写真

ধুলিহার  বাজারের মেইন রোডের পাশে এখানে ছবিতে একটি মুদিখানার দোকান দেখা যাচ্ছে। এই দোকানটি সকলেই পরিচিত একটি দোকান। এখানে দোকানের সামনের দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি। এই দোকানে বিভিন্ন খাবার আইটেম নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রান্নার উপকরণ পাওয়া যায়। এখানে দোকানের সামনের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। এই দোকানটি মেন রোডের পাশে অবস্থিত সকলেই পরিচিত একটি দোকান। এই দোকানের সকল প্রকারের উপাদান পাওয়া যায়। মুদিখানার ব্যাবসা করে আসছে এই দোকানদার দীর্ঘ 30 বছর ধরে। আর মুদিখানার ব্যবসা করে দোকানদার অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী  হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত। দোকানদারি করে এখন তিনি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আর এই মুদিখানার দোকানদার একজন স্বালম্বি মানুষের কাছে পরিচিত হয়েছে।  এই মুদিখানার ব্যবসা করে অর্থ ইনকাম করে থাকেন। আর পরিবারের সকলকে নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করছে। কেননা এটি একটি লাভজনক ব্যবসা এবং অর্থ ইনকাম করার এর সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয় মুদিখানার ব্যবসা। এখানে যে দোকানটি দেখা যাচ্ছে সেটি সাতক্ষীরা জেলার ধুলিহার  বাজারে অবস্থিত
ধুলিহার  ইউনিয়নের ভিতর একটি সুন্দর মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। আর এই মসজিদটি নির্মাণ করতে অনেক টাকা ব্যয় করা হয়েছে। মসজিদের সামনে একটি সুন্দর গেট তৈরি করা হয়েছে। গেটের উপরে টাইলস বসিয়ে গম্বুজ  করা হয়েছে। এখানে বিশাল আকৃতির একটি গ্রেট দেখা যাচ্ছে। এটি ধুলিহার  ইউনিয়নের জামে মসজিদ নামে পরিচিত। এটি অত্র এলাকার ভিতরে একটি বড় মাপের মসজিদে। মসজিদের দৃশ্যটি দেখতে পাচ্ছি। ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীরা আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য মসজিদে যে ইবাদত বন্দেগী করে এবং তারা মসজিদ সুন্দর করে কাঠামোগতভাবে নির্মাণ করেন এবং দেখা দেখিতে খুবই সুন্দর লাগে ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীরা এক আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার জন্য মসজিদ নির্মাণ করে মসজিদে ইবাদত বন্দেগী করে। মেইন রোডের পাশে অবস্থিত এটি সাতক্ষীরা জেলা ধুলিয়ার ইউনিয়নে অবস্থিত একটি মসজিদে দেখা যাচ্ছে।
শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ থাকে। এজন্য আমাদের শাকসবজি খাওয়া উচিত। আমাদের বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি চাষ করা হয়। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা শাকসবজি বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানি করা হয়। এখানে ছবিতে আমরা একটি সবজির দোকান দেখতে পাচ্ছি। রাস্তার পাশে অবস্থিত এখানে বিভিন্ন রকমের টাটকা সবজি রয়েছে। আমরা সকলেই শাকসবজি খেতে ভালবাসে আমাদের বাংলাদেশের শাকসবজি অধিক জনপ্রিয় বাংলাদেশের বিভিন্ন রকমের শাক সবজি চাষ করা হয় আর এসব শাকসবজি আমরা খেয়ে থাকি শাক-সবজি খেলে শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে এবং আমাদের শাকসবজি খেয়ে খাওয়া উচিত যে আমাদের বাংলাদেশের স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ কৃষকরা শাকসব্জি চাসের অনেক বেশি অনুভূত হয় কেননা শাকসবজি চাষ করে অধিক লাভবান হওয়া যায় এখানে একজন ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে জিনিস রাস্তার পাশে সবজি বিক্রি করছে এবং সবজি বিক্রি করে টাকা ইনকাম করে থাকেন আবার পড়তে থাকে এখানে সবজি বিক্রি করে তিনি একজন স্বাবলম্বী সচ্ছল মানুষ  হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে।