写真

পড়ন্ত বিকেলে রাস্তায় যে খুবই সুন্দর দেখা যাচ্ছে। এবং রাস্তাটি অনেকটাই ফাকা দেখা যাচ্ছে। এই লকডাউনে ঘর থেকে বাহিরে কিছুটা হলেও তারা বাড়িতে অবস্থান করতেছে। এবং নিজের ঘরে অবস্থান করতেছে। আপনাকে তারা বাহিরে খুবই কম চলাচল করতেছে। এই দৃশ্যটা দেখলে আপনারা বুঝতে পারতেছেন। কারণ এমন সময় রাস্তার মধ্যে অনেক লোকজন থাকার কথা ছিল।  তা সত্ত্বেও কিন্তু এই লকডাউন এর কারণে মানুষ তারা বাড়িতে অবস্থান করতেছে। এবং সাতক্ষীরার মেইনরোড এবং রাস্তার উপরে দাঁড়িয়ে কিন্তু আমি এই ছবিটা তুলেছিলাম। এই ছবিটা আপনার খুবই সুন্দর খুবই দেখতে পাচ্ছেন। খুবই অল্প সংখ্যক লোক কিন্তু রাস্তার মধ্যে চলাচল করতেছে । এবং সুর্য অনেকটা ঢলে পড়েছে পশ্চিমাকাশে। পড়ন্ত বিকেলের এই ছবিটি আমি আপনাদের কাছে উপস্থাপন করেছি। এ দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন সূর্যটি কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই ডুবে যাবে এবং রাতের শুরু হয়ে যাবে।  এক কথায় এই ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন খুবই সুন্দর হয়েছে সকলের ভাল লাগবে ইনশাল্লাহ্।
অগ্রযাত্রা একটি জাতীয় পত্রিকা। এটি আমাদের সাতক্ষীরার একটি নিউজপেপার। যা আমাদের সাতক্ষীরায় অনেক নাম খ্যাতি অর্জন করেছে। এটি খুবই সুন্দর ভাবে রিপোর্ট বা নিউজ করে থাকে।খুব সুন্দর ভাবে খবরগুলো মানুষের কাছে প্রচার করে থাকে একটি পত্রিকার মাধ্যমে। এটি একটি অনুসন্ধানমূলক পত্রিকা। এই পত্রিকার অফিস এর একটি ছবি কিন্তু আমি আপনার সামনে উপস্থাপন করেছে। এই ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন রাস্তার পাশে খুবই সুন্দর রঙিন একটি বিল্ডিং হয়েছে। এবং এই বিল্ডিং এর সামনে একটি সাইনবোর্ড দেওয়া রয়েছে অগ্রযাত্রা। এটি সাতক্ষীরা কলেজ রোডে অবস্থিত বিল্ডিংটি অগ্রযাত্রার অফিসের।  তারা এখান থেকে বিভিন্ন প্রকার খবর সংগ্রহ করে তারা কিন্তু একটি পত্রিকার মাধ্যমে মানুষের কাছে খবর পৌঁছে দিয়ে থাকে। অগ্রযাত্রা খুবই সুন্দর ভাবে খবর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কারণেই কিন্তু খুব খ্যাতি অর্জন করেছে। আজ অগ্রযাত্রা মানুষের কাছে অনেক পরিচিত একটি নাম হয়ে গিয়েছে। একটি পত্রিকার নামঅগ্রযাত্রা।আশা করি অবশ্যই আপনাদের ভালো লাগবে। যদি ভালো লাগে তবে লাইক করতে ভুল করবেন না.
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর রয়েছে আমাদের বাংলাদেশে। দৃশ্যতে আপনারা কিছু প্রাকৃতিক দৃশ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কিন্তু দেখতে পাচ্ছেন। এই দৃশ্যগুলো খুবই সুন্দর ভাবে দেখানো হয়েছে। একটি রাস্তা এবং রাস্তার দু'পাশে এত সবুজ-শ্যামল গাছপালা ভরপুর পরিপূর্ণভাবে রয়েছে। এই দৃশ্যগুলো আমাদের বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আপনি দেখতে পাবেন। এটি আমাদের সাতক্ষীরায় একটি গ্রামের রাস্তার চিত্র। এই গ্রামের মধ্য দিয়ে এই রাস্তাটি অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে শহরের দিকে। এবং এই রাস্তার দু'পাশে এত সুন্দর সবুজ গাছপালা সত্যিই অসাধারণ দৃশ্য। খুবই সুন্দর দেখা যাচ্ছে। এই দৃশ্যগুলো ফুটে উঠেছে এই গাছগুলো খুবই সুন্দর সবুজ এবং আকাশের দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পাচ্ছেন আকাশের মধ্যে ঘন কালো মেঘ জমা হয়েছে। এবং এটি কিন্তু বৃষ্টি আভাস দিয়ে থাকে এক ঘন কালো মেঘ হওয়ার পরে কিন্তু বৃষ্টি হয়ে থাকে। মেঘ হলে কিন্তু আমরা বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য প্রস্ততি নিয়ে থাকি। এই দৃশ্যটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আকাশে ঘন কালো মেঘ এবং সুন্দর পরিবেশ সবুজ-শ্যামল পরিবেশ। সব মিলিয়ে কিন্তু একটি অসাধারণ দৃশ্য। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে। আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। কারণ এমন মনোরম পরিবেশ এবং সুন্দর পরিবেশ গাছপালার মধ্য দিয়ে একটি অসাধারণ দৃশ্য.
