写真

এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি গ্রামের কয়েকটি বাড়ি আছে।গ্রাম মানেই সবুজ-শ্যামল, শান্ত, ছায়াঘেরা, মনোরম এক জনপদ। দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠ, টইটুম্বুর খাল-বিলে নয়নাভিরাম শাপলা পদ্ম! গ্রাম মানেই পাখিদের কোলাহল, ঝিঁঝির ডাক আর জোনাকির স্বপ্নীল ওড়াউড়িস্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের মোহনীয় প্রাকৃতিকসৌন্দর্যে ঢাকা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি গ্রাম। গ্রামগুলোর অপার সৌন্দর্য একইসঙ্গে নয়নাভিরাম ও বৈচিত্রময়। প্রত্যেকটি ঋতুর পরিবর্তনের সাথে তারা পাল্টে যায় নতুন রুপে, নতুন বৈশিষ্ট্যে। যদিও ক্রমাগত নগরায়নের ফলে গ্রামের সৌন্দর্য এখন হুমকির মুখে, গ্রামের নানা ঐতিহ্য, রুপ আর সৌন্দর্য আর দেখতেই পাওয়া যায় না। তবুও যা টিকে আছে তার কতটুকুই বা উপভোগ করি আমরা।বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এরকম সুন্দর সুন্দর গ্রাম রয়েছে।
ধুপপানি ঝর্ণা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার একটি ঝর্ণা যা ফারুয়া ইউনিয়নের ওড়াছড়ি নামক স্থানে অবস্থিত। স্থানীয়রা দুপপানি ঝর্না নামেও ডেকে থাকে। স্থানীয় শব্দে ধুপ অর্থ সাদা আর পানি যুক্ত করে এটিকে সাদা পানির ঝর্ণাও বলা হয়। ঝর্ণাটি লোক চক্ষুর অন্তরালে ছিলো। ২০০০ সালের দিকে এক বৌদ্ধ সন্ন্যাসী গভীর অরণ্যে দুপপানি ঝর্ণার নিচে ধ্যান শুরু করেন। পরে স্থানীয় লোকজন জেনে ঐ বৌদ্ধ ধ্যান সন্ন্যাসীকে দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময় বা উপলক্ষ্যে সেবা করতে গেলে এই ঝরনাটি জন সম্মুখে পরিচিতি লাভ করে। তঞ্চঙ্গ্যা ভাষায় ধুপ অর্থ সাদা। পানিকে পানিই বলা হয় তঞ্চংগা ভাষায়। ধুপপানি অর্থ সাদা পানির ঝর্ণা। ঝর্ণার পানি স্বচ্ছ এবং যখন অনেক উচু থেকে তার জল আছড়ে পড়ে তখন তা শুধু সাদাই দেখা যায়। তাই একে ধুপ পানির ঝর্ণা বলা হয়। সমতল থেকে এর উচ্চতা প্রায় ১৫০ মিটার। ঝর্ণা থেকে পানি আছড়ে পড়ার শব্দ প্রায় ২ কিলোমিটার দুর থেকে শোনা যায়।
এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে কক্সবাজার জেলার সমুদ্র সৈকত,কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলীতে যে সমস্ত অবৈধ স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে সেগুলো ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।রায়ে আপিল বিভাগ বলেছেন, ভবিষ্যত প্রজন্মেও জন্য সমুদ্র তীরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সরকারকে নীতিমালা তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে নতুন করে কাউকে যাতে সমুদ্র তীর লিজ দেওয়া না হয় সে বিষয়ে সরকারকে নজর রাখতে হবে।