写真

এটা হলো  ফ্রেশ ফর্টিফাইড সয়াবিন তেল। এটা খুবই স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে বানানো হয়। খোলা তেল একটু অস্বাস্থ্যকর হলে ও বোতলজাত তেল খুবই স্বাস্থ্যকর হয়। এটা খুবই পুষ্টিকর। সয়াবিন তেলে ফ্যাটের পরিমান কম থাকে। সয়াবিন তেল ত্বক ভালো রাখে। সয়াবিন তেল কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।  সয়াবিন তেল খেলে মুখে আঁচিল / মেছতা  হয়না। বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের বেশি করে সয়াবিন তেল খাওয়া উচিত। । সয়াবিন তেলে পাওয়া  যায় মানব শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন -বি কমপ্লেক্স। সয়াবিন তেল  ত্বক বুড়িয়ে  যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।  দাঁত ও হাড়ের সুরক্ষায়  সয়াবিন  তেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  সয়াবিন তেলে থাকে আয়রন। এই আয়রন মানব শরীরের রক্তের সুস্থতা ধরে রাখে।
এটা হলো রুচি চানাচুর।  এটা খেতে দারুন সুস্বাদু। এই চানাচুর সবার কাছে  অনেক অনেক পছন্দের খাবার।  অনেক ধরনের চানাচুর পাওয়া যায়।  সবগুলোই খেতে খুব মজা। এক এক রকম চানাচুরের এক এক রকম স্বাদ। তবে রুচি চানাচুরের স্বাদ  অন্যরকম। এই চানাচুর  পছন্দ করে না এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে।  এই চানাচুর  যে একবার খেয়েছে সে বারবার খেতে চাইবে। এই চানাচুরের স্বাদ অতুলনীয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এই চানাচুরের  ফ্যাক্টরি রয়েছে।  এই চানাচুরের দাম ও  ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে। বিকালের হালকা নাস্তা হিসেবে চায়ের সাথে এই চানাচুর  খেতে দারুণ মজা লাগে। এটা সব দোকানেই  পাওয়া  যায়।এটা আমার কাছে খুব পছন্দের খাবার।
এটা আমার নিজের হাতের রান্না  ব্রয়লার মুরগী  ভুনা। এটা আমি আজকে রান্না করেছি। এটা খেতে খুবই সুস্বাদু  হয়েছিল। এটা খুবই সাধারন একটি রান্না। আজকে পহেলা বৈশাখ। সেই উপলক্ষে আজকে আমি  এই সুস্বাদু  রেসিপিটা বানিয়েছি। ব্রয়লার মুরগী  খেতে খুবই সুস্বাদু হয়। এই মুরগির  মাংস খুবই নরম হয়  সেজন্য সকল বয়সের মানুষ এটা খেতে পারে। বাড়িতে বসে ঘরোয়া ভাবে খুব সহজেই আমরা বানাতে পারি মজাদার স্বাদের এই  রেসিপি। মাংস খেতে সকলেই খুব ভালবাসে।  তবে কেউ কেউ ব্রয়লার  মুরগীর মাংস খেতে পছন্দ করে না।   ব্রয়লার মুরগী  বিভিন্ন রকম ভাবে রান্না করা যায়।  তবে ব্রয়লার মুরগী ভুনা খেতে অসাধারণ লাগে। এই রেসিপিটা আমার কাছে খুবই প্রিয়।
এখানে আপনারা একটা দোকান দেখতে পাচ্ছেন।  যার নাম হলো আদি রায় মিউজিক  স্টোর। এখানে মিউজিকের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ধরনের জিনিসপত্র পাওয়া যায়।  এই দোকানটি খুলনার ডাকবাংলায় অবস্থিত। এখানে খুবই উন্নতমানের এবং রুচিসম্মত জিনিসপত্র পাওয়া যায়।  আমরা সকলেই কম - বেশি মিউজিক  ভালোবাসি। অনেকে  এই মিউজিক নিয়ে পড়াশোনা ও করেছে।  মিউজিক  আমাদের মন ভালো রাখে।  মিউজিক  ভালোবাসেনা এমন মানুষ খুবই কম আছে। শুধুমাত্র  মিউজিকের মাধ্যমেই মানুষের মন জয় করা অনেকটা সহজ ।   ছোট বেলা থেকেই অনেকে মিউজিক  শেখে। অনেকের স্বপ্ন  থাকে যে সে ভবিষ্যতে অনেক বড় একজন মিউজিশিয়ান হবে।মিউজিক  আমার কাছে খুবই পছন্দের।