বন্ধুরা, একজন ব্যক্তির খাওয়ার দৃশ্য মূলত আমি আপনাদের সামনে দেখিয়েছি। এই দৃশ্যটা আপনারা খুবই সুন্দর ভাবে দেখতে পাইতেছেন যে তিনি কীভাবে খাচ্ছেন। তার খাবার খেতে খুবই ভালো লাগে। এজন্যই তিনি এত বেশি খেয়ে থাকেন। তার সামনে দেখতে পাচ্ছেন বিভিন্ন রকমের খাবার সাজানো রয়েছে। তিনি ভাত খাচ্ছেন এবং ভাতের সাথে বিভিন্ন প্রকার তরকারি খাচ্ছেন। তার এই খাওয়ার দৃশ্যটা আমার কাছে ভাল লাগার কারণে আমি এটি ক্যাপচার করেছিলাম।  তারে খাওয়ার দৃশ্যটা মূলত আমি আপনাদেরকে দেখাবো। তিনি অনেক খাবার খেতে ভালোবাসেন তিনি বিভিন্ন প্রকার তরকারি দিয়ে মূলত আজকের খাবার খাচ্ছে। তার খাবারের দৃশ্যটি আশা করি আপনাদের সকলের ভাল লাগবে। তিনি আমার বন্ধু আকাশ তো তার বাড়ি যশোরে এবং তিনি খুবই ভালো একজন ব্যক্তি। সে বর্তমানে একজন 
ব্যাবসায়ি। এই ব্যক্তি তিনি একটি ছোটখাটো ব্যবসা করে থাকে। তো তার খাবারের দৃশ্যটি যদি আপনাদের ভালো লাগে। তবে অবশ্যই লাইক এবং কমেন্ট করবেন.
এখন বর্তমানে রমজান মাস এই রমজান মাসে সকল মুসলমান রোজা রেখে থাকে এবং সারা দিন রোজা রাখার পরে কিন্তু সন্ধ্যায় ইফতারি করে।ইফতারের চিত্রটি সত্যিই অনেক সুন্দর এবং চমৎকার ছিল কারণ এটি নদীর মধ্যে চলমান একটি জাহাজের উপরে এই ইফতারির আয়োজন করা হয়েছে দেখা যাচ্ছে এখানে কয়েকজন লোক বসে তারা ইফতারি নিয়ে অপেক্ষা করতেছে ইফতারের জন্য এবং ইফতারের সময় হলেই কিন্তু তারা ইফতারি খাওয়া শুরু করবে এমন পরিস্থিতিতে এই ছবিটি ক্যাপচার করা হয়েছে দেখা যাচ্ছে খুবই সুন্দর পরিবেশ মুসলমান ধর্মের রোজা হচ্ছে ফরজ এবং মুসলমানদের অনেকেই পালন করে থাকে একটি মাস এই রমজান মাসে রোজা পালন করা হয়ে থাকে সারা বিশ্বে যত মুসলমান রয়েছে এই রমজান মাসে রোজা পালন করে থাকে এবং সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পালন করার পরে কিন্তু ইফতারির আয়োজন করা হয়ে থাকে ইফতার এর মধ্য দিয়ে তারা একটি রোজাকে সম্পন্ন করে থাকে এই রোজার ইফতারে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি আশা করি আপনাদের সকলের পছন্দ হবে ইনশাআল্লাহ ইফতার এর মধ্য দিয়েই কিন্তু একটি সম্পন্ন করা এবং খুবই সুন্দর এবং মনমুগ্ধকর দৃশ্য নদীর মধ্যে দিয়ে বয়ে চলা একটি জাহাজের উপরে ইফতারের চিত্র সৌন্দর্যময় একটি চিত্র যদি আপনাদের এই চিত্রটি ভালো লাগে অবশ্যই আপনারা এই ছবিতে লাইক এবং কমেন্ট করবেন।
বাংলাদেশে অনেকগুলো  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তার মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে যেগুলো সরকারের আওতাভুক্ত দিন রয়েছে। এগুলোর শিক্ষা অনেক উন্নত এবং বাংলাদেশে অনেক শিশুরা তারা শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য এ ধরনের বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন কলেজ এবং অন্যান্য পর্যায়ে চলে যায়। এবং পড়ালেখা বিভিন্ন পর্যায় ক্রমে তারা জ্বলে উঠতে থাকে এই প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো কিন্তু চিহ্নিত করার জন্য বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন নাম্বার অনুযায়ী তারা এই চিহ্নিত করে থাকে এই প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো 65 নম্বর দারিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি চিত্র আমি এখন আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি। আপনিও দেখতে পাবেন খুবই সুন্দরভাবে এবং তার অপর দিকে দেখতে পাবেন। এই স্কুলটি পুনঃনির্মাণে করার জন্য স্কুলটির কিছু কাজ করা শুরু হয়ে গেছে অলরেডি। এটি মূলত আমি আপনাদের দেখান চেষ্টা করেছি। রাস্তার পাশে এই সুন্দর গেট বরিশাল জেলায় অবস্থিত এবং বরিশালের এই অঞ্চলটি খুব সুন্দর পরিবেশ।
বর্তমান বিশ্বে করোনাভাইরাস থাকার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় এখন বর্তমানে লকডাউন চলতেছে। সেই অনুযায়ী আমাদের বাংলাদেশে বর্তমানে কঠোর লকডাউন চলতেছে। তো এই লকডাউন এর ভিতরেও জরুরী প্রয়োজনে বাহির হওয়ার সময় কিন্তু আমরা মাক্স ব্যবহার করতেছি এবং নিজেরাই সচেতন মূলক হচ্ছে এবং অন্যকেও সচেতন করার জন্য আমরা মাক্স ব্যবহার করতেছি অন্যকে সুরক্ষিত করতে সে নিজেও সচেতন হচ্ছে তো এই সব সময়ের মধ্য দিয়ে কিন্তু আমরা পার করতেছি এই করোনা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে আমরা বাইরে কোথাও গেলে নিজেদের রক্ষার জন্য মাক্স ব্যবহার করতেছি এবং বাহির থেকে এসে ফিরে কিন্তু আমরা বিভিন্ন প্রকার সচেতন হওয়ার জন্য বিভিন্ন গ্রহণ করার জন্য আমরা স্যানিটাইজার করতেছি বাইরের পরিবেশ দেখা যাচ্ছে করোনা পরিস্থিতি খুবই খারাপ পরিস্থিতি। যেখানে যাচ্ছে সেখানেই করোনার জন্য আমরা খুবই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। সাথে সাথে বিভিন্ন দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে এই লকডাউন এর জন্য। লকডাউন পরিস্থিতিতে আমরা বাড়িতে বসে বসে কিন্তু এই ওয়েবসাইটের কিন্তু আমরা ছবি পোস্ট করার কাজগুলো করতে পারতেছি ঘরে বসে বাইরে অতি প্রয়োজনীয় বের হয়ে যাব আমি এই ছবিটি আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে দেখতে পাচ্ছেন বরিশাল বাবুগঞ্জ খাটে বসে রয়েছে সেখানকার কিছু চিত্র আপনারা দেখতে পাচ্ছেন দোকানে বসে ছিলাম সেখানে একটি ছবি তুলেছিলাম অপেক্ষা করতেছে তার জন্য তারাও কিন্তু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য এই নদী পথ বেছে নিয়েছে।করন নদি পথ কিছুটা হলেও নিরাপদ।
বাইতুল আমান জামে মসজিদ ও ঈদগাহ কমপ্লেক্স। এটি বরিশালে অবস্থিত। এটি এবং উজিরপুর বরিশাল এর মধ্যকার জায়গার মধ্যে এটি অবস্থিত  এটি বরিশাল থেকে 5 কিলোমিটার দূরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের পাশে এই মসজিদটি 2003 সালে স্থাপিত করা হয় এবং এই মসজিদটির মূল ফটক থেকে শুরু করে মসজিদের প্রতিটি অংশই এত সুন্দর করে নির্মাণ করা হয়েছে। যদি আপনি এই মসজিদে একবার ভ্রমণ করেন। তবে অবশ্যই এটি আপনার নজর কাড়বে এবং এই মসজিদটি আপনাকে খুবই আনন্দময় এবং উপভোগ করার মত একটি দৃশ্য আপনি দেখতে পাবেন। এই মসজিদটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আমি আজ সকাল থেকে শুরু করে দুপুর পর্যন্ত এই মসজিদে অনেকগুলো সময় অতিবাহিত করেছিলাম। এই মসজিদে আমরা বরিশাল থেকে রওনা করেছিলাম। আমরা আটজন মিলে আমরা সেখানে গিয়েছিলাম এবং সেই মসজিদে অনেকটা সময় পার করেছি এবং মসজিদে নামায আদায় করেছি। আপনারা জানেন আমাদের মুসলমান ধর্মের এই মসজিদটি অন্যতম একটি জায়গা হিসেবে মানা হয়ে থাকে এবং মসজিদে পবিত্র একটি জায়গা।বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ। বাংলাদেশ অসংখ্য মসজিদ রয়েছে এবং সুন্দর সুন্দর মসজিদ গুলো রয়েছে এবং যদি আপনি সামনের অংশ থেকে দেখেন তবে অবশ্যই আপনার কাছে ভালো লাগবে এবং এর মিনারটি অনেকটা লম্ব া হওয়ার কারণে এটি আরও আকর্ষণীয় হয়েছে এর সৌন্দর্য এবং এর মসজিদের ভেতরটাও আমার কাছে খুবই চমৎকার লেগেছে এবং খুবই সুন্দর লেগেছে আমার কাছে এবং এই মসজিদের চারপাশে অনেকগুলো ফুল গাছ রয়েছে। যেগুলো দেখতে অনেকটা সুন্দর এগুলো মানুষকে আকর্ষণ করে। এবং মসজিদের সামনে থেকে দেখা যায় অনেক বড় বড় কয়েকটি মসজিদের গম্বুজ  রয়েছে। এবং মসজিদের পাশে একটি মাদ্রাসা রয়েছে। যেখানে দ্বীনি শিক্ষা করা হয়ে থাকে ছাত্রদের জন্য এখানে অনেকগুলো ছাত্র তারা এই মাদ্রাসাতে তারা জ্ঞান অর্জন করার জন্য এখানে রয়েছেন যারা এখানে থেকে পড়াশোনা করেন। তো এই মসজিদের আশেপাশে অনেক সুন্দর পরিবেশ।বরিশাল থেকে আমাদের এই গুটিয়া মসজিদ এর যাওয়ার জন্য আমাদের প্রত্যেকের 80 টাকা করে রাস্তায় খরচ হয়েছে যাতায়াত গাড়ি ভাড়া এবং এই  মসজিদ  খুবই সুন্দর করে নির্মাণ করা হয়েছে যা অনেক উন্নত মানের করে তৈরি করা হয়েছে। সাথে সাথে এই মসজিদটি খুবই আকর্ষনিয় করে নির্মাণ করা হয়েছে। এই মসজিদটি 20 কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে 2003 সালে এবং বর্তমানে বিশ্বের সপ্তম স্থানে রয়েছে সৌন্দর্যের দিক দিয়ে। এই মসজিদটিতে অনেক দেশের মাটি এনে মূলত এই মসজিদটি তৈরি করা হয়েছে। রঙিন রং দিয়ে কিন্তু অনেক সৌন্দর্য করা হয়েছে। বিভিন্ন রঙে রাঙিয়ে এই মসজিদটি আসলে। এই মসজিদের পাশে অনেক সুন্দর জায়গা রয়েছে। জায়গা রয়েছে যেগুলোতে মানুষ এসে ভিড় জমে থাকে এবং শুক্রবার দিন বেশিরভাগ সময় দূর থেকে অনেক পর্যটক কিন্তু এই মসজিদে নামাজ আদায় করার জন্য। আমরাও গিয়েছিলাম নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে। সেই সময় আমি এই কিছু ছবি তুলেছিলাম। এটি মূলত আমি শেয়ার করতেছি আশা করি ছবি গুলো আপনাদের খুবই ভালো লাগবে।
এটি একটি মুদির দোকান আপনি দেখতে পাচ্ছেন। এই দোকানটিতে চাল-ডালসহ বিভিন্ন প্রকারের খাবার রয়েছে। যেগুলো আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস। এখানে তেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের খাবার সহ অনেক রকমের আইটেম রয়েছে এই দোকানটিতে। এর একটি ছবি আমি একটু আগেই তুলেছে। এই দোকানটিতে ভরপুর রয়েছে এবং এখানে সেমাইসহ আরো বিভিন্ন রকমের খাবার বিস্কুট দুধ ইত্যাদি। আরো অনেক রকমের খাবার এখানে রয়েছে যা আপনাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস। এগুলো জিনিস কিন্তু এই দোকান থেকে আমরা কিনে থাকি দোকান থেকে আমরা সংগ্রহ করে থাকে। এই দোকানটি সকাল থেকে অনেক রাত পর্যন্ত খোলা থাকে। এই দোকানটি বরিশালের দোয়ারিকা ফেরিঘাট বাজারে অবস্থিত।  