এই স্থাপনাগুলো ১৯৯৯ সালের পর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত লিঝ দেওয়া হয়। এই লিজ আইন সম্মত হয়নি বলে রায়ে বলা হয়েছে।কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগে অবস্থিত
পৃথিবীতে প্রকৃতির যত চমৎকার নিদর্শন আছে তার মাঝে ঝর্ণা ও জলপ্রপাত অন্যতম। পাহারের গা বেয়ে জলের ধারা মনমুগ্ধকর সৌন্দর্য তৈরি করে নেমে আসে! এদের কিছুকে বলা হয় ঝর্ণা, আবার কিছুকে বলা হয় জলপ্রপাত। নামের এরকম পার্থক্য হবার কারণ কি? পার্থক্যটা কি উচ্চতায় না বিশালতায়, নাকি জলধারার তীব্রতায়? ব্যাপারটা কি এমন, যে জলরাশি বেশী উঁচু থেকে পড়ে সেটা জলপ্রপাত, আর কম উঁচু থেকে পড়লে ঝর্ণা? অথবা জলপ্রপাত আকারে বিশাল হয়, সে তুলনায় ঝর্ণা ছোট হয়ে থাকে? ব্যাপারটা আসলে এমন নয়। কিছু জলপ্রপাতের পানি প্রবাহের তীব্রতা অনেক ঝর্ণার চেয়েও কম হয়ে থাকে। আবার কিছু কিছু ঝর্ণা অনেক জলপ্রপাতের চেয়েও আকারে বড় হয়ে থাকে।বাংলাদেশের চট্টগ্রামে রয়েছে অসংখ্য ঝর্ণা।
এই পার্কটি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত।এখানে পার্কের ভিতরে নাকি একটা অংশ আছে ডাইনাসোর ওয়ার্ল্ড যে কৃত্রিম সাহায্যে নাড়াচাড়া করে। তখন আরো আগ্রহ বেড়ে গেল তখন থেকে ঠিক করলাম দেখতে জিনিস গুলি। যা নাকি প্রথম বাংলাদেশের কোন পার্কে কৃত্রিম উপায়ে ডাইনাসোর নাড়াচাড়া করে। কেননা ডাইনোসর ত এখন বিলুপ্তির পথে।বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট দিলাম কিভাবে যেতে হয় টিকেট কত সহ বিভিন্ন জিনিস জানার জন্য ।
সব কিছু জানার পর অবশেষে দেখে আসলাম বাংলাদেশের একমাত্র ডাইনোসর পার্ক যা কিনা কৃত্রিম উপায়ে নাড়াচাড়া করে।
পার্কটির নাম সবারই জানা ম্যাজিক প্যারাডাইন্স।
আসলেই ম্যাজিক এর মত পার্কটা সুন্দর পরিবেশ নিরিবিলি জায়গা পার্কের চারপাশে সবুজ শ্যামল ছোট ছোট পাহাড়ে ঘেরা।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এর পিছনে এর অবস্থান।
যেতে পারেন ঘুরে অাসতে পারেন পরিবার পরিজন বন্ধু বান্ধব সহ সবাই কে নিয়ে।
ঋতুচক্রে বর্ষার স্থান দ্বিতীয়। আষাঢ় ও শ্রাবণ-এ দু’মাস বর্ষাকাল। তবে এর ব্যাপ্তি আরো বিস্তৃত। