写真

ছবিটিতে আমরা কিছু বাচ্চাকে লাফালাফি করছে দেখছি। পুকুরের পাড়ে পুকুর পাড় এটি রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে মিডিয়াম সাইজের এবং অনেক সুন্দর লাগছে।তোরা ইস্কুলে যাবার জন্য তারা গাছ থেকে লাফিয়ে পুকুরে গোসল করার উদ্দেশ্যে লাভ দিচ্ছে এই লাভ গুলো আরো সুন্দর এবং তারা খুব সাহসিকতার সাথে এগুলো পালন করছে আমরা যখন ছোট ছিলাম আমরা তো করে দুষ্টুমি করতাম গাছ থেকে লাফ দিয়ে পানিতে ঝাঁপ দিতে আমাদের আনন্দ ছিল কিন্তু এখন অনলাইন এবং ইন্টারনেটের কারনে আমরা আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্যের দিকে যাইতে পারি না। সত্যিই আমি মুগ্ধ হয়েছি এখানে বাচ্চাদেরকে আমি কথা বললাম তারা খুব লাফালাফি করছে আনন্দ করছি মজা করছে তাদের সাথে আমিও শেয়ার করলাম আমিও তাদের সাথে গোসল করলাম কিন্তু লাফালাফি করলাম না গোসল করতে অনেক সুন্দর লাগে বিশেষ করে এখন শহর অঞ্চলে কোন প্রকার না থাকায় অধিকাংশ মানুষ কিভাবে গোসল করে সেখানে আমাদের ইতিহাস বিকৃত হয়ে গেছে।
ছবিতে আমরা একটা নতুন স্থাপনা দেখতে পাচ্ছি এটা একটা স্টেডিয়ামের।  অবশেষে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পুরন হলো গাইবান্ধার ক্রীড়াঙ্গনের। গাইবান্ধার ক্রীড়াঙ্গনের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ইনডোর স্টেডিয়ামের নির্মান কাজ শেষে অদ্য ৭মে শুক্রবার সকাল ১১টায় নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান এন এন বিল্ডার্স লিঃ ঢাকার প্রজেক্ট এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার জনাব রকিবুল ইসলাম রাকিব ইনডোর স্টেডিয়ামের চাবি জেলা ক্রীড়া সংস্হার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির মিলনের হাতে হস্তান্তর করেন।  এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্হার সহ সভাপতি সাবেক এম পি জনাব আব্দুর রশিদ সরকার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম রিটন কোষাধ্যক্ষ ওয়াহিদ মুরাদ লিমন সদস্য রকিবুল হক চৌধুরী রকিব বেনজির আহমেদ রেজাউন্নবী রাজু অমিতাভ দাশ গোলাম মারুফ মনা মাসুদুল হক। প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যায়ে কাজটি শুরু হয় ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে। টেবিল টেনিস ব্যাডমিন্টন ভলি বাস্কেটবল সহ জিমের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা রয়েছে। চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে গাইবান্ধার ক্রীড়াঙ্গনের দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা পুরন হওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।আমার অনেক ভালো লাগলো।
