写真

মৌমাছির সকলের পরিচিত একটি উপকারী বন্ধু । মৌমাছি সারা বছর কষ্ট করে মধু আহরণ করে। আর আমরা সেই মধু চাক থেকে মধু সংগ্রহ করে থাকি। মধু আমাদের শরীরের জন্য উপকারী। দেখতে পাচ্ছেন ছবিটিতে কিভাবে মৌমাছি ফুল থেকে মধু আহরন করছে ।এটি আল্লাহর একটি শক্তির অবদান। এবং ক্ষুদ্র জীবের মধ্যে এই শক্তি প্রদান করেছে ।যেটি আমাদের কাছে অজানা নয।আমরা সকলে জানি মৌমাছি সারা বছর কষ্ট করে মধু আহরণ করে থাকে। আর তার জন্য বিভিন্ন ফুল ও ফলের থেকে স্নিগ্ধ গ্রহণ করে থাকে।মৌমাছি যে শুধু মধু দিয়ে থাকে তা নয়। মৌমাছি মধু সংগ্রহ করার জন্য চাক  তৈরি করে সেটি থেকে আমরা মম সংগ্রহ করে থাকি। এটি আমাদের বিভিন্ন কাজে লাগে। আমাদের সকলেরই প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন মোমবাতি, মাদুলিতে,স্বর্ণের ডিজাইন , বিভিন্ন পুডিং, প্লাস্টার ইত্যাদি কাজে লাগে ।এমন জিনিস তৈরিতে ব্যবহার হয়ে থাকে।মৌমাছি যা দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি রানী মৌমাছি ,মাখী বুনোমৌমাছি মৌমাছি।রানী মৌমাছি মধু আহরণ করতে বেশি সহায়তা করে।বর্তমানে মৌমাছিকে ঘরোয়া ভাবে পালন করে মধু চাষ করা হয়ে থাকে।মৌমাছি থেকে মধু আহরণের জন্য এখন বিভিন্ন রকম পদ্ধতি তৈরি করেছে বিজ্ঞানীরা।   মৌমাছি চাষ করে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব হয়েছে ।আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায় এবং বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করা যায়।বর্তমানে মৌমাছিকে ঘরোয়া ভাবে পালন করে মধু চাষ করা হয়ে থাকে।মৌমাছি থেকে মধু আহরণের জন্য এখন বিভিন্ন রকম পদ্ধতি তৈরি করেছে বিজ্ঞানীরা।   মৌমাছি চাষ করে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব হয়েছে ।আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায় এবং বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করা যায়।
সাতক্ষীরা সুলতানপুর এলাকার জন্য একটা সুন্দর দৃশ্য। মানুষ যাতায়াত করছে মূলত ভ্যান ,রিক্সা, মোটর সাইকেলসহ মানুষের ব্যস্ত জীবন যাপন সম্পন্নের দেখা মিলবে এখানে। বহু মানুষের ভিড় সুলতানপুর রাস্তাটি মূলত বড় বাজারের সাথে মিলেছে। সুতরাং এই রাস্তায় মানুষজনের যাতায়াত একটু বেশি হয়ে থাকে। এই রাস্তাটি খুব জনপ্রিয় এবং জনবহুল একটা মানুষের রাস্তা। এখানে দিনে কয়েক হাজার মানুষ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় তাদের নিজস্ব গন্তব্যে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যেই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। আপনার ছবিতে দেখতে পারবেন আকাশের একটা গম্ভীর ভাব। আশেপাশে দোকান রয়েছে। তার মাঝখান দিয়ে সাইকেল গাড়ি ঘোড়া যাতায়াত করছে। বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। এমন সুন্দর পরিবেশের মধ্য দিয়ে যেন আমাদের চোখ জুড়ানো জায়গাটার সুন্দর দূশ্য গুলির কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে পরিবেশের অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা এই সুন্দর জায়গা গুলো করার মাধ্যমে আমরা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে থাকব।এবং প্রকৃতিকে ভালোবাসা করে ছবিটি দেখে সেটা উপলব্ধি করতে পেরেছেন। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যময় জায়গায় আমাদের বেশি বেশি করে ঘুরতে হবে এবং প্রকৃতিকেই ভালবাসতে হবে ছবিটি তারই বাস্তবতা। