写真

সাতক্ষীরা জেলা কে ইজিবাইকের শহর বলা হয়ে থাকে। কেননা সাতক্ষীরা জেলায় প্রচুর পরিমাণে ইজিবাইক দেখা যায়। ইজিবাইক জনপ্রিয় এবং আরামদায়ক একটি যানবাহন হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত। এখানে আমরা ছবিতে একটি ইজিবাইক দৃশ্য  দেখছি। এটি সাতক্ষীরা জেলার পারুলিয়া রোড দিয়ে যাচ্ছে সেই সময় এই ছবিটি তোলা হয়েছে। এটি সকলের প্রিয় একটি যানবাহন। আমাদের সাতক্ষীরা জেলার অনেক পরিবারের সদস্য ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। খুব সহজে চালানো যায় এবং ইজি বাইক চালাতে অনেক বেশি সুবিধা আছে এ কারন হিসেবে একটি জনপ্রিয়। ইজিবাইক কে খুব সুন্দর বসার ব্যবস্থা থাকে। এবং এই ধরনের ইজিবাইক চালিয়ে খুব দ্রুত অনেক বেশি অর্থ ইনকাম করা যায়। প্রতিদিন ইজিবাইক চালিয়ে অন্ততপক্ষে পনের শত টাকা পর্যন্ত অর্থ ইনকাম করা যায়। এবং খুব দ্রুত বেগে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করা যায় এজন্য সকলের কাছে   অধিক জনপ্রিয়। এবং  এখানে হলুদ রঙের একটি ইজিবাইক   দেখা যাচ্ছে। আমরা যখন সাতক্ষীরা জেলা শহরে প্রবেশ করে তখন আমাদের নজরে প্রচুর পরিমাণে ইজিবাইকের দৃশ্য দেখতে পায়। যে গুলো দেখতে খুবই সুন্দর লাগে। একটি ইজিবাইক আট জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারে। এবং খুব দ্রুত যাতায়াত করা যায় এ জন্য সকলের কাছে প্রিয় একটি যানবাহন  হিসেবে ইজিবাইক অন্যতম স্থান অধিকার লাভ করে আছে। এখানে রয়েছে ইজিবাইকের  দৃশ্যটি দেখা যাচ্ছে সেটি সাতক্ষীরা জেলার পারুলিয়া বাজার রোড থেকে ছবিটা তোলা হয়েছে।
আমাদের সাতক্ষীরা জেলার অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পরিচিত একটি যানবহন হচ্ছে ইঞ্জিনভ্যান। ইঞ্জিনভ্যান সাতক্ষীরা জেলা তে প্রচুর পরিমাণে দেখা যায়। ইঞ্জিন ভ্যান চালিয়ে অনেক পরিবারের সদস্যরা অর্থ ইনকাম করে। এখানে একজন ইঞ্জিন ভ্যান চালক দেখা যাচ্ছে। তিনি সাতক্ষীরা জেলার সখিপুর রোড দিয়ে যাচ্ছে সেই সময় এই ছবিটি তোলা হয়েছে। আর এই ইঞ্জিনভ্যান তৈরি করতে 30 হাজার টাকা লাগে। 30 হাজার টাকা দিয়ে একটি ইঞ্জিন ভ্যান তৈরি করে সেই ইঞ্জিনভ্যান এর মাধ্যমে সারাদিন ভ্যান চালিয়ে অন্ততপক্ষে 1000 টাকা আয় করা যায়। এটি একটি ভালো টাকা ইনকাম করার মাধ্যমে। আমরা সাতক্ষীরা জেলার গ্রামীণ এলাকার অনেক পরিবারের সদস্যদের দেখতে পায়। যারা ইঞ্জিন ভ্যান চালিয়ে অর্থ ইনকাম করে। এখানে ছবিতে আমরা ইঞ্জিন ভ্যান যাচ্ছে সেই সময় এই ছবিটি তোলা হয়েছে সেই দৃশ্য দেখছি আর এই ইঞ্জিনভ্যান সাতক্ষীরা জেলা তে প্রচুর দেখা যায় ইঞ্জিন ভ্যানে আবার যাত্রী বহন করা যায় এবং বিভিন্ন মালামাল আনা নেওয়া করা যায় আর এখানে ছবিতে দেখা যাচ্ছে ইঞ্জিন ভ্যানে কিছু কাঠের টুকরা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সেই সময় এই ছবিটি তোলা এটি একটি খুবই জনপ্রিয় এবং পরিচিত যানবাহন আর পরিবারের সদস্যদের ভিতর ইঞ্জিন ভ্যান চালানো অনেক বেশি আগ্রহ দেখা যায় কেননা এটি খুব সহজে চালানো যায় এবং এর মাধ্যমে প্রতিদিন 1000 টাকা ইনকাম করা যায় এজন্য ইঞ্জিনভ্যান চালানোর প্রতি অনেক বেশি পরিবারের অনেক সদস্য ভিতর আগ্রহ থাকে এটি একটি জনপ্রিয় যানবাহন আর এই দৃশ্যটি সাতক্ষীরা জেলার সখিপুর রোড থেকে ছবিটা তোলা হয়েছে