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ আর প্রখর রোদের পর ঘন গৌরবে নব যৌবনে আসে বর্ষা। বৃষ্টি যেমন প্রকৃতিকে স্নিগ্ধ, নির্মল, সতেজ আর উজ্জ্বল করে তেমনি মানুষের মনকেও ধুয়ে মুছে করে পবিত্র। আবহমানকাল ধরেই আমাদের প্রকৃতিকে বর্ষার ফুল স্বতন্ত্র্য সৌন্দর্য্য বিলিয়ে দিয়ে আসছে উদারতায়। বর্ষা ও তার ফুল যেন বাংলার প্রকৃতির আত্মা; বৃষ্টিস্নাত বর্ষার ফুলের উজ্জ্বল উপস্থিতি মানুষের মনে রঙ লাগিয়ে আসছে। বর্ষা নামলেই হাত চলে যায় প্রিয়ার খোঁপায় আর চোখ চলে যায় জানালার ফাঁক দিয়ে। বর্ষার গাঢ় সবুজের সঙ্গে চারদিক উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে শাপলা, কদম, কেয়া, কলাবতী, পদ্ম, দোলনচাঁপা, সোনাপাতি (চন্দ্রপ্রভা), ঘাসফুল, পানাফুল, কলমী ফুল, কচুফুল, ঝিঙেফুল, কুমড়াফুল, হেলেঞ্চাফুল, কেশরদাম, পানি মরিচ, পাতা শেওলা, কাঁচকলা, পাটফুল, বনতুলসী, নলখাগড়া, ফণীমনসা, উলটকম্বল, কেওড়া, গোলপাতা, শিয়ালকাটা, কেন্দার এবং এছাড়া নানা রঙের অর্কিডসহ আরও অনেক ফুল। বর্ষার কোমলতা মানুষের হৃদয়কে যতটা ছুঁয়ে যায় বাংলার আর কোনো ঋতু এভাবে ততটা ছুঁতে পারে না। তাই বর্ষা বাংলার অনন্য ঋতু।
ঝুড়ি গোল বেড়যুক্ত অর্ধগোলকাকৃতি বা তার থেকে একটু কম বক্রতার পাত্র যা বেত জাতীয় কাঠি দিয়ে বোনা। ঝুড়ি নানা রকম বুনটের হয়। কম বুনটের চাঁছাড়ি (চেরা বাঁশ) বা চেরা মোটা বেত ইত্যাদি দিয়ে বোনা ঝুড়ি বাগান বা মাটি খোঁড়া ইত্যাদি স্থূল কাজে ব্যবহার হয়। ঘন বুনটের বড় ঝুড়িকে বলে ধামা যার মধ্যে শস্য ইত্যাদি রাখা যায়। এছাড়া গাছ কাটা আজও থামেনি। ফলে নষ্ট হচ্ছে প্রকৃতির ভারসাম‍্য। যদিও সেখানে পাখিদের ক্ষতি হত ধীরে ধীরে। কিন্তু, আচমকাই আমফান নামক ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় আসায় পাখিদের বড়ো ক্ষতি হয়েছে। অনেক পাখি মারা গেছে ও পাখির বাসা ভেঙ্গে গেছে। কাজেই উদ্বাস্তু জীবন কাটাতে হচ্ছে তাদের।
বাহ থা থা থা! ডাইনে বামে!হুরর যাহ! এমন বাক্যে গরুকে নিয়ন্ত্রণ করে জমিতে হাল চাষ করছে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার খাষচর জামালপুর গ্রামের কৃষক আবু সাঈদ খান। কৃষক বাবার সন্তানসহ আমরা অনেকেই এই ভাষাগুলোর সাথে পরিচিত। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গরু দিয়ে হাল চাষ করা এবং ব্যবহৃত এই বাক্য বা বোল গুলো আজ বিলুপ্তপ্রায়। কিন্তু কয়েক বছর আগেও ভোর বেলায় সিরাজগঞ্জের কৃষি মাঠ গুলোতে গেলেই ৮-১০ টা কৃষককে লাঙল দিয়ে হাল চাষ করতে দেখা যেত। যান্ত্রিক যুগে আবিষ্কৃত ডিজেল ইঞ্জিন চালিত টাক্টের আবির্ভাবের ফলে গ্রাম বাংলার এই ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে এমন দৃশ্য খুঁজে পাওয়া দুঃষ্কর। এটা নির্দ্বিধায় বলা যায় আমাদের আগামী প্রজন্মের কাছে গরু ও লাঙল দিয়ে কৃষি জমিতে হাল চাষ ইতিহাসের গল্প হয়ে থাকবে!