এটা হলো তিলের খাজা। তিলের খাজা খেতে খুব সুস্বাদু। তিলের খাজা খেতে সকলেই খুব ভালবাসে।  তিলের খাজা  লোভনীয় স্বাদের একটি খাবার।  তিলের খাজা খেতে ভালোবাসেনা এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে।  তিলের খাজা ছোট ছোট বাচ্চাদের কাছে অধিক প্রিয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় তিলের চাষ করা হয়।  এই তিল দিয়েই বানানো হয় মজাদার স্বাদের এই তিলের খাজা।  তিল দিয়ে আরও  অনেক সুস্বাদু খাবার বানানো যায়।  তিল দিয়ে অসাধারণ স্বাদে ভরা পায়েস রান্না করা যায়।  যেটা খেতে দারুণ মজার। তিলের খাজা আমরা বিভিন্ন দোকান থেকে কিনতে পারি।  তিলের খাজা  খুবই কম খরচে কিনতে পারি আমরা। আমার কাছে  খুবই প্রিয় এই তিলের খাজা।
এগুলো হলো  ডেইরি মিল্ক।  এগুলো একধরনের চকলেট। এগুলো খেতে দারুন সুস্বাদু।  সকলের কাছেই এই ডেইরি মিল্ক চকলেট খুবই  পছন্দের।  ডেইরি মিল্ক চকলেট খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে।ডেইরি মিল্ক চকলেট খুবই লোভনীয় স্বাদের একটি খাবার।  ডেইরি মিল্কের নাম শুনতেই জিভে কেমন জল চলে আসে। ডেইরি মিল্ক চকলেট বাচ্চারা খুবই পছন্দ করে।  তবে সব বয়সের মানুষের কাছে এটা খুব প্রিয়। আমার কাছে খুবই পছন্দের খাবার এই ডেইরি মিল্ক। ডেইরি মিল্ক  খুবই কম খরচে কিনতে পারি আমরা। মেয়েরা এই ডেইরি মিল্ক খেতে খুব বেশি ভালোবাসে। ডেইরি মিল্ক অনেক বেশি বিক্রি করতে পারেন বিক্রেতারা কারন এটার চাহিদা অনেক বেশি।
এটা হলো একটা ডিমের দোকান।  এখানে বিভিন্নরকম  ডিম পাওয়া যায়।  যেমনঃদেশি মুরগির ডিম,হাঁসের  ডিম, ব্রয়লার মুরগির ডিম, কোয়েল পাখির ডিম ইত্যাদি।  এগুলো ছাড়াও এখানে আরও বিভিন্ন মুরগির ডিম পাওয়া যায়।  ডিম খেতে খুবই সুস্বাদু।  ডিম খেতে সকলেই খুব ভালবাসে।  ডিম খুবই পুষ্টিকর খাবার।  আমাদের শরীরের জন্য ডিম খুবই উপকারী।   ডিম খেতে ভালোবাসেনা এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে।  আমাদের দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনেক মুরগির খামার রয়েছে।  এসব খামারে হাজার হাজার মুরগি পালিত হয়।  অনেকেই বাড়িতে বানিজ্যিক উদ্দেশ্য নিয়ে মুরগি পালন করেন। এতে বাজারে ডিম বিক্রি করে অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি  পরিবারের সদস্যদের চাহিদা পূরনের কাজ ও হয়ে থাকে।
এখানে আপনারা একটা সবজির দোকান দেখতে পাচ্ছেন।  এটা হলো খুলনা শহরের মিস্ত্রিপাড়া বাজার। এখানে দেখা যাচ্ছে একজন বিক্রেতা বসে বিভিন্ন রকম সবজি বিক্রি  করছেন।  এখানে দেখা যাচ্ছে  আলু, পেয়াজ,বাঁধাকপি,কলা, রসুনসহ নানানরকম সবজি। মিস্ত্রিপাড়া বাজারে মাংস  থেকে শুরু  করে  সমস্ত রকম সবজি, মসলাসহ যা যা প্রয়োজন সবকিছুই এখানে পাওয়া যায়।  এগুলোর দাম ও  ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই নির্ধারিত। এখানে প্রতিদিনই বহু মানুষের সমাগম ঘটে।  আশেপাশের অনেক এলাকা থেকে ও এখানে  সবাই বাজার করতে আসে। আামাদের  নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটানোর  জন্য এসব পণ্য সামগ্রী আমাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে একটা কম্পিউটারের দোকান দেখা যাচ্ছে। দোকানটির নাম ইউনিক কম্পিউটার এন্ড  ষ্টেশনারী। এটা খুলনায় অবস্থিত।  এখানে সকল ধরনের কম্পিউটারের কাজ করা হয়। অনলাইনে আবেদন  করা থেকে শুরু করে  ছবি তোলার কাজ সবকিছুই করা হয়  এখানে। আর এসব কাজের বিনিময়ে তারা অর্থ উপার্জন করে থাকে। এটা খুবই লাভজনক ব্যবসায়।  