অনেক ক্রেতা সমাগম হয়ে থাকে সন্ধ্যার পর থেকে কিছু রাত পর্যন্ত। অনেক অর্থ বেচাকেনা হয় এই দোকানটিতে। এই দোকানটিতে বিভিন্ন রকমের খাবার  এবং বিভিন্ন প্রকার এবং মশার কয়েল তাছাড়া আরও রয়েছে এখানে টয়লেট টিস্যু বিভিন্ন প্রকার আইটেম দোকানটিতে মূলত কিনতে পাওয়া যায়। এই দোকানটিতে আমি একটু আগে এসেছিলাম।  আশা করি আপনাদের সকলের ভাল লাগবে ইনশাআল্লাহ। এই দোকানের মালামাল এবং পণ্য রয়েছে যেগুলো আমাদের প্রয়োজন এজন্য এই দোকানটিতে অনেক ক্রেতা সমাগম হয়ে থাকে। বরিশালের বিভিন্ন রকমের দোকান রয়েছে যেগুলো মানুষের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো তারা সরবরাহ করে থাকে এজন্য মানুষগুলো এইসব দোকানগুলোতে এসে তারা জিনিসগুলো ক্রয় করে থাকে। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
দেহেরগতি বাইতুন নুর জামে মসজিদ। এটি বরিশাল জেলায় অবস্থিত। বরিশালের দোয়ারিকা বাজারের মধ্যে এই মসজিদটি অবস্থিত। বাজারের পাশে রাস্তার পাশে এই মসজিদটি খুবই সুন্দর এবং খুবই সুন্দরভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। কিছুদিন আগে এটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। এটি স্থাপিত হয় 1995 সালে। কিছুদিন আগেই এটি আবার পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। এজন্য এই মসজিদটি আরো সুন্দর লাগতেছে। তো মুসলমান ধর্মের অন্যতম জায়গা হচ্ছে মসজিদ। মসজিদ একটি পবিত্র স্থান পৃথিবীর ভিতরে সবচেয়ে সুন্দরতম জায়গার মধ্যে এই মসজিদটি আমরা অন্যতম হিসেবে মেনে আসতেছি। মসজিদের একটি ছবি আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছি মসজিদটি দেখতে খুবই সুন্দর এবং চারিপাশের টাইলস দিয়ে প্লাস্টার করে সুন্দর করে নির্মাণ করা হয়েছে এবং এই মসজিদটি চারপাশে খুবই সুন্দর সবুজ গাছপালা ও দেখা যাচ্ছে যে এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম নিদর্শন দেখা যাচ্ছে। এটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন খুবই সুন্দর লাগতেছে। আশা করি আপনাদের সকলের ভাল লাগবে ইনশাআল্লাহ। যদি এই মসজিদটি দেখে ভালো লাগে তবে ছবিতে দয়া করে লাইক করবেন।
সূর্য ডুবে যাচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যে সূর্যটি দেখা যাচ্ছে আস্তে আস্তে নিমেষ হয়ে যাচ্ছে বা সূর্যের আলো হারাচ্ছে। তেমন সময় আমি এই ছবিটি ক্যাপচার করেছি। খুবই সুন্দর একটি দৃশ্য মনোরম পরিবেশ। এমন সুন্দর দৃশ্য দেখতে সবারই ভালো লাগে। সন্ধ্যায় এই দৃশ্য পড়ন্ত বিকেলের এই দৃশ্য। আশা করি আপনাদের সকলের ভাল লাগবে। নদীর পাড়ে বসে আমি এই দৃশ্যটি উপভোগ করতেছি এখন। এই দৃশ্য খুবই ভালো লাগে আমার কাছে সন্ধ্যা মুহূর্তগুলো সত্যিই খুবই অসাধারণ সূর্যের আকার টি দেখতে পারেন সূর্যটি আস্তে আস্তে কতটি লাল আকার ধারণ করেছে এবং সূর্য কিছুক্ষনের ভিতর অস্ত্র যাবে সাথে সাথে রাতের শুরু হয়ে যাবে এবং সূর্য যখন আবার উদিত হবে তখনই কিন্তু আবার দিনের শুরু হয়ে থাকে সূর্যটি ডুবার মাধ্যমে আমাদের আজকের দিনের শেষ হয়ে যাবে। তো এই দৃশ্যটি মূলত আমি আপনাদেরকে দেখিয়েছি নদীর পাড় এবং এই নদীতে জলে পরিপূর্ণ রয়েছে আপনি সেটি দেখতে পাচ্ছেন। আশা করি সব মিলিয়ে এই দৃশ্যটি খুবই উপভোগ করার মত একটি দৃশ্য।
