写真

সবুজে মোড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছিমছাম একটি রাস্তা এই চাঁদপুর ইউনিয়নের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা শরাফপুর ইউনিয়নের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা একটি রাস্তা এই রাস্তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং নিদর্শন খুবই অসাধারণ রাস্তাটা নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে খুবই অসাধারণ ভাবে রাস্তার দুই সাইডে গাছ গাছরা দিয়ে ভরা হয়েছে দেখলেই যেন মনে হচ্ছে কি অসাধারন এবং দৃশ্যমান একটি ছবিটা কারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাদের কাছে খুবই প্রিয় এবং অসাধারণ তার চেয়ে বড় কথা ছবিটা যখন ক্যামেরায় তোলা হয়েছিল দেখলে মনে হয়েছিল এটা কোন রং তুলি দিয়ে প্রিন্ট আঁকা একটি ছবি কতইনা অসাধারণ রাস্তার সাইডে পুকুরের মাছের মাছের পুকুর কত কিছুইনা চাষ করা হয়েছে তাই এটা বাংলাদেশের ডুমুরিয়া উপজেলার একটি অজ পাড়াগাঁয়ের ইউনিয়ন ইউনিয়ন রায়পুর ইউনিয়নের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা একটি গ্রাম গ্রামের নাম চাঁদপুর গ্রাম এই গ্রামের রাস্তাটা অসাধারণ করে তৈরি করা হয় তাই অসাধারণ রাস্তা আর অসাধারণ ছবি খুবই প্রিয় কবি দৃশ্যমান নিশ্চয়ই তোমাদের ছবিটা দেখার মত এবং অসাধারণ একটি ছবি ভালো লাগছে তাই বন্ধুরা আপনাদের যদি ছবিটা ভালো লেগে থাকে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আম ার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করুন
মাগুরখালী ইউনিয়ন এর শিবনগর গ্রামের এই বালুর মাঠের ছবিটা আপনাদের সামনে আমি তুলে ধরলাম খুবই অসাধারণ এই যে গ্যাসটি দেখতে পাচ্ছেন এই গেঁথে ইংলিশ লেখা আছে খ্রিস্টান স্কুল সিস্টেম ধর্মীয় অবলম্বী মানুষেরা যারা আছেন তারা এই স্কুলে পড়ে থাকে এই খ্রিস্টান ধর্মীয় মানুষেরা স্কুলে পড়ার জন্য তাদের এখানে একটি স্কুল করে দেয়া হয়েছে এবং একটি মাঠ করে দেয়া হয়েছে খেলাধুলা করার জন্য শরীরচর্চা করার জন্য নাটক কৌতুক করার জন্য কতই না কিছু ইত্যাদি ইত্যাদি তাই এই মাগুরখালী ইউনিয়ন এর শিবনগর গ্রামের এই খ্রিস্টান ধর্মীয় অবলম্বিত জন্য একটি অসাধারণ স্কুল এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য জায়গা এটা ডুমুরিয়া উপজেলার একটি গ্রাম শিবনগর সেই এলাকার মানুষেরা এই খ্রিস্টান ধর্মীয় মানুষের জন্য একটি অসাধারণ স্কুল তৈরি করেছেন কারণ শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড এমন কথা ভেবে সমস্ত জাতি ধর্ম যার যার উৎসব সবার এমন কথাই ভেবে সবাই একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলার জন্য ক্রিস্টান ধর্মের মানুষের জন্য একটি স্কুল তৈরি করে দেয় এই খ্রিস্টান ধর্মের মানুষেরা স্কুলে পড়ে তারা যেন উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে তাই সব মিলিয়ে ছবিটা অসাধারণ তাই বন্ধুরা  নিশ্চয়ই তোমাদের গ্রামের শিবনগর গ্রামের ছবিটা অবশ্যই ভালো লাগবে কারণ দুমুরিয়া উপজেলার মাগুরখালী ইউনিয়ন এর শিবনগর গ্রামের এই ছবি আমার কাছে খুবই প্রিয় কবি দৃশ্যমান তাই আপনার যদি ভালো লেগে থাকে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব
এই যে একটি অনুষ্ঠানের ছবি দেখছেন এই অনুষ্ঠানে আমাদের বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার শেখ হাসিনা সরকার চুকনগর ডুমুরিয়া কাঠালতলা এলাকার মানুষের হাতে যারা ভূমিহীন আছেন এবং ঘরহারা মানুষ আছেন তাদের মাঝে 144p ঘর হস্তান্তর করার জন্য ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা থেকে ওদের সাথে কথা বলছেন কিভাবে দেখুন এখানে ক্যামেরাম্যানের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ মানুষ আছেন এবং জনগণের প্রতিনিধি এমপি মহোদয় চেয়ারম্যান-মেম্বার হোসেন উপজেলা কাউন্সিলের আসেন সব ধরনের মানুষেরা এই ভিডিও কনফারেন্স দেখার জন্য উপচে পড়েছে তাই পিছনে দেখতে পাচ্ছেন একটি ছবিতে যে ঘরগুলো গরিব অসহায় মানুষের হাতে বিলিয়ে দেয়ার জন্য ভিডিও কনফারেন্সে আমাদের দেশ নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কথা বলছেন তাদের এই অসহায় দরিদ্র মানুষের ঘর গুলো দেখতে পাচ্ছে না কত সুন্দর করে ডিজাইন করে বানানো হয়েছে এবং চেয়ারে বসা অনেক মানুষ দেখতে পারছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ মানুষ তারা আমাদের বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকার রঙে রাঙিয়ে রুমাল গুলো গায়ে দিয়ে বসে আছেন এই ভিডিও কনফারেন্সের সামনে তাই খুবই অসাধারণ ভাবে এই ভিডিও কনফারেন্স হচ্ছে চুকনগর কাঠালতলা গ্রা মের উপরে তাই খুবই দৃশ্যমান এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আকাশের আকাশের আকাশ মেলায় বিস্মিত হয়ে আছে এই কাঠালতলা গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তাই বন্ধুরা এই ছবিটা আমার কাছে খুবই প্রিয় এবং অসাধারণ এই ছবিগুলো আমার খুবই পছন্দ হয়েছে তাই নিশ্চয়ই তোমাদের খুবই ভাল লাগবে তাই ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবেন
রাতের আধারে আলোর সজ্জায় সজ্জিত এই চুকনগর বাজারের দৃশ্য টা সবার চোখে পড়ার মতো একটি দৃশ্যমান সন্ধ্যার পরে যখন আলোকসজ্জায় সজ্জিত হয়ে প্রতিটা দোকান মার্কেট মিল কলকারখানা একসাথে আলোকিত হয়ে যায় তখন কতই না ভাল লাগে তাই দেখতে পাচ্ছেন বিভিন্ন ধরনের ডিজাইনের লাইটিং দিয়ে যে বিল্ডিংটা আলো জ্বলছে মোমবাতির মত এই বিল্ডিং একটি হোটেলের ছবি এই হোটেলটা কে বলা হয় আব্বাস হোটেল খুবই অসাধারণ এই হোটেল এই হোটেলের গরুর মাংস মুরগির মাংস খাসির মাংস টেস্ট ফুল হয়ে থাকে এখানে খুলনা বিভাগের পতিতা জেলার আনাচে-কানাচে গ্রামগঞ্জের মানুষেরা এই আব্বাস হোটেলে খেতে আসে খুবই অসাধারণ ভাবে এখানে রান্না করা হয় খুবই অসাধারণ তাই এই হোটেলের বিল্ডিংটা আলোয় আলোকিত করে ডিজাইন করে রাখা হয়েছে রাস্তার সাইডে দোকানপাট গাড়ি-ঘোড়া মার্কেট কল কারখানা সব মিলিয়ে অসাধারণ লাগছে এই জায়গাটি তাই বন্ধুরা নিশ্চয়ই এই ছবিটা তোমাদের খুবই ভাল লাগবে কারণ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী দক্ষিণবঙ্গের খুলনা বিভাগ খুলনা বিভাগের চুকনগর আব্বাসের হোটেল একটি নামকরা হোটেল হোটেল এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মনোরম পরিবেশ ভিতরের দৃশ্য এবং রাস্তাঘাট দোকানপাট মার্কেট রাত ের আঁধারে আলোর সজ্জায় সজ্জিত স্থান গুলো খুবই দৃশ্যমান তাই নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিটা ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমাদের চ্যানেল টা সাবস্ক্রাইব করবেন
গ্রামের ভিতরে অসাধারণ একটি ব্রিজের ছবি এটা কারণ এই ব্রিজটা প্রায় 80 বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছে খুবই অসাধারণ এই ব্রিজের কারুকাজ কারণ এই ব্রিজ এত সুন্দর ভাবে ডিজাইন করে নকশা করে তৈরি করা হয় বর্তমান সময়ে এমনভাবে আর ব্রিজ তৈরি করা হয় না তাই 80 বছর বয়সেও বিষ্ঠা এখনো স্বচ্ছল অবস্থায় রয়েছে খুবই অসাধারণ এই ব্রিজটা তাই বন্ধুরা এই ব্রিজের যে ছবিটা তোমাদের সামনে তুলে ধরলাম এই ব্রিজটা আমাদের সাতক্ষীরা জেলা থেকে অদূরে মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের ওপারে ঘোড়াডাঙ্গা গ্রামের ভিতরে এই ব্রিজ ঘোড়াডাঙ্গা এই ব্রিজটা একটি অসাধারণ ব্রিজ তাই এই ব্রিজের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর এই ব্রিজের নিচ দিয়ে ছোট্ট একটি খাল খুবই অসাধারণ তাই গ্রামের অজ পাড়াগাঁয়ের মেঠোপথে এমন একটি প্রথম ব্রিজের ছবি দেখে আর আমি নিজেকে সামলাতে পারলাম না খুবই অসাধারণ ভাবে এই ছবিটা তোলা হয় তাই সেলফি রিফাদে ডিএসএলআর ক্যামেরা ছবিটা যেন খুবই অসাধারণ হয়েছে তাই নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবি খুবই ভালো লাগে তাই নিশ্চয়ই তোমার ভালো লাগে কারণ সেলফি গুলো খুবই প্রিয় এবং অসাধারণ তাই সব মিলিয়ে ছবিটি দৃশ্যমান অসাধারণ তাই আপনাদের যদি এই ব্রিজের ছবিটা ভাল লেগে  থাকে অবশ্যই সাতক্ষীরা শহরে থেকেও দূরে মাটিয়াডাঙ্গা গ্রাম থেকে একটু ভিতরে ঘোড়াডাঙ্গা গ্রামে চলে আসুন খুবই অসাধারণ 80 বছরের প্রথম বৃষ্টিতে তোমাদের ভালো লাগবে এই ব্রিজের ছবি টা
সুতা দিয়ে তৈরি করা ফুলের ছবি কতই না দেখলে মনে হয় এটা কোন জ্যান্ত গাছের ফুল খুবই অসাধারণ ভাবে তৈরি করা হয়েছে এই ফুলগুলো দেখে মনে হয় শিল্পের রং তুলিতে আঁকা কোন পেইন্টিংয়ের এই দৃশ্যটা তাই বন্ধুরা দেখতে পাচ্ছেন গোলাপের মতো গোলাপের পাপড়ির ফুল এবং রসুনের করার মত সাদা ফুল এখানে কয়েকটি বিভিন্ন ধরনের ফুলের আকারে আঁকানো হয়েছে সুতারিয়া কৌতুকের ভাস্কর্য মত বানানো হয়েছে সুতারিয়া তাই এই ফুলগুলো এই শিল্প কারকাস আমাদের কাছে খুবই প্রিয় এবং অসাধারণ তাই এই শিল্পের কারুকাজ সুতার কারুকাজ আমরা খুবই পছন্দ করে থাকি তাই বন্ধুরা নিশ্চয়ই আপনাদের এই শিল্পের কারুকাজ এবং দিয়ে তৈরি করা গোলাপ ফুলের ছবি গুলো অসাধারণ লাগবে তাই আপনাদের যদি ছবিগুলো ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই এই ছবি গুলো ভালভাবে দেখে শুনে আপনারা এই ফুলগুলো করায় করবেন এই ছবিটা আমার ভাগনা বানিয়েছেন এই ফুলগুলো দৃশ্যমান এবং অসাধারণ তাই আপনাদের এই ছবিটা ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করুন
আমাদের বাড়ির পাশে আমাদের গ্রামে একটি মিলাদ হচ্ছিল একটি মানুষের রুহের মাগফেরাতের জন্য এই মিলাদ পড়ানো হয় তাই আমরা এই মিলাদে সবাই শরিক হয়ে ছিলাম তাই শরিক হওয়া আমরা একসাথে বসে খাওয়া দাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম তেমনি সময় কিছু ছবি তোলা হয়েছিল ছবিগুলো দেখতে পাচ্ছেন সবাই লাইন দিয়ে বসে একসাথে খাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে এবং সামনে পেলে দেয়ার জন্য খাদিমপাড়া প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা শুরু হয়েছে আমাদের সাতক্ষীরা শহর থেকে প্রায় 10 থেকে 15 কিলোমিটার দূরে গোবিন্দপুর গ্রামের সানাপাড়া ভিতর এই খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা হয় খুবই অসাধারণ ইত্যাদি তৈরি হয়েছিল এই ছবিটা আমাদের সামনে তুলে ধরছি খুবই অসাধারণ তার বন্ধুরা নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিটা ভালো লাগে তাই ভালো যদি লেগে থাকে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করুন
এটা একটি কলেজের ছবি বন্ধুরা এই কলেজটির নাম পল্লীশ্রী কলেজ খুবই অসাধারণ এই কলেজটি উদ্বোধন করার 994 সালে এখান থেকেই এই কলেজটি চলে আসছে এই পল্লীশ্রী কলেজটা একটি অসাধারণ কলেজ এটা বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা থেকে প্রায় 30 কিলোমিটার দূরে ডুমুরিয়া উপজেলার সুভাষ গ্রামে এই কলেজ টা অবস্থিত