এখানে দেখা যাচ্ছে ছেলেমেয়েরা বনভোজন করছে।আজকাল যার নাম পিকনিক। দুপুরে বাগানের গাছের ছায়ায় নিচে নির্ঘুম দুপুরে গ্রামের শিশু-কিশোররা মিলে পাশের ক্ষেত থেকে নানান রকম সবজি তুলে এবং মায়েদের হিসেবী সংসারের চাল, ডাল একটুখানি তেল-মসলা সংগ্রহ করে ইট দিয়ে চুলা বানিয়ে উৎযাপিত হতো এ মহতী কার্যক্রম। কেন রকম অর্ধসিদ্ধ সেই অমৃত কলার পাতায় খেতে খেতে এদের আনন্দময় মুখগুলো ফেলে আসা দিনের কথা মনে পড়িয়ে দেয়।গ্রামের মেঠো পথে ভরদুপুরে গলা ছেড়ে হাক দিতো দেখবোনি বায়োস্কোপ। ডিজিটাল প্রযুক্তি ও আকাশ পথ খোলা কারণে এমন ঐতিহ্য আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। সেই সময়ে গ্রামের শিশু-কিশোরদের জন্য এটাই ছিলো বিনোদনের বড় মাধ্যম। ধান অথবা চাউলের বিনিময়ে খেলা দেখাতেন বায়োস্কোপ ওয়ালারা। এসবই থাকবে ইতিহাসের একটি অংশ হিসেবে বর্তমান প্রজন্মের কাছে।
রূপকথার গল্প শুনেছেন নিশ্চয়! রূপকথার গ্রামগুলো সবুজ, সুন্দর, শান্ত থাকে। আর চারপাশে পাখিদের কলরবে মুখরিত থাকে। সেখানকার মানুষগুলোও বেশ শান্তিতে সেখানে বাস করে। তবে জেনে অবাক হবেন, রূপকথার সেই গ্রামটি শুধু কল্পনাতেই নয় রয়েছে বাস্তবেও।গ্রামটির নাম গিয়েথুর্ন। নেদারল্যান্ডসের ছোট্ট এবং সুন্দর একটি গ্রাম। সবুজে ঘেরা এই গ্রাম পর্যটকদের কাছেও খুব জনপ্রিয়। তবে এর পেছনেও রয়েছে একটি বিশেষ কারণ।গিয়েথুর্ন গ্রামের একটি দৃশ্য গিয়েথুর্ন গ্রামের একটি দৃশ্য।যদি ভাবেন, এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পর্যটকেরা এই গ্রামে বারবার ছুটে আসেন, তাহলে কিছুটা ভুল ভাবছেন। আসলে এই গ্রামে এমন এক বিশেষত্ব রয়েছে, যা বিশ্বের অন্য কোনো গ্রামে নেই। এই গ্রামে যাতায়াতের জন্য কোনো সড়কপথ নেই। সড়ক নেই, তাই কোনো গাড়ি নেই। আর গাড়ি নেই তাই গ্রামে হর্নের কোনো কোলাহলও নেই। সারাদিনই শান্ত থাকে প্রকৃতি।
The picture shows grocery store. A new grocery store requires a manufacturing department full of fresh fruits and vegetables.  Apples, oranges, pineapples, bananas and all fruits such as onions, peppers, lettuce, broccoli and beef vegetables are popular items on the grocery list and thus should be readily available.  Stores can offer pre-defined items such as fruit salads and chopped vegetables, as well as convenience foods that can pack a profitable punch. These items come in a range of brands from generic, or store-produced, to well-known national brands.  Most grocery stores allow different brands to apply for their different customer sets at different price points for different product prices.  Pasta, rice, baking and breakfast foods should be kept in stores. Grocery stores often have their own butchers, bakeries and deli houses.  These special service offers create one-stop shops for customers for stores. Opening a grocery store can be quite a challenge.  Going from zero inventory to the right items in a store is an essential task when opening a new store. Many grocery store located in Satkhira. Impress customers with your listings with the right decisions when purchasing products for your new store.  Different categories of items are essential to any grocery store. A new grocery store requires a production department full of fresh fruits and vegetables.  Apples, oranges, pineapples, bananas and all animal fruits such as onions, peppers, lettuce, broccoli and vegetables are popular items on the grocery list and thus should be readily available.
