写真

আপনারা এখন যে ছবিটি দেখতে পাবেন এখানে আছে সুন্দর একটি খাবার তৈরি করা আর আছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন একটি পরিবেশ। ছবিটা হল সাতক্ষীরা জেলার ঐতিহ্যবাহী একটি রেস্তোরাঁর খাবার ও তার ছবি। এই ছবিটি দেখলে কত সুন্দর লাগছে এখানকার পরিবেশটা ও কত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সাতক্ষীরা এমন অনেক রেস্তরা আছে যেখানে সবকিছু জিনিসটা এখন উন্নত মানের এবং তখন যেখানে আপনি একটি অর্ডার দিবেন সেখানে থেকেই তারা খাবার তৈরি করে আপনাকে গরম গরম টা রেডি করে দেবে  সেখানকার ব্যবস্থা অনেক উন্নত মানের এখন সবকিছু এ পেমেন্ট করা হয় বিকাশ কিংবা অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে কারণ আগে করা হতো হাতে এখন অনেক উন্নত হয়েছে এবং এসব খাবার খেতে গেলে তারা এখন মানি ব্যাগ  নিয়ে যায় না এখন চায় তার যথেষ্ট ফোনটি কেননা এই ফোনটির মাধ্যমে সে কিসে দোকানটির টাকা পরিশোধ করে দিতে পারবে এবং এখানকার খাবার আছে সেগুলো কত সুন্দর করে পরিবেশন করছেন তারা যেকোন মানুষের এরকম পরিবেশেই যেতে ভালো লাগবে নিশ্চয়ই এবং এরকম একটি খাবার খেতে পারলে তো আর কোন কথাই নেই এখন এরকম একটা সময় এসেছে যে তাদের সাথে কোন খাবারের অর্ডার দিলে তারা যে কোনো খাবারই তখনই তাকে উপহার হিসেবে খেতে দেওয়া দেবে।  অনেক সময় শ্রম কম লাগিয়ে এবং এখানে  প্রতিদিন বহু মানুষ বিভিন্ন জায়গা থেকে আসে খাবার খেতে। আর দেখতে পাবেন যে খাবারটি কত সুন্দর করে তৈরি করছে। এরকম দক্ষ মানুষও এখন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাবার তৈরি করছে।
এখানে আপনারা দেখতে পাবেন কত সুন্দর ভাবে দেয়ালে আঁকা ছবি। ছবিটি দেখতে কত সুন্দর লাগছে। এই ছবিটা হল যশোর জেলার বাংলাদেশ থেকে কত সুন্দর লাগছে দেখতে ছবি গুলো দেখছেন এগুলো আকছে একটি ছেলে তার কতটা দক্ষতা এগুলো সবই হাতে আকানো এবং ছবিটি দেখেছেন এরকম ছবি আঁকা তে আরো অনেক দেখা যায় এবং এটা সবথেকে সুন্দর লাগছে দেখতে এখানে আছে মানুষ এবং পশু পাখির ছবি যেগুলো দেখতে যে কোন মানুষেরই ভালো লাগবে এখানকার পরিবেশটা অনেক সুন্দর এখানে আছে একটি রাস্তা। রাস্তার পাশে আছে একটি বিল্ডিং সেরা বিল্ডিং টিতে ছেলেমেয়েরা কত সুন্দর করে এটি তৈরি করছে তাদের এটি তৈরি করতে অনেক মেধা খাটানোর প্রয়োজন হয়েছে একবারে তারা এসব কাজগুলো করতে পারেনি তাদের অনেকক্ষণ ধরে চেষ্টা করে।  প্রতিনিয়ত তাঁরা এসব প্র্যাকটিস করে এত সুন্দর করে ছবিটা আঁকতে হয়েছে তাদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে প্রকাশিত করছে বিভিন্ন দেওয়ালে এটি একটি ভাল দিক যে কোন ছেলে মেয়ের জন্য কেননা তারা যদি এরকম প্র্যাকটিস করতে থাকে তাহলে একসময় তারা একটি প্রফেশনাল কোন একটি আটকার হতে পারবে তখন তাদের একটি আটের জন্য অনেক মূল্য দেওয়া লাগবে এখন যদি তারা এভাবে প্র্যাকটিস করতে থাকে তাহলে নিশ্চয়ই তাদের ভবিষ্যতে হাতের কাজ অনেক সুন্দর হবে। সরকার তাকে ডেকে নেবে নিজস্ব কোন আটের কোন একটি কাজের জন্য।
