সেচ দিয়ে মাছ ধরার একটা অন্যরকম দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন আশা করি আপনাদের সামনে তুলে ধরলে অনেক অনেক খুশি এবং আনন্দিত হবেন গ্রামের যুবক ছেলেদের  মাছ ধরার অসাধারণ আনন্দ-বিনোদনের দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন এখন আমাদের গ্রামের ছেলেদের আনন্দ-বিনোদন  করে মাছ ধরার দৃশ্য আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন
বিকেল বেলার একটা অসাধারণ দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন বিকেল বেলা নদীর পাড়ে ঘুরতে যাওয়ার একটা অসাধারণ মুহূর্ত আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম আমি বিকেল বেলায় পদ্মা নদীর পাড়ে ঘুরতে গিয়েছিলাম এবং করতে গিয়ে তার একটা অসাধারণ দৃশ্য আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম পদ্মা নদী এমন একটা নদী বাংলাদেশের মানুষের প্রচুর পরিমাণ স্বপ্ন লুকিয়ে থাকে এই নদীতে এই নদীতে মানুষের ইনকাম  মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য কারণ কারণ এই নদীতে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণ ইলিশ মাছ এই মাছ বাজারে বিক্রয় করে জেলেরা তারা সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে নৌকা নিয়ে পদ্মা নদীতে বেরিয়ে পড়ে মাছ ধরার জন্য তারা প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ইলিশ মাছ সংগ্রহ করে থাকে এই নদী থেকে এই জন্য বাংলাদেশের একটা প্রাকৃতিক সম্পদ বলা হয় পদ্মা নদী  আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ পদ্মা নদীর একটা অসাধারণ দৃশ্য দেখে এবং বিকেল বেলার একটা অসাধারণ মুহূর্ত আপনার এখানে উপভোগ করেছেন আমি আমার নিজের মোবাইলে ছবিটা তুলছে  আমার অনেক অনেক ভালো লেগেছিল তাই আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম আশা করি এটা দেখে আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে বিকেলবেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের একটা অসাধারণ দৃশ্য দেখে
পানি জাদুঘর বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত যা ২৯ ডিসেম্বর ২০১৪ সালে একশন এইড নামের একটি এনজিও স্থাপন করে। বাংলাদেশের মানুষের নদী-কেন্দ্রিক জীবন-জীবিকা ও সংস্কৃতি তুলে ধরাই এর উদ্দেশ্য।পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পাখিমারা এলাকার এবং কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়কের পাশে একটি দ্বিতল ভবনে পানি জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আভাস-এর সহযোগিতায় কলাপাড়া উপকূলীয় জনকল্যাণ সমিতি পরিচালনা করছে এই জাদুঘরটি।
২০১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ ও আভাসের উদ্যোগে কলাপাড়া উপজেলার পাখিমারা এলাকার কুয়কাটা-ঢাকা মহাসড়কের পশ্চিম পাশে বিশ্বের অষ্টম ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম পানি জাদুঘরটির উদ্বোধন করা হয়।