ভ্যানের উপর একটি কাঁচামালের দোকান। এই দোকানটিতে কয়েক প্রকারের কাঁচামাল সবজি তরকারি রয়েছে। এখানে বিভিন্ন রকমের সবজি রয়েছে যেগুলো আমরা প্রতিনিয়ত খেয়ে থাকি। তো আমরা এ তরকারি গুলো খাওয়ার জন্য এসব দোকান থেকে ক্রয় করে আমরা কিন্তু বাসায় নিয়ে আসে সেগুলো কে রান্না করার পরে খেয়ে থাকে। তরকারি গুলো ক্রয় করার জন্য আমরা সাধারণত বাজারে অথবা বিভিন্ন দোকানে যেয়ে থাকে। এই দোকানটিতে রয়েছে এই দোকানটিতে তরকারির মধ্যে এখানে বাঁধাকপি টমেটো আলু পটল তরকারি এখানে রয়েছে এই খাবারগুলো আমাদের বাংলাদেশ অনেক জনপ্রিয় খাবার। এর জন্য এই ধরনের কাঁচা তরকারি গুলো এই মৌসুমে পাওয়া যায়। এই খাবারগুলো বেশি মানুষের চাহিদা থাকে এবং এর দামটা একটু বেশি থাকে। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে এই ছবিটি যদি ভালো লাগে তবে অবশ্যই ছবিটি লাইক এবং কমেন্ট করবেন।
ছবিতে একটি মুদির দোকানের মধ্যে দুজন ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে। তারা বেচাকেনা করতেছে একটি মদের দোকানে। এই দোকানে পাইকারি মাল গুলা সেল করা হয়ে থাকে  সকাল থেকে অনেক রাত পর্যন্ত এই দোকানে অনেক বেচাকেনা হয়ে থাকে। প্রচুর অর্থ তারা বেচাকেনা করে থাকেন। এই দোকানের মধ্যে চাল ডাল আটা ময়দা সহ বিভিন্ন প্রকারের খাবারের দোকানে পাওয়া যায়। পেঁয়াজ রসুন থেকে শুরু করে অনেক রকমের মসলা এই দোকানে কিনতে পাওয়া যায় খুবই কম মূল্যে। এজন্য এই দোকানটিতে প্রচুর ভিড় জমে থাকে বিকাল থেকে অনেক রাত পর্যন্ত। এই দোকানের একটি ছবি আমি শেয়ার করতেছি। দোকানের অনেক মালে পরিপূর্ণ রয়েছে। এই দোকানটিতে খুবই সুন্দর বেচাকেনা হয়ে থাকে। এই দোকানটি বরিশাল রহমতপুর বাজারে অবস্থিত। বাজারের সবচেয়ে বড় দোকান। এজন্য অনেক সুনাম রয়েছে এই দোকানটিতে অনেক কম মূল্যে পাইকারী মূল্যে জিনিস গুলো কিনতে পাওয়া যায়। এজন্য ক্রেতার ভিড় জমে থাকে এই দোকানে। আসা করি আপনাদের ভালো লাগবে.
আপনারা ছবিতে সিরাজউদ্দিন ভাইকে দেখতে পাচ্ছেন। তো তিনি একজন চায়ের দোকানদার। আমরা প্রতিদিন এই চায়ের দোকানে এসে চা খেয়ে থাকি। সন্ধ্যার পরে মূলত আমরা এই দোকানে বসে বসে আড্ডা দেয় এবং চা খেয়ে থাকি। চা খাওয়ার মাঝে আমি সিরাজ ভায়ের একটি ছবি তুলেছিলাম সেই ছবিটি আমি আপনাদের সামনে শেয়ার করতেছি। তো দেখতেই পাচ্ছি সিরাজউদ্দিন ভাই এর দোকানে অনেক প্রকারের খাবার রয়েছে। এখানে পটেটো চিপস বাচ্চাদের খাবার রয়েছে এবং অনেক রকমের খাবার এই দোকানে পাওয়া যায়। এখানে প্রতিদিন অনেক ক্রেতা রাত করে দোকানে বসে বসে চা খেয়ে থাকে। দোকানদারের একটি ছবি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছি আশা করি আপনাদের সকলের ভাল লাগবে ইনশাআল্লাহ। যদি ভালো লাগে তবে অবশ্যই ছবিটি লাইক দিতে পারেন.