এই সব আসনই গ্রামের কলেজ আমাদের কাছে খুবই প্রিয় এই পল্লীশ্রী কলেজ আমরা খুবই পছন্দ করে থাকি এখানে সুযোগ্য শিক্ষক দ্বারা লেখাপড়া করানো হয় এখানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো এই যে বিল্ডিং দেখতে পাচ্ছেন এটা সেই পল্লীশ্রী কলেজের বিল্ডিং খুবই অসাধারণ এত সুন্দর ডিজাইন করে কলেজটা নির্মাণ করা হয়েছে রং করা হয়েছে খুবই অসাধারণ ভাবে তাই বন্ধুরা আপনাদের নিশ্চয়ই এই পল্লীশ্রী কলেজের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিল্ডিং রং করার দৃশ্য সবই ভাল লাগবে তাই এই সব আসনই কলেজের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিশ্চয়ই ভাল লাগারই কথা তাই ডুমুরিয়া উপজেলার কলেজ আমাদের কাছে খুবই প্রিয় একটি কলেজ তাই এই পল্লীশ্রী কলেজের প্রাক্তন দর্য রাস্তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আকাশের আকাশের দৃশ্য নিশ্চয়ই দৃশ্যমান আপনার যদি পল্লীশ্রী কলেজের ছবিটা ভালো লেগে থাকে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করুন
ডুমুরিয়া উপজেলার শরাফপুর ইউনিয়নের শেষ সীমানায় সুন্দর এক সুন্দর নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ইউনিয়নের কৃষকের ফসলের জমি শেষমাথায় দেখতে পাচ্ছেন কত সুন্দর করে একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আঁকড়ে ধরে আছে মাটির লাল রঙের সাথে আকাশে মেঘের ভেলায় মাঠটাকে যেন রঙিন করে তুলেছে দেখলেই যেন প্রাণটা জুড়িয়ে যায় তাই বন্ধুরা এই ডুমুরিয়া উপজেলার অনেকগুলো দেখার জায়গা আছে তার ভিতর ইউনিয়নের মাঠ প্রচুর পরিমাণ চাষিরা চাষ করে থাকে খুবই অসাধারণ একটি জায়গা এটা নিশ্চয়ই বন্ধুরা এই ডুমুরিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো খুবই অসাধারণ লাগছে দৃশ্যটা নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিটা ভাল লাগবে আর ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর বন্ধুরা নিশ্চয়ই তোমাদের খুবই ভালো আপনার যদি ভালো লেগে থাকে আপনি আপনার মোবাইলের স্ক্রিনে ওয়ালপেপারে সেট করে নিতে পারেন খুবই অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য শরাফপুর ইউনিয়নের এই দৃশ্যটা চোখে পড়ার মতো আকাশের আকাশের সেই মাসে কতইনা দৃশ্যমান এই ছবিটা
ডুমুরিয়া উপজেলার 144 জন গৃহহীন মানুষের জন্য বাংলাদেশ সরকার জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে এই 144 জনের একটি করে বাড়ি উপহার দিচ্ছেন এই বাড়িগুলো কত সুন্দর করে তৈরি করা হয়েছে একই ডিজাইনের বাড়ি সারি সারি বাড়িগুলো কতইনা অসাধারণ লাগছে কারন এই 144 জন গৃহহীন মানুষের বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তুলেছেন এই বসতভিটা গুলো তাই বাংলাদেশের জননেত্রী শেখ হাসিনা এই 144 জন গৃহহীন মানুষের জন্য সুন্দর করে বাড়ি তৈরি করে দিচ্ছেন ডুমুরিয়া উপজেলায় বাড়িগুলো দেখলে প্রাণটা জুড়িয়ে যায় একই ডিজাইন একই মডেল ইটের গাঁথনি দিয়ে কতই না সুন্দর লাগছে এই বাড়িগুলো তাই সম্প্রতি খুলনা বিভাগের ডুমুরিয়া উপজেলার এই বাড়িগুলো আমাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে তাই বন্ধুরা অবশ্যই আপনারা আমাদের দেশ নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য সবাই দোয়া করবেন উনি যেন প্রতিটা মানুষের এমন সুন্দর করে বাড়ি করে দিতে পারেন তাই সব মিলিয়ে এবারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো তাই নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিটা খুবই ভালো লাগবে আর ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করুন
বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা চট্টগ্রাম এবং রাঙ্গামাটি এই এলাকায় প্রচুর পরিমাণ পাহাড়ি নদী রয়েছে তার ভিতরে এই পাহাড়ি নদীতে একটি অসাধারণ পার্বত্য চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড পাহাড়ের ভিতর দিয়ে বয়ে চলা ছোট্ট একটি সুন্দর নদী বহমান এই নদীতে দেখতে পাচ্ছিনা অনেকগুলো পর্যটকরা নৌকা নিয়ে পাড়ি জমাচ্ছেন নদীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত খুবই অসাধারণ এই পিকনিক স্পট এ যাওয়ার জন্য একটি অসাধারণ জায়গা দেখলেই মনে হয় কোন মেঘ পাহাড়ের মত তাই পাহাড়ের ভিতর বুক চিরে ছোট্ট একটি নদী এবং নৌকা গুলো খুবই দৃশ্যমান তাই বন্ধুরা নিশ্চয়ই তোমাদের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো খুবই অসাধারণ এবং দৃশ্যমান একটি ছবিটা কারণ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জেলা পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড পাহাড়ের ভিতর দিয়েই নদীর বহমান এবং পাহাড়ের উপরে উঠলে কুয়াশার চাদরে সাদা মেঘের ভেলায় পাহাড় টা যেন ভেঙে যায় তাই সব মিলিয়ে ছবিগুলো অসাধারণ এবং ব্যয়বহুল ছবি তাই নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিগুলো খুবই ভালো লাগবে পাহাড়ের উপরে ছোট্ট একটি গাছে কি সুন্দর ফুল ফুটেছে দেখলে প্রাণটা জুড়িয়ে যায় তাই সব মিলিয়ে ছবিটা আমার অসাধারণ এবং একটি ছবি তাই বন্ ধুরা নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিগুলো খুবই ভালো লাগবে আর ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবেন
বন্ধুরা এই যে ছবিটা আপনাদের মাঝে আমি তুলে ধরেছি এটি একটি অসাধারন এবং নিশ্চয়ই আপনাদের এই ছবিগুলো পছন্দ হবে কারণ এই ছবিটা সাতক্ষীরা শহর থেকে প্রায় 7 কিলোমিটার দূরে মাটিয়াডাঙ্গা গ্রাম
এই গ্রামের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা কপোতাক্ষ নদী এই কপোতাক্ষ নদীর সাইডে বিশাল বড় 420 একটি ঘেরের রয়েছে খুবই অসাধারণ একটি তাই বন্ধুরা এই চারশো কুড়ি বিঘা আমাদের কাছে খুবই প্রিয় এবং অসাধারণ এই সাইটেই কত সুন্দর করে টিন দিয়ে ছাওয়া এবং সুন্দর করে ছোট ছোট কফি হাউজ তৈরি হয়েছে এখানে মনোরম পরিবেশ আর দক্ষিণা বাতাস আর ঠান্ডা আবহাওয়ায় ভিতরে কত সুন্দর বসে নিরিবিলি গল্প করার জন্য অসাধারণ একটি জায়গা করা হয় তাই সব মিলিয়ে এই মাটিরাঙ্গা গ্রামের দৃশ্য দীঘা জায়গাটা কতইনা অসাধারণ তাই এই 420
আমাদের কাছে খুবই প্রিয় এবং অসাধারণ কারণ এই কফি হাউস প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর দুইটি নৌকা সব মিলিয়ে দৃশ্যমান এবং অসাধারণ নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিগুলো ভালো লাগবে ভাল লাগলে অবশ্যই
যশোর শহর থেকে একটু ভিতরে ঝিকরগাছা হাওর রয়েছে এই হাওরকে আমরা একটি অসাধারণ জেনে থাকি কারণ এই হাওরে প্রচুর পরিমাণ মাছ রয়েছে এখন বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি পর্যটক স্থান হয়ে গেছে কারণ এখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ রয়েছে এখানে ঘুরে যাচ্ছেন রান্নাবান্না করে খাওয়া দাওয়া করে যাচ্ছেন তাই এই বিশাল বড় একটি অসাধারণ এর কয়েকটা অংশের ছবি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম এই যে ছবিটা দেখতে পাচ্ছেন হব হব ভাব পড়ন্ত বিকেলে সূর্যের আলোর সূর্যের কিরণ যখন লাল হয়ে গেছে পানির উপরে চিকচিক করছে তখন এই ছবিটা তোলা হয়েছে কত অসাধারণ এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং দেখতে পাচ্ছেন এখানে কয়েকটা বোর্ড বা নৌকা রাখা হয়েছে এই নৌকায় করে দর্শনার্থীরা ঘুরতে যান খুবই অসাধারণ তাই এই ঘোরাঘুরি আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য একটি অসাধারন এবং দৃশ্যমান তাই বন্ধুরা আপনাদের নিশ্চয়ই এই ছবি আর একটি সুন্দর সূর্যের কিরণে হাসি টা নিশ্চয়ই ভাল লাগবে কারণ এই হাসি আমাদের কাছে খুবই প্রিয় এবং খুবই অসাধারণ তাই সব মিলিয়ে ছবিটা দৃশ্যমান এবং অসাধারণ একটি সূর্যের হাসি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো তাই আপনাদের যদি এই যশোর ঝিকরগাছা হাওরের প্র াকৃতিক সৌন্দর্য ভালো লেগে থাকে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবেন এর উপরে নৌকা বিভিন্ন ধরনের জিনিস আর পানি যখন থৈথৈ করছে তখন কতই না ভাল লাগে তাই আপনার যদি ছবিগুলো পছন্দ হয়ে থাকে আপনি আপনার মোবাইলের স্ক্রিনে ওয়ালপেপারে সেট করে নিবেন আর ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন হাওরের পাশেই একটি কৃষি খামার রয়েছে এই কৃষি খামারে কৃষকরা ধান পাট গম সরিষা লাগে না থাকে হাওরের পানি দিয়েই ফসল চাষ করা হয় খুবই অসাধারণ তাই সব মিলিয়ে ছবিটি নিশ্চয়ই আপনাদের এই ছবিটা ভালো