পানি জাদুঘরে প্রবেশ পথের সম্মুখেই রয়েছে নদীতে বাঁধ তৈরির ফলে নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় মানুষের জীবন যাত্রার পরিবর্তনের দৃশ্য। বাঁধ তৈরির ফলে শুকিয়ে গেছে নদী। প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য নৌকা শুকিয়ে যাওয়া নদীতে পড়ে আছে। অর্ধ বালুতে ডুবন্ত নৌকার বুকে বিধে আছে দুটি গজাল লোহা। এর মাধ্যমে নদী ও নদীমাতৃক বাংলাদেশকে খুনের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
এই জাদুঘরে রয়েছে বাংলাদেশের ৭০০টি নদীর ইতিহাস, বিভিন্ন নদীর পানি, নদীর ছবি, নদীর পানির ইতিহাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিবেশে ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার চিত্রসহ বিভিন্ন তথ্য। রয়েছে গ্রামবাংলার মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ, নদী নিয়ে গান ও পল্লী শিল্প। রয়েছে কাঁসা ও মাটির তৈরি তৈজসপত্র। বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৭টি আর্ন্তজাতিক অভিন্ন নদীর ইতিহাস রয়েছে এখানে।
বিভাগীয় শহর রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার খলেয়া গুঞ্জিপুর এলাকার প্রায় ১০০ একর জায়গা জুড়ে ২০০১ সালে স্থাপিত হয়েছে ভিন্নজগত বিনোদন কেন্দ্র  ভিন্নজগৎ এর দেশি বিদেশি হাজারো বৃক্ষে নানা প্রজাতির পাখির কোলাহলে মুখর হয়ে থাকে। ভিন্নজগতে রয়েছে বাংলাদেশের প্রথম প্লানেটোরিয়াম, রোবট স্ক্রিল জোন, জল তরঙ্গ, স্পেস জার্নি, আজব গুহা, সি প্যারাডাইস, শাপলা চত্বর, নৌকা ভ্রমণ, ওয়াক ওয়ে, বীরশ্রেষ্ঠ এবং ভাষা সৈনিকদের ভাস্কর্য, থ্রিডি মুভি, মেরি গো রাউন্ড, ফ্লাই হেলিকপ্টার, লেক ড্রাইভ, সুইমিং পুল, মাছ ধরার ব্যবস্থা এবং স্পিনিং হেড।

শিশুদের বিনোদনের জন্য স্থাপন করা হয়েছে ক্যাঙ্গারু, ঘোড়া, হাতিসহ বিভিন্ন প্রাণির মুর্তি। ভিন্নজগতে রয়েছে একই সঙ্গে ৫০০ জনের বিভিন্ন পৃথক দলের আলাদা পিকনিক করার ব্যবস্থা। প্রায় ৯০০ গাড়ির পার্কিংয়ের সুবিধা, ৭ টি কটেজ, থ্রি স্টার মানের ড্রিম প্যালেস হোটেল। এছাড়াও ভিন্নজগতের জলাশয়গুলোতে নৌভ্রমণের সুবিধা এবং নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। যা ভিন্নজগতকে উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় বিনোদন কেন্দ্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।ভিন্নজগতে প্রবেশ করতে জনপ্রতি ৩০ টাকা দিয়ে প্রবেশ টিকেট সংগ্রহ করতে হয়। এছাড়া ভেতরের প্রতিটি রাইড উপভোগের জন্য বিভিন্ন প্যাকেজ চালু আছে।
