写真

আপনারা ছবিতে যেটা দেখতে পাচ্ছেন সেটা হলো মহেন্দ্র মাছের কাটা মাছ বিক্রয় করার দৃশ্য। এখানে নানা ধরনের মাছ বিক্রয় হয়। এখানে চিংড়ি ও সাধা মাছ বিক্রয় হয়। এখানে কুরাল মাছ বিক্রয় হচ্ছে। আমাদের দেশের নাম বাংলাদেশ। এই দেশের মানুষেরা মাছ অনেক বেশি পছন্দো করে।  একটা প্রবাদ আছে : মাছে ভাতে বাংঙালি। আমাদের দক্ষীন অঞ্জলে বেশি মাছ চাষ হয়ে থাকে। বাংলাদেশের প্রচুর উত্পাদন করছে এবং সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের চাহিদা মেটাতে দেখা হচ্ছে এবং এখন বিদেশে রফতানি হচ্ছে এবং কৃষকরা বর্ষা মৌসুমে এই বাগদা চাষ করছেন।  এই ধানের জমি ছাড়াও বিভিন্ন ধরণের মাছ চাষ করা হচ্ছে এবং গলদা চিংড়ি এবং ব্যাগযুক্ত চিংড়ি বিদেশে রফতানি করা হচ্ছে এবং রুই কাতলা সিলভার টিলাপিয়া টেংরা ভেটকি ফিশ পুটি ফিশ মাগুর ফিশ কাই ফিশ হর্ন ফিশ ব্ল্যাক কাপ ফিশ কৃষকরা এখন এই মাছটিতে স্বাবলম্বী হয়েছেন  এবং চাল ছাড়াও হতাশ কৃষকরা এখন তাদের ভাগ্যের উন্নতি করেছেন এবং কৃষকরা খাবার থেকে ৫ টি আইটেম সংগ্রহ করে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করে তাদের মাংস হারাচ্ছেন।  পণ্য ও অর্থ বিক্রি করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ায়, তার পরিবার সুখে-শান্তিতে জীবনযাপন করছে, বাংলাদেশ হাসিনা এখন তাদের ভাগ্যের উন্নতি করেছে এবং সাতক্ষীরা জেলার মানুষ বাংলাদেশের এই মাছ রান্না করে খেয়ে জাতীয় খাদ্য ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং এভাবে  সাতক্ষীরা জেলার লোকজন এখন এখানে থাকায় খুশি হয়েছে
আপনারা যেটা দেখছেন সেটা হলো একটা পট গান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে। এটা হচ্ছে হেনচী স্কুলের মাঠে। এটার আয়জনের রয়েছে সুসিলন নামক একটা সংস্থান। এটা মানুষের নানা রকম বিষয় শিখাবে। জি এম নূরুন্নবী হাসানঃ আজ ১০ই মার্চ হেনচী স্কুল মাঠে রিহ্যাবিলিটেশন এন্ড রিসার্চ এসোসিয়েশন ডিআরআরএ এর সিসিডিআইডিআরএম প্রকল্পের আয়োজনে ও সিবিএম এর অর্থায়নে প্রতিবন্ধীতা ও একীভূত দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সচেতনতামূলক পটগান ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন ভবতোষ কুমার মন্ডল ,চেয়ারম্যান, ০৯ নং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রিয়াজুল ইসলাম , সচিব,বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদ,মোঃআব্দুর রউফ,ইউপি সদস্য,৪ নং ওয়ার্ড,বাবু স্বপন মন্ডল ,ইউপি সদস্য,৫নং ওয়ার্ড,সহ অন্যান্য ইউপি সদস্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন সায়েলাতুল হক, প্রকল্প সমন্বয়কারী,সিসিডিআইডিআরএম প্রকল্প। প্রতিবন্ধী ও অপ্রতিবন্ধী কলাকুশলীদের মিলিত অংশগ্রহণে উচ্ছ্বল পটগান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর এই আয়োজন ছিল ইউনিয়নের শতাধিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির আনন্দ উচ্ছ্বাসে মুখরিত। ডিআরআরএ থেকে ছিলেন ডাটা এন্ড ডকমেনটেশন অফিসার অসিত দেবনাথ,এ্যাডমিন অফিসার জি এম বাবলুর রহমান, ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর জি এম নূরুন্নবী হাসান, আল হাসিব, মৃনাল,সহ বুড়িগোয়ালিনী ৯ টি ওয়ার্ডে কমর্রত ৯ জন কমিউনিটি ভলেন্টিয়ারর। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন আলমগীর হোসেন , এ্যাডভোকেসী অফিসারএবং রামপ্রসাদ মিস্ত্রী, ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর । প্রধান অতিথি তার সমাপনী বক্তব্যে প্রতিবন্ধীবান্ধব এমন আয়োজনের জন্য ডিআরআরএ কে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।
