写真

মেঘনা ভিলেজ হলিডে রিসোর্ট নামে পরিচিত হয়ে গেছে জায়গা।এটি বালুয়াকান্দিতে অবস্থিত। বাংলাদেশে কম খরচে ঢাকার আশেপাশেই ঘুরা যায় এমন অনেক সুন্দর জায়গায় আছে। যেখানে আপনি একদিনেই সহ
মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায়, মেঘনা নদীর কাছে মেঘনা ব্রিজ হতে ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মেঘনা ভিলেজ। সারাদিনের জন্য পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে খুব সহজে ই ঘুরে আসতে পারেন এখান থেকে। আপনি চাইলে রিসোর্ট ভাড়া করে থাকতে পারেন। সেখানে রয়েছে এসি-ননএসি উভয় প্রকার কটেজ। এখানকার কটেজগুলো একটু ভিন্ন ভাবে তৈরি হয়েছে যা দেখতে অনেকটা নেপালি কটেজের মত। আছে খেলাধুলার সুব্যবস্থা। এমন কি নৌকা ভ্রমণ করতে চাইলে তারও ব্যবস্থা আছে। এখানকারর খাবারে ঘরোয়া স্বাদ পাবেন। আপনি চাইলে শুধু এক দিনের জন্যও কটেজ ভাড়া করতে পারেন। আবার দিনে দিনে গিয়েও ফেরত চলে আসতে পারেন।
এখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন একই রাস্তা দেখতে পাচ্ছি। এটি মূলত ঢাকা শহর ঢাকা শহরে কি সুন্দর লাগবে। আমি সব মিলিয়ে অনেক ভালো লাগলো। একজন রিকশাচালক পরিচালক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে একটি পাঠাগার অবস্থান করছে। এটি রাস্তার পাশে পাশে অবস্থান। একুশকে ভালোবেসে দেয়ালের পাশের আবর্জনার স্তুপ পরিষ্কার করে গড়ে তুলা উন্মুক্ত পাঠাগার একুশ।প্রতি ২১ দিন পর পর ২১ টি নতুন বই যুক্ত হবে এই পাঠাগারে। নেই কোন নজরদারি, নেই কোন রেজিস্টার। যার ইচ্ছে বই নিয়ে পড়বে, যার ইচ্ছে হয় নতুন বই দিয়ে যাবে। পাঠাগার উদ্বোধনের দুই ঘন্টার মধ্যে পাঠকেরা সব বই পড়তে নিয়ে গেছেন। এর মধ্যে ফেরতও এসেছে দুটো বই। মানুষ অগোচরে রেখেও যাচ্ছে বই। সবকিছুই ঠিক ছিল।আজ অচেনা এক পথিকের তোলা ছবিটি চোখে জল এনেছে। এলোমেলো করে দিয়েছে সব হিসেব। সার্থক হয়েছে একুশ।
এটা একটা জায়গায় যেটি  কলকাতার কাছেই বেহালা ঠাকুরপুকুর। জোকা পার করে পৈলান এর কাছে ভাষা। যারা বারুইপুরের দিক থেকে আসবেন আমতলা চৌমাথায় এসে ডানদিকে বেহালার দিকে কিছুটা গেলেই ভাষা বিষ্ণুপুর। মাঝমাঠে রাস্তার ধারে একটি অনিন্দসুন্দর মন্দির স্বামীনারায়ন মন্দির। গাড়ি পার্কিং 40টাকা। চা কফি স্নাকস ও দুপুরে নিরামিষ  খাওয়ার ব্যবস্থা আছে নিজস্ব ক্যান্টিনে। অনেকেই অক্ষরধাম মন্দিরের মিল খুঁজে পান।
  মন্দির দুপুর পর্যন্ত বন্ধ থাকে।এখানপ  ঘুরতে ভালো লাগ।  চারিদিকে সুন্দর দৃশ্য। আমার কাছে অনেক ভালো লাগবে এখানে অনেকে ভ্রমণ করতে আসে তাদের কাছে জায়গাটা অনেক পছন্দ এটি মূলত তীর্থস্থান এখানে হিন্দু পূজা পড়বেন কয় চারিদিকে সুন্দর দৃশ্য মনোরম পরিবেশে। এই এলাকাটা তৈরি করা হয়েছে এটি একটি পর্যটন নগরী স্বপ্নে অসাধারণ।