ছবিতে আমরা একটা মন্দির দেখতে পাচ্ছি। নবরত্ন মন্দির সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার হাটিকুমরুলে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মন্দির ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। তবে স্থানীয়ভাবে এটি দোলমঞ্চ নামেও পরিচিত। বাংলাদেশে আবিষ্কৃত নবরত্ন মন্দিরসমূহের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়।নবরত্ন মন্দিরটি আবিষ্কারের সময় এখানে কোন শিলালিপির অস্তিত্ব ছিল না বলে এর নির্মাণকাল সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না। তবে জনশ্রুতি অনুসারে, মন্দিরটি  রামনাথ ভাদুরী নামে স্থানীয় এক জমিদার নির্মাণ করেছিলেন। তবে কেউ কেউ মনে করেন।  কিংবদন্তী অনুসারে, রামনাথ ভাদুরী দিনাজপুরের তৎকালীন রাজা প্রাণনাথের বন্ধু ছিলেন। ভাদুরী তার বন্ধুকে তার রাজ্যের রাজস্ব পরিশোধে একবার সাহায্য করেছিলেন। তারই ফলস্বরূপ প্রাণনাথ দিনাজপুরের কান্তনগর মন্দিরের অদলে সিরাজগঞ্জে এই মন্দিরটি নির্মাণ করে দেন।
ছবিতে সুন্দর একটা পাহাড় দেখা যাচ্ছে। এটা থানচি থেকে আলিকদম যাওয়ার রাস্তার দূরত্ব ৩৪ কিলোমিটার। এই রাস্তাটি বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ি রাস্তা। এই ৩৪ কিলোমিটার রাস্তার দুইপাশ জুড়েই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এই রকম অসংখ্য  মেঘদল। আমি ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় কিছু ভিডিও করেছিলাম। এই রাস্তার সৌন্দর্য মোবাইল ফোনে তুলে ধরা সত্যি বলতে সম্ভব না। 
ধরুন একটু আগেও যে পাহাড়  মেঘে ঢাকা ছিল, তা হঠাৎ সূর্যের আলোতে জেগে তার অস্তিত্বের কথা জানান দিল,  লম্বা লম্বা পাহাড়ি ঘাস গুলো তে জমে থাকা শিশির গুলো রোদের আলোয় ঝলমলে উঠলো। চারপাশে মেঘেদের খেলা,মৃদু হিমশীতল বাতাস আর  পাহাড়ের নৈঃশব্দ্যতা। 
এটাই তো মর্ত্যের স্বর্গ। আমার অনেক ভাল লাগলো ঘুরাঘুরি করতে পেরে।
ছবিটিতে আমি স্বামী স্ত্রীকে ধান মাড়াই করতে দেখছি মেশিনের দ্বারা স্বামীকে তার সাহায্য করতে চেয়েছিল অনেক সুন্দর অনেক কষ্ট তাদের মাথায় একটা টুপি রয়েছে এটি মূলত এটি একটি সুন্দর লাগছে আমার কাছে সত্যিই আদরই আপনার কাছে অনেক সুন্দর লাগছে বর্তমান সময়ে গ্রামীণ সমাজের চিত্র। এটি একটি সুন্দর দৃশ্য আশা করি আপনাদের সুন্দর লাগছে আর এটি একটি গ্রাম অঞ্চলের পরিবেশ যা সত্যিই অসাধারণ মনমুগ্ধকর মনে হচ্ছে আমি একটু দেখে আশ্চর্য হয়ে গেছে আমার কাছে ভালো লেগেছে এটি অনেক সুন্দর এবং অনেক ভালো এবং ভালোই লেগেছে যার ফলে এটি অনেক দেখতে অসাধারণ মনে হচ্ছে এটা আমার কাছে অনেক সুন্দর এবং ভালোই পরিবেশের সাথে খাপ।
ছবি দিতে আপনার অনেক লোকজন কে দেখতে পাচ্ছি লোক যমুনা একটি হাটে রয়েছে তারা মূলত একটি বাজারে রয়েছে পাশের টা অনেক সুন্দর বাজার টা দেখতে অনেক সুন্দর এবং এটি একটি মোটরসাইকেল বাজার এখানে বলে দিদির মোটরসাইকেল বিক্রি করা হয় বিভিন্ন থেকে এই এলাকায় সুন্দর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রয়েছে যারা কিনতে চান তারা এখানে চলে আসে গুলো অনেক সুন্দর গুলো দেখে আমি অনেক ভালো হয় মাঝে মাঝে আমার বন্ধুদের নিয়ে এখানে গাড়ি কিনতে চাই গাড়ি গুলো অনেক সুন্দর চমৎকার ভালো লেগেছে আশা করি আপনাদের কাছে এই গাড়িগুলো অনেক সুন্দর ভালো লাগবে চমৎকার দৃশ্য লোকজন ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে সত্যিই অসাধারণ একটি আমার কাছে গাড়ি গুলো অনেক সুন্দর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন মনে হচ্ছে গাড়ি গুলো দেখে আমি অনেক খুশি। কেউ আসে শখ কিনতে..
কেউ আসে শখ বিক্রি করতে...