এখানে যে সবজি দোকানটি দেখা যাচ্ছে সেটা বরগুনা জেলা মংসকাটি বাজার রোড সাইট থেকে ছবিটা তোলা হয়েছে।
গ্রামীণ দুইটা বাচ্চা রাস্তায় খেলাধুলা করছে। সেই দৃশ্যটি এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে। তারা একটি মাটির টিলার উপরে দাঁড়িয়ে আছে। রাস্তার পাশে তারা এখানে খেলাধুলা করছে। তারা গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা দুইটা বাচ্চা। গ্রামীণ এলাকার রাস্তার পাশে খেলাধুলা করছে সেই দৃশ্যটি আমরা দেখতে পাচ্ছি। গ্রামীণ পরিবেশে বাচ্চাদের দেখতে খুবই ভালো লাগে। এখানে যে দুইটা বাচ্চা কে দেখা যাচ্ছে তারা বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার সোনাপুর গ্রামীণ এলাকায় ছবিটা তোলা।  এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ছোট বাচ্চাদের খেলাধুলা করকে বাচ্চাদের করতে দেখা যাচ্ছে। তারা গ্রামীণ পরিবেশে বাচ্চা গ্রামীণ এলাকার বাচ্চাদের রাস্তাঘাটে খেলাধুলা করে বাড়ির আঙিনায় খেলা করে আনন্দ করে মজা করে এভাবে তারা সুন্দর সময় কাটিয়ে  থাকে। এখানে দুইটা বাচ্চাকে দেখা যাচ্ছে তারা খুব সুন্দর জামা পড়ে আছে সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি। আর গ্রামীণ পরিবেশে বাচ্চাদের দেখতে অনেক ভালো লাগে। তাদের দেখলে আমাদের আনন্দে মন ভরে যায়। গ্রামীণ পরিবেশে বাচ্চা গুলো খুবই সুন্দর এবং তারা অনেক হাসিঙ্জল থাকে। এখানে যে বাচ্চাগুলোকে দেখা যাচ্ছে তারা বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার সোনাপুর এলাকার রাস্তা সাইট থেকে তোলা ছবি
ইঞ্জিন চালিত ট্রলি সাতক্ষীরা জেলার খুব জনপ্রিয় একটি যানবাহন। সাতক্ষীরা জেলা শহরে এবং সাতক্ষীরা জেলার আশেপাশের এলাকায় প্রচুর পরিমাণে ইঞ্জিনচালিত ট্রলি গাড়ি দেখা যায়। এই ট্রলির মাধ্যমে বিভিন্ন মালামাল আনা নেয়ার কাজ করা হয়। আমরা সাধারণত ভারি মালামাল বহন করার জন্য ইন্জিন চালিত  ট্রলি গাড়ি ব্যবহার করি। আর একসঙ্গে অনেকগুলো মালামাল বহন করা যায়। এজন্য এটি একটি জনপ্রিয় যানবাহন হিসেবে পরিচিত। সাতক্ষীরা জেলায় প্রচুর পরিমাণে ইঞ্জিনচালিত ট্রলি চালক দেখা যায় যারা ট্রলি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। আমাদের সাতক্ষীরা জেলা তে প্রচুর ইন্জিন চালিত ট্রলি দেখা যায়। এই যানবাহন  চালিয়ে তারা দৈনিক 1000 টাকা  ইনকাম করতে পারেন। রাস্তায় একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলি গাড়ি রাখা আছে। আর আমরা রাস্তায় যখন প্রবেশ করে প্রচুর ইন্জিন চালিত ট্রলি দেখতে পাই। এখানে ছবিতে একটি ইন্জিন চালিত ট্রলি দেখা যাচ্ছে সেটা  সাতক্ষীরা জেলার শিবচর বাজার  রোড থেকে ছবিটি তোলা হয়েছে