সারাদিন ঘোরাঘুরি করা করি ছবি তুলছিলাম আশাকরি ছবিটি আপনার কাছে ভালো লাগবে। ঘুরে বেড়ানোর মধ্যে যদি রহস্যের গন্ধ থাকে তবে মন্দ হয় না। আর যদি রহস্য অনুদ্ঘাটিত থাকে তাহলে তো কথাই নেই! এমনই এক খবর কানে এলো  এরপর আর দেরি করার জো আছে!  ভাগলপুর শহরের একপ্রান্তে গঙ্গা নদী বরাবর কুপ্পাঘাটে মহর্ষি মেহি পরমহংস গুরুমহারাজের বিশাল আশ্রম চত্বর। সন্তপথী সৎসঙ্গীদের গুরুর অনুসারী ও শিষ্যদের নিয়ে বেশ চলছে ধর্মীয় সাধনা। মন্দিরময় সুরম্য আশ্রমটির সুন্দর পরিপাটি  বাগিচা দেখার মতো । তবে এসবই উপলক্ষমাত্র, আমার লক্ষ্য একটি প্রাচীন সুড়ঙ্গমুখ, যা কিনা আশ্রমের ভেতরেই আছে। একটু ঘুরতেই খুঁজে পেলাম, সুড়ঙ্গমুখটি পাকা ঘরের আদলে আড়াল করা হয়েছে । শোনা যায় এই সুড়ঙ্গ সোজা চলে গেছে পূর্ণিয়া পর্যন্ত, প্রায় সত্তর কিলোমিটার দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করে ! সংলগ্ন আরেকটি সুড়ঙ্গ দিয়ে নদীতীরে যাওয়া যায়। যদিও সুড়ঙ্গমুখটি সর্বসাধারণের জন্য খোলা নয়। বিশেষ অনুমতি নিয়ে ঢুকে পড়লাম, সঙ্গে আশ্রমিক যুবক  ব্রহ্মদেও। সেই তালা খুলে দিয়ে আমার সঙ্গে ঢুকে  আবার ভেতর থেকে লাগিয়ে দিলো। নিরাপত্তার জন্য কঠিন বন্দোবস্ত। পাকা গুহামুখটি থেকেই আলো বেশ কম আর ভেতরে তো দিনের বেলায় একেবারে ঘুটঘুটে অন্ধকার! মোবাইলের টর্চ সম্বল করে প্রথমে নুয়ে বেঁকে, তারপর কিছুটা বসে বসে ও পড়ে প্রায় হামাগুড়ি দিয়ে যতটা এগোনো যায়, ঢুকে পড়লাম ।কুপ্পাঘাটের এই আশ্রমটি ভাগলপুরের একটি অবশ্যদ্রষ্টব্য স্থান, তবে সুড়ঙ্গে প্রবেশ আশ্রম কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুমতিসাপেক্ষ।
দারাসবাড়ি মসজিদ দেখতে পাচ্ছি।  চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর সোনা মসজিদ এবং কোতয়ালি দরগার মধ্যবর্তী অমপুর নামক স্থানের নিকটে অবস্থিত। স্থানীয় বাসিন্দারা এই স্থানটিকে দারাসবাড়ি নামে চেনে। মসজিদটির ভেতরের আয়তক্ষেত্র দুই ভাগে বিভক্ত এবংঐতিহাসিক দারাসবাড়ি মসজিদ থেকে প্রাপ্ত তোগরা অক্ষরে উৎকীর্ণ ইউসুফি শাহী লিপিটি বর্তমানে কলকাতা জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
দারাসবাড়ি মসজিদ যাওয়ার উপায়
ঢাকা থেকে বিভিন্নভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে বাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেতে চাইলে রাজশাহী হয়ে কিংবা সরাসরি চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাওয়া যায়। তবে, ঢাকা থেকে ট্রেন কিংবা বিমানে করে যেতে চাইলে আপনাকে আগে রাজশাহী এসে তারপর চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেতে হবে। ঢাকার কল্যানপুর ও গাবতলী থেকে বিভিন্ন বাস যেমনঃ হানিফ এন্টারপ্রাইজ, মডার্ন এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন প্রভৃতি রাজশাহী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে যায়। এর মূল গম্বুজটি দেখতে বেশ আকর্ষণীয়।অটোরিকশা বা বাসে করে সরাসরি ছোট সোনা মসজিদ এর নিকট অবস্থিত দারাসবাড়ি মসজিদ যেতে পারবেন।