আপনারা ছবিতে যেটা দেখতে পাচ্ছেন সেটা হলো বই এর দোকান।আমাদের সবার পড়াশুনা করার জন্য বই প্রয়জোন। এই বই পড়ে আমরা আমাদের জীবনকে বদলাতে পারি। জীবনে অনেক বড় এস্তানে যেতে পারি। শিক্ষিত জাতি সমাজ ও দেশ গঠনের কারিগর। আর শিক্ষিত জনসমাজ গড়তে হলে দরকার শিক্ষিত নাগরিক আর এর জন্য দরকার পুস্তক এবং বাহ্যিক জ্ঞান। ডিজিটাল পুস্তকের ধারণাটি ব্যাপকতা লাভ করলেও কাগজের পুস্তকের চাহিদা কিন্তু কমে যায় নি বরং আরও বেশী বেড়েছে। মানুষ মোবাইল,ট্যাব,ল্যাপ্টপ, ডেক্সটপের স্ক্রিনে পড়ার চেয়ে কাগজের বই পড়ায় বেশী স্বাচ্ছন্দবোধ করে। আমাদের দেশের সব জায়গাতেই কমবেশি এই  ব্যবসার প্রচলন থাকলেও অন্যন্য ব্যবসার মতো এতো বেড়ে উঠেনি। যার ফলে জ্ঞান পিপাষু মানুষেরা আজো জ্ঞান অর্জন করতে শহরমুখী ভালো বই এর দোকানের দিকে ঝুঁকে আছে।  বর্তমান সময়ে অনলাইন মার্কেট গুলেতোও কিন্তু বই ভালো কেনাবেচা হয়। তাই এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে তুমিও বনে যেতে পারো একজন সফল উদ্যোক্তা। কমবেশি সব ধরনের বই কেনার কেনার জন্য উপযুক্ত স্থান হল কলকাতার নতুন বাজার ও পুরান বাজার। সেখানে তুমি পুরাতন বই, নতুন বই, দেশি, বিদেশি সকল ধরনের বই পাবে। প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি যাওয়ার পথে রাস্তার ডান পাশে রয়েছে কলকাতার পুরাতন বই বাজার। সেখানে অসংখ্য বইয়ের দোকান রয়েছে। নার্সারি থেকে পিএইচডি ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে ডাক্তার ইংলিশ থেকে বাংলা ইত্যাদি সমস্ত রকমের বই এখানে পাবে। কমপ্লিটিভ এক্সামের বই যেমন ইউপিএসসি ,ডব্লিউবিসিএস ,ক্যাট, ম্যাট ইত্যাদি সমস্ত রকমের বই সেখানে পাবে। সাধারণত ব্যবসার জিন্য ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ ডিসকাউন্টে এখান থেকে তুমি বই নিতে পারবে।এই ভাবে ব্যবসা উন্নতি করা সম্ভাব। ধন্যবাদ
আপনারা ছবিতে যেটা দেখতে পাচ্ছেন সেটা আগামিকাল নওয়াবেকী স্কুলে ৭ই মার্চ পালনের ছবি।দেশের এই মাহামারি সময় স্কুল পতিষ্ঠান বন্ধো হওয়ার পরা ও কারা জাতীয় দিবস পালন করছে। আপনারা সকলেই জানেন ৭ই মার্চ বাঙালির ইতিহাসে একটি অন্যতম অবিস্মরণীয় দিন। এই দিনই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের ইঙ্গিত দেন। সেদিন ১৯৭১ সনের ৭ই মার্চ রবিবার,বেলা ৩টার দিকে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে ১০ লক্ষাধিক মানুষকে স্বাক্ষী রেখে বঙ্গবন্ধু সেদিন পরিণত করেছিলেন একটি উত্তাল জনসমুদ্রে। একঝাঁক স্বাধীনতাকামী জনতাকে দিয়েছিলেন অমৃত বাণী। তিনি মাত্র ১৮ মিনিট বক্তৃতা করেছিলেন সেই উত্তাল জনসমুদ্রে বাধভাঙ্গা মানব ঢেউয়ের সামনে। তিনি বাঙালির শোষিত বঞ্চিত হওয়ার নির্লিপ্ত ইতিহাস সেদিন তুলে ধরেছিলেন মুক্তিকামী জনতার সামনে। উক্ত সবচেয়ে বেশি জ্বালাময়ী ছিলো এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। ৭কোটি বাঙালিকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবানা। তোমরা ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলো। গতকাল ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের সূবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলেন। কিন্তু যদি এদেশের মানুষকে খতম করার চেষ্টা করা হয়, বাঙালিরা বুঝে শুনে কাজ করবেন। প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্ত্তত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দিব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ্। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা। জয় বাংলা
আমাদের দেশের নাম বাংলাদেশ। এই দেশের সরকার নানা মুখি উন্নয়ন কাজ করে থাকে তার মধ্য অন্যতম একটা কাজ সড়ক নির্মান। রাস্তা দিয়ে চলার পথে আমরা কত মানুষের সাথে না পরিচিত হয়ে যায় অত না যানবহন আমরা দেখি আমাদের চোখের সামনে দিয়ে পার হতে সেই সকল যানবাহনে অনেক যাতে যায় তাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য সবথেকে বেশি দ্রুত চলার চেষ্টা করে আবার অনেকেই মনমরা হয়ে যানবাহনে বসে থাকে অদেখায় মুখগুলো শুধু চিন্তার ভিতরে কল্পনারমাধ্যমেই মনে নিয়ে আসা যেতে পারে আজকে যখন আমি রাস্তার সাইডে দাঁড়িয়েছিলাম এবং দেখছিলাম অনেকগুলো যানবহন পরপর পার হচ্ছে তখন মনে হলো যে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রত্যেকদিন একটা রাস্তা দিয়ে তাদের গন্তব্যে যায় আবার ফেরত আসে তারা ব্যস্ততম জীবন-যাপন করে কেউ সংসারের টানে কেউ মায়ার টানে সকলের সংসারের মায়া জড়িত রয়েছে কেউ না কেউ কোনো চাহিদা নিয়ে পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে আপনাদের সামনে অতি নগন্য একটি ছবি তুলে ধরলাম জানিনা আপনাদের কেমন লাগবে তবে আমার কাছে ছবিটা মূল্য অনেক
আপনারা যা দেখছেন সেটা হলো নীল আকাশ। এটি একটি উষ্ণ এবং শান্ত সকালে।  স্কেল মেঘগুলি ভাসমান, এবং প্রথম চতুর্থাংশের অবশিষ্ট চাঁদটি পাতলা এবং আড়ষ্ট দেখাচ্ছে।গতকাল 24 সৌর পদগুলির "জিঙ্গজে" ছিল।  এটি প্রায় সময় বসন্ত চলন্ত শুরু হয়।  আমি আশা করি কাসুমিগ্যাসেকির কিছু আমলাদের নেতিবাচক কব্জি আর ছড়াবে না।
গত এক সপ্তাহ বা তার জন্য, আমি কিছুক্ষণ অসুস্থ ছিলাম এবং কাজে লাগাতে পারিনি, তবে শেষ পর্যন্ত আমি গতকাল থেকে পুনরুদ্ধার মোডে আছি।
 গতকাল ছিল আমার বাবার মৃত্যুর বার্ষিকী।  আমি এটি কয়েক দিনের জন্য মনে রেখেছিলাম, তবে ক্রমাগত বহিরাগত রোগীর চিকিত্সার কারণে আমি পুরোপুরি ভুলে গিয়েছিলাম।  দুপুরের আগে আমার স্ত্রীর কণ্ঠে আমি জেগে উঠেছিলাম, যে বলেছিল, "ওহ, আজ আমার বাবার মৃত্যুর বার্ষিকী নয়!"  ততক্ষনে বোদাইজির কাছে।  রাউন্ড ভ্রমণের জন্য এটি প্রায় 3 ঘন্টা সময় নেয়।

 আজ আমরা সারাদিন টেলিফোনে ব্যবসায়ের আলোচনা করি এবং এর মধ্যে আমরা উপকরণগুলি সাজাই।  আমি এখান থেকে ফাঁকা জায়গাটি পুনরুদ্ধার করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব এবং মাকিদোর ভারী আগমন আশা করব।