চুয়াডাঙ্গা জেলার সবথেকে বড় মোটরসাইকেলের হাট 
আলমডাঙ্গা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এর ভিতর
প্রতি শুক্রবার দুপুর ২ টা থেকে হাট শুরু হয়।
ছবিতে আমরা একটা চা বাগান দেখতে পাচ্ছি। খুব সুন্দর জায়গা এটা আমিও এই জায়গা টা ঘুরে এসেছি।এই চা বাগান পর্যটকদের জন্য ওরা একটা ড্যামিচা প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট করে রেখেছে যে টা দেখলে সবাই বুঝতে পারবে কি ভাবে সবুজ পাতা থেকে চা তৈরি হয়।টেমি টি গার্ডেন।
হিমালয়ের কোলে উত্তরপূর্ব ভারতের পাহাড়ী রাজ্য সিকিম। এই সিকিমের রাজ্য দক্ষিন সিকিমের অন্তর্গত টেমি টি গার্ডেন।  বর্তমানে এটি সিকিমের একমাত্র চা বাগান।এই চা বাগানটি ভারতের অন্যতম সেরা চা বাগান হিসাবে বিখ্যাত যার আন্তর্জাতিক স্তরেও অনেক সুনাম আছে। এখানকার উচ্চমানের চা ভারতে ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবল চাহিদা আছে।চা-বাগান অনেক ভাল লাগলো।
ছবিটি তোলা হয়েছে  প্রয়াত সাহিত্যিক  সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এর  বাড়ি থেকে। একা এবং কয়েকজন এর ঢিল ছোঁড়া দূরত্তে এক মনোরম পরিবেশে অবস্থিত এই গেস্ট হাউস । ছবির মতো সুন্দর বাগান দিয়ে মোড়া । একেবারে আপনার মনের মত । প্রচুর আম গাছ ।  সকাল বেলা চাইলে , ক্যানালের পাড়ের রাস্তা দিয়ে হাঁটতে থাকুন প্রান্তিক ষ্টেশনের দিকে । সোনারতরি পেরিয়ে পেয়ে যাবেন সনতের দোকান । একটু চা খেয়ে নিতে পারেন । অল্প বেলা হলে পেয়ে যাবেন গরম কচুরি , আর দুর্লভ নির্ভেজাল মিষ্টি । আর এক দিন চাইলে হাঁটতে পারেন গোয়ালপাড়া র রাস্তায় , যেটা সোজা চলে গেছে কোপাই নদী পার হয়ে । অনেক সুন্দর লাগলো ঘুরাঘুরি করতে এই বাড়িতে।
তিস্তার পাড় হতে ছবি দেওয়া হয়েছে। একটা ঝলমলে সকাল, শনশন হাওয়া, সামনে কুলুকুলু বয়ে চলা তিস্তা আর নদীর ওপর রেলব্রিজ।
সকাল সকাল রওনা হওয়া গেল, হালকা জঙ্গল আর বিশাল একটা মাঠ পার হয়ে।পাথরে পাথরে ভরা এই নদীর পাড়, আর সদ্য হিমালয় থেকে সমতলে এসে পড়া তিস্তা এখানে যৌবনোচ্ছলা, তার সেই পাহাড়ি মেজাজ এখনো পুরোপুরি হারায়নি। ঝরোঝরো মুখরিত, টলটলে স্বচ্ছ আর কনকনে ঠান্ডা এখানে তিস্তার এই ধারা।
ইচ্ছে করবেই, একবার শরীর ডুবিয়ে দিতে এই অগভীর জলে, নদীবক্ষ একেবারে টলটলে, কাঁচের মতো।তিস্তার ওপর রেলব্রিজটাতে উঠে এলাম। এখান থেকে তিস্তার বিস্তার দেখা, সে সত্যিই এক অন্য অভিজ্ঞতা।এরপর, সেই চেনা পথ দিয়ে ফিরে চলা, সেই চেনা পৃথিবীতে। বিদায় মংপং, ভালো থেকো নতুন বন্ধুরা।