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন সুন্দর জায়গা গুলো বেশি করে করার মাধ্যমে আমরা সুস্থ সুন্দর থাকো এবং প্রকৃতির সাথে নিজেদেরকে মানিয়ে নেবআর আমাদের প্রত্যেকের উচিত রাস্তাঘাটে যাতায়াত করার ক্ষেত্রে সচেতনতা অবলম্বন করা। বর্তমানে সচেতনতার অভাবে অনেক দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই আমাদের প্রত্যেকের নিজস্ব কোন দুজন বন্ধু থাকব প্রকৃতিকে ভালোবাসবে এবং প্রকৃতির সাথে নিজেদের মানানসই করে নেব। তাহলে আমাদের জন্য ভালো হবে, আশা করি সবাই আমার কথা বুঝতে পেরেছেন। সকলকে ধন্যবাদ এবং সকলের রাস্তাঘাটে দেখেশুনে সাবধানে যাতায়াত করবে এবং আমাদের বাসার আশেপাশের সকল জায়গায় পরিবেশকে টিকিয়ে রাখতে বেশি বেশি করে গাছপালা লাগাবো। এটা আমাদের বর্তমানে দেশের জন্য খুবই জরুরী এবং গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
এখানে যে ছবিটি দেখানে হয়েছে সে নলতা পাক রত্তজা শরীফ। এই রওজা শরিফ সাতক্ষীরা মধ্যে বিখ্যাত মাজার শরীফ।পাক রওজা শরীফ টা দেখতে পাচ্ছেন চার  দিকে  কত সুন্দর সুন্দর গাছ গাছালি লাগানো। এই গাছ গাছালী পরিবেশ দূষণ রোধ  করেতে সহায়তা করে।গাছ আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা দিয়ে থাকে। আর সেই গাছ লাগানো আমাদের সকলের একান্ত কর্তব্য।এই পাক রওজা শরীফ অনেক জাগ্রত। এখানে সপ্তাহিক খানা প্রদান করা হয়ে থাকে। এছাড়া নলতা রত্তজা শরীফ থেকে প্রতি বছর বিভিন্ন ঈদ পাবন এ আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে ।গরীব দুঃখী ব্যাণ্ডিদেৱ সুবিধা অসুবিধা দিকে নজর রাখে।এটি বর্তমানে পরিদর্শনের একটি অন্যতম স্থানীয় স্থান হয়ে উঠেছে | এখানে প্রতিবছর  বিভিন্ন দেশ থেকে ভ্রমণ করতে এই জায়গাটি তে আসে | এতটা মনোরম পূর্ণ স্থান যেখানে আসলে মন যেতে চায় না কোথাও |আসলে এটা আমাদের সাতক্ষীরা একটি গর্ভ | তাই আপনারা চাইলে এখানে ঘুরে দেখে যেতে পারেন |সুলতান মাজার শরীফে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এই জায়গাটি শিল্পের জন্য বিখ্যাত হয়ে উঠেছে। বর্তমানে এই জায়গাটি সকল দেশের পরিচিতি লাভ পেয়েছে।
এই জুস টি Strawberry জুস। গরম মৌসুমে এমন ধরনের জুস আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী।গরমে আমাদের শরীর এর পানি শূন্যতা দেখা দেয় ।ফলে শরীর থেঁকে টক্সিন অভাব বেশ পরি লক্ষিত হয়ে থাকে। তাই শরীরে এই টক্সিন অভাব পূৱন করতে এমন ড্রিংক খুব উপকারী।এটিতে আছে তরমুজ, স্ট্রবেরি, চিনি ,লবণ ,বরফ কুচি এবং ভ্যানিলা ফ্লেভার ।এটি আমাদের শরীরের সকল ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে।সাধারণত এটি রেস্টুরেন্ট কিংবা বড় বড় পার্টিতে পরিবেশন করা হয়ে থাকে। এটি বাড়িতে বানিয়ে সকলেরই পরিবেশন করতে পারেন। এগুলো খেতে মজাদার। এবং এ ধরনের পানিয় গুলো আমাদের শরীর এবং স্বাস্থ্যের জন্য ভালো কাজ করে থাকে।তাই আমাদের প্রতিদিন এরকম ধরনের ড্রিংক পান করা খুবই জরুরি ।এটি সকালের ব্রেকফাস্ট অথবা বিকালের নাস্তার সাথে যোগ  করতে পারি ।বাইরের রোদ থেকে আসার পর আমাদের শরীরের যেটুকু ক্ষতি হয়ে থাকে। সেটুকুই পূরণ করেতে সহায়তা করে।
কুয়াকাটা সমুদ্র বন্দর বাংলাদেশের একটা অন্যতম নামকরা জায়গা। এখানে খুব বড় একটা টুরিস্ট প্লেস গড়ে উঠেছে। এটা মূলত একটা বহুৎ বড় সমুদ্র সৈকত হিসেবে বেশি পরিচিত। আমরা কম বেশী সকল জায়গায় ঘুরে থাকবো। এটা ঘোরার জন্য খুব আকর্ষণীয় এবং এখানে বহু মানুষ আসে দূর-দূরান্ত থেকে সুন্দর জায়গাটি পর্যবেক্ষণ করতে এবং প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে খুবই আকর্ষণীয় এবং আমাদের সকলের জন্য মনমুগ্ধকর ঘটে তাই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সকল সৌন্দর্য জায়গা করার কোনো বিকল্প নেই এসব সুন্দর জায়গা গুলো দেখার মাধ্যমে আমরা প্রকৃতিটা সুন্দরভাবে সুষ্ঠুভাবে রাখতে পারি তাছাড়া অপরূপ সৌন্দর্যের মধ্যে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কর্মবিরতির ফাঁকে ঘুরে আসতে পারে তাই এ সকল সৌন্দর্য জায়গা ঘুরতে যেতে পারি আমাদের মন এবং শরীর দুটোই ভালো হবে।