তেলে ভাজা’ ভালোবাসেন না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আর তা যদি গরম খাস্তা আলুর চপ, বেগুনি, মুচমুচে ডালবড়া ও ফুলুরি হয় তাহলে তো কথাই নেই। নাম শোনা মাত্রই জিভে জল আনা এই তেলে ভাজা যদি নাম মাত্র দামে পাওয়া যায় তাহলে সোনায় সোহাগা। হ্যাঁ, এই দুর্মূল্যের বাজারে খাঁটি সরষের তেলে ভাজা প্রমাণ সাইজের খাস্তা আলুর চপ আড়াই টাকায় এবং ফুলুরি, বেগুনি ও ডালবড়া ৫০ পয়সা বিক্রি করছেন জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভট্টপাড়া ঘোষপাড়ার তিনকড়ি দেবনাথ। সস্তায় মুখরোচক চপ, বেগুনি, ফুলুরি কিনতে প্রতিদিন সকাল থেকে তিনকড়ি বাবুর তেলেভাজার দোকানে ক্রেতাদের ভিড় উপচে পড়ে। খরিদ্দারদের ভিড় সামলাতে রীতিমত হিমশিম খেতে হয় তিনকড়ি বাবুর স্ত্রী, ছেলে ও নাতনিকে। সকালে ঘণ্টা পাঁচেকের মধ্যে ধূলোর মত উড়ে যায় ১৫০০-২০০০ বিভিন্ন ধরনের তেলেভাজা।

নওয়াবেকি বাজারের কালাম ভাইয়ের জনপ্রিয় ভাজা এষ্টোর। এটা তার নিজের উদ্যোগ তৈরি। শইলডা যা কবি তাই ডালের ভাজা আমরা খুবই পছন্দ করে থাকি বন্ধুরা ডালের ভাজা ছোলা ভাজা ভাজা আলু ভাজা বিউটিফুল টেস্ট ফুল এই খাবারগুলো তাই হয় নওয়াবেকি বাজারে কালাম ভাই এই প্রতিদিন বিক্রি করেন খুবই অসাধারণ ভাবে তাই দেখতে পাচ্ছেন পড়ন্ত বিকাল বেলা এই বাজার দোকান নিয়ে বসে আছেন এই নওয়াবেকি বাজারে ডুমুরিয়া উপজেলার হাসানপুর গ্রাম একটি অসাধারন এই গ্রামের ছোট্ট একটি বাজার রয়েছে তাই এই বাজারে কালাম ভাই তার বাজার দোকান দিচ্ছেন নিজস্ব অর্থায়নে ব্যবসা বলে খুবই অসাধারণ তাই মানুষকে সত্যের দিকে টানে তাই এই সিরাজুল ভাই তার নিজের উদ্যোগে এই ব্যবসাটি শুরু করেছেন

চুই ঝালের ছোলা ভুনা খুবই টেস্ট হয়ে থাকে তাই এখানে চুই ঝালের প্রিয় খাবার এবং অসাধারণ টেস্ট ফুল কভার গুলো পাওয়া যায় তাই বন্ধুরা এই হাসানপুর বাজারে সিরাজুল ভাই একটি অসাধারণভাবে ব্যবসা তৈরি করে তাই সব মিলিয়ে এই দোকানপাট আরে হাসান পুরের বাজারের দৃশ্য বাজার দোকান সব মিলিয়ে দৃশ্যমান তাই আপনার যদি ভালো লেগে থাকে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবেন খুবই অসাধারণ এবং দৃশ্যমান একটি ছবির
আপনারা ছবিতে যা দেখছেন সেটা হলো সুপার শপ। এটা দোকান টা মানুষের এক সাথে প্রতিদিন    চাহিদা মেটাতে লাগে। তাই আমি আজ যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব তা হ'ল সুপার শপ।  আমাদের প্রতিদিন যা কিছু প্রয়োজন তা এখানে উপলভ্য।  এটি সাপ্তাহিক বাজার নেই বলে ছাড়াই যায়।  এটা স্পষ্ট যে বাজারে ভিড়ও কমছে।  তবে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর চাহিদা বাড়ছে।  অনুভূতি বিভ্রান্ত?  বাজার নেই, তবে পণ্য বেশি বিক্রি হয়… তা কেমন?  হ্যাঁ, এটি সুপার শপ হিসাবে পরিচিত হিসাবে পরিচিত বিভিন্ন ধরণের পণ্য দ্বারা সম্ভব হয়েছে।

 একই ছাদের নীচে রয়েছে কাঁচাবাজার, মুদি, সাজসজ্জা, খাবার, মাছ-মাংস, কাঁচা ও শুকনো ফল, বাচ্চাদের খাবার ও প্রসাধনী, মহিলাদের পরিষ্কারের বাসন এমনকি পাত্র এবং কলসী, বাড়ির সজ্জা।  আমাদের দেশে এই ধারণাটি নতুন।  গত দশকের শুরুতে আমাদের দেশে সুপার শপের যাত্রা শুরু হয়েছিল।

এখানকার বিক্রেতারা খুব সুন্দরভাবে পোশাক পরেন এমনকি কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও।  তাদের ঠিকানায় শ্রদ্ধা আছে।