আমরা অসুস্থ হলে একটি ভালো ডাক্তারের পরামর্শমতো আমরা সেই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করে থাকে সেই রকমই আমি গত কালকে একটু অসুস্থ হয়েছিলাম সে জন্য একটি ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে কিছু ঔষধ কিনতে গিয়েছিলাম ওষুধের দোকানের পাশের দোকান থেকে সেই পরামর্শ অনুযায়ী কিছু ওষুধ কিনে নিয়ে এসেছিলাম বাসায় তারপর ঔষধ গুলো সেবন করলাম এবং কিছুটা হলেও সুস্থ হয়েছে সেই ওষুধগুলো সেবন করার পরে ওষুধ গুলোর একটি ছবি তুলে রেখেছিলাম আমি আপনি দেখতে পাচ্ছেন তিন রকমের ঔষধ রয়েছে এখানে রকমের ঔষধ গুলো আমার করার করার জন্য খরচ করতে হয়েছে 140 টাকা 140 টাকার বিনিময় কিন্তু এই ওষুধগুলো আমি কিনেছিলাম ঔষধের দোকান থেকে এবং এই ওষুধগুলো খাওয়ার পরে আমি ইনশাল্লাহ সুস্থ হয়েছি এগুলো দেখতে পাচ্ছেন বিভিন্ন কোম্পানির ঔষধ এবং আমাদের বাংলাদেশে অনেকগুলো ঔষধ কোম্পানি রয়েছে এর মধ্যে সবচেয়ে ভালো কোম্পানির মধ্যে রয়েছে স্কয়ার স্কয়ার কোম্পানির বিভিন্ন রকমের ঔষধ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো উৎপাদন করে থাকে।
রাতের বেলা বরিশাল শহরের একটি চিত্র আমি আপনাদেরকে দেখিয়েছি।  এখানে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন রাতের আধারে কিছু লাইট দেখা যাচ্ছে এবং রাস্তার পাশে কিছু লোক তারা গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতেছে। তারা তাদের নিজস্ব গন্তব্য স্থানে পৌঁছানোর জন্য মূলত এই বাসস্টপে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতেছে এবং কিছু মানুষ রয়েছে তারা কিন্তু দুরন্ত পথ চলেছি অবিরাম তারা তাদের নিজস্ব গন্তব্য স্থানে পৌঁছানোর জন্য। রাতের বেলা এই দৃশ্যটি মূলত আমি আপনাদেরকে দেখিয়েছি।বরিশাল শহরের মধ্যে অনেক লোকজন চলাফেরা করে এবং অনেক লোক জনের ভিড়ের মধ্যে আমি এই ছবিটি তুলেছি দেখতে পাচ্ছেন অনেক ব্যস্ত শহর। এই শহরের মধ্যে ছোটখাটো অনেক ছোট বড় এবং বিভিন্ন বাড়ি সহ আরও গাড়ি-ঘোড়া রয়েছে যেগুলো ছুটে চলেছি অবিরাম লোকজনের মধ্যে কিন্তু আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আশা করি আপনাদের সকলের ভাল লাগবে। এই শহরটি রাতের বেলা কেমন আকার ধারণ করে কেমন রূপ ধারণ করে সেটি আপনারা দেখতে পারেন এবং সেটি আপনারা কমেন্ট করে জানাতে পারেন আশা করি সব মিলিয়ে ছবিটি আপনাদের ভালো লাগবে। তো বরিশাল শহরের নথুল্লাবাদ থেকে মূলত এই ছবিটি আমি ক্যাপচার করেছিলাম।
চিকেন বিরিয়ানি খেতে আমি খুবই ভালোবাসি এজন্যই আমি মাঝেমধ্যে হোটেলে যেয়েথাকি। বা রেস্টুরেন্টে যেয়ে আমি চিকেন বিরানি খেয়ে থাকি। গত কয়েকদিন আগেও আমি রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম এই চিকেন বিরিয়ানি খাওয়ার জন্য। তো আমি বেশিরভাগ সময় রাতের বেলা যেয়ে থাকি রাতে খাবার হিসেবে আমি ওই দিনকে চিকেন বিরিয়ানি খেয়ে থাকি।  চিকেন বিরানি খাওয়ার সময় ছবিটা তুলেছিলাম। সেই ছবিটি মূলত আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতেছি।বিরিয়ানি আমাদের বাংলাদেশের অনেক জনপ্রিয় একটি পপুলার খাবার হিসেবে পরিচিত। তাই সবাই এই খাবার খেতে পছন্দ করে। কারণ এটি একটি উন্নতমানের খাবার বা খুবই সুন্দর একটি খাবার সবাই খেতে পছন্দ করে।  খাবারের সাথে দেখতে পাচ্ছেন একটি মুরগির মাংস ও সাথে রয়েছে একটি ডিম এবং দিয়ে থাকে এই খাবারটি খেতে খুবই সুন্দর লাগে এই খাবারটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। এই খাবারটি যদি আপনাদের ভালো লাগে তবে অবশ্যই ছবিটি লাইক এবং কমেন্ট করে জানাবেন।