গ্রামীণ এলাকার একটি মুদিখানা দৃশ্য এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে। গ্রামীণ এলাম  আমরা যখন প্রবেশ করি তখন  আমাদের নজরে মুদিখানা দোকান   দেখতে পাই। এই ছবিতে একটি মুদিখানা দোকান দেখা যাচ্ছে। এই দোকানে বিভিন্ন রকমের নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য রান্নাবান্না উপকরণ এবং খাবার  পাওয়া যায়। এখানে ছবিতে দোকানের সামনের দৃশ্য   দেখা যাচ্ছে। দোকানের সামনে বিভিন্ন খাবারের আইটেম সাজানো আছে।  আমরা সকলে মুদিখানা দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস ক্রয় করি। মুদিখানা   দোকান থাকলে আমাদের অনেক সুবিধা হয়। জিনিসপত্র ক্রয় করি এখানে দেখা যাচ্ছে এটি অনেকদিন  এই গ্রাম এলাকায় মুদিখানা দোকানটি রয়েছে। এসব মুদিখানার দোকান থেকে  আমরা  বিভিন্ন পণ্য রান্নার উপকরণ এবং আমাদের প্রয়োজনীয় সকল পণ্য ক্রয় করতে পারি। গ্রামীণ এলাকায় আমরা এরকম মুদিখানা দোকান দেখতে পায় আর এখানে দোকানটি দেখা যাচ্ছে এটি দীর্ঘদিন ধরেই মুদিখানার দোকানটি রয়েছে মুদিখানা ব্যবসা করে এই দোকানদার অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী। লাভজনক  হওয়ায় তিনি আগ্রহের সাথে ব্যাবসা করে আসছে। এখানে যে মুদিখানা দোকানের দৃশ্য  দেখা যাচ্ছে সেটি সাতক্ষীরা জেলা বশিরডাঙ্গা গ্রামীণ এলাকায় অবস্থিত
ইঞ্জিন ভ্যানের করে কিছু চারা গাছ রাস্তার উপরে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে। সেই দৃশ্যটি আমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি। একজন মুরুব্বী চাচা ইন্জিন ভ্যানে কিছু চারা গাছ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।  রাস্তার সাইডে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে চারা গাছ বিক্রি করবেন বলে। আর এসব চারা গাছ বাসায় রোপন করতে ভালোবাসি।  ইঞ্জিন ভ্যানে যেসব গাছ দেখা যাচ্ছে সেগুলো মূলত নারকেল গাছ এবং লেবু গাছ। এখানে ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি ইঞ্জিন ভ্যানে করে কিছু চারা গাছ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চারাগাছ গুলো রোপন করার মাধ্যমে সামাজিক বনায়ন গড়ে উঠবে। আমাদের বাংলাদেশ গাছ লাগানোর প্রতি অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার প্রতিটা জনগণ কে গাছ লাগাতে বলে।  কেননা গাছ লাগালে আমাদের অনেক উপকারে আসবে। কেননা গাছ থেকে আমরা  অক্সিজেন গ্রহণ করি। এবং আমরা গাছ লাগানোর মাধ্যমে অনেক বেশি বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে। এখানে ছবিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি কিছু চারা গাছ একটি ইঞ্জিন ভ্যানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আর এই গাছগুলো একটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। এবং সেই বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরে গাছগুলো রোপন করা হবে। আর এটি একটি অসাধারণ দৃশ্য। এখানে যে দৃশ্যটি দেখা যাচ্ছে সেটি সাতক্ষীরা জেলার নারকেলতলা মোড় এলাকা থেকে এই ছবিটি তোলা হয়েছে।
