写真

English: 

There is a possibility of storms and heavy rains in the southern part of Bangladesh, experts said.  Satkhira district including our Khulna division is located in the southern part of Bangladesh.  In the meantime, we are fearing storms and rains.  If you look closely at my picture, you can understand how much wind is blowing the plants.  I am terrified of the possibility of a storm.
 Everyone will pray for all the people of the southern region of Bangladesh🙏🙏



বাংলা:

বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলে ঝড়ের ও প্রচুর বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। আমাদের খুলনা বিভাগসহ সাতক্ষীরা জেলা অবস্থিত বাংলাদেশের দক্ষিণভাগে। ইতিমধ্যে আমরা ঝড় ও বৃষ্টির আশংকা পাচ্ছি। আমার ছবিটায় ভালোভাবে লক্ষ্য করলে বুঝতে পারছেন গাছপালা কি পরিমান বাতাস বইছে। আমি ঝড়ের সম্ভাবনায় আতঙ্কিত আছি।
সবাই দোয়া করবেন সকল বাংলাদেশের দক্ষিণ দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের জন্য🙏🙏
এই ছবিগুলো দেখে আমার ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল। আমার পিতা তখন জীবিত ছিলেন। তিনি অনেক ধরনের কাজ জানতেন। তবে শীতকালীন সময়ে আমার পিতা খেজুর গাছ কেটে রস বাহির কোরতো এবং সেই রস থেকে আবার গুড় ও এমনি মিষ্টি তৈরি কোরতো। শীতকালে  সকালে আমাদের বাড়ি প্রচুর ছোট ছট ছেলেমেয়ে সহ অনেক  লোকজন থাকত। তারা সবাই মিষ্টি খেতে আসতো। শীতকালে খেজুর গাছ কেটে আমার পিতা রস ও মিষ্টি তৈরী কোরত। ঐদিন গুলো আমি অনেক মিস করি কেননা ওইদিন আমার জন্য কখনো আর আসবে না।


পরিশেষে বলতে চাই আমাদের বাংলাদেশের গ্রামিন এলাকার শীতকালীন সময়কার সব থেকে জনপ্রিয় এবং সুন্দর দৃশ্য এটি। খেজুরের মিষ্টি তৈরির দৃশ্য।
সম্ভবত  4/03/2021 তারিখে আমি সহ বাংলাদেশ রিলিজ আ্যাডমিন সোহাগ, রউফ সহ রিলিজ সদস্য মুস্তাহিদুর সাতক্ষীরাতে গিয়েছিলাম  Earphone আনতে। রউফ এবং মুস্তাহিদুর Daraz online  shop এ একটি করে Earphone order দিয়েছিল এবং সেটা সাতক্ষীরা পৌছানোর পর আমারা একসঙ্গে আনতে গিয়েছিলাম। তারপর আমি ও সোহাগ চিন্তা করি আমাদের  একটি কম্পিউটার টেবিলের প্রয়োজন।  তাই আমরা আমাদের  জন্য সুন্দর একটি টেবিল তৈরি করার জন্য টেবিল তৈরি করার দোকানে জাই এবং দুইটা টেবিলের order দেই। কম্পিউটার টেবিল নিয়ে যেহেতু এত লিখছি  আগে থেকেই বলি বাংলাদেশ অত্যান্ত গরিব দেশ এখানকার বেশিরভাগ মানুষই গরিব। বাংলাদেশের গ্রামিন এলাকায় মানুষের বেশিরভাগ বাড়িতেই কোন কম্পিউটার টেবিল নাই। যেহেতু আমরাও অনেক গরিব পরিবার তাই আমাদের ও উক্ত টেবিল নাই।

যাইহোক আমারা দুইটা টেবিল বানানোর Order দেয় দুইটি টেবিলের দাম আসে BDT ৯৬০০. আমার কাছে কোন টাকা ছিলোনা এজন্য সোহাগ ২০০০ টাকা অগ্রমি পেমেন্ট করে। আমাদের হিসাবের খাতার ছবিও আমি পোস্ট করেছি। আর ৭৬০০ টাকা দিয়ে আমরা বৃহস্পতিবার বিকালে আমাদের টেবিল নিয়া আসবো এবং টেবিলের ছবি রিলিজে আপলোড কোরবো
করোনা সমস্যার কারনে বহুদিন পর আজ কলেজে গিয়েছিলাম আমাদের পরীক্ষা তারিখ সম্পর্কে জানতে, বন্ধুদের সাথে দেখা কোরতে। আমাদের কলেজটির নাম সাতক্ষীরা সরকারী কলেজ। উক্ত ছবিটিতে আমাদের সাতক্ষীরা সরকারী কলেজের মসজিদ ও  মসজিদ প্রাঙ্গনের ছবি দেখা যাচ্ছে। সারি সারি আছে অনেক গুলো মেহগনি গাছ। এই কলেজে জুড়ে আছে আমাদের অনেক স্মৃতি। আজকে সকালে রিলিজে সদস্য Emon এবং Shamsuzzaman আসছিলো আমার বাড়িতে তারা আমাকে মোটরসাইকেল কোরে নিয়ে গেসিলো কলেজে। কলেজে ছিলো আজকে অনেক ভিড়। কলেজে অনেক ভিড়ের মুল কারন সরকারি কিছু অনুদান দেওয়া হবে কলেজ শিক্ষার্থীদের  সেজন্য সবাই আবেদন কোরতে গেছিলো।