বাংলাদেশের দক্ষিণে নীলডুমুর গ্রামের পাশে কোল ঘেঁষে বয়ে চলা পৃথিবীর এশিয়ার ভিতরে ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন সুন্দরবন আমাদের কাছে খুবই অসাধারণ একটা সুন্দর তাই মুন্সীগঞ্জে নদী এই নদীর ত্রিমুখী জায়গাটায় সুন্দরবনের নদী আমাদের কাছে খুবই অসাধারণ একটি নিদর্শন সুন্দরবন আমাদের কাছে খুবই প্রিয় একটা নদীর কূল ঘেঁষে বয়ে চলা নদী গুলো আমাদের খুবই পছন্দের একটি নদী গাছগাছালি আর জেলেরা মাছ ধরা আমাদের কাছে খুবই ভালো লাগে আর আমাদের কাছে ভালোলাগায় আমরা খুব খুশি হই তাই সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের প্রচুর পরিমাণ পশুপাখি প্রাণী আছে আর এখানে প্রতিবছর অনেক পর্যটকরা ঘুরতে আসে দেখার মত একটি স্থান তাই এই সুন্দর সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ তুমি আমাদের কাছে খুবই প্রিয় সাতক্ষীরা থেকে প্রায় 70 কিলোমিটার রাস্তা সুন্দরবন সুন্দরবন
এই যে ছবিটা দেখছেন এটা কপোতাক্ষ নদীর একটি দৃশ্য খুবই অসাধারণ এই কবুতরের দৃশ্য এই দৃশ্যটা ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন এটা কাবিলপুর চৌগাছা মোড় থেকে একটু ভিতরে গ্রামের ছবিটা তোলা হয়েছে তাই কাবিল পুর গ্রামের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা নদীর তীরে যে দেখতে পাচ্ছেন কয়েকটি বাঁশ দিয়ে সেঁকো বানিয়ে কৃষক জেলেরা মাছ ধরার জন্য কি সুন্দর করে তৈরি করে রেখেছেন এবং এই কবুতর নদীর সাইডে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই গ্রামের উপর দিয়ে তাই নিশ্চয়ই তোমাদের পছন্দ হবে আর যশোর জেলায় নদীর একটি জেলা আমাদের কাছে খুবই প্রিয় একটা নদী তাই আপনাদের যদি এই নদীর ছবিটা ভালো লেগে থাকে তাহলে নিশ্চয়ই লাইক বা কমেন্ট করবেন শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দেবেন তার বস আপনার যদি এটাকে আপনি আপনার মোবাইলের স্কিনে ওয়ালপেপারে সেট করে নিবেন এই বদলগাছি গ্রামের ছবিটা
বন্ধুরা এই যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন এই ছবিটা এক অসাধারণ ছবি চরভৈরবী চাঁদপুর জেলা চাঁদপুর জেলার অজ পাড়াগাঁয়ের শাইখুল ঘেঁষে বয়ে চলা এই ডাকাতিয়া নদীর তীরে কতই না সুন্দর এই ডাকাতিয়া নদীতে দেখতে পাচ্ছেন সন্ধ্যা নিভু নিভু সময় কয়েকটা নৌকা জেলেরা নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে চলে গেছে খুবই অসাধারণ দেখতে পাচ্ছেন এই যে নৌকা নৌকা একটি জানিয়ে বলেছেন মাছ ধরার জন্য তাই এই চাঁদপুর জেলায় ডাকাতিয়া নদীতে প্রচুর পরিমাণে আছে এবং পিছনে একটি নৌকা দেখতে পাচ্ছেন ওরাও মাছ ধরতেছে খুবই অসাধারণ এই ছবিগুলো আর এই মাছগুলো বাংলাদেশের 64 জেলায় সব থেকে চাঁদপুর জেলায় ডাকাতিয়া নদী পদ্মা নদী মেঘনা নদী এবং প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এসব মিলিয়ে অসাধারণ এই ছবিটা ভালো লাগলে লাইক বা কমেন্ট করবেন শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দেবেন আর আমার এই চ্যানেল সাবস্ক্রাইব