এই ছবিটাতে এখন আপনারা দেখতে পাবেন সুন্দর একটি নদী। নদীর দুধার দিয়ে কত সুন্দর করে তৈরি করা আছে ঘরবাড়ি এবং আছে বড় পাহাড়। বাংলাদেশের এরকম অধিকাংশ জায়গায় এরকম দৃশ্য আপনি দেখতে পাবেন এটি হলো পাহাড়ি অঞ্চলের একটি অংশ কত সুন্দর একটি পরিবেশ তা দেখলে মন ভাল হয়ে যাবে।  এখানে মূলত যে নদীটা দেখতে পাচ্ছেন এই নদীটি ব্যবহার করে এখানকার মানুষ যাওয়া-আসা করে এপার থেকে ওপারে এবং কত সুন্দর করে ঘরবাড়িগুলো তৈরি করছে ঘরবাড়ির মাঝে মাঝে আছে গাছপালা যেগুলো ঘরবাড়ি কে আরো দারুন করে তুলছে।  সুদূরে আসে পাহাড় কত গুলো। যেগুলো দেখতে আরো সুন্দর লাগছে কারন সেগুলোতে লাগানো আছে সবুজ গাছ যেগুলো যেকোনো মানুষের মন কাড়বে এখানকার পরিবেশটি ঠিক সেরকম কত সুন্দর করে পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে তা না দেখলে বিশ্বাস হয় না। এখানকার পরিবেশটা দেখবেন তা কত সুন্দর দেখলে বুঝতে পারবেন এখানে আছে যে নদীটি নদীতে অনেক মাছ ধরে অনেক মানুষ এবং নদীটি ব্যবহার করে তাদের সকল কাজকর্ম। কেননা এপার থেকে ওপারে যাওয়ার জন্য তাদেরকে সাহায্য করবে। প্রতিনিয়তই তারা নদীটিকে ব্যবহার করে যাচ্ছে।
বাংলাদেশেও এখন নতুন নতুন রেস্তুরা তৈরি করছে এবং সেই রেস্তোরাঁগুলোতে আছে বিভিন্ন পদ্ধতি এবং আছে আদর্শ খাবার ব্যবস্থা। মানুষ যখন তার কোনো খাবার  খাওয়ার জন্য ইচ্ছে করবে  তখন সেটি অর্ডার করলে তার সামনে তৈরি করে নিয়ে আসা হবে। কত সুন্দর লাগছে পরিবেশ দেখতে এবং কত সুন্দর দেখতে খাবারগুলো এগুলো নিশ্চয়ই সুন্দর খেতে লাগবে একটি খাবার  টেবিলের উপর কত সুন্দর করে তৈরি করা আছে খাবার গুলো। এখন বাংলাদেশের মাঝেও এসেছে বিভিন্ন খাওয়া-দাওয়ার এর অনুষ্ঠান যা মানুষ পছন্দ করে তাই সেসব খাবার তৈরি করে দেওয়া হয় এসব রেস্তোরাঁগুলোতে এবং এখানে দেখতে পাবেন কত সুন্দর খাবার তৈরি করে দিয়েছে এরকম খাবার কোন মানুষ অর্ডার করলে তাকে সাথে তৈরি করে দেওয়া হবে। এখানকার পরিবেশটা ও কত সুন্দর এবং কত সুন্দর করে জিনিসপত্রগুলো সাজানো আছে রেস্তোরাঁটি অনেক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন তা দেখলে বোঝা যাচ্ছে। যে কোন মানুষের পছন্দ হবে এরকম একটি রেস্তোরাঁ। মানুষের সেই সব রেস্তোরাঁ পছন্দ হয়। যেখানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সবকিছুই সাজান গুছানো থাকে সেরকম একটি পরিবেশ।
এখানে এখন যে ছবিটি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব এটি হলো বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি অংশ। এই ছবিটি দেখতে কত সুন্দর লাগছে এখানকার পরিবেশটা ও কত সুন্দর মনোরম একটি পরিবেশ এখানে দেখতে পাবেন একটি রাস্তা আছে সে রাস্তাতে সারাদিনে যাতায়াত করছে কত রকমের গাড়ি এবং দেখতে পাবেন বড় বিল্ডিং কতগুলো এবং কি সুন্দর করে তা তৈরি করছে মানুষজন আর আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন পাশেই আছে একটি বড় নদী নদীর উপর দিয়ে একটি সেতু তৈরি করা আছে এপার থেকে ওপারে মানুষজন এবং যানবাহন যাতায়াত করার জন্য কত সুন্দর না ব্যবস্থাপনা ঢাকায় অনুষ্ঠিত এবং এটি একটি বিশেষ কিছু নয় তা নয় বাংলাদেশে এখন অনেক আধুনিক হয়েছে যার কারণে তাদের রাজধানী টা এত সুন্দর করে তৈরি করছে মানুষজন। এখানকার পরিবেশটা ও দেখেন কত সুন্দর মনোরম একটি পরিবেশ কোন ঝামেলা নেই এরকম পরিবেশে যেতে বলে যে কোন মানুষেরই ভালো লাগবে।  যতদূর দেখা যাচ্ছে দেখবেন শুধু বিল্ডিং ছোট-বড় কয়েক গুলো বিভিন্ন ধরনের বিল্ডিং তৈরি করা আছে।