এখানে  গ্রাহকদের সেবার বিনিময়ে  অর্থ উপার্জন করা হয়।  এখানে  খুব ভালমানের সেবা দেওয়া হয়। প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে  গ্রাহক ভিড় জমায় এই দোকানে। এখানে কোন ত্রুটিপূর্ন সেবা দেওয়ার অভিযোগ  এখনো  পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।  এখানে  গ্রাহকদের সাথে সৌজন্যেমুলক আচরন করা হয়।এখানকার পরিবেশ ও বেশ ভালো।
এখানে একটা  দোকান দেখা যাচ্ছে।  দোকানটির নাম গাজি এনভেলাপস। এখানে বিভিন্ন ধরনের প্যকেট বিক্রি করা হয়।  বিভিন্ন  দোকানে এই প্যাকেট সরবরাহ করা হয়।  এখানে খুবই উন্নতমানের প্যাকেট বিক্রি  করা হয়।  এখানে  ভালোমানের প্যাকেট পাওয়া  যায় বলে এই দোকানে ক্রেতার পরিমান অনেক বেশি।  এখানে প্রতিদিন অনেক ভিড় জমে ওঠে।  সবাই প্যাকেট কিনতে এখানে আসে। প্রতিদিন বিভিন্ন দোকান থেকে প্রচুর পরিমানে  প্যাকেটের অর্ডার আসে। এই দোকানের বিক্রেতার ব্যবহার ও খুব ভালো। বিভিন্ন দোকানে এইসব প্যাকেটের ব্যাপক ব্যবহার করা হয়।  ভালো মানের প্যাকেট পাওয়া  গেলে সেখানে বিক্রি বেশি হয় এবং মুনাফার পরিমান ও  অধিক হয়। দুরদুরান্ত  থেকে লোকেরা ছুটে আসে এখানে প্যাকেট ক্রয় করার জন্য।
এগুলো হলো শুকনা ঝাল। শুকনা ঝাল তরকারিতে দেয়া হয়। শুকনা ঝালের রান্না তরকারির  রং খুবই সুন্দর হয়।কিন্তু বেশি পরিমানে শুকনা ঝাল খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর।  শুকনা ঝাল দিয়ে যেকোন ভর্তা মাখালে সেটা খেতে খুবই সুস্বাদু হয় কিন্তু সেটা আামাদের শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর।  আমরা প্রায় সব রান্নায় শুকনা ঝাল ব্যবহার করি।  কিন্তু  তরকারিতে কাঁচা ঝাল খেলে সেটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।  কাঁচাঝাল শুকিয়ে  তারপর শুকনা ঝাল বানানো হয়। আমরা মাংস, মাছ,ডিম এবং যেকোন সুস্বাদু  রেসিপি বানানোর জন্য শুকনা ঝাল ব্যবহার করি। যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা  আছে তাদের রকদমই খাওয়া  উচিত নয় শুকনা ঝাল। যতদুর সম্ভব  খাবারে শুকনা ঝালের পরিমান কম দেওয়ার  চেষ্টা করতে হবে আমাদের।
এখানে আপনারা একটা দোকান দেখতে পাচ্ছেন। দোকানটির নাম  দত্ত শঙ্খ  ভান্ডার। এখানে শঙ্খ থেকে শাঁখা  বানানো হয়। এটি খুলনাতে অবস্থিত।  শাঁখা হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  বিবাহের মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীরা  স্বামীর  চিহ্ন হিসেবে  হাতে শাঁখা- পলা এবং সিঁথিতে সিঁদুর পরে থাকেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীদের কাছে শাঁখা এবং সিঁদুর খুবই  পবিত্র।  এই শঙ্খ ভান্ডারে খুব ভালো মানের শঙ্খ থেকে শাঁখা  বানানো  হয়।  এখানে প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে শাঁখা বিক্রি হয়। দুরদুরান্ত থেকে এখানে অনেকেই শাঁখার অর্ডার দিয়ে  থাকেন। এখানে খুবই উন্নতমানের এবং রুচিসম্মত শাঁখা  বিক্রয় করা হয়। এখানে ভালোমানের শাঁখা  পাওয়া যায় বলে এখানে ক্রেতার পরিমান ও অনেক বেশি।