তবে বহুদিন পর কলেজে গিয়ে অনেক মজা হয়ছে। অনেক বন্ধুদের সাথে দেখাও হয়ছে। সর্বশেষ আজকের দিনটা অনেক ভালো ছিলো।
আমার বাড়ির পাশে আছে তালগাছের বাগান আর এই তালগাছের বাগানটি আছে সারিবদ্ধ ভাবে সাজানো গোছানো। এই তালগাছের বাগানের ভিতর যুবক ছেলেমেয়েরা  অত্যন্ত জনপ্রিয় ক্রিকেট খেলা করে থাকে। বাংলাদেশের মানুষ সব থেকে ভালোবাসে ফুটবল এবং ক্রিকেট খেলা। আর এই ক্রিকেট খেলা করছিল যুবক ছেলেরা তালগাছের বাগানের মধ্যে তাদের খেলা আমি দেখছিলাম এবং কয়েকটি ছবিও তুলছিলাম। খেলাটি হয়েছিল ধুলিহর গোবিন্দপুর গ্রাম বনাম ধুলিহর তালতলা গ্রাম। এই খেলাই গোবিন্দপুর গ্রামের ছেলেরা ৫ ওভারে ২৯ রান কোরে সবাই আউট হয়ে যায়। তারপর তালতলা গ্রামের ছেলেরা খুব সুন্দর  খেলা করে মাত্র তিন ওভারে ম্যাচ জিতে যাই উক্ত খেলাই রিলিজ সদস্য Mazbah al banna এবং Azmirh ছিলো। আজমির ভালো বল করেছিলো এবং বান্না ভালো ব্যাট করেছিল। তারা ম্যাচে জয় লাভ করে অনেক আনন্দ পেয়েছিল।ম্যাচে সবথেকে ভালো খেলছিল  হাবিবুর রহমান।
ছোট পোল্ট্রি মুরগির  বাচ্চা পালন বাংলাদেশের গ্রামিন এলাকায় দরিদ্র মানুষদের কর্মসংস্থানের একটি অন্যতম ব্যাবসা। আর এই মুরগির বাচ্চা পালন করে গ্রামিন বাংলার হাজারো মানুষ  জীবিকা নির্বাহ করছে। সরকার ইতিমধ্যে যেসব দরিদ্র মানুষ এমন ধরনের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছে তাদেরকে বিনা সর্তে লোন প্রদান করা শুরু কোরছে। আমি এই ছবিটা পোস্ট করার অন্যতম কারন আমাদের  রিলিজে কর্মরত সুমন ভাই সে নিজেও পোল্ট্রি  মুরগির ব্যাবসায় জরিত আছে  তাকে আমি আমার রিলিজের বেতন থেকে একবার সাহাজ্য ও কোরেছিলাম  তার কার্যক্রমে উন্নতির জন্য।


যাইহোক আমি যেটা বলতে চাচ্ছি বাংলাদেশের  বেকার সমস্যা সমাধানে এখন অনেক প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসছে  শুধু তাইনয় আমাদের রিলিজ কোম্পানির মাধ্যমেও অনেক বেকার যুবক অর্থ উপার্জন করে সন্তুষ্টি প্রাকাশ করেছে তার জন্য আমি বার বার ধন্যবাদ জানাই আমাদের  CEO Tatsuo Kanai স্যারকে,। তিনি সতি্যই অনেক মহান একজন মানুষ  এবং সৎ ও কর্মঠ।
#Follow#Rules


রিলিজে কর্মরত সকল বাংলাদেশি বন্ধুরা আপনারা নিজের কেমেরা দিছে ছবি তুলুন  তারপর পোস্ট কোরুন এবং লেখাই পরিবর্তন করুন একই ধরনের বাক্য বার বার ব্যাবহার করা বন্ধ করুন।  তাছাড়াও আপনারা একে অপরের পোস্ট গুলো পড়ুন লাইক এবং কমেন্ট ও করুন তাহলে সবাই উপকৃত হবেন।  আপনারা যত সুন্দর  কোরে ছবি ও লেখা পোস্ট কোরবেন আপনাদের পয়েন্ট খুবই দ্রুত বেড়ে যাবে। 
আমরা আপনাদের সাথে সকল সময় আছি যেকোন সমস্য হলে আমার সাথে যোগাযোগ করুন আমি আপনার সমস্যা সমাধান কোরে দেব। 
যেসব নতুন বন্ধুরা রিলেজে কাজ কোরছেন সবাই রুলস গুলো ফলো কোরেন এবং পুরাতন ফ্রেন্ডস রা একই বাক্য বার বার পোস্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। ধন্যবাদ আশাকরি আপনারা রুলস মেনে পোস্ট কোরবেন এবং বেশি বেশি পয়েন্ট উপার্জন করুন। 
#we can do it🔥🔥 আমাদের সাথে আমাদের রিলিজ কোম্পানির CEO  Tatsuo Kanai ছাড়াও  Rika mam,  TAKEHIRO sir এবং Horie  sir  সবসময় আছেন। ধন্যবাদ জানাই আরো একবার সবাইকে।

ブログ