মানুষজন একটু বেশি মজা করতে পছন্দ করে। কিন্তু একটু বেশি মজা অনেক সময় একটি মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং অতিরিক্ত মজা করা ভালো নয়। এই ছবিটিতে দেখতে পাচ্ছেন ছবিটাতে দুইজন মানুষ একটি চূড়ায় বসে অর্থাৎ একটি পাহাড়ের চূড়ায় বসে মজা করছে। দৃশ্যটি দেখুন কত সুন্দর লাগছে। বড় বড় পাহাড় গুলো আছে এবং সেই পাহাড়ের নিচে আছে ছোট একটি পুকুর দৃশ্যটি দেখতে কত ভালো লাগছে এই ছবিটাতে দেখা যাচ্ছে কত সুন্দর একটি দৃশ্য এখানে দেখতে পাবেন যে বড় বড় পাহাড় গুলো আছে সেগুলো বিভিন্ন ছোট বড় পাথর দ্বারা আকৃতি এবং দুজন মানুষ বসে আছে ছোট একটি পাহাড়ের ঢালে এবং নিচে আছে একটি রাস্তা এবং রাস্তার সাইডে আছে একটি বড় পুকুর তাতে অনেকগুলো পানি দেখা যাচ্ছে এবং তাদের মাচো আছে এবং এই যে পরিবেশ টা দেখছেন এটি কত সুন্দর দেখতে লাগছে যে কোন মানুষেরই পছন্দ হবে এরকম জায়গায় যেতে। এরকম যায় তারাই যায় যারা বিভিন্ন পাহাড়ের অর্থাৎ পাহাড় চূড়ায় উঠতে পছন্দ করে  তাদের জন্য এটি একটি মজার বিষয় হবে এটি একটি মজার বিষয় হলো যারা পাহাড়ে উঠতে চাই তারা বিভিন্ন পাহাড়ে  দেখবেন খুব সহজে উঠতে পারে এবং অনেক কিছু সাহায্য না নিয়ে। তারা এসব কাজ প্র্যাকটিস করতে করতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। যাই হোক সব মিলিয়ে তো ছবিটা খুব সুন্দর লাগছে দেখতে।
এখানে আপনারা দেখতে পাবেন সুন্দর একটি মসজিদ কত রং দিয়ে অর্থাৎ কতগুলো লাইটেস্ট ঝিকমিক করে জ্বলছে। এই মসজিদটি নতুন তৈরি করা হয়েছে এখানকার মানুষজন এই মসজিদটি তৈরি করেছেন সেই তাদের আল্লাহ কে ডাকার জন্য এই ছবিটা হল সাতক্ষীরা জেলার বাংলাদেশ থেকে ছবিটি দেখতে কত সুন্দর না লাগছে মানুষজন যে কত কষ্ট করে এই মসজিদটি বানিয়েছে সেই বানানো উপর তারা কত সুন্দর করে লাইটিং করতে যেগুলো দেখতে অতিশয় সুন্দর লাগছে, যে কোন মানুষের রাতের বেলায় এরকম দৃশ্য দেখলে তার মন কাড়বে এবং রাতের বেলায় এটি একটি দারুন একটি সিনারি কেননা দিনের বেলায় যদি তাকে লাইক দিয়ে সাজানো হয় তাহলে ততটা ভালো দেখাবে না কিন্তু রাতের বেলায় যদি সামান্য কিছু আলো দিয়ে কোন জিনিসকে আলোকিত করা যায় তাহলে বহুদূর থেকে তাকে দারুন লাগে দেখতে। মানুষ  তাদের নতুন নতুন ভাবনাকে প্রকাশ করছে  বিভিন্ন মাধ্যমে এবং তাদের ইচ্ছে গুলো এখন প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে যা মানুষ পূরণ করছে তার সাধ্য মতো। পরিবেশটা কতো সুন্দর দেখাচ্ছে এই ঝিকমিক লাইটের কারণে। মানুষ জন এখন এরাকম পরিবেশ সব থেকে বসে পছন্দ করে।
এই ছবিটাতে দেখতে পারবেন মানুষজন কত রকমের রান্না করতে পারে। এই ছবিটাতে দেখাচ্ছে একটি বার্গার এবং অনেকগুলো খাবার। খাবার গুলো কত সুন্দর করে মানুষজন তৈরি করছে এই ছবিটা হল যশোর জেলার বাংলাদেশ থেকে কত সুন্দর লাগছে খাবারটি। এই খাবারের ভিতরেও মশা এবং সবজি ব্যবহার করা আছে যেগুলোকে মানুষ এই একই সাথে খেতে অনেক পছন্দ করে। এই খাবার খেতে এমন কেউ পছন্দ করে না মানুষ নেই যারা প্রতিনিয়ত খাবার খেতে পছন্দ করে এবং এখানকার পরিবেশটা দেখছেন তা অনেক সুন্দর এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। এই খাবারটি খাবার খাওয়ার জন্য অনেক মানুষ ভিড় করে এবং এটি একটি জনবহুল একটি রেস্তোরাঁ বাংলাদেশের অন্যতম একটি রেস্তোরাঁ এবং এখানে আছে অনেক ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল পদ্ধতি। যেগুলো ব্যবহার করে মানুষ খুব সহজেই তাদের ইচ্ছা পূরণ করতে পারবে এখানে তারা যদি কোনো ইচ্ছা নিয়ে যায় তাহলে তাদের ইচ্ছা পূরণ করে দেয়া হবে যেমন কোন খাবারের অর্ডার দিলে সাথে সাথে সেই খাবার  তারা তৈরি করে দেবে সে মানুষটির কাছে এবং সময় ও শ্রম কম লাগিয়ে এবং এখানে আছে প্রচুর মানুষ তারা সবাই গল্প করছে এবং খাবার খাচ্ছে।