এটা হলো মসুর ডাল।  মসুর ডাল খেতে দারুণ সুস্বাদু।  মসুর  ডাল  সবার কাছে অনেক জনপ্রিয় একটি খাবার।  এমন অনেক মানুষ  আছে  যারা  মসুর ডাল না হলে ভাতই খেতে পারেন না৷  মসুর ডালে রয়েছে  প্রচুর পরিমানে  প্রোটিন যেটা মাংসের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।  মসুর ডাল  যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ একটা খাবার।  নিয়মিত মসুর ডাল খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। মসুর ডাল দিয়ে বিভিন্ন রেসিপি বানানো যায় যেমনঃ  ডালনা,আমডাল, ডাল চর্চরি, ডাল নিরামিষ  ইত্যাদি।  সকালের হালকা নাস্তা হিসেবে রুটি/পরোটার সাথে মসুর ডাল খাওয়া হয়।মসুর ডাল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী।  মসুর ডাল ডায়াবেটিস  নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং উচ্চরক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
এগুলো হলো মুড়ির মোয়া। মুড়ির মোয়া খেতে খুবই সুস্বাদু।  মুড়ির  মোয়া সকলের কাছেই অনেক বেশি পছন্দের খাবার। মুড়ির মোয়া  খেতে  পছন্দ করে না এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে। মুড়ির মোয়া  পুরনো দিনের ঐতিহ্য। আগেকার সময়ে গ্রামের মানুষ মুড়ির মোয়া বানাতো।  এগুলো খেতে দারুণ মজা লাগে।  এখনো গ্রাম অঞ্চলের মানুষেরা এটা কম -বেশি বানিয়ে থাকে।  গুড় দিয়ে  এই মুড়ির মোয়া বানানো হয়। শীতের সময়ে যখন খেজুর গাছ কাটা হতো তখন সেই খেজুর গাছের  টাটকা টাটকা রস জ্বালিয়ে  বানানো গুড় দিয়ে  খুব সহজেই এই মুড়ির মোয়া বানানো হতো। অনেকেই আবার বাড়ির ধানের মুড়ি এবং  বাড়ির গাছের  রসের তৈরি গুড় দিয়ে  এই মুড়ির মোয়া বানাতেন।
এটা হলো  কাঁকড়া ভুনা। কাঁকড়াকে এক ধরনের জলজ পোকা বললেও কাঁকড়া খেতে দারুণ সুস্বাদু। কাঁকড়া খেতে সকলেই খুব ভালবাসে। কাঁকড়া খেতে ভালোবাসেনা এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে।  আমাদের দেশে  বিভিন্ন নদী - নালা,খাল-বিল,পুকুর,হাওড়-বাওড়  ইত্যাদি জায়গায় এই কাঁকড়া পাওয়া যায়।  অনেকেই  বাড়িতে বানিজ্যিক উদ্দেশ্য কাঁকড়া  চাষ করে থাকে।এসব  কাঁকড়া   বাজারে বিক্রি করে  অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি  পরিবারের সদস্যদের চাহিদা পূরনের কাজ ও হয়ে থাকে।  কাঁকড়া  বিভিন্ন রকম ভাবে রান্না করা যায়।  কাঁকড়া  দিয়ে বানানো সবরকম রেসিপি খেতে দারুণ মজা লাগে। কাঁকড়া ভুনা আমার কাছে খুবই পছন্দের খাবার। দুপুরের খাবারে যদি গরম গরম ভাতের সঙ্গে গরম গরম কাঁকড়া ভুনা থাকে তাহলে তো কথাই নেই বাঙালির জিভে জল চলে আসবে।
এখানে আপনারা একটা মসজিদ দেখতে পাচ্ছেন।  মসজিদের নাম মদনী মসজিদ। এটা খুলনাতে অবস্থিত। মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষের সবচেয়ে  বড় উপাসনালয়  এটা। প্রতিদিন এখানে পাঁচ ওয়াক্ত  নামাজ আদায় করেন এখানে তারা। এখানে আল্লাহর উপাসনা করা হয়।  মনে প্রানে আল্লাহকে স্নরন করে মনের কথা জানানো হয়। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ  এবং  পবিত্র  একটি স্থান। প্রতি শুক্রবারে এখানে জুম্মার নামাজ আদায় করা হয়।  জুম্মার নামাজের দিন বহু মানুষ একত্রিত হয় এবং নামাজ আদায় করে।  এছাড়াও প্রতিদিন কমপক্ষে  পাঁচবার এখানে মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ একত্রিত হয় এবং নামাজ আদায় করে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এরকম  অনেক মসজিদ রয়েছে।