বন্ধুরা এই যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন কতই না সুন্দর একটি ছবি গ্রামের মানুষ অজ পাড়াগাঁয়ের মানুষেরা একসাথে মাছ ধরতে খুবই ভালোবাসে এই যে কৃষকের ফসলের ক্ষেতে একটু পানি জমে হয় ছোট ছোট মাছ এই জমিতে প্রচুর পরিমাণ হয়েছে তাই এই গ্রামের মানুষ অজ পাড়াগাঁয়ের মানুষেরা একসাথে চাবি দিয়ে মাছ ধরেছে কতই না সুন্দর লাগছে তাই সব মিলিয়ে এই মাছ ধরা এবং এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কৃষকের ফসলের জমি সব মিলিয়ে এই ছবিটা আমার কাছে অসাধারণ একটা ছবি নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিটা ভালো লাগবে আর ভাল লাগলে লাইক বা কমেন্ট করবো শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিবে আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করব
বন্ধুরা এই যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন এই ছবিটা খুবই অসাধারণ একটি ছবি কারণ নাটোর জেলার গ্রামের একটি হাতির এইটা দেখতে পাচ্ছেন কৃষকরা চাষিরা মাছের চাষ করে থাকে এবং মাছ ধরে কত সুন্দর এই গ্রামের
এই যে গ্রামের সাইডে কিছু নদীটা দেখতে পাচ্ছেন এই নদীতে কয়েকটা তলোয়ার রাখা হয়েছে কতই না সুন্দর এগুলো নিয়ে জেলেরা মাছ ধরতে যায় এবং দেখতে পাচ্ছেন একজন জেলে জাল ফেলে মাছ ধরার চেষ্টা করছে কতই না সুন্দর তাই নাটোর জেলার গ্রামের হাতিরঝিল এলাকায় একটি অসাধারণ নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিটা পছন্দ হবে মাঝখানে নদী উপরে আকাশ কতই না সুন্দর একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাই এই ছবিটা যদি পছন্দ হয়ে থাকে লাইক বা কমেন্ট করবো শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিবে চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করব
বন্ধুরা এই যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন খুবই অসাধারণ একটি ছবি বাংলাদেশের উত্তরে একটি বৃহত্তম জেলা নরসিংদী জেলা নরসিংদী জেলার উপর দিয়ে বয়ে চলা শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে এসে নৌকা এবং অসাধারণ কিছু দৃশ্য নৌকাগুলো রাখা হয়েছে এই শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌকা দিয়ে মাছ ধরা হয় তাই জেলেরা নৌকা দিয়ে মাছ ধরে আবার এই সাইটে বাসায় চলে যায় এই নৌকার সাইটে দেখতে পাচ্ছেন পানির উপরে কিছু কচুরিপানার ছবি অসাধারণ শীতলক্ষ্যা নদীতে কচুরিপানা খুবই অসাধারণ লাগছে তাই বন্ধুরা নিশ্চয় ছবিটা খুবই অসাধারণ একটা ছবি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে তোমাদের ভালো লাগবে আর যদি তোমাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে লাইক বা কমেন্ট করবেন আর শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দেবার আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবা
এই যে ছবিটা দেখছেন বন্ধুরা এটি একটি নদীর ছবি এই নদীতে দেখতে পাচ্ছেন একটি নৌকা রাখা আছে এই নৌকার প্রধান মাঝি বসা আছে এই নৌকা নিয়ে এনারা জালে মাছ ধরার জন্য নদীতে বেরিয়ে পড়েছে নৌকাটা যে জায়গায় রাখা আছে সাইটে কিছু আছে খুবই সুন্দর লাগছে এই সাইটের জন্য খুবই অসাধারণ এই যে নদীতে মাঝি নৌকা নিয়ে আসে এরা মাছ ধরবে আমি মাছ বিক্রি করে নদীতে প্রচুর পরিমাণ মাস থেকে থাকে খুবই অসাধারণ এটা আমাদের পাটকেলঘাটা কপোতাক্ষ নদীর চর এই কবুতরের এই ছবিটি নিশ্চয়ই আপনাদের খুবই ভালো রাখবে অসাধারণ একটি দৃশ্য মনছবি তাই বন্ধুরা যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে নিশ্চয়ই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দেবেন আমার এই চ্যানেলটাকে সাবস্ক্রাইব করুন