পাকা কলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সমৃদ্ধ খাদ্য উপাদানে পরিপূর্ণ থাকে এজন্য আমাদের পাকা কলা খাওয়া উচিত। এই ছবিতে একটি পাকা কলা দোকান দেখা যাচ্ছে।  এই দোকানে শুধুমাত্র পাকা কলা বিক্রয় করা হয়। দোকানের সামনে আমরা দেখতে পাচ্ছি পাকা কলার সাজানো আছে। আমাদের সকলেরই শরীরের আয়রন এবং ভিটামিন পূরন করার জন্য পাকা কলা খাওয়া উচিত। আমরা সকলে পাকা কলা খেতে ভালোবাসি। আর আমাদের দেশে কলার ব্যাপক পরিবারের চাহিদা রয়েছে। এখানে ছবিতে একজন পাকা কলা ব্যাবসায়ীকে দেখা যাচ্ছে তিনি প্রতি কেজি কলা 50 টাকা মূল্যের বিক্রি করে।  তার দোকানে প্রচুর পরিমাণে কাস্টমার দেখতে পাই। এখানে একজন কাস্টোমার দাঁড়িয়ে আছে পাকা কলা ক্রয় করার জন্য। আর এই দোকানদার পাকা কলা  বিক্রয় করে দোকানদার জীবিকা নির্বাহ  করে থাকেন। তাহার দোকানে প্রত্যেকদিন পাকা কলার ক্রয় করার জন্য  দোকানে প্রচুর পরিমাণে কাস্টমার দেখতে পাই। এখানে যে দৃশ্য  দেখা যাচ্ছে সেটি সাতক্ষীরা জেলা সোনামুখী বাজার  থেকে ছবিটা তোলা হয়েছে
গ্রামীণ এলাকায় আমরা প্রচুর পরিমাণে খেজুর গাছ দেখতে পায়। বাংলাদেশের গ্রাম অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী এবং বিলুপ্তির পথে যে গাছটি সেটি হচ্ছে খেজুর গাছ। এই ছবিতে আমরা খেজুর গাছের দৃশ্যটি দেখতে পাচ্ছি। আর এই গাছে প্রচুর পরিমাণে খেজুর ধরেছে সেই দৃশ্যটি দেখা যাচ্ছে। আমরা সকলের খেজুর খেতে ভালোবাসি। অতি  সুস্বাদু খাবার এবং গাছের পেকে যায় বলে  গাছ পাকা খেজুর খেতে অনেক বেশি ভালো লাগে। এই ছবিটা আমরা এখানে রাস্তা সাইটে  খেজুর গাছের দৃশ্য দেখে যাচ্ছে।  খেজুর গাছ বাড়ির আঙিনায় প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এটি একটি অতি পরিচিত বাংলাদেশের বিলুপ্তির পথে রয়েছে গাছটি। এখানে যে দৃশ্য  দেখা যাচ্ছে সেটি বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় একটি রাস্তা সাইটে  ছবিটি তোলা। আর এই এলাকার নাম সাতক্ষীরা জেলা মাটিরাঙ্গা এলাকা।
মদিনা সু ষ্টোরটি সকলের কাছে পরিচিত একটি দোকান। ছবিতে আমরা একটি জুতার দোকান দেখতে পাচ্ছি। এই জুতার দোকান টি মেন রোডে অবস্থিত। এটি গোলাম মোস্তফার জুতার দোকান। এখানে দোকানের সামনে আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন রকমের ডিজাইনের জুতা সাজানো আছে। আমরা সুন্দর ডিজাইন এবং নরম জুতা পরিধান করতে ভালোবাসি। আমরা এখানে ছবিতে জুতার দোকান টি দেখতে পাচ্ছি। এই দোকানে সকল প্রকারের সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের জুতা পাওয়া যায়। দোকানদার দীর্ঘদিন জুতা ব্যাবসা করে আসছে।  তিনি দীর্ঘ 10 বছর ধরে জুতার ব্যবসা করে আসছে। জুতার ব্যাবসা করে একজন সফল মানুষ হিসেবে সকলের কাছে প্রতিষ্ঠিত। এখানে যে  জুতার দোকানে দেখা যাচ্ছে  সেটি সাতক্ষীরা জেলা ধুলিহার বাজারে অবস্থিত
পেয়াজি চপ  খুব সুস্বাদু এবং মজাদার খাবার।  এই ছবিতে আমরা একটি ভাজাপোড়া  দোকান দেখতে পাচ্ছি । এই দোকানটি সাতক্ষীরা জেলার ধর্মপুর বাজারে অবস্থিত।  দোকানের সামনে পেয়াজি চপ সাজিয়ে রাখা আছে ।  আমরা দেখতে পাচ্ছি  একজন কাস্টমার  দোকানের সামনে বসে আছে।  ঝাল মুডি সকালে খেতে পছন্দ করে কারণ এটি একটি সুস্বাদু খাবার এবং আমাদের দেশে ঝাল মুড়ি সবার কাছে একটি জনপ্রিয়  খাবার কারণ ঝাল মুড়ি মশলাদার খাবার।  সবাই এটি খেতে পছন্দ করে।  আমরা সাধারণত দেখতে পাই যে এই দোকানটি সাতক্ষীরা জেলার ধর্মপুর বাজারে।  এই দোকানে প্রতিদিন ঝাল মুড়ি বিক্রি করে থাকে।  এখানে যে দৃশ্য  দেখা যাচ্ছে সেটি খাবারের দোকানের ছবি।  এই খাবারটি  জনপ্রিয় স্থান  অর্জন করেছে।  এখানে যে দোকানটি সাত যাচ্ছে সেটা   সাতক্ষীরার জেলা ধর্মপুর বাজারে অবস্থিত একটি ঝাল মুড়ির দোকান।