এই ছবিটাতে দেখতে পাবেন এক জায়গায় কতগুলো বাস রাখা আছে। এটি হলো একটি বাস স্টান্ড। এখানে আছে অনেকগুলো বাস এই বাসগুলো নির্দিষ্ট একটি জায়গায় বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুত মানুষ যখন এক জায়গা থেকে বহুদূর অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য কোন যানবাহন খোঁজে তখন এই বাসগুলো তাকে অনেক ভাবে সাহায্য করতে পারে। এই ছবিটা সাতক্ষীরা জেলার বাংলাদেশ থেকে ছবিটি দেখতে কত সুন্দর লাগছে এই যে বাস গুলো দেখছেন এই বাসগুলো কত সুন্দর করে মানুষজন লাইন সেট করে সাজিয়ে রাখছেন এগুলো দেখতে যেমন সুন্দর লাগছে এগুলো ভ্রমণ করলে আরো সুন্দর লাগে মানুষজন এখন দ্রুতগামী বাস হিসেবে ব্যবহার করছে বিভিন্ন বাস এবং যদি কোন বহু দূরে যাওয়ার জন্য যানবাহন খুঁজে তাহলে এই বাসটির কথা অতুলনীয়। এই বাসটি এখন বিভিন্ন জায়গায় বহুদূর পর্যন্ত চলাচল করতে পারে এগুলো এক সাথে অনেকগুলো মানুষ  নিয়ে যেতে পারে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় এবং এতে মূল্য অনেক কম সীমাবদ্ধ থাকে। এই যে বাসস্ট্যান্ড দেখছেন এখানে নির্দিষ্ট কোন জায়গায় যাওয়ার জন্য কিছু বাস দাঁড়িয়ে আছে নইলে লাইনে যাওয়ার জন্য যেগুলোকে বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থাৎ  কোন অঞ্চল থেকে অন্য কোন অঞ্চলের নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। আবার কিছু আছে যেগুলো এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাওয়ার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মানুষের ইচ্ছে যে কত সুন্দর তা না দেখলে বিশ্বাস হবে না। এই ছবিটিতে দেখেন একটি সুন্দর করে পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে ফুলের মাধ্যমে। ফুল দিয়ে সুন্দর করে সাজানো হয়েছে এরকম পরিবেশ মানুষজন খুবই পছন্দ করে এবং এই কাজটি করতে তাদের কিছু অর্থ খরচ হয়। এখানকার পরিবেশটা অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে মানুষজন এগুলো প্রত্যেক দিনে অর্থাৎ প্রতিনিয়ত করতে পারেনা কোন একটি নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট সময় পরিবেশে এরকম একটি পরিস্থিতি হয়। মানুষজন এরকম পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য অনেক কৌতূহল কেননা তারা নতুন নতুন সব জিনিসপত্র দিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে সবকিছু ঠিক করতে পছন্দ করে। এরকম পরিবেশে যে কোন মানুষের ভালো লাগবে অনেক সুন্দর নানা ধরনের ফুল দিয়ে কত সুন্দর করে সাজিয়েছে। মানুষ যতই উন্নত দিকে যাচ্ছে তাদের ইচ্ছে এবং ইচ্ছেগুলোকে অনেক উন্নত করছে যে প্রতিনিয়ত হয় কেননা তারা সবসময়ই নতুন নতুন কিছু দেখতে করতে চাই এবং সব সময় তারা একটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন গোছানো সাজানো পরিবেশে থাকতে পছন্দ করে। এজন্য তারা সবসময় দেখবেন কোনো না কোনো কারণেই তারা অতি সুন্দর করে তাদের পরিবেশটা সুন্দর করে সাজিয়ে ফেলে মুহূর্তের মধ্যেই ।
এই ছবিটিতে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন আছে বড় একটি নদী, সেই নদীতে চলাফেরা করছে বড় বড় নৌকা, জাহাজ ইত্যাদি অনেক কিছু এবং এই নদীতে দুই ধারে আছে অনেকগুলো ঘরবাড়ি, সেগুলো দেখতে কত সুন্দর লাগছে, এই ছবিটা যুক্তরাষ্ট্রের এই ছবিটাতে কত সুন্দর লাগছে এগুলো দেখতে। এই দেখলেই বোঝা যাচ্ছে যে কোনো মানুষই দেখলে বুঝতে পারবে এই নদীতে কেমন ব্যয়হৃত হচ্ছে মানুষের  জন্য প্রতিনিয়ত আর অন্যদিকে এটা ব্যবহার করে উপকৃত হচ্ছে মানুষ।  এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়ার জন্য নদীপথ অর্থাৎ নদীপথে অনেক সুবিধা হয় এবং সময় সবকিছু কম লাগে মানুষজন এখন এ নদী পথ তাই অধিক পরিমাণে ব্যবহার করছে এবং নদীপথে একটি ভ্রমণের আনন্দ অনেক বেশি হয়। যে কোনো মানুষই একটু নদীপথে অর্থাৎ নদীতে বেড়াতে একটু বেশী পছন্দ করে এবং নৌকায় উঠতে পারলে আর কোন কথাই নেই যে কোনো মানুষেরই পছন্দ হবে নৌকার ভ্রমণ। মানুষজন এখন এই নদীর পারে এজন্য বেশি পছন্দ করে। যাতে করে সে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে পারে এবং এই নদী ভ্রমণ করতে পারে।
শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের যত মানুষ আছে তারা সবাই নিশ্চয় খেতে বেশি পছন্দ করে। এমন কোনো মানুষ নেয় যারা খেতে পছন্দ করে না তাদের জন্য এসব খবরগুলো। এখানে যে ছবিটা দেখছেন এই ছবিটাতে সুন্দর করে গোছানো এবং পরিপাটি খাবারের টেবিল সেই খাবারের টেবিলে নানা ধরনের খাবার এখানে আছে চিকেন ফ্রাই চাটনি দই ইত্যাতি খাবার।  যেগুলো মানুষ খেতে অনেক বেশি পছন্দ করে মানুষজন এখন সাধারণত ভিন্ন ভিন্ন খাবার খেতে বেশি পছন্দ করে তাই সে যত দামি হোক না কেন এখন বাংলাদেশেও এবং বিভিন্ন দেশ গুলোতে এরকম একটি রেস্তরাঁ  তৈরি করেছে যেখানে মানুষ  তার ইচ্ছাটা পূরণ করতে পারবে অর্থাৎ সেখানে গেলে যে সে যে খাবার অর্ডার দেবে না কেন তা সে নিশ্চয় পেয়ে যাবে যথা সময়ে মধ্যে।  এসব খাবার যেমন খেতে সুস্বাদু তেমনি এর মূল্য দিতে হয় অনেক বেশি মানুষজন এসব খেতে বেশি পছন্দ করে যার জন্য এর মূল্য অনেক দিন দিন এবং সাতক্ষীরা জেলায় আছে এরকম একটি পরিবেশ যার তুলনা হয় না সাতক্ষীরা এরকম কয়েকটি স্থানে ভিতরে একটি। এরকম অনেকগুলো রেস্তরা আছে  যেখানে মানুষ প্রতিদিন যাওয়া আসা করে এরকম সুন্দর সুন্দর খাবার খাওয়ার জন্য এবং এগুলো খেতে খুবই সুস্বাদু
ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। এখানে দেখতে পারেন সে ঢাকার একটি অতুলনীয় দৃশ্য। এই দৃশ্যটাতে একটি রাস্তা রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করছে যানবাহন এবং আশেপাশের পরিবেশ টা লাইটিং করে কত সুন্দর লাগছে। এই যে পরিবেশটা দেখতেছে ঢাকার একটি অত্যন্ত সুন্দর একটি দৃশ্য দিনের বেলা যতটা সুন্দর লাগে রাতের বেলায় ঢাকার পরিবেশটা ততই উজ্জ্বল এবং সুন্দর হয়ে ওঠে সময়ের সাথে সাথে। মানুষজন রাত্রে নানা ধরনের সব লাইটিং করার মাধ্যমে পরিবেশ চাকচিক্য ময় হয়ে ওঠে যা যে কোন মানুষেরই ভালো লাগবে। রাজধানীর পরিবেশটাও অনেক সুন্দর যে কোনো মানুষই একবার যদি বেড়াতে যায় তাহলে বাড়ি এসে অবশ্যই তা অন্যদের সাথে গল্প করবে যে রাজধানী পরিবেশটাও কত সুন্দর। মানুষ ঢাকায় ঘুরতে যায় বিভিন্ন জায়গা থেকে এবং ঢাকায় আছে না ধরনের ঐতিহাসিক স্থান যেখানে মানুষ ঘুরতে যাই প্রতি বছরই এবং কেউ কেউ বেড়াতে এবং ভ্রমণ করতে চাই প্রতিদিনই। এরকম পরিবেশ দেখতে সবারই ভালো লাগবে নিশ্চয়ই আপনাদের অনেক ভালো লাগবে বাংলাদেশ আছে ওরকম স্থানীয় ঐতিহাসিক স্থান মহাস্থানগড় ওয়ারী বটেশ্বর ইত্যাদি প্রভিতি অনেক গুলো। কিন্তু এখন যে দৃশ্যটি দেখতে পাচ্ছেন এটি সবথেকে সুন্দর একটি দৃশ্য ঢাকার বুকে রাতের বেলা যে এত সুন্দর হয় তা ভাবা অসম্ভব।