আমি আপনাদের মাঝে যে দৃশ্যটা উপস্থাপনা করছি আশা করি এটা দেখে আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে গহীন সমুদ্রের একটা দৃশ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম আমিথ্রিডি আর্ট মিউজিয়াম থেকে খুব সুন্দর করে সেটা সংগ্রহ করেছি আশাকরি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমার এই দৃশ্যটা দেখে গহীন সমুদ্রের তলদেশে অসাধারণ একটা বাড়ির দৃশ্য আপনারা দেখতে পাচ্ছেন পাহাড়ি বাড়ি পাহাড়ের মতন অবস্থান পাহাড়ের গুহা দেখা যাচ্ছে এখানে গভীর সমুদ্রের নিচে এখানে মাসলা বসবাস করে মাছেদের বসবাসের স্থান এখানে এখানে ছোট ছোট মাছের বসবাস করে বড় বড় মাছের আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে সমুদ্রে তলদেশের অসাধারণ একটা দৃশ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত আশা করি আপনারা অনেক অনেক খুশি হবেন এখানে কয়েকজন ছেলে মেয়েরা তারা সমুদ্রের গভীর তলদেশে গিয়েছিল এই গুহার ভিতরে মাছগুলোর দেখতে এবং এখানে খুব সুন্দর সুন্দর ছোট ছোট বিভিন্ন ধরনের মাছ আপনারা দেখতে পাচ্ছেন রূপচান্দা মাছ আরও বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরার সমুদ্রের তলদেশে বসবাস করে তাদেরকে সব থেকে শ্রেষ্ঠ মাছ বলা হয় ছোট ছোট মাছের বিভিন্ন ধরনের কালার হয় আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে এই ছোট ছোট মাছের দৃশ্য দেখে এবং কয়েকজন ছেলে রাখার জন্য গিয়েছিল সমুদ্রের তলদেশে একটা অসাধারন মুহুর্ত আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন আসলে অনেক সুন্দর একটা মুহূর্ত আপনারা অনেক অনেক আনন্দিত হবেন যে থ্রিডি মিউজিয়াম' খুব সুন্দর করে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছেএটা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কারণ মানুষেরা সবাই জানবে সবাই বুঝবে যে গভীর সমুদ্রের তলদেশে বিরাট বড় একটা মাছের বসবাসের জায়গা রয়েছে সেখানকার একটা দৃশ্য আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম সারা বিশ্বের মানুষের কাছে তুলে ধরলাম আশা করি আপনারা অনেক অনেক ভালো লাগবে এই অসাধারণ দৃশ্যটা দেখে আমার খুবই ভাল লেগেছিল সমুদ্রের তলদেশের দৃশ্যটা দেখে নিজে থেকে এসেছে অসাধারণ দৃশ্য পৃথিবীর দূর-দূরান্ত থেকে মানুষেরা থ্রিডি আর্ট মিউজিয়াম এ আসা বিভিন্ন ধরনের প্রকৃতির সৌন্দর্য বিভিন্ন ধরনের দৃশ্য দেখার জন্য বিভিন্ন ধরনের মাছের দৃশ্য গ্রামীণ দৃশ্য প্রকৃতির সৌন্দর্য দৃশ্য আর্ট মিউজিয়ামের পাওয়া খুব সুন্দর দৃশ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে মানুষের কাছে