একটি ঝাল মুড়ির দোকান এর দৃশ্য আপনি দেখতে পাচ্ছেন এই রাতের বেলা ঝাল মুড়ি দোকানটি রাস্তার পাশে কিন্তু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তিনি এখানে ঝালমুড়ি বিক্রি করতেছে ঝাল মুড়ি কিন্তু সকলের প্রিয় একটি খাবার ঝাল মুড়ি ঝাল মুড়ি মাখানো এবং এখানে চানাচুর মাখানো কিন্তু খেতে পারেন খুবই জনপ্রিয় একটি দোকান এটি প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে অনেক রাত পর্যন্ত রাস্তার পাশে বসে বসে এখানে ঝালমুড়ি বিক্রি করে থাকেন তবে ঝাল মুড়ি খেতে খুবই ভালো লাগে এবং খুবই মজাদার একটি খাবার এজন্য এটা সকলের প্রিয় খাবার পছন্দের একটি খাবার ঝাল মুড়ি খেতে ভালোবাসে কেউ দেখতে পাচ্ছে কিন্তু কিছু রঙিন লাইট দিয়ে ডায়েটিং করা রয়েছে এবং ঝাল মুড়ি দোকানে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছে এবং তিনি ঝালমুড়ি বিক্রি করতে চাই আমি করেছি আমার মোবাইলে এটি আমি এখন আপনাদের সামনে শেয়ার করতেছি আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক এবং কমেন্ট করে জানাবেন।
চায়ের দোকানে বসে এসময়  চা খেতে আমাদের খুবই ভালো লাগে। তাই চায়ের দোকান বসে চা খাইতেছি।এবং এটা আমাদের কাছে খুবই পরিচিত একটি জায়গা। এই দোকানটিতে প্রতিদিন অনেক লোকের ভিড় জমে থাকে চা খাওয়ার জন্য। আমাদের খুবই প্রিয় একটি জিনিস চা।এ জন্যই বাঙ্গালীরা প্রতিদিন চা খেয়ে থাকে। আমরাও সেই রকমই সন্ধ্যার পরে এই দোকানটিতে এসে বসি চা খাওয়ার জন্য। এই ছবিটি তুলে ছবিটি তোলা হয়েছে চায়ের দোকান থেকে।এ জন্য এই ছবিটি আমি আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করেছি। এটি মূলত এখন আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতেছি। আশা করি আপনাদের সকলের ভাল লাগবে ইনশাআল্লাহ যদি ভালো লাগে তো দয়া করে লাইক এবং কমেন্ট করতে পারেন এবং যদি আপনারা চা খেতে ভালোবাসেন চা খেতে পছন্দ করেন সেটাও জানাবেন। রং চা হাতে নিয়ে এই ছবিটি তুলেছি।  ছবিটি আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম।আশাকরি ছবিটি আপনারা পছন্দ করবেন।
আপনারা যে দুজনকে দেখতে পাচ্ছেন তারা দুজন সাধারণ ব্যক্তি বা তারা খুবই সুন্দর মনের মানুষ তো তারা দুজনেই রাতের বেলা সময় পার করার জন্য বসে বসে কিছু মুভি দেখতেছে বা কিছু নাটকে ধরনের কিছু ভিডিও তারা দেখতেছে বসে বসে রাতের আলোতে বা রাতের আঁধারে এই ছবিটি আমি তুলেছি একটু আগেই এই ছবিটি মূলত আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করতেছি তো এই যে ছবিটি তুললাম এই জায়গাটিতে তারা বেশিরভাগ সময় এসে বসে সময় কাটাতে পছন্দ করে এবং তারা এ ধরনের নাটক বা তারা মুভি দেখতে খুবই পছন্দ করে এজন্য তারা এখানে বসে বসে তারা সময় কাটাচ্ছে এবং মুভি দেখতাছে এই দৃশ্যটি কিন্তু আমি ক্যাপচার করেছি এটি আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করেছি যদি এটি আপনাদের ভালো লাগে তবে ছবিতে লাইক এবং কমেন্ট করতে পারেন এবং যে দুজনকে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন তাদের একজনের নাম হচ্ছে মোঃ আল-আমিন এবং অপরজনের নাম হচ্ছে মোঃ আব্দুর রহমান।  তাদের ছবি যদি ভালো লাগে অবশ্যই ছবিতে লাইক করবেন।

動画

elephant
00:60
Riding a horse
HD 00:29
cut the soil
HD 00:36
motorbike riding
HD 00:05
rain
HD 00:07
fan
HD 00:03
fishing
HD 00:03
My hous
HD 00:32