রাজশাহী শহরের একটি মাত্র চিড়িয়াখানা চিড়িয়াখানা আমাদের কাছে খুবই প্রিয় এবং অসাধারণ কারণ রাজশাহী শহর একটি অসাধারণ ডিজিটাল এবং মধ্যমা এর শহর এই শহরের জাতীয় পর্যায়ে চিড়িয়াখানা টা আমাদের কাছে খুবই প্রিয় এর ফলে অনেক কিছু দেখার জিনিস আছে যেমন বাঘ ভাল্লুক শিয়াল মুরগি কত রকম পশু প্রাণী রয়েছে আর হরিণ গাধা জিরাফ অনেক ধরনের এই পশুপাখি এখানে দেখা যায় খুবই অসাধারণ তাই বন্ধুরা রাজশাহী চিড়িয়াখানা একটি দৃশ্যমান এর ভিতরে শিশুদের নিয়ে খেলা করার জন্য সুন্দর সুন্দর জিনিস তৈরি করা হয়েছে এবং পুকুরের ভিতর নৌকা নিয়ে চলার জন্য ঘোরার জন্য সাধারন একটি পুকুর তৈরি করা হয় পুকুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য গাছগাছালিতে ভরা কতইনা অসাধারণ তাই বন্ধুরা এই পুকুরের ওপরে একটি ব্রিজ তৈরি করা হয়েছে খুবই দৃশ্যমান এই ব্রিজের নিশ্চয়ই তোমাদের এই ব্রিজের ভালো লাগে তাই আপনারা যদি এই রাজশাহী চিড়িয়াখানা ঘুরে আসতে চান অবশ্যই নান্দনিক শহরের চিড়িয়াখানা টা একটু ঘুরে যাবেন অসাধারণ এবং খুবই দৃশ্যমান একটি ছবি তাই সব মিলিয়ে ছবিটা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে তাই বন্ধুরা আপনাদের যদি এই রাজশাহী চিড়িয়াখানা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভ ালো লেগে থাকে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবেন
জাহানাবাদ বাইক নিয়ে ছোটদের সময় বাংলাবান্ধা থেকে পঞ্চগড় যাওয়ার মাঝখানের রাস্তার উপরে একটি সেলফি তোলা হয়েছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জেলা পঞ্চগড় পঞ্চগড় জেলার পাশের একটি জেলা বাংলাবান্ধা মাঝখানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই রাস্তার সৌন্দর্যটা খুবই অসাধারণ তাই বাইক নিয়ে মোটর বাইক নিয়ে শোডাউন দেওয়ার সময় এই দৃশ্যটা খুবই অসাধারণ লেগেছে তাই তারা একসাথে কয়েকজন বন্ধু মিলে মোটরসাইকেল নিয়ে রোড বাইক চলাচল করতে থাকে খুবই দৃশ্যমান এবং বন্ধুরা দেখতে পাচ্ছেন পঞ্চগড় রংপুর ড্রোন ক্যামেরায় ছবিগুলো অসাধারণ লাগছে যখন বাইক নিয়ে দিতে শুরু করে তখন ওর সাথে নিয়ে নাই তাই ড্রোন ক্যামেরার ছবিটা মাঝখান দিয়ে দুই সাইডে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ
এইযে ফ্রেন্ডরা একসাথে বাইক শোডাউন দেয় একসাথে কতই না ভাল লাগে তাই এরা বাংলাদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত শোডাউন দিয়েই যায় এদের মন মত তাই এবার গন্তব্য ছিল বাংলাদেশের পঞ্চগড় বাংলাবান্ধা মাঝখানের এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘুরে আসার দৃশ্যমান এবং অসাধারণ তাই নিশ্চয়ই বন্ধুরা তোমাদের এই ছবিটা খুবই ভালো লাগবে আমার দেখা ছবি অসাধারণ একটি ছবি ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন
একসাথে পিকনিক করে খাওয়ার অসুবিধা সুবিধা খুবই অসাধারণ কারণ বন্ধু-বান্ধব মিলে যখন একসাথে পিকনিক করে আমরা বনভোজন করে খায় তখন আমাদের খুবই ভালো লাগে কারণ বন্ধুরা আমাদের খাওয়া-দাওয়া খুবই প্রিয় একটি অসাধারণ দৃশ্যমান ছবি তাই দেই আমার বড় ভাইরা আজকে রাতে একসাথে বনভোজন করে খাওয়া- দাওয়া করছেন কতইনা দৃশ্যমান একটি অসাধারণ ছবি তাই এই যে ছবিটা দেখছেন নিশ্চয়ই আপনাদের ভালো লাগবে দেখতে পাচ্ছেন সামনে খিচুড়ি রান্না করা আছে একটি হাড়িতে এই খিচুড়ি আমার কাছে খুবই প্রিয় এবং খুবই অসাধারণ তাই আমার বড় ভাইয়েরা ভুনা খিচুরি খাওয়ার জন্যে স্তুতি নিচ্ছেন তাই এমন সময় একটি সেলফি তোলা হয়েছিল খুবই অসাধারণ এবং দৃশ্যমান ছবি এবং নিশ্চয়ই আপনাদের এই ছবিটা ভালো লাগবে কারণ আমাদের প্রিয় একটি অসাধারণ দৃশ্যমান খাবার এটা তাই বন্ধুরা সাতক্ষীরা শহরের থেকে প্রায় 10 কিলোমিটার দূরে গোবিন্দপুর গ্রামের আমার বড় ভাইরা রাত্রি বনভোজন করে পিকনিক করে খাওয়ার সময় এই ছবিটা তোলা হয় খিচুড়ি ভুনা খিচুড়ি এবং ভাইদের ছবির দৃশ্য অসাধারণ তাই সব মিলিয়ে ছবিটা খুবই অসাধারণ নিশ্চয়ই ভালো লাগবে ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আম ার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব
মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে যশোর জিরো পয়েন্ট মরে রাস্তার উপরে আলপনা আঁকা হচ্ছে শহীদদের স্মরণ করার জন্য খুবই অসাধারণ করে দেখতে পাচ্ছেন ছোট ছোট খুশি শিল্পীরা রাস্তার উপরে আলপনা খাচ্ছেন কত সুন্দর করে তাই এই আলপনা আঁকানো একটি কঠিন জিনিস শিল্পের নিখোঁজ হাতে এই আলপনা আঁকার দৃশ্য টা খুবই অসাধারণ নিখোঁজ হাতে আঁকা ছবিটা আমাদের কাছে খুবই প্রিয় একটি জিনিস হাতে প্রিয় জিনিস থাকলে আমাদের খুব ভালো লাগে তাই এই আলপনা টা সকল শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশ মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশে ফেব্রুয়ারির দিনে এই আলপনা আঁকা একটি অসাধারন এবং দৃশ্যমান তাই বন্ধুরা আপনাদের সামনে এই একুশে ফেব্রুয়ারির ছবি তুলে ধরলাম আমি কয়েকদিন বিজি থাকা আগের ছবিটা দিতে পারি নাই তাই আমি খুবই দুঃখিত তাই বন্ধুরা এই একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস এবং মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে যশোর জিরো পয়েন্টের এই আলপনা আঁকার দৃশ্যটা একটি দৃশ্য আপনার নিশ্চয়ই এই ছবিটা খুবই ভালো লাগবে আরো ভালো লাগার মতো একটি অসাধারন এবং দৃশ্যমান ছবি তাই আপনার যদি ছবিটা ভালো লেগে থাকে আপনি আপনার মোবাইলের স্ক্রিনে ওয়ালপেপারে সেট করে নিবেন খুবই অসাধারণ এ বং খুবই দৃশ্যমান তাই বন্ধুরা নিশ্চয়ই তোমাদের এই আলপনা আঁকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আশপাশের দোকানপাট আজ যশোরের এই ছবিটা ভালো লাগার একটি ছবি এটি ফেব্রুয়ারি আলপনা আঁকার দৃশ্য আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে তাই আপনাদের যদি ভালো লেগে থাকে অবশ্যই অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এখানে সাবস্ক্রাইব করবেন
সাতক্ষীরা নিউমার্কেটের সামনে ফুলের দোকান থেকে এই ছবিটা তোলা হয় কারণ অসাধারণ এই দোকানের ছবি কারণ দেখতে পাচ্ছেন এই দোকানের সামনে প্রচুর পরিমাণ ফুল রাখা হয়েছে অনেক ফুল বালতিতে অনেক ফুল সামনে টেবিলের উপরে তাই এটা একটি ফুলের দোকান তাই এগুলো আমাদের কাছে খুবই প্রিয় এবং খুবই অসাধারণ এই ফুল তাই সাতক্ষীরা জেলার নিউমার্কেট মরে যে ফুলের দোকানের সামনে থেকে এই ফুলের ছবিটা তোলা হয় এই দোকানে প্রতিদিন পাইকারি খুচরা বিক্রয় করা হয় তাই বন্ধুরা এখানে দেখতে পাচ্ছেন গোলাপ ফুল রজনীগন্ধা ফুল এবং গেন্দা ফুল এবং হাসনাহেনা ফুল অনেক ধরনের ফুল রাখা হয়েছে এই সামনে তাই সাতক্ষীরাসহ মেন আমরা বলে থাকি নিউ মার্কেট মোড় তাই নিউ মার্কেট মোড় এর এই ফুলের দোকানের ছবিটা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে কারণ ফুলকে ভালোবেসে ফেলে দিওনা মানুষকে ভালোবেসে ভুলে যেও না কোভিদ ভাষায় এই কবিতা একটি অসাধারণ কবিতা তাই আমরা এই ফুলগুলো খুবই পছন্দ করে থাকি তাই বন্ধুরা সাতক্ষীরা নিউমার্কেট মোড়ের এই ফুলের দোকানের ফুল গুলো খুবই প্রিয় এবং খুবই অসাধারণ তাই নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিটা ভালো লাগবে আর ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর এই চ্যা নেলটা সাবস্ক্রাইব করুন