আনন্দ বিনোদন দেওয়ার জন্য আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে এই অসাধারণ অসাধারণ দৃশ্য দেখে আমি আমার ইস্কুল পড়েছে সমুদ্রের তলদেশের সেখানে বসবাস করতপ্রচুর পরিমাণ মাছ কিন্তু তার একটা বাস্তব প্রমান আমি নিজের চোখে দেখলাম যে বইতে পড়া আর রাখি দৃশ্য আমি থ্রিডি আর্ট মিউজিয়াম এর ভিতরে দেখলাম এটা একটা বাস্তব দৃশ্য সমুদ্রের তলদেশে মাছের দৃশ্য প্রচুর পরিমাণে বাস করে ছোট-বড় সব ধরনের মাছের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে এই বিরাট বড় মাছের বসবাসের স্থান আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে এখানে মাছের রাজা তিমি মাছের রাজাতাঁর কথামতো সমুদ্রের সকল মাছ চলাফেলা করে আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে গহীন সমুদ্রের তলদেশে অসাধারণ মাছের দৃশ্য দেখে এবং অসাধারণ একটা মাছের বসবাসের জায়গা দেখে সত্যিই অবাক করার দৃশ্য আজ আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরেন এটা একটা বাস্তব দৃশ্য পৃথিবীর মানুষের কাছে তুলে ধরলাম আমি এটা এবং সবাই দেখে অনেক আনন্দ বিনোদন পাবে
রাজবাড়ী গোয়ালন্দ উপজেলার ফেরিঘাটে দৌলোদিয়া ফেরি ঘাটে এক জেলে বিশাল বড় একটা রিলেশন আছে তাই এই দৌলোদিয়া ফেরি ঘাটে পদ্মা নদীর তীরেই দোলোদিয়া ফেরিঘাট দক্ষিণবঙ্গের যানবাহন ঢাকার উদ্দেশ্যে যাওয়া যায় তাই এই রাজবাড়ী গোয়ালন্দ উপজেলা দৌলোদিয়া ফেরি ঘাটে এই জেলেরা মাছ ধরা মাছ ধরা ইলিশ মাছ বিক্রি হয়ে যায় এবং
এইযে জেলেরা থেকে ইলিশ মাছটা দেখছেন এটা পদ্মার ইলিশ পদ্মার ইলিশ আমাদের কাছে খুবই সহজ এবং মজাদার কারণ আমাদের জাতীয় মাছ বাংলাদেশের মানুষেরা ইলিশ মাছের পরিমাণ ক্ষতি করে থাকে তাই এই পদ্মার ইলিশ আমরা এবং সুসন্তান হোক এই যে গাছটা দেখছেন এই দোয়া ফেরিঘাটে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ যানবাহন চলাচল করে এবং পারাপার করে এই যানবাহন চলাচল করায় পদ্মা নদীতে পড়ে ছেলেরা সব মিলিয়ে আমার কাছে যদি ভালো লেগে থাকে লাইক বা কমেন্ট করবেন শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন
এখানে যে দৃশ্যটা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এটা হলে মিউজিয়াম এর ভেতরের একটা অসাধারণ দৃশ্য মিউজিয়াম এর ভিতরে অসাধারণ একটা রুম রয়েছে সেই রুমের ভিতর একটা মানুষের মাছ মারার দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে এই মানুষটা পৃথিবীর বিখ্যাত একজন মানুষ ছিল তিনি প্রচুর পরিমাণ মাছ মারতে ভালোবাসো এজন্য তার ছবি নিজের ভিতর চিত্র ইতিহাসে রেখে দেওয়া হয়েছে তার কারণ হলো তিনি সমুদ্রের বড় বড় মাছ শিকার করত তিনি একজন বিজ্ঞানীর ছিল কিভাবে মাছ শিকার করতে হয় সবকিছু তার জ্ঞান সব ধারণা ছিল এজন্য তিনি প্রচুর পরিমাণ মাছ শিকার করতে ভালোবাসে কিন্তু তার মৃত্যুর পরে তার ইতিহাস রাখার জন্য তার কথা মানুষের কাছে পরিচিত হওয়ার জন্য তার যে সকল মাছ ধরার স্বীকার করা যে সকল