বাংলাদেশের শীতকালীন মৌসুমের একটি ফুল হচ্ছে গাঁদা ফুল। এই ছবিতে একটি বস্তা ভর্তি গাঁদা ফুলের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। এটি একটি বস্তার ভিতর ভর্তি করে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের শীতকালের মৌসুমে আমরা রাস্তায় আশেপাশে বাড়ির আঙিনায় প্রচুর পরিমাণে গাঁদা ফুল ফুটে উঠছে দেখতে পায়। আর এই ধরনের ফুল দেখতে খুব সুন্দর লাগে। সাধারণত এই গাঁদা ফুল লাল এবং হলুদ রঙের হয়ে থাকে। গাঁদা ফুল দেখতে খুবই সুন্দর এবং এটি একটি গন্ধযুক্ত ফুল। আমরা গাঁদা ফুল দিয়ে আমাদের বাড়ি সাজিয়ে থাকি বাড়ির ঘরের ভিতরে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।  গাঁদা ফুল দিয়ে মালা তৈরি করতে পারি। এখানে ছবিতে আমরা বস্তাভর্তি গাঁদা ফুলের দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি যেটা খুবই সুন্দর লাগছে একটু বাংলাদেশের খুবই জনপ্রিয় ফুল শীতকালীন মৌসুমের গাধাফুল
এই চায়ের দোকান টি বরিশাল জেলার শিবচর বাজারে অবস্থিত। এখানে ছবিতে আমরা চায়ের দোকানের দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি। এই দোকানদার  খুব সুন্দর করে চা বানাতে পারে। এবং এই দোকানের চা ছাড়াও পান-সুপারি সিগারেট  পাওয়া যায়। আমরা প্রচুর পরিমাণে দোকানে ভিড় দেখতে পায়। বিভিন্ন এলাকা থেকে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষজন চা খাওয়ার জন্য এই দোকানে এসে ভিড় জমায়। দোকানদার একজন জনপ্রিয় চা ব্যবসায়ী। তার দোকানে আমরা প্রচুর পরিমাণে কাস্টমার দেখতে পায়। তার দোকানে খুব সুন্দর বসার ব্যবস্থা আছে এবং মনোরম পরিবেশ বিরাজ করে সব সময়। এটি একটি গ্রামীণ এলাকার চায়ের দোকান। আর এই দোকানদার সুন্দর চা বানাতে পারে। এজন্য প্রচুর পরিমানের কাস্টমার আমরা দেখতে পাই। এটি একটি চায়ের দোকান। দোকানদার চায়ের ব্যবসা করে অর্থ ইনকাম করেন। আরেকটি জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি এই ব্যবসাটি গড়ে তুলেছেন। এবং অর্থ ইনকাম করে তিনি একজন স্বাবলম্বী চা ব্যবসা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এখানে যে চায়ের দোকানটি  দেখা যাচ্ছে সেটি বরিশাল জেলার শিবচর গ্রামীণ এলাকায় অবস্থিত
আমরা আমাদের বাসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র নষ্ট এবং অকেজো জিনিসপত্র যেগুলো আমরা আর ব্যবহার করি না সেগুলো আমরা ভাংড়ি মালামালের দোকান বিক্রয় করি। এই ছবিতে একটি ভাংড়ি মালামাল বিক্রি এর দোকান দেখা যাচ্ছে। এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি দোকানের সামনে নষ্ট অকেজো পন্য  মালামাল দোকানের  সামনে সেগুলো সাজানো আছে।  প্লাস্টিকের পন্য,  লোহা এবং বিভিন্ন কাগজপত্র  ইত্যাদি অকেজো মালামাল এই দোকানদার ক্রয় করে। এটি একটি লাভজনক ব্যবসা এই বাজারে একটি মাত্র ভাংড়ি মালামালের দোকান। এই দোকানদার দূর্ঘদিন দোকানদারি করে ব্যবসা করে আসছে। তারা এখানে সব ধরনের নষ্ট  মালামাল  বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্রয় করেএনে সেগুলো আবার সাতক্ষীরা জেলা শহরের বিক্রি  করে।   অকেজো মালামাল বিক্রি করে অর্থ ইনকাম করে স্বাবলম্বী হওয়া যায়।  নষ্ট অকেজো মালামাল ব্যবসায়ী হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত এই দোকানটি। এখানে যে ভাংড়ি মালামালের দোকানটি দেখা যাচ্ছে সেটা সাতক্ষীরা জেলা আলিপুর বাজার রোড সাইট অবস্থিত।