এখানে আপনারা একটি  পার্ক দেখতে পাচ্ছেন। পার্কটির নাম রুপসী কেওড়া পার্ক। এই পার্কটি দেবহাটা নামক স্থানে অবস্থিত। এখানে প্রচুর পরিমানে কেওড়া গাছ রয়েছে এজন্য এই পার্কটির নাম কেওড়া পার্ক। এখানে প্রতিদিন অনেক মানুষ  ভ্রমন করতে আসে। এখানে দর্শনীয় অনেক কিছুই রয়েছে।  পার্কটি হলো বিনোদনের একটি স্থান।  অবসর সময় কাটাতে মানুষ  এখানে ঘুরতে আসে। আমাদের বাংলাদেশের বিভিন্ন  জায়গায় এরকম অনেক পার্ক আছে।  যেখানে দুরদুরান্ত  থেকে লোকেরা ছুটে আসে সময় কাটাতে।  পার্কে বাচ্চাদের খেলার জন্য ও বিভিন্নধরনের  জিনিস  বানানো থাকে।সারাদিনের ক্লান্তি শেষে  বিকেলে  যখন পার্কের মধ্য গিয়ে বসা হয় অনেকটাই  ভালো লাগা কাজ করে।
এটা হলো আলু দিয়ে মাছের ঝোল। এটা খেতে খুব সুস্বাদু হয়েছিল। আজ আমাদের বাড়িতে এই রেসিপিটা বানানো হয়েছিল। এটা দেখতে যেমন লোভনীয় হয়েছে তেমনি এটা খেতে ও খুব সুস্বাদু হয়েছিল। প্রতিদিনই  বাঙালির ঘরে ঘরে নিত্যনতুন খাবার বানানো হয়।  বাঙালিকে মাছে -ভাতে বাঙালি বলা হয়।  প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কোন কোন মাছ থাকবেই। মাছ আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী।  মাছ খেলে শরীরে আমিষের চাহিদা পূরন হয়।  মাছের বিভিন্ন রকম রেসিপি বানানো যায় যেগুলো খেতে অসাধারণ লাগে। মাছ খেতে সকলেই খুব ভালবাসে।  মাছ খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে।  এই মাছের ঝোল রান্নাটা খুবই সাধারণ  রান্না। খুব সহজেই বাড়িতে বসে এরকম সুস্বাদু  রেসিপি  বানানো যায়।
এখানে একটা  মন্দির দেখতে পাচ্ছেন আপনারা। মন্দিরটির নাম আর্য্য ধর্মসভা কালীমন্দির। এই মন্দিরটি খুলনায়  অবস্থিত। মন্দিরে দেবদেবীর আরাধনা করা হয়। প্রত্যেকটা দেবদেবীর  জন্য আলাদা আলাদা মন্দির ও থাকে। প্রত্যেক মন্দিরে প্রতিদিন পূজা  করা হয়। হিন্দুসম্প্রদায়ের  উপসনালয় হলো মন্দির। ভগবানের আরাধনা  করার জন্য এক এক জন ব্যক্তি এক এক পথ বেছে  নেয়। তেমনিভাবে এটা হল কালী মন্দির। এখানে দেবী কালীর উপাসনা করা হয়। এটা খুবই জাগ্রত মন্দির। আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভিন্ন দেবদেবীর আরাধনা করা হয়।  ভগবানের উদ্দেশ্য প্রসাদ নিবেদন করা হয়।  পূজা শেষে সেই প্রসাদ ভক্তরা  গ্রহন করে। প্রত্যেক মন্দিরে দেবদেবীর  বিগ্রহ  স্থাপন করা হয়।
এখানে একটা ক্লিনিক দেখতে পাচ্ছেন আপনারা  যার নাম কিন্ডার ক্লিনিক। ক্লিনিকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।  কিন্ডার ক্লিনিকে  অনেক বড় বড় ডাক্তার আসেন রোগী দেখতে। এখানে খুব উন্নত মানের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।  ক্লিনিক মানেই রোগীদের সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বানানো সেবামূলক  প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশে এরকম অনেক ক্লিনিক  রয়েছে।  সেখানে রোগীদের সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ডাক্তাররা তৎপর  থাকেন। তেমনি একটি ক্লিনিক এই কিন্ডার ক্লিনিক। এটা খুলনাতে  অবস্থিত। এখানে প্রতিদিন বহু মানুষ ভিড় জমায় চিকিৎসা সেবা পাওয়ার জন্য।  এখানকার পরিবেশ ও অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। এখানে কর্মরত কর্মকর্তা -কর্মচারিবৃন্দ খুব যত্নসহকারে রোগীদের সেবা দিয়ে থাকেন।

動画

Hero alam's viral song.
03:05