আমাদের দেশের নানা ধরনের মানুষ থাকে।এবং তারা নানা ধরনের পেশায় থাকে ।মিষ্টি বাঙালির প্রিয় খাবার।  মাইরা একটি মিষ্টান্ন সম্প্রদায়।  অতীতে মইরারা হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল।  মাইরার দলটি বিভিন্ন পেশাদার গ্রুপের দক্ষ লোক নিয়ে গঠিত।  তবে মাইরারা মধুনাপিট, মোদক এবং কুড়ি নামে পরিচিত পেশাদারদের থেকে পৃথক, যাদের কেউ কেউ ময়াইরা সম্প্রদায়ের উপ-সম্প্রদায় হিসাবে বিবেচনা করে।  ও তাঁর কাজ: এই সম্প্রদায়ের সদস্যরা দুধ, ভেড়া, আটা, ঘি, গুড় এবং চিনির সংমিশ্রণে বিভিন্ন ধরণের মিষ্টান্নজাতীয় পণ্য তৈরি করেন।  ময়ূররা তৈরি সুপরিচিত ও সুস্বাদু মিষ্টির মধ্যে হলেন সন্দেশ, রসগোল্লা, মাটিচুর, মিহিদানা, লুচি, কচুরি, জিলাপি, খাজা, বারফি, হালুয়া ইত্যাদি তেমন মিষ্টি ছিল না।  জনপ্রিয় মিষ্টি তৈরি করা হয়েছিল।  উদাহরণস্বরূপ, রসগোল্লা, পানতোয়া, কলোজম, চামচাম, চানার জিলাপি, জিলাপি, অমৃতী, বালুশাই সন্দেশ, নোলেন গুড়ের সন্দেশ, লাড্ডু এবং দই।  এটি ছাড়া আর কোনও মিষ্টি নেই বলে চলে যায়।  সিঙ্গারা ও নিম মিষ্টির সাথে থাকত।
বিরিয়ানি বাঙালির প্রিয় খাবার।  দরিদ্র পরিবারের শিশুরা সাধারণত বিরিয়ানি খায় না।  এটি একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল খাবার তবে বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলে লোকেরা এটি খেতে পছন্দ করে তবে তারা এটি সহজে খেতে পারে না তাই অনেকেই এটি প্রতিদিন গ্রহণ করতে পারে না।  এটি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খাওয়া এবং এটি উপভোগ করা খুব ভাল এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ এবং এটি মুরগির সাথে তৈরি হয়।  বিরিয়ানি হ'ল একটি মিশ্র চালের থালা যা ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের মধ্যে উদ্ভূত হয়েছিল।  এটি ভারতীয় মশলা, চাল এবং মাংস দিয়ে তৈরি এবং কখনও কখনও ডিম এবং / বা শাকসব্জির মতো কিছু আঞ্চলিক জাতের আলুর মতো হয়।  বিরিয়ানি সমগ্র ভারত উপমহাদেশে পাশাপাশি এর প্রবাসীদের মধ্যে জনপ্রিয়।  ঠিক তেমনই নানান পূর্বে প্রদত্ত স্বাদপত্রে বিরিয়ানির।  আমরা বিরিয়ানি ভক্তদের নানান স্বামীদের  বর্ণিত বিরিয়ান স্বাদে একদিকের অন্য স্থান থেকে ত্রিপতির পানির নিখরচায় রাখা। এই টা সকলের কাছে খুব প্রয়। কিন্তু সকলে এটা নিয়মিত খেতে পারে না।
আমাদের দেশের নাম বাংলাদেশ। এটার আয়তন ১৪৭৫৭০ বর্গ কি:মি:  আমাদের দেশের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভর করে থাকে।কৃষির জন্য সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বীজ। কৃষির মূল উপকরণ হচ্ছে বীজ। বীজ উদ্ভিদ জগতের ধারক ও বাহক। বীজই ফসল উৎপাদনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। সাধারণত আমাদের দেশের চাষিরা নিজ নিজ ফসলের অপেক্ষাকৃত ভালো অংশ পরবর্তী ফসলের বীজ হিসাবে ব্যবহার করে। কিন্তু একই বীজ থেকে বার বার চাষ করলে ফসলের ফলন অনেক হ্রাস পায়। তাই প্রায় ২-৩ বছর পর পর বীজ পরিবর্তন (Seed replacement) খুবই জরুরি। : বীজ বলতে আসলে অনেক কিছুই বোঝায়। ফসলের যে কোনো অংশ, দানা অথবা অঙ্গ যেটি অনুরূপ একটি ফসল পুনঃ উৎপাদনে সক্ষম তাকেই বীজ বলে অভিহিত করা যায়। বীজ উদ্ভিদের বংশ বিস্তারের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। উদ্ভিদতাত্ত্বিক বৈশিষ্টাবলি এবং কৃষি কাজের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার অনুসারে বীজের সংজ্ঞা দু’রকম হতে পারে। প্রথমত, উদ্ভিদতত্ত্বানুসারে ফুলের পরাগরেণু দ্বারা ডিম্বক নিষিক্ত হবার পর পরিপক্ব ডিম্বককে বীজ বলে। যেমন : ধান, গম, পেঁপে বীজ। দ্বিতীয়ত, কৃষিতত্ত্বানুসারে গাছের যে অংশ বংশ বিস্তারের জন্য ব্যবহৃত হয় তাকেই বীজ বলে। যেমন- আলুর টিউবার, মিষ্টিআলুর লতা, কলার সাকার, কুলের  কুঁড়ি, পাথরকুচির পাতা, বিভিন্ন ফুল গাছের শাখা-প্রশাখা ইত্যাদি।নানা ধরনের বীজ পাওয়া যাই।