সাতক্ষীরা জেলা শহরে এবং গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা ঘাটে আমরা যে ধরনের যানবাহন সবচেয়ে বেশি পরিমাণে দেখতে পায় তার মধ্যে ইজিবাইক অন্যতম। এই ছবিতে একটি ইজিবাইকের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। এটি গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে। এখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি ইজিবাইক  রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে সে সময় ছবিটা তোলা হয়েছে।  সাতক্ষীরা জেলার প্রধান যানবাহন। ইজিবাইক খুব দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করার জন্য ব্যবহার করা হয় এজন্য ইজিবাইক জনপ্রিয় স্থান অধিকার করে আছে। একটি ইজিবাইকে কমপক্ষে আটজন যাত্রী আনা-নেয়া করা যায় এবং ইজিবাইকে খুব সুন্দর আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা থাকে এজন্যই যুগে জনপ্রিয়তা অনেক বেশি এখানে আমরা গ্রামীণ এলাকায় একটি দেখতে পাচ্ছি এই ডিভাইসটি সাতক্ষীরা জেলার পালপাড়া রোড দিয়ে যাচ্ছে সেই সময় এই ছবিটি তোলা হয়েছে
এই ছবিতে আমরা একটি আসবাবপত্রের দোকান দেখছি আর একটি সৌখিন ফার্নিচার নামে দোকানের নামকরণ করা হয়েছে খুব সুন্দর দেখা যাচ্ছে দোকানের সামনে বিভিন্ন রকমের আসবাবপত্র সাজানো আছে আর আমরা দুইজনতো ব্যবহার করতে ভালোবাসি এবং এসব আসবাবপত্র আমাদের ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে আমরা ঘর সাজানোর জন্য এসব যন্ত্র ব্যবহার করি আমরা সাধারণত ঘরের খাট পালঙ্ক চেয়ার টেবিল আলমারি এবং শোপিস ইত্যাদি ব্যবহার করে সবগুলো আমরা ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ব্যবহার করতে পারি এখানে ছবিতে আমরা ফার্নিচারের দোকানের দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি আর দোকানের সকল প্রকারের ফার্নিচার এর মালামাল পাওয়া যায় দোকানদার একদম দীর্ঘদিনের ফার্নিচার ব্যবসায়ী তার দোকানটি তিনি প্রত্যেকদিন খোলা রাখেন এবং ব্যবসা করে তিনি একজন স্বাবলম্বী ব্যবসা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন এখানে যে ফার্নিচারের দোকান টি দেখা যাচ্ছে সেটি ফরিদপুর জেলার নাভারন বাজারে অবস্থিত
আমাদের সাতক্ষীরা জেলায় ভারী পণ্যবাহী বহনকারী পরিবহন  ট্রাক ।  আমাদের সাতক্ষীরা জেলায় প্রচুর ট্রাক চলাচল করে। আমরা সাতক্ষীরা জেলায় একটি খুব জনপ্রিয় পরিবহন ট্রাক। আমরা রাস্তায় একটি ট্রাক দেখতে পাচ্ছি ।  এটি চিতলমারী বাজারের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে। সাতক্ষীরা জেলায় বিভিন্ন ধরণের হলুদ ট্রাক দেখতে পাচ্ছি ।  আমি দেখতে পাচ্ছি হলুদ ট্রাকটি চিত্তলমারী বাজারের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে। সাতক্ষীরা জেলা ও আশেপাশে বিভিন্ন পণ্য বহনে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  আমরা দেখতে পাচ্ছি একটি বড় ট্রাক রাস্তা ধরে চলছে। এটি অন্য ভারী ব্যবহার করতে পারে।  আমরা দেখতে পাচ্ছি এটি খুব দ্রুত গতিতে চলছে।