এছাড়া রাজশাহী থেকে প্রতিদিন এক ঘণ্টা পর পর সোনা মসজিদের দিকে বাস চলাচল করে। এছাড়া কানসাট পৌছে রিক্সা করে মসজিদে যাওয়া যাবে।
এখানে  ছবিটিতে যে বাড়িটি দেখছেন, সেটি একটি কলকাতার ৩০০ বছরের অধিক পুরাতন বাড়ি ও সঙ্গীতের পীঠস্থান। এটিকে পাথুরিয়াঘাটার ঘোষ পরিবারের বাড়ি বলা হয় ও ঠিকানা-৪৬নং পাথুরিয়াঘাটা ষ্ট্রীট।
এই ঘোষ পরিবারের চালচিত্র রমাশঙ্কর থেকে শুরু। তাঁর আদি নিবাস হুগলি জেলার করত্যি গ্রামে। তিনি প্রথমে বারাণসী ও বরানগরে থাকেন এবং অবশেষে পাথুরিয়াঘাটায় চলে আসেন।
তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র রামলোচন, যার মৃত্যু ১৮২০খ্রি হয়, ওয়ারেন হেস্টিংসের দেওয়ান ছিলেন। তিনি ও তাঁর দাদা রামপ্রসাদ ব্যাঙ্ক ও দেওয়ান হয়ে প্রচুর বিত্তশালী হন। রামলোচনই এই ৪৬নং বাড়িটি নির্মাণ করেন।রামলোচনের তিন পুত্র যথাক্রমে- শিবনারায়ণ, দেবনারায়ণ ও আনন্দনারায়ণ এবং রামপ্রসাদের দুই পুত্র- রাজবল্লভ ও রামচন্দ্র।বহু দিন পর এক দশক পূর্বে এই  অল বেঙ্গল মিউজিক কনফারেন্সের ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি সঙ্গীত সম্মেলন আয়োজন করা হয়, যেটিতে সারা ভারতের গণ্যমান্য সঙ্গীত শিল্পীরা অংশগ্রহন করেন। কিন্তু এটির আয়োজন ৪৬নংরে না হয়ে ৪৭নং খেলাত ভবনে হয়। এক যুগে এই বাড়িটি থেকে সঙ্গীত ও গান ধ্বনিত হতো। কিন্তু আজ ধ্বনিত হয় কেবলমাত্র এই বাডির পুরানো কলকাতার চালচিত্র।
এটি কিন্তু গ্রাম অঞ্চলের রাস্তা আর হ্যাঁ এটা কিন্তু জীবনানন্দ দাশের বাড়ি। বাইরে শীতের হিমেল হাওয়া তখনও। স্যাঁতস্যাঁতে ইটের রাস্তা ধরে এগিয়ে যেতে থাকি। এদিক সেদিক খুঁজতে থাকি একটি বাড়ি। ঠিকঠাক জানা নেই বলে পথে নেমে পথ খোঁজার প্রয়াস। মনে মনে বুঝতে পারি, বাড়িটির কাছে চলে এসেী।তারপর দেখা মেলে সেই বাড়িটির। বড় বড় অট্টালিকা ও ঝোঁপঝাড়ে প্রায় ঢাকাই পড়ে ছিল ধানসিঁড়ি লেখা বাড়িটি। কেমন বিষণ্ণ মেজাজ! কালের বিবর্তনে নুয়ে পড়া পৌষের দিনে যেন আরও একটু ধূসর। ভেতরে পা দিতেই মনে। নির্জনতার কবি ছিলেন তিনি। সেই নির্জনতা যেন আরও ভর করে আছে ‘রূপসী বাংলা’র সেই কবি জীবনানন্দ দাশের স্মৃতি ধানসিঁড়ি জুড়ে।বরিশাল শহরের বগুড়া রোডে আম্বিয়া হাসপাতালের পাশেই গাছ-গাছালি ঘেরা ছায়া সুনিবিড় একটি দরজা। দরজা ঠেলতেই চোখের সামনে লোহার গেটে লাল থামে সাদা অক্ষরে লেখা ধানসিঁড়ি। শিহরণ জাগে। এই বাড়ি যেন এক ধাক্কায় নিয়ে যায় জীবনানন্দ দাশের সময়ে।তবে এ বাড়ি জীবনানন্দ দাশের বাবারও নয়। তার পিতামহ সর্বানন্দ দাশের নামে সেসময় নামকরণ করা হয়েছিল বাড়িটির। যদিও সর্বানন্দ দাশের বাড়ি ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুর পরগণার পদ্ম পাড়ের গাউপাড়া গ্রামে।