হাজারো কাজের মাঝে মানুষ এখন ছুটে বেড়াচ্ছে একটু বিনোদনের জন্য। এখানে যে পরিবেশ টা দেখতে পাচ্ছেন এটি হলো একটি বিনোদনের স্থান। এই ছবিটা সাতক্ষীরা জেলার সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশে কত সুন্দর লাগছে এবং গুলো দেখতে বর্তমানে মানুষজন এখন সারাদিন কাজকর্ম করে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরে এবং ছুটির দিনে তারা এসব জায়গায় বেশিরভাগ ঘুরতে যায়। কেননা তাদের কাজের ভিতর একটি বিনোদন থাকা দরকার না হলে একটি কাজে তাদের মন কখনোই বলবে না এবং শারীরিক ও মানসিক একটা বিষয় আছে। যেটি এসব জায়গায় পরিদক্ষণ করলে অনেক ভালো হয়। সারাদিনে কাজ করলে তাদের  শরীররে আসে  ক্লান্তি।  এজন্য একটু বিনোদনের প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এরকম পরিদক্ষণ করার স্থান আছে যেখানে মানুষ প্রতিদিন ঘুরতে বেড়াতে যায় এবং এসব জায়গায় বাইরে থেকে মানুষজন আসে এগুলো দেখতে। কেননা এরকম দৃশ্য দেখতে সবারই ভালো লাগবে বাংলাদেশ এরকম এখন তৈরি করা হয়েছে কয়েকটি পার্ক যেগুলো দেখতে অনেক সুন্দর এবং এখানে কাছে কয়েকটি হরিণ এবং একটি পুকুর দেখতে কত সুন্দর লাগছে এসব হরিণগুলো প্রধানত সুন্দরবনের অনেক ভাল দেখা যায়। সুন্দরবন বাংলাদেশের একটি স্থানীয় অর্থাৎ একটি জনপ্রিয় স্থান যেখানে বিদেশ থেকে মানুষজন আছে এটি দেখার জন্য। এই সব পার্ক গুলো মানুষের বিনোদন দেওয়ার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে।
এখানে যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এটি হলো সাতক্ষীরা জেলার খুলনা রোডে পাশে অবস্থিত সাগর মিষ্টির দোকান।এখানে যে মিষ্টি গুলো দেখতে পাচ্ছেন এগুলো অনেক জনপ্রিয় মিষ্টি এগুলো বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আছে এই দোকানটিতে খাওয়ার জন্য এগুলো অনেক সুস্বাদু খেতে। মানুষজন প্রতিনিয়তই এগুলো খাওয়ার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে আসে এখানকার পরিবেশটা অনেক সুন্দর এই মিষ্টিগুলো রাখা আছে একটি কাচের  এর ভিতরে এবং দোকানটি অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। এখানকার যারা কাজকর্ম করে তারা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে কাজকর্ম করে থাকে এবং তাদের হাতের কাজ ও অনেক সুন্দর সবকিছু পরিপাটি। এখানকার মাহাজন আছে তিনি অনেক সুন্দর ব্যবহার করেন কাস্টমারদের সাথে এবং এখানে যে পরিবেশে আছে সেগুলো অনেক সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন কোন প্রকার কোন অপরিচ্ছন্ন কোন জায়গা নেই। পরিষ্কার  করে রেখে দিয়েছে এবং এই মিষ্টিগুলো বাইরেও সাপ্লাই করে দোকানদাররা এবং এখানে যারা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে তারা এখান থেকে রাতে বাড়ি যাওয়ার সময় টাকা নিয়ে তাই বাড়ি যাবে এবং প্রতিদিনই প্রায় বহু মানুষের সাথে তারা মেলামেশা কথাবার্তা বলে।