দৃশ্য গুলো সব মানুষের কাছে পরিচিত মানুষের কাছে স্মৃতি হিসেবে রাখার জন্য থ্রিডি  মিউজিয়াম এর ভিতরে এই দৃশ্যটা রেখে দেওয়া হয়েছেতার একটা দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন তার স্মৃতি দেখার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের থেকে মানুষের আসে তার স্মৃতি দেখার জন্য এবং সে যেভাবে মাছ শিকার করত ঠিক সেইভাবে একটা দৃশ্য আঁকানো হয়েছে এবং এভাবেই আঁকানো টা নিজের ভেতরে রেখে দেওয়া হয়েছে এবং মানুষের আত্মার স্মৃতিরা দেখছে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এবং আনন্দ মজা করছে মনে মনে অনেক মজা হচ্ছে তাই একটা দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে এটা দেখে যে ইতিহাসের বুকে মানুষের যে  শ্রেষ্ঠ শ্রেষ্ঠ কাজকরেছিল সব ধরনের কাজের স্মৃতি মানুষের মাঝে তুলে ধরা হয় কারণ আদিম যুগের মানুষেরা তারা বিরাট বড় বড় স্মৃতি রেখে গিয়েছে এখন বর্তমান মানুষেরা সেটা দেখে অনেক বড় বড় জ্ঞান অর্জন করেছে তারই একটা বাস্তব দৃশ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো একজন মাছ শিকার করা মানুষের দৃশ্য আজ থ্রিডি মিউজিয়াম এর ভিতরে রেখে দেওয়া হয়েছে কারণ তিনি পৃথিবীর সবথেকে বেশি বড় বড় মাছ শিকার করতে পারত সে নিজের মেধার নিজের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে মাছ শিকার করতে এজন্য তাকে সরকারিভাবে পুরস্কৃত করা হয়েছিল এজন্য তার ছবিটা আমি নিজে ভিতরে রাখা হয়েছে ইতিহাস হিসেবে ইতিহাসের মানুষেরা জানে বর্তমান মানুষের বুঝতে পারে যে একসময় পৃথিবীতে বিরাট বড় একটা মাছ শিকার করা মানুষ ছিল  তিনি সমুদ্র থেকে বিরাট বড় বড় মাছ শিকার করতে তার কথা মানুষের কাছে এখন অর্জন ইতিহাসের মানুষের কাছে সুনামধন্য এবং সুনাম অর্জন করার জন্য তাকে মনে রাখার জন্য তার স্মৃতি এখন বর্তমানের কাছে খুব জ্ঞান মূলক হওয়ার জন্য তার স্মৃতিটা থ্রিডি মিউজিয়াম এর ভিতরে অঙ্কন করা হয়েছে আর এই দৃশ্য  দেখার জন্য সবাই আছে এবং আনন্দ-বিনোদন নাই সবাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তার মাছ শিকার করার দৃশ্যটা দেখছে ঠিক এভাবেই সে নদীর পাড়ে সমুদ্রের মাঝে বসে বসে মাছ যার পরতআর একটা অসাধারণ দৃশ্য আজ আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম মানুষ ইতিহাসে জায়গা করে নেয় তার দক্ষতা অর্জন করে তার বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে আর এই মানুষটা তার সুনাম অর্জন করেছে বিরাট বড় বড় মাছ শিকার করে তার একটা দৃশ্ সকলের সামনে তুলে ধরা হলো ইতিহাসে সবথেকে জনপ্রিয় একটা দৃশ্য মানুষের কাছে খুবই পরিচিত একটা দৃশ্য একটা চিত্র থ্রিডি মিউজিয়াম এর ভিতরে রেখে দেওয়া হয়েছে ইতিহাসে মানুষের জানার জন্য এখন বর্তমান বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তির মানুষের এখন ঘরের ভিতরে বসে বসে সবকিছু দেখতে পারছে আনন্দ উপভোগ করতে পারছে