অসাধারণ একটি বাড়ির ছবিটা খুবই অসাধারণ লাগছে কারন ফুলে ফুলে ভরা ফুল এই ঘ্রাণে ভরা এই বাড়ির দৃশ্যটা একটি অসাধারণ দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন টিনের ছাউনি একটি বাড়ি কতইনা অসাধারণ করে সাজানো হয়েছে ঝুলানো হয়েছে ফুল দিয়ে রাখা হয়েছে ফুল তাই সব মিলিয়ে অসাধারণ ফুলের সুবাসে ভরে গেছে এই সমস্ত বাড়ির দৃশ্য টা আর বাড়ির কালার খুবই অসাধারণ করে কালার করা হয়েছে দেখলেই মনে হয় পেইন্টিংয়ের শরিয়া কা কোন অসাধারণ একটি কালারফুল এই বাড়ির দৃশ্য তাই বন্ধুরা নিশ্চয়ই তোমাদের এই ছবিটা ভাল লাগার মত একটি ছবি তাই ভালোতো লাগবে কারণ এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর মনোরম পরিবেশ এই বাড়ির সামনের আঙিনার দৃশ্যগুলো আরো কত মাটি দিয়ে তৈরি করা ছোট ছোট গাছের মত দৃশ্য এবং ভাস্কর্যের মতো তৈরি সামনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সব মিলিয়ে দৃশ্যমান তাই এই ছবিটা তোলা হয়েছে বাংলাদেশের পূর্ব থেকে পশ্চিম অঞ্চলের একটি জেলা জেলা জেলা ছোট্ট একটি গ্রাম গ্রামটা বাগেরহাট জেলার একটি গ্রামের এই ছোট্ট ছবিটা অসাধারণ এই ছোট্ট গ্রামের আমাদের কাছে খুবই প্রিয় একটি বাড়ির ছবি এলাকার মানুষেরা টিনের ছাউনি ঘর করতে খুবই ভালবাসে তাই টিনের ছাউনি ঘর করে ঘরের সামনে  ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে এই বাড়ির দৃশ্যটা সব মিলিয়ে ছবিটা অসাধারণ নিশ্চয়ই তোমার এই ছবিটা ভালো লাগবে ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করুন
মনের ভিতর যখন হরিণের ঝাঁক একসাথে বেড়াতে থাকে তখন কতই না ভাল লাগে তাই তেমনই কয়েকটা ছবি তোমাদের সামনে আমি তুলে ধরবো বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জেলা সাতক্ষীরা জেলা সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের শেষ প্রান্তের জেলা এর সাইটে এক বঙ্গোপসাগর আর অপরদিকে আছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তম বন সুন্দরবন তাই এই সুন্দরবন আমাদের কাছে খুবই প্রিয় এবং খুবই অসাধারণ তাই সুন্দরবনের হরিণ এরা যখন নদীর সাইটে এসে গাছের পাতাগুলো খেয়ে থাকে তখনই এই ফটোগ্রাফি টা করা হয়েছিল খুবই অসাধারণ তাই সুন্দরবনের হরিণ আমাদের কাছে খুবই প্রিয় একটি হরিণ বাংলাদেশের ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন আমরা খুবই করে থাকে তাই বন্ধুরা এই ছবিটা তারই একটি প্রতিচ্ছবি কারণ বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা বাংলাদেশের দক্ষিণের সর্বশেষ জেলা সাতক্ষীরা জেলার পাশেই এই সুন্দরবন আমাদের কাছে প্রিয় তাই এটা একটি দর্শনার্থীদের জন্য অসাধারণ এক ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন পর্যটকরা বেড়াতে এসেছেন আর বেড়াতে এসে হরিণদের খাবার দিচ্ছেন হাতে করে এই হরিণদের খাওয়ার দেওয়া হাতে করে এই দৃশ্যটা কতইনা অসাধারণ দৃশ্যমান এবং খুবই অসাধারণ তাই বাংলাদেশের এই ম্যানগ্রোভ  সুন্দরবন খুবই প্রিয় এবং খুবই দর্শনীয় স্থান এখানে প্রতিবছর অনেক দর্শনার্থীরা ঘুরতে আসেন বেড়াতে আসেন তাই সব মিলিয়ে ছবিটা অসাধারণ নিশ্চয়ই তোমাদের ছবিটা খুবই ভালো লাগবে তাই আপনাদের যদি ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের ছবিটা ভালো লেগে থাকে অবশ্যই অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করবেন এই হলো আমাদের কাছে খুবই প্রিয় একটি অসাধারণ