ফুলকে ভালোবাসার প্রতীক বলা হয়ে থাকে। আর আমরা বাংলাদেশের যশোর জেলার প্রচুর পরিমাণে ফুলের বাগান দেখতে পায় আর বাংলাদেশের যশোর জেলা কে ফুলের জেলা শহর বলা হয়ে থাকে এখানে ছবিতে আমরা একটি ফুলের দোকান দেখছি এই ফুলের দোকান টি সাতক্ষীরা জেলার লাবনীর মোড় এলাকায় অবস্থিত এখানে দোকানের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে এই দোকানে রজনীগন্ধা গোলাপ ফুল এবং গাঁদা ফুল পাওয়া যায় আমরা দেখতে পাচ্ছি দোকানের সামনে বিভিন্ন রকমের ফুল সাজানো আছে ফুলকে ভালোবাসার প্রতীক বলা হয় আর আমরা ফুলের মাধ্যমে এবং ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে একে অন্যকে ফুল উপহার দেই আমরা প্রিয়জনকে উপহার দিয়ে এবং আমরা আমাদের পিতা-মাতাকেও ফুলের উপহার দিয়ে থাকি প্রেমিক-প্রেমিকারা একে অন্যকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় এতে তাদের ভিতর ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে এখানে ছবিতে ফুলের দোকান টি দেখা যাচ্ছে আর এসব ফুলে প্রচুর পরিমাণে গন্ধ ছড়ায় আর ফুলের গন্ধ আমাদের অনেক ভালো লাগে ফুল সকলের প্রিয় একটি বস্তু হিসেবে পরিচিত আর বাংলাদেশের যশোর জেলায় প্রচুর পরিমাণে ফুল বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানি করা হয় আর যশোর জেলা থেকে আমদানি করা হয় সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন দোকানদাররা যশোর থেকে আমদানি করে এবং তারা তাদের দোকানে ফুল বিক্রয় করে এখানে যে ফুলের দোকান টি আমরা দেখছি সেটি সাতক্ষীরা জেলার লাবনীর মোড়ে অবস্থিত এখানে যে গোলাপ ফুলটি দেখা যাচ্ছে সেটি টসটসে লাল রং এবং রজনীগন্ধা ফুল দেখছি আর হলুদ রঙের কিছু গাধা ফুল দেখা যাচ্ছে দোকানের সামনে সাজানো আছে
সাতক্ষীরা জেলার জজকোর্টের সামনে সংগ্রাম হাসপাতালটি অবস্থিত এখানে ছবিতে হাসপাতালে দৃশ্যটি দেখা যাচ্ছে এটি সাতক্ষীরা জেলার সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী এবং পুরাতন একটি হাসপাতাল আর হাসপাতালটি 6 তলা বিশিষ্ট এখানে হাসপাতালের সামনে দৃশ্য দেখা যাচ্ছে আর এটি মেনে অবস্থিত আরে হাসপাতালে অভিজ্ঞতা রয়েছে যারা নিয়মিত রোগী দেখেন হাসপাতালটি সকলের কাছে পরিচিত এবং জনপ্রিয় হাসপাতালের সামনে দৃশ্যটি আমরা দেখতে পাচ্ছি আর এই সংগ্রাম হাসপাতালে অনেকগুলো রয়েছে এবং এই হাসপাতালের ভিতর পরিবেশটা খুবই সুন্দর আমরা সাতক্ষীরা জেলা এবং আশপাশের জেলার অনেক পেশেন্ট হাসপাতলে আছে এবং তারা তাদের পছন্দ এবং অভিজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর জন্য হাসপাতলে আছে হাসপাতালটির 24 ঘন্টা থাকে আরে হাসপাতালটি সকলের কাছে প্রিয় এবং জনপ্রিয় আমরা হাসপাতালে ভিতরের দৃশ্য যখন প্রবেশ করি তখন হাসপাতালের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে রোগী মানুষ সমাগম দেখা যায় হাসপাতালে টিটমেন অনেক ভালো এজন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে দূর দূরান্ত থেকে মানুষজন হাসপাতালের ডাক্তারের পরামর্শ এবং ডাক্তার দেখানোর জন্য আসে এখানে ছবিতে হাসপাতালের সামনের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে এটি সাতক্ষীরা জেলা জজ কোর্টের সামনে অবস্থিত সংগ্রাম হাসপাতাল নামের সকলের কাছে পরিচিত আমরা ছবিতে হাসপাতালের সামনে দৃশ্য দেখছি