আপনারা এখানে যে ছবিটি দেখতে পাবেন এটি হলো একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের গ্রেট। এই ছবিটা হল সাতক্ষীরা জেলায় বাংলাদেশ থেকে কত সুন্দর লাগছে দেখতে। এখানকার পরিবেশটা অনেক সুন্দর করে সাজিয়েছেন মানুষজন কেননা এ জায়গাযটিতে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কত সুন্দর করে তারা এই গেটটিকে সাজিয়েছেন ফুলের মাধ্যমে। ফুল দিয়ে দুটি পাখি তৈরি করছে সেগুলো দেখতে কত সুন্দর লাগছে এবং এখানকার পরিবেশটি দেখবেন সেখানে কত সুন্দর করে তৈরি করে রাখা হয়েছে সেগুলো দেখতে খুব ভালো লাগছে মানুষজন প্রতিনিয়ত এসব তৈরি করতে পারে না যখন কোন অনুষ্ঠান হয় তখনই এরকম পরিবেশ দেখা যায়। এরকম পরিবেশ সৃষ্টি করা যখন তখন আপনার যে সে মানুষের সম্ভব নয় যারা প্রফেশনাল খুবই সুন্দর আর্ট করতে পারে তারা এত সুন্দর করে এসব তৈরি করে। কত সুন্দর লাগে সেগুলো দেখতে মানুষজনও কত কষ্ট করে সেই আট গুলো শিখে অন্যের পছন্দ অনুযায়ী সেই আটটি পরিবেশন করার জন্য তারা কতভাবেই না চেষ্টা করে এরকম পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য। এর জন্য মানুষের অনেক টাকা দিতে হয়েছে কেননা তারা অর্থের বিনিময়ে এত সুন্দর করে একটি পরিবেশ সৃষ্টি করে দেবে।
এ ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে অনেকগুলো খাবার এক জায়গায় করে রাখা হয়েছে। এই ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে যে খাবারগুলো এগুলো হলো সাতক্ষীরা জেলার ঐতিহ্য একটি হোটেলের খাবার। মানুষজন প্রতিদিন এসব হোটেলে খাবার খাওয়ার জন্য আগত হয় এইসব দোকানে অধ্যাদেশের রেস্তোরাঁয় পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের খাবার চাইনিজ খাবার ইত্যাদি। মানুষ প্রতিদিন আসে এসব খাবারগুলো খেতে এসব খাবার সব জায়গায় পাওয়া যায় না বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় সব খাবার এবং তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী সেগুলো সাথে তৈরি করে দেওয়া হয়। সেখানে থাকে অত্যন্ত অত্যাধুনিক ব্যবস্থাপনা যা মানুষের আনন্দময় সৃষ্টি করে মনকে এবং সে যে কি খাবার খাবে তার  তৈরি করে দেওয়া হবে কোনো রকম কোনো সময়ের অপচয় না করে তাকে যথাসময়ে সেই খাবারটি দেওয়া হবে। মানুষজন এজন্য এসব রেস্তোরাঁয় বেশি ভিড় করে যাতে করে তাদের ইচ্ছেগুলো সম্পূর্ণভাবে পূরণ হয় এবং তাদের খাওয়ার জন্য আরও সুন্দরভাবে তৈরি করা হয়। তার জন্যই এবং মানুষজন জানে যে এসব জায়গায় বেড়াতে গেলে তাদের সেই ইচ্ছাটা পূরণ করতে পারবে তাই বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষজন আছে রেস্তোরাঁয় এবং প্রতিদিন বহুত ভিড় হয়। প্রায় সবসময়ই এইসব খাবারগুলো খেতে অনেক সুস্বাদু এবং অনেক পছন্দের হয় অনেক মানুষেরই এসব খাবার বড় বড় রাস্তায় ছাড়া পাওয়া যায় না যেখানে সেখানে এসব খাবার মেলে না।
আপনারা এখানে যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এটি হলো একটি ফুটপাত এবং একটি মেন রাস্তা এবং এই যে ছবিটি দেখছেন এটি লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন রাস্তার পাশে যে ফুটপাত পার্টি আছে এটি তৈরি করেছে সরকার। এটি তৈরি করে দেওয়ার ফলে অনেক মানুষ রাস্তা দিয়ে হাঁটতে পারে যাতে করে অনেক সুবিধা হয় কেননা রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় যদি কোনো যানবাহন এসে তাকে ধাক্কা দেয় তাহলে যে আঘাত