বাড়ির প্রবেশ মুখের পাশেই স্থাপন করা হয়েছে ‘কবি জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি মিলনায়তন ও পাঠাগার’। বইয়ের সংকট ও প্রশাসনের সুদৃষ্টির অভাবেই এই পাঠাগার গুরুত্ব হারাতে শুরু করেছে। বিশ্বভারতী, শান্তিনিতেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে গবেষণার জন্য অনেকেই আসত আগে। কিন্তু বরিশালে কবির তেমন কোনো স্মৃতি না থাকায় এখন তেমন কেউ আর আসে না।
এটি টাংগাইল এর ঐতিহ্যবাহী মসজিদ। টাঙ্গাইল শহর থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ২নং গালা ইউনিয়নের বার্থা গ্রামে জিয়ান খান জামে মসজিদ বা গাইবি মসজিদ নামে পরিচিত।
লোকমুখে শোনা যায় মুঘল আমলে জিয়ান খান নামে বাগদাদের একজন লোক আসেন ইসলাম প্রচার করার জন্য। শোনা যায় তিনিই মসজিদটি নির্মাণ করেন। মসজিদটি আনুমানিক ৪০০বছর পুরোনো। আবার এলাকার মুরুব্বীরা তাদের পূর্বপুরুষদের বরাত দিয়ে বলেন এক রাতেই মাটির নিচ থেকে উঠেছে। ১০০ বছর আগেও নাকি এই মসজিদটি করটিয়া হাট থেকে দেখা গিয়েছে। তাদের দাবি দিন দিন মাটির নিচে ডেবে যাচ্ছে মসজিদটি।বর্তমানে মসজিদের বাহিরের দিক থেকে ২১ফুট বর্গাকৃতি, মুলভবনের চারকোণে দেয়াল ঘেঁষে ৪টি স্তম্ভ ছাদ জুড়ে বিশাল একটি গম্বুজ এবং স্তম্ভগুলির কারুকাজ প্রাচীন আমলের নির্দশনের স্বাক্ষী বহন করে চলেছে। মসজিদের পূর্ব পার্শ্বে একটি মাত্র দরজা।উত্তর ও দক্ষিণ পার্শ্বে দুটি জানালা।মসজিদের দেয়াল ২ফুট ৬ ইঞ্চি পুরু।মসজিদের পাশে একটি কবর আছে সেটি জিয়ান খান কবর বলে জানা যায়।সময় করে আপনিও দেখে আসুন এই প্রাচীনতম মসজিদটি।
এটি একটি মন্দির। বর্তমান মন্দির প্রায় দেড় শো বছর আগে নির্মিত। উজ্জ্বল ব্রহ্ম শিলা ঢেকে দেওয়া হয় ধাতব আবরণে  তাতে একটি চোখ ও একটি জিভ সংযুক্ত করা হয়। প্রত্যহ পূজিত হন দেবী। আবরণ খোলা হয় দুবার বছরে। অম্বুবাচী ও দুর্গা চতুর্দশীর দিন। তবে পূর্ন উন্মোচন আর করা হয় না। নতুন মন্দির যখন নির্মিত হয় তখন এর বেদিতে দুটি বিশাল নরকঙ্কাল পাওয়া যায়। যা সাধারণ বাঙালীর থেকে অনেক বেশি দীর্ঘ। সিন্দুর মাখানো একটি শিশু খুলি ও দুটি পূর্ণ বয়স্কের খুলি পাওয়া যায়।
 অনুমান করা যায় এই জ্যোতির্ময় শিলা মূর্তি বন মালীর কয়েক শো বছর আগের কোনো তান্ত্রিকের সিদ্ধ পীঠ এর দেবী। হয় তো সেটা শশাঙ্কের সময়ের।