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি জেলা হচ্ছে ঠাকুরগাঁও জেলা। আর এই জেলাকে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ফলের চাষ হয়ে থাকে কেননা ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন ফল চাষে অন্যতম একটি স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয় এখানে ছবিতে দেখা যাচ্ছে একজন ফল বিক্রেতা রাস্তার পাশে বিভিন্ন রকমের ফল বিক্রি করছে তার কাছে আনারস পেয়ারা ইত্যাদি ফল রয়েছে এগুলো খুবই জনপ্রিয় এবং এসব ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে আর এসব ফল ঠাকুরগাঁ জেলা তে প্রচুর পরিমাণে চাষ করা হয় আর ওখানকার ফল বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলাতে রপ্তানি করা হয় সেখানে ফলবিক্রেতা কে দেখা যাচ্ছে তিনি বাংলাদেশের খুলনা জেলার বসিরহাট বাজারে ফল বিক্রি করছে সেই সময় ছবিটা তোলা হয়েছে এটি বাজার এলাকার একটি দৃশ্য রয়েছে একজন ফাসেক কাকে আমরা দেখতে পাচ্ছি আর এই ফল বিক্রি করে সেখানে ফল বিক্রেতা কে দেখা যাচ্ছে তিনি অর্থ ইনকাম করে থাকেন তিনি প্রত্যেক দিন প্রচুর হাটবাজারে রাস্তার পাশের পর বিক্রয় করেন আমাকে প্রত্যেকদিন দেখতে পায় এবং এই ফল বিক্রি করে তিনি অর্থ ইনকাম করে থাকেন আর সেই অর্থ দিয়ে তিনি পরিবারের সকলকে নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করছেন এটি একটি ভাল ব্যবসা এবং অধিক লাভজনক ব্যবসা তিনি সরাসরি ঠাকুরগাঁও জেলা থেকে ফল করায় করে এনে আব ার খুলনা জেলার বসিরহাট বাজারে ফল বিক্রি করেন
গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে ছাগল অন্যতম আমরা বাসায় ছাগল পালন করতে অনেক বেশি পছন্দ করি আর ছাগল পালন করে অধিক লাভবান হওয়া যায় আমাদের বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় প্রায় প্রতিটা বাড়িতে ছাগল দেখা যায় আর আমরা বাসায় ছাগল লালন-পালন করতে পারি ছাগল চাষ করা একটি লাভজনক পেশা আমাদের বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় প্রায় প্রতিটা বাড়িতে ছাগল দেখা যায় এখানে দেখা যাচ্ছে রাস্তার পাশে একটি ছাগল বাধা আছেআমরা এখানে দেখতে পাচ্ছি ছাগলটি রাস্তার সাইডে বাধা আছে এবং ছাগলের ঘাস লতাপাতা খাচ্ছে ছাগলের প্রধান খাদ্য হচ্ছে ঘাস লতাপাতা গ্রামীণ এলাকায় প্রচুর পরিমাণে আমরা ছাগল দেখতে পায় ছাগল চাষ করে অধিক লাভজনক একটি ব্যবসা হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত গ্রামীণ এলাকায় প্রায় পরিচিত ছাগল থাকে আর অনেকে ছাগলের খামার বাসায় তৈরি করে একটি ছাগল চাষ করে খুব দ্রুত আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যায় এবং ছাগল খুব দ্রুত মোটাতাজা করা যায় আমাদের দেশে বর্তমানে ছাগল চাষের ব্যাপক পরিমাণে চাহিদা দেখা দিয়েছে আর আমরা ছাগল চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারি এখানে যে ছাগলের দৃশ্যটি দেখা যাচ্ছে সেটি সাতক্ষীরা জেলা ময়নামতি  গ্রামের রাস্তা সাইটে থেকে এই ছবিটা তোলা।