সুন্দর একটা বাড়ি দেখতে পাচ্ছি। আমি প্রাতকৃত্য সেরে পাহাড়ি পথে উপরে উঠে পৌঁছে গেলাম তিন চুলের সুন্দর গ্রামে। প্রতিটি বাড়ি নানা ধরনের ফুল দিয়ে সাজানো। প্রতি বাড়িতে পূজা অর্চনা চলছে, ধূনোর গন্ধ, ডমরুর আওয়াজ, ভক্তি গীতি বাজছে ভাবলাম সত্যি কি শান্তিতে এরা আছে। জলখাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়বো, গুরুঁংজী এসে বললেন  আর একটা দিন আপনারা থাকলে খুব ভালো হতো, কি আন্তরিক  সেই কথা, মনটা উদাস হয়ে গেল। প্রথমে কমলা বাগান, যদিও দুএকটি ছোট লেবুর দেখা মিললো কিন্তু মন ভরলো না, বড় মাঙোয়া হয়ে এলাম ত্রিবেণী, বেশ ভালো লাগলো। লাভার্স ভিউ পয়েন্ট, এক কথায় অসাধারণ। লামহাট্টা ইকো পার্ক পৌঁছে গেলাম, কিছু পরেই আকাশ মেঘে ছেয়ে গেলো, গাড়িতে উঠে বসলাম, ফগ্  লাইট  জ্বালিয়ে গাড়ি এগিয়ে চললো দার্জিলিংয়ের উদ্দেশ্যে। আগামী কাল লিখবো দার্জিলিং নিয়ে।সুন্দর লাগলো ঘুরাঘুরি করতে পেরে।
ছবিতে আমরা একজন মায়ের কোলে তার শিশুকে দেখতে পাচ্ছি মায়ের কোলে শিশুর নিরাপত্তা এবং মা এবং তা শেষ হয় সেলফি তুলছে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে রয়েছে এটি একটি সুন্দর দৃশ্য আসলেই বন্ধন অনেক সুন্দর পবিত্র বন্ধন বন্ধন টা অনেক ভালো লাগছে।আমি যখন ছবিটি তুললাম তখন সুখদীপ সুন্দরী লজ্জা লাগছিল আমার কাছে ভালো লাগছে প্রায় আশি টাকা এবং তার সন্তানের অনেক আদর যত্ন করে লালন পালন করে এটি অনেক কষ্টের কাজ কিন্তু এরপরও মানবতার খাতিরে তারা খুবই যত্ন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করে এটি তাদের নৈতিক দায়িত্ব আমার কাছে ভাল লাগছে আশা করি এই দৃশ্যটা আপনার কাছে সুন্দর লাগবে পৃথিবীর সেরা দৃশ্য মনে হয় আমার কাছে এই দৃশ্যটা দেখে আমি আবেগাপ্লুত হয়েছে সত্যি আশ্চর্য জনক শিশুটির চাহনি দিয়ে এবং সেলফি তুলে।
ছবিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি সুন্দর একটি ফরেস্টে দেখে অবাক হয়ে যায়।  ফরেস্টে দেখে মেয়াদ সহ্য হয়েছিল যে সত্যিই অনেক ভালো লাগছে ভয়েসটা অনেক অসাধারণ এবং পাতাগুলো সুন্দরী গাছ গুলো অসাধারণ আমার কাছে অনেক মনে মনে হয়েছে। ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের বানানো ছোট ছোট খান ছয়েক কটেজ,একটা ছোট শেডের তলায় ডাইনিং আর গুল্মলতার ছায়া সুনিবিড় একটা বিশ্রাম নেওয়ার চাতাল, ঝিকিমিকি রোদ্দুর এখানে আপনার বন্ধু, ছোট ছোট বন্যপ্রাণ আর যত্নে ফোটানো ফুল এখানে প্রকৃতির পরিপূরক। মাঝখান দিয়ে বাঁধানো পথ। বসন্তের সমাগমে শুকনো ঝরাপাতা আর কাপাসে পথ সমাকীর্ণ। এই রাস্তায় এগিয়ে গেলেই কয়েকটা পুরোনো ছোট ছোট বাংলো চোখে পড়ে, অতীতে এইগুলোই ছিল মংপং ফরেস্ট রেস্ট হাউস।
ছবিটিকে আমরা একটি ইকোপার্ক দেখতে পাচ্ছি। খুব একটা দেখে অনেক সুন্দর ইকো পার্কের পাশে একটি বিল্ডিং নিয়ে রয়েছ।পায়ের তলায় সর্ষে চেগে উঠেছে। দুদিন ছুটি পাওয়া গেছে যে।তবে জাস্ট দু দিন, কাজেই বেশি দূর তো যাওয়া যাবে না। 