ছবিটি হলো দ্বীপগ্রামের। জায়গাটার বর্তমান নাম দ্বীপা। হুগলী জেলার আহল্যাবাঈ রোড ধরে গজারমোড় থেকে চাঁপাডাঙার দিকে কয়েক কিলোমিটার গেলেই দ্বীপা। সুধীর কুমার মিত্রের মতে প্রায় চারশো বছর আগে এই স্থানকে বেষ্টন করে তিন দিক দিয়ে তিনটি নদী প্রবাহিত হত। নদীগুলো হল কৌশিকী, বিমলা ও দামোদর। যদিও বর্তমানে এই স্থানের তিন দিক দিয়ে loop আকারে দামোদর প্রবাহিত হচ্ছে। তাই দ্বীপা নাম আজও সার্থক। সম্ভবত দ্বীপ থেকেই এই দ্বীপা কথাটা এসেছে।  চৈতন্য মহাপ্রভু অপ্রকট হবার কিছুদিন পরেই এখানে আসেন তাঁর অন্যতম পার্ষদ শ্রীশ্রী কৃষ্ণানন্দপুরী। তিনি নিজে এখানে গৌরগোপাল বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করেন এবং হরিনাম বিতরণ করেন।একদিন কৃষ্ণানন্দ পুরী পূজার উপকরণ নিয়ে দামোদরের ঘাটে নেমেছেন,এমন সময় দামোদর তার প্রবল স্রোতে পুজোর জিনিসপত্র সব ভাসিয়ে নিয়ে যায়। কৃষ্ণানন্দ পুরী অভিশাপ দেন, সেই থেকে নাকি দামোদরের এই প্রাচীন খাতটি ক্ষীণ হয়ে পড়ে এবং ভিন্ন খাত প্রবল হয়। এইসব কিংবদন্তীর কতটা ঐতিহাসিক মূল্য আছে তা জানা না গেলেও পাড়াম্বুয়া, লোকনাথ,সাহাবাজার,দ্বীপা,দ্বারহাট্টা এইসব জায়গার পাশ দিয়ে যে ছোট নদীটি বর্তমানে প্রবাহিত হচ্ছে তাকে লোকে এখন কানা দামোদর নামেই ডাকে।তাই অভিশাপের ফলেই হোক আর যাই হোক,দামোদর যে মাঝে মাঝেই তার গতিপথ পরিবর্তনে অভ্যস্ত ছিল তা মেজর হার্টসের মানচিত্র দেখলে বেশ বোঝা যায়।  হরিপালে গেলে কৌশিকী নদীর চিহ্ন আজও দেখা যায়। কৌশিকী গেল,দামোদর গেল কিন্তু বিমলা? নাঃ তার চিহ্নটুকুও কোথাও নেই। এসবের মধ্যেই মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে কৃষ্ণানন্দপুরীর পাট ও মহাপ্রভু জিউর মন্দির। প্রাচীন রথও আবৃত অবস্থায় চোখে পড়ে। রথের সময় এখানে খুব ধুমধাম হয়। এছাড়া নিত্যপূজা তো হয়ই। চৈতন্য মহাপ্রভু,নিত্যানন্দ,রাধাগোবিন্দ ও রাধারানীর মূর্তি এখানে নিত্যপূজা পাচ্ছেন। পূজারী মশাই ইতিহাস বিমুখ নন। তাঁর মুখে ইতিহাসমিশ্রিত জনশ্রুতি শুনতে বেশ ভাল লাগে। খানাকুলের বৈষ্ণবগন কৃষ্ণানন্দ কে অভিরাম গোস্বামীর শিষ্য বলে মনে করেন। কিন্তু ঠাকুরমশাইয়ের এতে প্রবল আপত্তি। আপত্তির অবশ্যই যথেষ্ট কারণ আছে। শ্রীচৈতন্য চরিতামৃতে যে ভক্তিকল্প বৃক্ষের বর্ননা আছে  তাতে আছে-।বিষ্ণুপুরী কেশবপুরী পুরী কৃষ্ণানন্দ। নৃসিংহানন্দ-তীর্থ আর পুরী সুখানন্দ।অর্থাৎ কৃষ্ণানন্দকে ভক্তিকল্পবৃক্ষের নবমূলের একটি মূল হিসাবে বলে ঠাকুর মশাই কোন ভুল করেন নি। এ স্থান সত্যিই বৈষ্ণবদের কাছে পূণ্যভূমি।
এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান ভারতের। ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাসে এক অসামান্য ব্যাক্তি লর্ড ক্যানিং। যিনি ছিলেন ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল, কথিত আছে ক্যানিং স্টেশনের নামকরণ তার নামানুসারেই হয়েছিল ক্যানিং স্টেশন থেকে হাঁটা পথে আন্দাজ  ১৫ মিনিট , তবে সংরক্ষণের অভাবে বাড়ির অবস্থা খুব জীর্ণ নীচের তলায় একটামাত্র ঘর বাদে সব ঘর ভগ্নপ্রায় বাড়ির সর্বত্র ছড়িয়ে আছে ইতিহাস , ব্যালকেনি ভেঙেই পড়েছে শেষ বড়সর ভাঙন ধরে ২০০০ সালে। বাড়িতে যে বৃদ্ধা থাকেন