写真

মানুষ বদলায়,,,,,,,,,,
কেউ আয়োজন করে বদলায়, কেউ হুট করে বদলায়। কারো বদলানোটা হয়তো তুমি মেনে নিতে পারবে না, কিংবা তুমি চাওনি, কেউ ঠিক এভাবেই বদলে যাক।
আসলে আমরা কেউই তা চাই না। 
আমাদের সামনে  প্রতিদিন একই ভঙ্গিতে কথা বলা, একই নিয়মে হাঁসি দেওয়া, কেয়ার করা মানুষগুলো বদলে যাক। 
আমরা আমাদের মনের মতো করে চাই।
তুমি নিজে বদলে যাবে,  কিন্তু অন্য কারো বদলে যাওয়া তুমি মেনে নিতে পারবে না।। কারও বদলে যাওয়া তোমাকে কষ্ট দিবে,  কিন্তু নিজের বদলে যাওয়া তোমাকে একটুও অনুতপ্ত করবে না।
 এই ধরণের মানুষ গুলো বীভৎস রকমের হয়। এরা ভিতরে বদলে যায়,   কিন্তু উপরটাই বুঝিয়ে দিবে সে ঠিক আগের মতোই আছে।
কিন্তু মানুষের বদলে যাওয়া তোমাকে ঠিক যতটা না কষ্ট দিবে,  তার চেয়ে শতগুণ তোমাকে শিখিয়ে দিবে।  তুমি বদলে যাও, বদলে যাওয়া মানুষ গুলো ভালো আছে,
শুক্রবার রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের সাথে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা রাশেদ খানের কথা কাটাকাটি অথবা ভুল বোঝাবুঝি হয়,এই বললেই কি একজন সেনাকর্মকর্তাকে সরাসরি গুলি করে হত্যা করা হবে.!

যিনি ছিলেন রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সার্বভৌত্ব রক্ষক সেনবাহিনীর একজন বীর মেজর ও প্রধানমন্ত্রী'র নিরাপত্তায় নিয়োজিত বাঁচায়-কৃত চৌকস সেনা।তার বাবা ছিলেন সরকারের সাবেক উপ-সচিব ও মুক্তি-যোদ্ধা।
কি কারণে এই হত্যাকাণ্ঠ তা আমরা সত্যিটা জানতে পারবে না,যেমন করে ২০০৯ সালের ৫৬ জন সেনা-কর্মকর্তা'কে হত্যা করা হয়েছে!
দেশ আজ কোথায় যাচ্ছে দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়া শুধু মুখের ভাষা,তা কখনো কাজে প্রকাশ পাবে না।
নিজেদের জায়গায় সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিল বন বিভাগ.....
রাংগুনিয়ার সমালোচিত তথাকথিত বৌদ্ধ সন্ত্রাসী শরনংকর থের কর্তৃক দখলকৃত বন বিভাগের সরকারী জায়গায় সাইনবোর্ড লাগিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ইতোপূর্বে বনবিভাগ অনেকবার সাইনবোর্ড লাগালেও শরনংকরের নেতৃত্বে তার বাহিনী এসব সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেলে।
সবশেষ শরনংকর পাহাড় কেটে স্থাপনা নিমার্ন করতে গেলে বাধা দেয় বনবিভাগ আর পুলিশ প্রশাসন।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অশালীন আচরন এবং তাদেরকে মারতে তেড়ে আসে শরনংকর গং।
শরনংকরের উশৃংখল আচরনে ফিরে আসে বনবিভাগ ও পুলিশ সদস্যরা।
এরপরেই শুরু হয় শরনংকরের ব্লেইম গেইম।
নতুন ফন্দি করে ক্ষেপাতে চেষ্টা করেন বৌদ্ধ সম্প্রদায়কে।
কি ছিলোনা তার এ নোংরা খেলায়। আল্লাহ ও মহানবী (সঃ) কে নিয়ে কটুক্তি, ক্ষমতাসীন কর্তৃক বৌদ্ধ নির্যাতনের অভিযোগ,নিজের সরকারী জায়গা দখলের দায় অন্যের উপর চাপানো এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনবরত নোংরা মিথ্যাচার।।
শরনংকর রাংগুনিয়ার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার এক অভিশপ্ত নাম।
যারা শরনংকরের মিথ্যাচার বিশ্বাস করে হা হুতাশ করছেন ছবিগুলো দেখুন আর বলুন কে কার জায়গা দখল করছিলো?
শরনংকরের মতো ভুমিদস্যুর পক্ষ নিয়ে পুরো বৌদ্ধ জাতিকে কলঙ্কিত না করার অনুরোধ রইলো।