ব্যবসায়ের কেবল দুটি পেশা রয়েছে, মার বিপণন এবং নতুনত্ব। এই ব্যবসা টা নাম হলো ২০ ফেরিওয়াল এবং গ্রামবাংলা মহিলারা এগুলি বিশেষত গৃহস্থালীর উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে।  এই লোকটির কাছ থেকে এই লোকটির কাছে পণ্য পেতে প্রচুর লোক ভিড় করে দাঁড়িয়ে আছে এবং তারা এই জিনিসগুলি তার কাছ থেকে কিনে এবং গৃহকর্মের জন্য ব্যবহার করছে।  তিনি অর্থ উপার্জন করেন কারণ তিনি গ্রামবাংলা রোড দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় প্রবেশ করে এই পণ্যগুলি বিক্রি করেন।

 আজ এই ব্যক্তি জিনিসপত্র বিক্রির জন্য সাতক্ষীরা জেলার আলিপুর গ্রামে এসেছেন এবং তিনি তার কাছ থেকে বিভিন্ন পণ্য কিনেছেন এবং এই জিনিস বিক্রি করে তিনি অর্থ উপার্জন করেন।  এবং এই মানুষটির কাছ থেকে তাদের পছন্দের লোকদের কিনতে বহু মানুষ গ্রামীণ বাংলার মহিলারা উপকৃত হয়েছিল
আমাদের দেশের নাম বাংলাদেশ। এই দেশে নানা নান্দোনিয় এস্তান রয়েছে।তাদের মধ্যে কক্সবাজার একটা গুরত্বপূন্য এস্তান।কক্সবাজারে বাংলাদেশের সবথেকে বড় সমুদ্র সৈকত অবস্থিত। আর এই সমুদ্র সৈকত ইনানী বিচ খুবই জনপ্রিয় একটি বিচ। সৌন্দর্য্যে ভরপুর এ জায়গায় এক পাশে নারিকেল গাছ আর একপাশে বিশাল সাগর যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এখানে বছরের প্রায় সব সময় প্রচুর পরিমাণে পর্যটকদের ভিড় থাকে। আমরা দূর থেকে দেখতে পাচ্ছি প্রচুর পরিমাণে পর্যটক ।কিছুদিন আগে আমরা এখানে বেড়াতে গিয়েছিলাম এবং খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছি। এই সৌন্দর্য উপভোগ করেছি। চারিদিকে এত মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছেন মহান সৃষ্টিকর্তার চোখে না দেখলে বলা বাহুল্য। চোখ জুড়িয়ে যাবে এরকম সৌন্দর্য প্রকৃতির। প্রকৃতির যতদূর চোখ যায় শুধু পানি আর নারিকেল গাছের সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে আছে অন্যরকম প্রকৃতির সৃষ্টি করেছে সৌন্দর্য মেলে ধরেছে। আর পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়সুমদ্র সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে মানুষ এখানে পিঁপড়ের মতো কিলবিল করে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন মানুষ  কিলবিল করছে এরকম পর্যটকদের ভিড় হয় কক্সবাজার বাংলাদেশের সবথেকে বড় সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ভিড় থাকবে। এখানে সূর্য অস্ত যাওয়া দেখতে মানুষ খুবই পছন্দ করে। আর চারিদিকে পরিবারের নিরাপত্তা আছে। এখানে খুব ভালোভাবে টুরিস্ট পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। এ জন্য এ জায়গাটি আমরা নিরাপদে বেড়াতে পারি।