তার মুখে অনেক কিছুই শোনা যায় এই বাড়ি সমন্ধে তিনি বলেছেন ১৯৯৩ সালে তিনি এই বাড়িতে আসেন তখন উপর তলার অবস্থা বেশ দারুন ছিল অর্থাৎ বসবাসের উপযোগী তবে এখন রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে সেখানে জন্ম নিয়েছে বট অশ্বথ । সরকার থেকে এই সম্পত্তির সংস্কারের প্রস্তাব মিললেও  তার কোন নজির দেখা যায়নি এখনো পর্যন্ত এককথায় প্রযুক্তির দারুন নজির হিসেবে দাঁড়িয়ে এই বহু পুরানো বাড়িটি। দিনদিন বাড়িটা পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। এখানে দেশ বিদেশ থেকে পুরনো পাথরের উপর ইতিহাসের দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার শহরের একটি দর্শনীয় স্থানঁ এটা।মহারাজ নৃপেন্দ্র নারায়ণের রাজত্বকালে তৈরি হয়েছিল রাজবাড়ি। রোমের সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার যে রোমান গথিক আদল সেই আদলে তৈরি করা হয় এই রাজবাড়ি ইঁট, বালি সুড়কি দিয়ে। আবার অনেকের মতে বাকিংহাম প্যালেসের ধাঁচে এ প্রাসাদ তৈরি হয়েছে। মহারানি গায়ত্রীদেবী এই রাজ পরিবারের মেয়ে ছিলেন। এই পরিবার নিয়ে নানা গল্প শুনতে পাওয়া যায় আজও। রাজপ্রাসাদে আছে শয়নকক্ষ, সাজ ঘর, খাওয়ার ঘর, বিলিয়ার্ড হল, গ্রন্থাগার প্রভৃতি। রাজপ্রাসাদের সামনের সবুজ ঘাসের গালিচা মোড়া বাগান ও শান্ত সরোবর। যে সরোবরে প্রাসাদের আর মেঘের ছায়া ভেসে ওঠে ।   সন্ধেবেলায় আলোর সাজে রাজার বাড়ি দেখতে এলে দেখে যেতে পারেন লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো।  এরপর যাওয়া যায় সাগর দিঘির পাড়ে। দিঘির নামকরণ যে এর বিপুল আকারের জন্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিকেলের আলোয় এই দিঘির ধারে অপেক্ষা করাই যায় সূর্যাস্তের জন্য। শীতের সময়ে এখানে প্রচুর পরিযায়ী পাখি আসে। হাতে দুদিন সময় নিয়ে কোচবিহারে এলে দেখে নিতে পারেন এই সবই।
জলোরি পাস হিমাচল প্রদেশ এটি। 
হিমাচল প্রদেশের বেশ কয়েকটি পাসের মধ্যে সহজেই অ্যাক্সেসযোগ্য অন্যতম একটি পাস জলোরি । আমরা রামপুর-ভুসাহার ও জলোরি পাস হয়ে শিমলা থেকে কুলু গিয়েছিলাম।
জলোরি পাস হিমাচল প্রদেশের কুলু জেলায় শিমলা থেকে প্রায় 150 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটি 10,236 ফুট উচ্চতায় এবং উপরের রাস্তাটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এবং চ্যালেঞ্জিং।পাসটি ভারী তুষারপাতের কারণে ডিসেম্বরের একসময় বন্ধ হয়ে যায় এবং তারপরে মার্চে খোলা হয়। অনেক সুন্দর একটি এলাকা যা দেখে মুগ্ধ হয়েছে এখানে অনেকে বেড়াতে এসেছে এবং রাস্তা দেখতে করছে রাস্তার পাশে অনেক লোক দেখতে পাচ্ছি। তারা রাস্তায় অবস্থান করছে। আশাকরি ছবিটা আমার কাছে অনেক ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন
কিছু দিন আগে আমি  বিরলে একটি নতুন রিসোর্ট হয়েছে সেখানে বেড়াতে যায় নাম তার নাম লন্ডন রিসোর্ট।তো আজ আমি নিজেই গিয়েছিলাম সাথে আমার ভাইয়ের সাথে।
গিয়ে আমি আগে একটি ছবি তুলি যেটা প্রথমে দেখা যাচ্ছে, গেটম্যান বলছিল যে ছবি পরে তুলিয়েন আগে টিকেট কাটেন, আমিতো অবাক হয়ে গেলাম, তো আমি বললাম আমরা তো টিকিট কাটবই, বলতেছে টিকিট না কাটে  ছবি তুলতেছন কেন তাহলে। আমি অবাক হয়ে গেলাম।।তো টিকিট কাটতে গিয়ে আমাকে দাঁড়িয়ে রেখে সে  ভিতরে গেল, আমি পাঁচ মিনিটের মতো দাঁড়িয়ে ছিলাম, তিনি এসে বলল  আপনারা দুইজন মোটরসাইকেল মিলে 50 টাকা দেন, তোর টিকিট কাটলাম,দেখি গেট খোলার কোন মানুষ নাই তো আমি বললাম গেট খুলেন বলল আপনি ঠেলে দেন, ঠেলে দিলে গেট খুলে যাবে, এর মানে বুঝতেই পারছেন আপনারা যে কেমন মানুষ গুলো। তো ভিতরে গিয়ে দেখি পরিবেশটা ভালো না,  দেখা মত কোনো জিনিস নেই, তাই আমার প্রাণের দিনাজপুর বাসীদের কে বলছি আপনারা এই রিসোর্টের না গিয়ে আমাদের মূল্যবান সময় নষ্ট না করে অন্য কোথাও ঘুরে আসতে পারেন, একটা টাইম নষ্ট করার মত জায়গা ওটা,বিরল চঞ্চল রিসোর্ট এর থেকেও আরো অনেক দূরে যেতে হয় ।
এটি একটি পর্যটনকেন্দ্র। বাংলাদেশের এখন প্রচারণা চলছে কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ কিছু ছাত্র ছাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করছে তারা বলতেছে করা সবকিছু চলতেছে কিন্তু তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ কেন এজন্য তারা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যেতে চাচ্ছে। করোনা থেকে রক্ষা করার জন্য শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান সব বন্ধ। ছাত্র-ছাত্রী দ্বারা তাড়িত তাতে ডিপার্টমেন্টে যেতে চায়। চলমান পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে।
কিন্তু এই দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে করোনা নেই?
ছবিটি সেন্টমার্টিন এর।এখন হয়তো দীপু আফা অন্য কেউ বলবে এই নামের কোনো দর্শনীয় স্থানই নেই বাংলাদেশে।যেখানে সিনেমা হল খুলে দেওয়া হয়,মেলা, উৎসবের অনুমতি দেওয়া হয়,সেখানে পর্যটন কেন্দ্র তো কিছুই না।করোনা শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আছে।
আপনার রাস্তার পাশে গেট দেখতে পাচ্ছেন। গেটের মধ্যে অনেকগুলো সুন্দর নিদর্শন রয়েছে। কাছাকাছি রয়েছে মূলত এটি একটি পার্ক। এটি একটি পার্কের গেট এখানে অনেক লোক ভ্রমণ করতে আসে দেশ দেশান্তর থেকে এবং বিভিন্ন জেলা থেকে একটি সুন্দর দৃশ্য এই এলাকাটা আমার কাছে অনেক ভালো লাগে এই নৌকা এলাকাটা বাংলাদেশের অন্যতম একটি জেলা হিসেবে খ্যাত হলো এখানে পার্কের এলাকাটা অনেক সুন্দর  আমি প্রথম বার নওগাঁ ঘুরতে এসেছি খালামুনির বাসায়।যদিও একা একাই ঘুরছি।তবে এখানের ঐতিহাসিক জায়গা গুলোই অমার মূল আকর্ষণ।