এনজেপি স্টেশনে সকালে এক ঘন্টা লেটে পৌঁছে, সামান্য কিছু প্রাতঃরাশ সেরে, রওনা দিলাম।
সেবক হয়ে, করোনেশন ব্রিজ ক্রস করে আমরা এগিয়ে চললাম। পাহাড়ের দিকে।কি ভাবছেন কোথায় যাবো কালিম্পঙ।সিকিম? ডুয়ার্স নাঃ! হলো না।
একটা ছোট্ট ডেস্টিনেশন আছে, যেটা হয়তো অনেকেই জানেন, আবার ম্যাক্সিমাম লোকে জানেন না : মংপং বাংলো। এখানে হয়তো বিশেষ কিছু দেখার নেই, তবে যদি ছুটি কাটাতে চান, নিস্তব্ধ নির্জনতায় নিজের সাথে দু একদিন বসে থাকতে চান, তবে চলে আসুন। এই জায়গাটিকে ভালো না বেসে ফিরবেন না।অনেক ভালো লাগবে এখানে।
ছবিটিতে আমরা সবাই ফুল দেখতে পাচ্ছি। এ গুলো অনেক সুন্দর সত্যি তো আপনাকে আমাকে মুগ্ধ করেছে পবিত্র গুলো অনেক সুন্দর ভাবে সজ্জিত করা হয়েছে তারা কি নির্মূল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সত্যিই আমি মুগ্ধ।দার্জিলিং এর ফুলের সম্ভার। চারপাশের পরিবেশ সবসময় রঙিন করে রেখেছে এই আমার নাম না জানা ফুলের দল।
 এদের দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়।
 পাহাড়ি মানুষগুলোর মতোন ফুল গুলোও সবসময় হাসছে।ফুল দেখে সবাই আশ্চর্য হয়েছে এখানে অনেক সুন্দর সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করেছে আমার কাছে ভালো লেগেছে সত্যিই এক আশ্চর্য জনকভাবে প্রাকৃতিকভাবে ফুলগুলো সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে সেগুলো সত্যিই অবাক করে আমাদের মনকে।
অনেকদিন পরে উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্ট একদিন হঠাট  একটা স্বপ্ন দেখালো বন্ধুরা মিলে পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ স্থান সান্দাকফু ট্রেকিং বেড়াতে যাব। সবকিছুই ঠিক হয়ে গেল বন্ধু জোগাড় হয়ে গেল এবং ঠিক হলো যে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরে পহেলা বৈশাখের সময় সান্দাকফু বেড়াতে যাব কিন্তু অন্ত্রের নির্মম পরিহাস হিসাবে আসা করোনাভাইরাস আমাদের সব প্ল্যান বানচাল করে গেল সময় যৌথ এগিয়ে আসা দক্ষিণ হয়ে যায় একসময় সত্যিই আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম এরপর সকলে আমরা কলেজে ভর্তি হলাম যে যার নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে গেলাম ঠিক করেই নিলাম যে হয়তো বন্ধুরা মিলে সেই সান্দাকফু দেখা আর হবেনা এক বছর পর যখন পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হল তখনই হঠাৎ ফোন এল ঠিক হলো যে এ বছর বাংলা নববর্ষ আমরা এখানে কাটাব না কাটাব বাংলার সর্বোচ্চ স্থান তিন হাজার 550 মিটার উঁচুতে সান্দাকফুতে কাটাব ঠিক হলো যে  আমরা বেরোবো সান্দাকফু দেখতে। বন্ধুরা মিলে আনন্দ করলাম।

動画

ブログ

川の歴史。