এই যে ছবিটা আপনারা দেখেন এটা কক্সবাজার শুটকি পল্লী এই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সাইটে এই শুটকি পল্লী এই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে জেলেরা মাছ ধরার জাল দিয়ে মাছ এখানে শুকনো হয় এটা ইলিশ মাছ বোয়াল মাছ রুই মাছ অনেক ধরনের মাছ এখানে শুটকি শুকানো হয় শুকানোর পর এখান থেকে বাংলাদেশের কমবেশি সব জেলায় রপ্তানি করা হয় সবার কাছে প্রিয় শুটকি মাছ আমরা শুটকি মাছ খুবই সুস্বাদু কক্সবাজার শুটকি পল্লী জন্য কক্সবাজার বিখ্যাত এই ছবিটা আপনার যদি পছন্দ হয়ে থাকে নিশ্চয়ই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর শেয়ার করে অন্য বন্ধুদের দেখার সুযোগ করে দিবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবেন
যশোর জেলার  রামচন্দ্রপুর গ্রাম, কাগজেকলমে দুর্গাপুর। ভগবান রামচন্দ্র এর অনুচর হনুমানে অলংকৃত করা গ্রামটিকে ঘিরে আছে হরিহর নামক একটি নদী। কথিত আছে নদীর একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তের লোকটিকে খুবই ছোট দেখা যেত। ১৯৯০ সাল পরবর্তীকালেও দেখা যেত নদীতে প্রবল স্রোত ও মাছ ধরার হিড়িক। নদীর দুধারের গ্রাম ও প্রকৃতি দেখতে দেখতে লোকজন চিনাটোলা থেকে কেশবপুর পর্যন্ত ট্রলার যোগে যাতায়াত করতো। নদীর উপর দিয়ে আছে একটা বাশের ব্রীজ। সময়ের পরিক্রমায় ওখানে কখনো বাশের সাঁকো, কখনো বা কাঠের ব্রীজ হয়েছে। নির্বাচন আসলে গ্রাম বাসীরা একটা ব্রীজের স্বপ্ন দেখে আসছে সেই শুরুর বাংলাদেশ থেকে। মনে হয় এবার সেইটা পূরণ হতে চলেছে। সাইকেল ঘাড়ে নিয়ে মানুষ  যেমন সাঁকো পার হয়েছে হনুমান ও নিজে পার হয়েছে। গ্রামে আছে শতাধিক হনুমান। লোকজন নিয়ে আপনি দেখতে যাবেন হনুমান নাও পেতে পারেন। সার্কাস এর দল এসে একটা হনুমান ধরতে পারে না। দূরে থাকা গাছে গাছে লাফিয়ে চলতে পারে। মাটি থেকে যত উপরে ওঠে ততো হাল্কা হয়। মানুষ কে আক্রমণ করে না কিন্তু চলার পথে একবার মধু নামে একজনকে ধাক্কা দিলে সে পাশের পুকুরে পড়ে যায়। ছোলা ও মস্নে চাষ গ্রাম থেকে উঠেই গেছে। একটা ছোলা খাবার জন্য পুরো গাছটাই উপড়ে ফেলে। দলবেঁধে বসে ফসল ক্ষতি করে। উঠান থেকেও মস্নের গোছা নিয়ে যেত। তবুও গ্রাম বাসী কিছু বলেনা। গ্রামের রমেশ মাস্টার এর পানের বরজে হনুমান লেজ ঝুলিয়ে বসলে লেজটি ধরে থাকে তখন হনুমানটি সংকেত দিলে হনুমান দল ঘীরে রাখে মাস্টারকে। অগত্যা ছেড়ে দিয়ে বাচা। কেশবপুর বাজারে চায়ের দোকানের উপরে কয়েকটা হনুমান থাকে। কেউ একজন আহত করলে দলবেঁধে পাশে থানাপুলিশ করে। একবার দাঁত ভেংগে গেলে পদ্মা ডেন্টাল এ যায়। এক ব্যক্তি সেখান থেকে পশু হাস পাতাল এ নিয়ে সুস্থ করে তুলে। দুর্গা পুর গ্রামে এক ব্যক্তির তিনটি ছেলে। ছেলেদের একজনের বাপ আছে মা নাই, আরেক জনের মা আছে বাপ নাই, আর শেষ এর জনের মা ও বাপ উভয় আছে। ধাধাটি হলো ব্যক্তিটি কে। উত্তর জানতে হলে আর হনুমান, বাশের ব্রীজ, নদী দেখতে হলে  যেতে হবে গ্রামে, যেখানে মিলেমিশে আছে হিন্দু ও মুসলিম।