কাল কাচারি রোড এর কাচারি বাড়ি দেখতে গিয়েছিলাম।যদিও এটা এখন ডিবি পুলিশ   এর কার্যালয় হিসাবে ব্যাবহৃত হচ্ছে।মেইন গেট এ লিখা "বলিহার হাউস''।আমি মূলত এটা দেখার উদ্দেশ্যে গেলেও পুলিস এর কার্যালয় আর একা আমি দেখে ভেতরে ঢোকার সাহস করিনি।কিন্তু এর আসলে ইতিহাস জানার খুব ইচ্ছে হলো দেখার পর। যেহেতু এখানে পুলিশের কার্যালয় সেতুই এলাকার অনেক ভালো লাগে ছিল কারণ এখানে কোন ভয় নেই ভিত্তি নেই এটি একটি নিরাপদ স্থানে।
ছবিটিতে আমরা জৈন  মূর্তি দেখতে পাচ্ছি। ১১৩৭ বছর আগেকার গ্রানাইট পাথরের জৈন ধর্ম গুরুর ৫৭ ফুটের বিশ্বের প্রাচীনতম বৃহত্তম মূর্তি। গৌমতেশ্বরের মূর্তিটি জৈন গুরু বাহুবলিকে উৎসর্গীকৃত।এটা ভারতবর্ষের  কর্ণাটকের হাসান জেলা শ্রাবণবেলাগোলায় অবস্থিত।এটি সত্যই ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অন্যতম বড় কীর্তি।এটি শান্তি,অহিংসতা,পার্থিব বিষয় গুলো ত্যাগ করে জৈন ধর্ম অনুসরণ করে সাধারণ জীবনযাপনের প্রতীক। একটি সুন্দর প্রকৃতি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে যা দেখলে আপনার মন চোখ জুড়িয়ে যায়। সুন্দর কাটন দিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে এবং এটি একটি প্রাচীন সভ্যতায় তৈরি করা হয়েছিল। এটি বকুল তলা বিশিষ্ট উপর এই মূর্তিটা অবস্থান করা হয়েছে এবং এটি একটি সুন্দর পরিবেশের মাধ্যমে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন চারিদিকে গাছগাছালি তার মাঝখানে একটি বিল্ডিং বিল্ডিং এর উপরে এই মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছে। এই বিল্ডিংটি সহ এই মূর্তিটি অনেকের কাছে আকর্ষণ বোধ হয় এখানে অনেকে বেড়াতে আসা পর্যটকরা অনেক হাসিখুশি আনন্দে থাকে কারণ এটি একটি স্থান এখানে অনেক লোক সংখ্যা কত থাকে তারা কোন কারনে তারা সুন্দর পরিবেশের মাধ্যমে এই এলাকাটা পর্যবেক্ষণ করে ভ্রমণ করে তাড়াতাড়ি এলাকাটা অনেকক্ষণ সময় কাটায় একাকীত্ব দূর করার জন্য এই জায়গাটা যত খুশি বলে আমি মনে করি।
ছবিটিতে আমরা একটি মন্দির দেখতে পাচ্ছি। আর যে বিল্ডিংটি দেখতে পাচ্ছি বিল্ডিং এর মূর্তি রয়েছে। বিল্ডিং এর চারপাশে অনেকগুলো চমৎকার। এটি অনেক সুন্দর। ইন্দোনেশিয়ার বালির উবুদে সরস্বতী মন্দির। এই মন্দিরে ধ্রুপদী ইন্দোনেশিয় স্থাপত্য দেখা যায়।মন্দিরটি গোলাপী পদ্ম পুকুরের মাঝখানে।এখানে এমন ধরনের পাথরের কারুকার্য করা রয়েছে যা জ্ঞান, কলাবিদ্যার দেবী সরস্বতীর সাথে সম্পর্ক যুক্ত।এই সরস্বতী মন্দিরের নির্মাণ কাজ ১৯৫১ সালে শুরু হয়েছিল এবং ১৯৫২ সালে শেষ হয়েছিল।এই মন্দিরের স্থাপত্যবিদ ইন্দোনেশিয়া বিখ্যাত গুষ্টি নিওমন লেম্পাড। চারিদিকে কাজটা ছিল অপরূপ দৃশ্য ধরা হয়ে গেলে কাটা সবার কাছে ভালো লাগবে এবং মনে রোমাঞ্চকর লাগবে। আশাকরি ছবিটি আপনার কাছে ভালো লাগে তাহলে আপনি কমেন্ট করবেন।