বাজারের মেইন সড়কের পাশে বাদাম বিক্রেতা এবং মুড়ি  বিক্রিতার দোকান।  এই বস্তার ভিতরে মুড়ি ও বাদাম নিয়ে বসে আছেন ।  আমরা সবাই বাদাম খেতে পছন্দ করি।  এটি একটি জনপ্রিয় খাবার।  বাদাম খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল।  কারণ বাদামে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে।  এজন্য আমরা বাদাম খেতে ভালোবাসি।  আমাদের দেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে বাদাম ব্যাপকভাবে জন্মে।  এই জেলাগুলি বাদাম সরবরাহ করা হয় সমগ্র বাংলাদেশের জেলায়।  ছবিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি  এই বাদাম বিক্রেতা।  তারা বাজারের রাস্তার পাশে বাদাম বিক্রি করছে।  এবং এখানে বিভিন্ন লোককে দেখা যায়।  যারা বাজারের রাস্তার পাশে আছেন তারা প্রয়োজনীয় কাজে তাদের বাজারে এসেছেন।   বাদাম এবং মুড়ি আমরা খেতে পছন্দ করি।  আমরা এই জাতীয় খাবার বেশি খেতে পছন্দ করি।  এটি বাজারের রাস্তার পাশে বাদাম এবং মুড়ি বিক্রি করছে।  এই দোকানীরা বাদাম এবং মুড়ি বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করে।  এটি একটি জনপ্রিয় খাদ্য বাদাম  মুড়ি।  এই বিক্রেতা  বাদাম এবং মুড়ি বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করেন। বাদম খুবি লাভজনক ব্যাবসা ।  এই বাদামগুলি বিক্রি করে তারা প্রতিদিন একটি ভাল লাভ করতে পারে।  এখানে আমরা যশোর জেলার নাভরান বাজারের প্রধান রাস্তার পাশে বাদাম ও মুড়ি বিক্রিতা দেখতে পাচ্ছি।
এই দোকানটি সাতক্ষীরা জেলার নিউ মার্কেট মোড়ে অবস্থিত। এখানে দেখা যাচ্ছে দোকানের সামনে বিভিন্ন রকমের কাপড় সাজানো আছে। এখানে সকল প্রকার ভালো মানের আরামদায়ক মসৃন কাপড়  পাওয়া যায়। আর আমরা সুন্দর এবং অনেক নরম কাপড় পরিধান করতে ভালোবাসি। আর এসব কাপড় আমরা বিভিন্ন কাপড়ের দোকান থেকে ক্রয করি। এই ছবিতে আমরা কাপড় দোকানে দৃশ্যটা দেখতে পাচ্ছি। মানুষের মৌলিক চাহিদা ভিতরে বস্ত্র অন্যতম সকলের নিত্যনতুন দৈনন্দিন জীবনে কাপড় ব্যবহার করে। এবং এসব কাপড় আমরা কাপড়ের দোকান থেকে ক্রয় করি। এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে এই দোকানের সকল প্রকারের কাপড় পাওয়া যায়। এবং এই দোকানের অনেক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে দূর-দূরান্ত থেকে কাপড় ক্রয় করার জন্য এই দোকানে ভিড় দেখা যায়। এখানে আমরা কাপড়ের  দোকানটি দেখা যাচ্ছে।  তিনি প্রতিদিন কাপড়ের দোকান তো খোলা রাখেন। এবং এই কাপড়ের ব্যবসা করে তিনি অর্থ ইনকাম করে। একজন স্বাবলম্বী কাপড় ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এখানে যে কাপড় দোকানটা নিউমার্কেট মোড়ে অবস্থিত।
ইঞ্জিন চালিত ট্রলি ভারী মালামাল  বহন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  আমরা এখানে একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলি দেখতে পাচ্ছি।  এই ধরণের ইঞ্জিন ট্রলি  আমাদের সাতক্ষীরা জেলায় প্রচুর চলাচল  করে।  আমরা ইঞ্জিনচালিত ট্রলির রাস্তায় দেখতে পাচ্ছি।  আমদের সাতক্ষীরা জেলা রোডে ইন্জিন চালিত ট্রলি দেখতে পাই  ।  এই জাতীয় ট্রলি থাকা আমাদের জন্য খুব উপকারী।  কারণ আমরা ভারী পণ্য বহনের জন্য এই পরিবহনটি ব্যবহার করতে পারি।  এখানে দেখা যায় কিছু ইঞ্জিন চালিত ট্রলি তে ইট নেওয়া হচ্ছে। তারা ইট  ব্যবহারের জন্য এখন থেকে গন্তব্যে পৌঁছেবে। এখানে ইঞ্জিন চালিত ট্রলি ভ্যান।  এটি সাতক্ষীরা জেলার মধুপুর বাজার রোড অতিক্রম করছে।  আমরা এখানে খুব সুন্দর দেখতে পাচ্ছি ।  একটি অসাধারণ পরিবহন এবং আমাদের সাতক্ষীরা জেলাতে প্রচুর ওই ইন্জিন চালিত ট্রলি পরিবহন রয়েছে।