প্রাপ্ত হতে পারে এজন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে সুবিধা হবে এবং দেখলেন যে প্রতিনিয়ত চলাচল কত যানবাহন। এইসব সবমিলিয়ে বাজারটি ভরপুর আছে 24 ঘন্টায় এক  স্থান যেখানে মানুষজন তাদের ইচ্ছেগুলো অর্থাৎ তাদের জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুলো পাওয়া যায় প্রত্যেক মানুষই দিনে একবার হলেও এই বাজারটিতে  আসে এই ধুলিহর  বাজারটি আগে যেমন ছিল এখন অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে সবই সম্ভব হয়েছে এই যে নতুন রাস্তাটি দেখছেন এ রাস্তাটি তৈরি হওয়ার ফলে এখানকার দোকানদাররা ও তারা অনেক সজাগ হয়ে গেছেন তাদের এই নতুন রাস্তা দেখে তারাও নতুন নতুন দোকান  তৈরি করছেন এগুলো দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে।
এই ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে একটি সুন্দর রাস্তা সে রাস্তার দুই ধার দিয়ে কত সুন্দর করে ঘরবাড়ি তৈরি করা আছে। এই ছবিটি তোলা সাতক্ষীরা জেলা থেকে সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ। এই ছবিটি দেখতে কত সুন্দর লাগছে এখানে আছে মনোরম একটি পরিবেশ এবং এই যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এখানে রাস্তার দুই ধার দিয়ে কত সুন্দর করে বাড়িঘর তৈরি করা হয়েছে সেই বাড়ীঘরগুলো আবার সুন্দর করে রং করা হয়েছে এবং রাস্তার পাশ দিয়ে প্রত্যেকটিতে আছে বৈদ্যুতিক সংযোগ যা এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ সরকার প্রতিনিয়তো কাজ করে যাচ্ছে এবং অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এখন প্রায় ডিজিটাল হওয়ার পথে আগমন  করছে বাংলাদেশ সরকার ও এখন নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে তারা বাংলাদেশকে উন্নত করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং এই ছবিটিতে দেখলেই বুঝতে পারবেন যে  সাতক্ষীরা জেলায় কত সুন্দর। এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে প্রত্যেক মানুষই ভ্রমণ করতে চাই তার ভিতরে একটি এ জায়গাটিতে অনেক মনোরম পরিবেশ আছে যেকোন মানুষের ভালো লাগবে।
আপনারা এই ছবিটাতে দেখতে পাবেন মানুষের রুচি কতটা উন্নত মানের এবং দেখতে পাবেন  মানুষটার ইচ্ছে কতটুকু প্রকাশ করতে পারে। এই ছবিটি তোলা সাতক্ষীরা জেলার মেন টাউন থেকে এখানে যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এখানে আছে বড় একটি সুন্দর বাড়ি সেই বাড়ির আঙিনাতে সুন্দর সুন্দর গাছ লাগানো কত সুন্দর দেখতে যেকোন মানুষের ইচ্ছা হবে এরকম একটি বাড়ি তৈরি করতে। কিন্তু সবারই এইসব অর্থ থাকে না সবারই ইচ্ছা থাকলেও তারা প্রকাশ করতে পারে না বা বাস্তবায়ন করতে পারে না। এরকম একটি বাড়ি তৈরি করার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয় কিন্তু বাংলাদেশের অনেক জেলা আছে অনেক গরিব মানুষ তারা এসব তৈরি করব না কিন্তু যাদের আছে তারা অবশ্যই এরকম একটি সুন্দর বাড়ি করতে পারবে। ছবিতে থাকা এই বাড়িটি দেখতে ভালো লাগছে এই বাড়িটি তৈরি করে তাতে অনেক রং করে এবং সুন্দর টাইলস বসানো হয়েছে এবং এর সামনে আছে একটি রাস্তা দিয়ে চলাচল করার জন্য এবং বাড়িতে গাড়ি কিংবা অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে পারবে হালকা পরিমাণে এবং রাস্তার দুই পাশে সবুজ গাছপালা সবকিছু ফুলের বাগান।