সমুদ্রের মধ্যে এমন অসাধারণ দৃশ্য দেখে আমরা ঘুরতে যেতে পারি এবং এটা আপনার আমার সকলের মনকে উৎফুল্ল করবে এবং আমরা সকলে ভালো সুষ্ঠুভাবে সকল জায়গাগুলো ঘুরে যেতে পারে আশাকরি ছবিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে এটা প্রকৃতির অপরূপ সুন্দর একটা নৌকা চলছে আমাদের চোখে একটা অসাধারণ মনমুগ্ধকর দৃশ্য ফুটে উঠেছে।
এই কেকটি হল অরেঞ্জ লেয়ার কেক ।এটি সাধারণত ফল থেকে তৈরি করা হয়েছে। একেকটি খেতে অনেক সুস্বাদু ।সাধারণত সকলে কেক খেতে পছন্দ করে থাকে। কেক আমাদের জন্মদিন, বিয়ে,গায়ে হলুদ ,বিবাহবার্ষিকী বিভিন্ন অনুষ্ঠান উদ্দেশে বাবহার হয়।এই কেকটি আছে  ময়দা, ডিম, মাখন,কমলালেবু,এবং সুস্বাদু আনার জন্য রয়েছে বিভিন্ন রকম ফ্লেভারে।মূল উপকরণ হলো এটিতে কমলালেবু দেওয়া আছে।এ কেকটি আছে তাজা কমলালেবু, ময়দা, ডিম, চিনি, লেবু এবং বিভিন্ন ফ্লেভার। কেক সহজেই বারিতে  তৈরি করা যায়।এই  আইসিং সুগার আছে যেটা সাজানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে ।এটা খেতে অনেক সুস্বাদু ,এমনকি বিভিন্ন পার্টিতেও কোন ঝামেলা ছাড়াই তৈরি করে ফেলতে পারেন।
কুষ্টিয়ার দেবলারচর খাল এটা আসলে খুবই দুঃখজনক যে এটি বর্তমানে শুকিয়ে গিয়েছে। খালি সঠিক সংস্কারের অভাবে এবং বর্তমানের বসন্তকাল শীতকালের শেষ পর্যায়ে এটির এমন অবস্থা হয়েছে। এই সময় অবশ্য মানুষ খাল সেচের কারণেই হয়তো এমন অবস্থা হয়েছে ঠিক মত অবস্থায় আমরা সকলেই এমনটা করতে পারি যে রকম সুন্দর পরিবেশের মধ্যে খালগুলোকে সংস্করণ করতে পারি। খননের মাধ্যমে আমরা খালের স্রোত পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারি। এবং প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে খালটাকে আগের মতো করতে পারি। এ  খালটি কুষ্টিয়া অবস্থিত। এলাকায় আশেপাশের এলাকা ভিত্তিক মানুষ সঠিকভাবে খনন করা উচিত। সকলের সহায়তায় এবং একটি সবার মধ্যে আমাদের সৌন্দর্যকে আরো টিকিয়ে রাখতে হবে দেখতে পারবেন খালের পাশে একটা নৌকা বাঁধা রয়েছে মূলত বর্ষাকাল আসলেই খাবার পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে আমাদের গভীরতার একটু বাড়ানো আমি বলছি যে খালটি খনন করে এর গভীরতা বৃদ্ধি করতে হবে তাহলে এটা ভাল হবে বটে।বিলের ধারে আমার সুন্দর জামাইকার পাশে দেখতে পারবেন সৌন্দর্যময় সুন্দর ধানের মাঠ ও ভাষা আরো অন্যান্য ফসলের চাষ এবং পশ্চিম আকাশে সূর্য অস্তের একটা দৃশ্য দেখা মিলছে পাশের বাড়িতে নৌকাটি বেঁধে রাখা রয়েছে। অবসরে নৌকাটি অপেক্ষা করছে তার মাঝির জন্য। এ যেনো প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য ।প্রকৃতির মধ্য দিয়ে আমরা টিকে থাকব। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের প্রতীক। আমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রকৃতিকে ভালোবাসবো প্রকৃতির এসকল খাল-বিল নদী-নালা টিকিয়ে রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো এগুলো সংস্করণ করব এবং সর্বদা এটা মাথায় রাখবে জাতীয় সকল জায়গায় আমরা ময়লা আবর্জনা ফেলে সচেতনভাবে পরিবেশকে সুস্থ রাখবেন আমাদের পরিবেশ ভালো থাকলে আমরা নিজেরাও সুস্থ থাকব আশা করি প্রত্যেক আমার কথা বুঝতে পেরেছেন তাই সকলের সুস্থতা কামনা করছি সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন সাবধানে থাকুন এবং পরিবারকে ভালো রাখুন বেশি বেশি করে গাছ লাগান পরিবেশ কে দেখিয়ে থাকুন ধন্যবাদ সবাইকে শুভ বিকাল