বাংলাদেশ একটি প্রধান কৃষি দেশ।  অ্যাশের প্রায় ৮০% মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল।  বাংলাদেশ 64৪০০ টি গ্রাম নিয়ে গঠিত এবং বাংলাদেশের সীমান্তে বেশ কয়েকটি দেশ রয়েছে।  বাংলাদেশের বৃহত্তম ভারতের একটি হ'ল বাংলাদেশের মানুষ চরম দরিদ্র এবং তারা দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।  তারা খুব দরিদ্র কারণ গ্রাম বাংলার মানুষের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছেছে না।  এখন তারা এই বিজ্ঞান কৌশলটি খুব ভালভাবে ব্যবহার করছে তারা তাদের কৃষিজমিগুলিতে কৃষিক্ষেত্রের ফসল রোপণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং খুব অল্প সময়ে তারা জমি থেকে এই ফোনগুলি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে এবং যখন কৃষক তার জমিতে ফসল উত্পাদন করে তার সেচ হয়  সিস্টেম যে শস্য।  এবং বিভিন্ন কীটনাশক সার প্রয়োগ করতে হয়।  এগুলি সমস্ত খুব বৈজ্ঞানিক এবং বিভিন্ন উপায়ে তৈরি করা যেতে পারে।

এটি সম্পন্ন হয়েছে এবং কৃষকরা উত্পাদন করছেন এবং তারা প্রচুর উপকৃত হচ্ছেন।  এখানে একটি কৃষকের ছবি রয়েছে এবং এই কৃষক তাদের জমিতে উত্পন্ন ভাল আলু দেখাচ্ছে।  একটি নির্দিষ্ট জায়গা আছে যেখানে তারা বসে এবং বিক্রি করছে এবং এই বাজারটি পটুয়াখালী জেলার বসিরহাট বাজার।  কৃষকরা তাদের জমি থেকে উত্পাদিত শাকসবজি এনে প্রতিদিন এ বাজারে বিক্রি করেন কারণ মানব দেহের জন্য এই ছবিগুলি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় যদি মানবদেহে শক্তি না থাকে এবং বিভিন্ন রোগে ভুগছে তবে তা মৃত্যুর কারণও হতে পারে।  ভিটামিনের অভাবে রাত অন্ধ হয়ে যায় এবং ভিটামিন সি এর অভাবে নিয়মিত সর্দি, কাশি এবং বিভিন্ন ভাইরাল রোগ হয় এবং হাড় ও দাঁত ভেঙে যায়।  এজন্য মানুষকে সুস্থ থাকতে বিভিন্ন ধরণের শাকসবজি খেতে হবে।  ক্ষুধা পেলে মানুষের শক্তি থাকে।  তারা এই সবজিগুলি রান্না করে এবং ভাত দিয়ে এই শাড়িগুলি খাওয়ার কারণ নয়।  এইভাবে, তাদের দেহের শক্তি আবার ফিরে আসে।  পটুয়াখালী জেলার কৃষকরা এখন বিজ্ঞানে খুব দক্ষ।  এগুলিকে বাজারে বিক্রি করে তারা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে এবং তারা পরিবারের সাথে সুখে শান্তিতে বসবাস করছে, তাই বর্তমান যুগটি বিজ্ঞানের যুগ।  তাদের মতে শব্দ উত্পন্ন করতে সক্ষম হওয়ায় তারা বহুবার উপকৃত হচ্ছে
বাংলাদেশ একটি গ্রামীণ দেশ।বাংলায় ৬৪০০০ গ্রাম রয়েছে এবং এই গ্রামের বেশ কয়েকটি গ্রাম নিয়ে একটি বাজার স্থাপন করা হয়েছে।  এই বাজারটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়।  আর এই বাজারটি শ্যামনগর থানা নবাবেকের বাজারে দেখা যাবে।  আমি এই ছবির মাধ্যমে এই বাজারে দৃশ্যটি প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়েছি।  এই রাস্তায় এই রাস্তায় প্রচুর দোকান দেখায়।  হ্যাঁ এবং অনেক লোককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কারণ এই দোকানগুলি খুব নিম্ন মানের বাজারে নির্মিত হয়েছিল।  আধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিজ্ঞানের সহায়তায় এখন বাজার তৈরি হচ্ছে।  এই স্টোরগুলিতে বিভিন্ন স্টোর রয়েছে, ব্যবসায় বাজার থেকে পণ্য কিনে বাড়িতে নিয়ে যায় এবং অনেক দোকান শ্রমিককে মাসিক বেতন দেওয়া হয় এবং এই মার্কেটের অনেক লোক দেখায় যে তারা উচ্চমানের দোকান তৈরিতে দিনমজুর ও রাজমিস্ত্রি হিসাবে কাজ করে এবং  কর্মসংস্থান এবং অনেক ভ্যান ড্রাইভার আছে।  ।  তারা এখানে এসে রাস্তার পাশে দাঁড়ায় এবং যারা তাদের থামাতে আসে তাদের আবার এই বাজার থেকে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং এই বিভিন্ন যানবাহন দোকানে পণ্য আনতে ব্যবহৃত হয়।  সব মিলিয়ে এই বাজারটি খুব সুন্দর।  বাংলাদেশের অনেক মার্কেট রয়েছে এবং এই মার্কেটে লোকেরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে।  তাই এ দেশের মানুষ কিছুটা হলেও চাকরি পেয়ে তাদের দুঃখ থেকে মুক্তি পাচ্ছেন।  বাংলাদেশের মানুষের অভাব দূর হচ্ছে এবং মাথাপিছু আয় বাড়ছে।  বাজারের রাস্তাগুলি অনেক উন্নতি হয়েছে।  জনগণের চলাফেরার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমস্ত বাংলা গান ফাঁকা করছেন এবং এই মার্কেটের সাইটে অনেকগুলি সুবিধা এবং একটি স্কুল নির্মিত হয়েছে।
আপনারা ছবিতে যেটা দেখতে পাচ্ছেন সেটা হলো ছোট একটা গ্রামের বাজার।এই বাজার টার নাম হেনচী বাজার। এটা বাজার টি প্রতি রবিবার বসে থাকে। এটা গ্রামের মধ্যে বসে থাকে। এই বাজারে নানা ধরনের পন্য পাওয়া যাই। বিষেস করে কাঁচা মাল পাওয়া যাই। এই কাঁচা মাল গুলি অধিংশ আসে আশপাশের ক্ষেত থেকে। এখানে তাজা তাজা শাখসবজি পাওয়া যাই। এই বাজারে যা যা পাওয়া যাই বিভিন্ন জেলার কৃষক ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সব ধরনের সবজি, মাছ, ফলমূল, চাল, ডাল, শুটকি, মুরগী ও মাংস সংগ্রহ করে খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ী এবং ভোক্তাদের নিকট সরবরাহ করে। আর এভাবেই নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্য সামগ্রী ঢাকার আনাচে কানাচে প্রতিটি পাড়া মহল্লায় স্থানীয় বাজারে পৌঁছে যায়। কারওয়ান বাজার কাঁচা বাজার, যাত্রাবাড়ি কাঁচা বাজার, শাহজাদপুর কাঁচা বাজার, রূপনগর কাঁচা বাজার, নর্দ্দা কাঁচা বাজার ঢাকার বড় কাঁচা বাজারগুলোর মধ্যে অন্যতম। বাজার টা হওয়ার কারনে আশপাশ গ্রামের মানুষে নানা ভাবে সুবিধা হয়েছে।
আমাদের দেশের নাম বাংলাদেশ। এই দেশে একটা প্রবাদ বাক্য আছে “মাছে ভাতে বাঙ্গালী ”। এই দেশের নানা ধরনের মাছ পাওয়া যাই।  ছবিটি আমরা অনেক মাছ দেখতে পাচ্ছি মাছগুলো নওয়াবেকি থেকে কেনা বেচা হচ্ছে। কারণ এখানে অনেক মাছ পাওয়া যায়। এখানে কম দামে অনেক মাঝে মাঝে ইলিশ মাছ চিংড়ি মাছ রুই মাছ তেলাপিয়া মাছ এখানে সস্তায় পাওয়া যায়। যার ফলে এখানে দূর-দূরান্ত থেকে মাছ কিনতে চলে আসে। এই এলাকাটা অনেক সুন্দর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন আমি দেখতে পাচ্ছি মাছ কেননার জন্য  মানুষ  ভিড় জমিয়েছে।আমরা বাঙালী,  গেছি আর মাছের বাজারে যাবো না তা হয় নাকি।  তাই আমিও আর পাঁচ জনের মতো সকালবেলা মাছের বাজার দেখতে গেলাম। আমি কিন্তু আবার মাছ খেতে খুব একটা ভালোবাসি না। কিন্তু দেখতে ভালবাসি। হাতে গোনা কটা মাছ খাই। যেমন ইলিশ, চিংড়ি আর পমপ্লেট এই তিনটেই মাছ খাই। পুরীর মাছ বাজারে মাছ গুলো দেখে চুপ করে আর দাড়িয়ে থাকতে পারলাম না। পকেট থেকে মোবাইলটা বের করে ফটাফট ছবি তুলে ফেললাম। আর সেই মাছের ছবিগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।এই মাছ আমাদের আমিশের ঘাট্টি পুরোন করে থাকে।