রমনা পার্ক ঢাকা শহরের সব থেকে পুরানো একটি পার্ক। ১৬১০ সালের মুঘল আমলে এটি নির্মিত হয়েছে। সেই থেকে এ পার্কটি তাঁর খ্যাতি ধরে রেখেছে। সেই থেকে এই পার্কে বাগান, মসজিদ,মাজার এবং মন্দির স্থাপন করা হয় কিন্তু সময়ের প্রবর্তনে এই পার্কের সৌন্দর্য খানিকটাও ব্যাহত হয়নি। এখনো ঢাকার অন্যতম সুন্দর পার্কের একটি এই রমনা পার্ক। ৬৮.৫ একর জমির ওপর নির্মিত এই পার্কে ৭০ টিরও বেশি প্রজাতির গাছপালা,গাছ ও ফুলের গাজ রয়েছে। এই পার্কটি খুব ই জনপ্রিয় এক নাম, দৈনিক ১০০ দর্শনার্থীর মত মানুষ এখানে তাদের পদচারনা রেখে যায়। ছুটির দিন গুলোতে এই পার্কে আরও পদচারনায় মুখোর হয়ে ওঠে। কেননা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাপকাঠিতে রমনা পার্ক অতুলনীয়।
দেশে অসংখ্য ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য- জাতির পিতার সমাধিসৌধ, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, জাতীয় কবির সমাধিসৌধ, কার্জন হল, নর্থব্রুব হল, বলধা গার্ডেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, পুরাতন হাইকোর্ট ভবন, বাহাদুর শাহ পার্ক, দীঘাপতিয়া রাজবাড়ি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কবরস্থান, শিলাইদহ কুঠিবাড়ি, সাগরদাঁড়ি, মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ, ত্রিশাল ও গান্ধী আশ্রম।পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- মহাস্থানগড়, ময়নামতি, সোনারগাঁও, পানাম সিটি, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, লালবাগ কেল্লা, উয়ারি-বটেশ্বর, ভিটাগড়, বড় কাটরা, ছোট কাটরা, জগদ্দলা মহাবিহার, নোয়াপাড়া-ঈশানচন্দ্রনগর, আহসান মঞ্জিল। ধর্মীয় স্থাপনার মধ্যে ধানমন্ডিতে মোগল ঈদগাহ, ষাটগম্বুজ মসজিদ, বাঘা মসজিদ, কান্তজির মন্দির, বুদ্ধ ধাতু জাদি, আর্মেনিয়ান গির্জা অন্যতম।
টেকনাফ উপজেলার প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের অবস্থান বঙ্গোপসাগরের মধ্যে। টেকনাফ সদর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৩৪ কিলোমিটার। জাহাজ বা যাত্রীবাহী ট্রলারে করে যেতে হয়। সময় লাগে আড়াই ঘণ্টা। সেন্ট মার্টিন থেকে পূর্ব দিকে ট্রলার বা স্পিডবোটে করে যেতে হয় বাংলাদেশের মানচিত্রের শেষ বিন্দু ছেঁড়াদিয়া। এখানে কোনো লোকবসতি নেই। পুরোপুরি সংরক্ষিত এলাকা। এই দ্বীপের চতুর্দিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে প্রবাল-শৈবাল, শামুক-ঝিনুক। এসব মনভরে উপভোগ করা যায়, কিন্তু আহরণ, সংগ্রহ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। স্বচ্ছ নীল জলের এই দ্বীপে দেখা মেলে নানা মাছের। স্পিডবোট নিয়ে সেন্ট মার্টিন থেকে মুহূর্তে ছেঁড়াদিয়া ঘুরে আসা যায়। এ ক্ষেত্রে জোয়ার-ভাটা দেখে নেওয়া ভালো। বালুচরে ঘোড়ার পিঠে চড়ে পুরো সৈকত ঘুরেফিরে দেখতে পারেন।
কলাতলী সৈকত একসঙ্গে সাগর, নদী, পাহাড় আর গভীর সমুদ্রের দ্বীপ দেখতে চান? বাংলাদেশের এক জায়গায় সেটি সম্ভব। চলে আসুন তাই কক্সবাজারে।সাগরের গর্জনে দিশেহারা মন বাইপাস সড়ক ধরে কক্সবাজার শহরে যেতে কানে বাজবে উত্তাল সাগরের গর্জন। পশ্চিম দিকে উঁকি দিলে নজরে পড়বে বিশাল সাগর। নরম বালুচরে নেমে দেখবেন লাল রঙের রাজকাঁকড়ার দৌড়ঝাঁপ, গভীর সাগরে মাছ ধরে জেলেদের ফিরে আসা। সাগরে নেমে লোনাজলে গা ভিজিয়ে নেওয়ার মুহূর্ত আপনার ভ্রমণ সার্থক করে তুলবে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে একটু সাবধান ও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কারণ সমুদ্রে সৃষ্টি হয়েছে একাধিক গুপ্তখাল। তা ছাড়া ভাটার সময় গোসলে নামা বিপজ্জনক। উত্তাল সাগরে ঢেউয়ের ওপর ছেলেমেয়েদের জলক্রীড়া দেখে মন সতেজ করতে হলে যেতে হবে কলাতলী পয়েন্টে।