写真

এই ছবিটিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সুন্দর একটি বিয়ে বাড়িড় গেটের একটি ছবি এবং বাংলাদেশে সাধারণত জনবহুল দেশ যেখানেজায়গা তুলনায় জনসংখ্যা অনেক এবং এই বাংলাদেশের ভিতরে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন স্তরের মানুষ বসবাস করে থাকেন যেমন গ্রামের মানুষেরা শহরের দিকে চলাফেরা না করেও শহরের যে রীতি নীতি গুলো আছে এবং ভদ্রতা আছে সেগুলো তারা খুবই সুন্দরভাবে পালন করতে পারেন এবং এখানকার এই ছবিটিও সবকিছু মিলিয়ে দেখতে অনেক সুন্দর লাগতেছে এবং এখানকার পরিবেশটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এই ধরনের সৌন্দর্যময় ছবিগুলো সব কিছু মিলিয়ে দেখতে অনেক সুন্দর লাগে থাকে সে জন্য ছবিটি আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হয়েছে এবং এখানে আরো দেখতে পাচ্ছেন যে সৌন্দর্যময় একটি পরিবেশ যুক্ত ছবি এই ধরনের সৌন্দর্যময় ছবি গুলো সাধারণত দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে সবাই বলে আমি মনে করি এবং সেজন্যই ছবিটি আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছে এবং দেখতে পাচ্ছেন একটি রাস্তার উপরে একটি তৈরি করা হয়েছে এবং একটি কাপড় দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এবং এখানকার এই ছবিটি আপনাদেরহয়েছে এবং এটি অবস্থিত বাংলাদেশের আশাশনি অঞ্চলে
ছবিটিতে আমরা একটি জলরাশি দেখতে পাচ্ছি। এটি একটি বড় নদী অঞ্চল। এলাকাটা অনেক সুন্দর এবং প্রকৃতিময়। আমি এখানে বেড়াতে আসে। অনেক সুন্দর সময় উপভোগ করেছিলাম। আপনি চাইলে এখানে বেড়াতে আসতে পারেন। সুন্দর দৃশ্য মনোরম পরিবেশ অসাধারণ সময় কাটিয়েছিলাম এখানে আমি।
বক্রেশ্বর নদীতে বাঁধ দিয়ে এই বিশাল জলাধারটি তৈরি করা হয়েছে । পাশেই রয়েছে বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র । এই জলাধার থেকেই প্রয়োজনীয় জল সরবরাহ করা হয় সংলগ্ন এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ।  ড্যামটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বেশ ভালো , তা অনেক বাড়িয়ে তুলেছে তাঁর নীলাভ জল ।  আর একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য এই ড্যামটির স্মরণীয় , তা হচ্ছে শীতকালে প্রচুর পরিযায়ী পাখির এখানে আগমন ঘটে । তাই শীতকালে একদিন এই অঞ্চলে বেড়িয়ে পরলে নেহাত মন্দ লাগবে না । এই নীল নির্জনে ড্যাম ও পার্ক , বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র , এছাড়া কাছাকাছি রয়েছে বক্রেশ্বর মন্দির ও উষ্ণপস্রবন । পানাগড়-মোরগ্ৰাম সড়ক পথে দুবরাজপুরের কাছেই চিনাই গ্ৰামে এই ড্যামটির অবস্থান ।
ছবিটি তোলা হয়েছিল দার্জিলিং থেকে।
শিলিগুড়ি শহর থেকে মাত্র পঁয়তাল্লিশ কিলোমিটার আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ ধরে দেড় থেকে দুঘন্টার মধ্যে আপনি পৌঁছে যাবেন স্বর্গের সদর দরজায়, তাহলে চলুন একটু ঘুরে আসি।দার্জিলিং জেলার এক অখ্যাত নির্জন পাহাড়ি  জনপদ অহলদাড়া।  নির্জন প্রকৃতির মাঝে, কাঞ্চনজঙ্ঘার কোলে মিঠে রোদ পোয়ানোর নাম 'অহলদাড়া'।  পাঁচ হাজার ফিট উচ্চতায়, হিমেল হাওয়ায় গুটিসুটিমারা নির্জন স্নিগ্ধ জীবন।  এখানে এখনও সেভাবে পর্যটকদের পা পড়েনি সেকথা আর বলা যাবে না, কারণ গত কয়েক বছর ধরে অনেকেই যাওয়া শুরু করেছেন।  আঁকাবাঁকা সরু পিচ রাস্তায় যে কোন সময় হারিয়ে যাওয়ার হাতছানি।  হাত বাড়ালেই পাইন আর সিঙ্কোনার সারবাঁধা ঘন সবুজ পাহাড়, এই ডিসেম্বর জানুয়ারিতে সিটংয়ের বিখ্যাত কমলালেবু আর হর্ণবিল পাখির স্বর্গরাজ্য।
ছবিতে যেটা দেখছি সেটা হচ্ছে কাশ্মীর এর আখরোট।  পৃথিবী জোড়া নাম, সাধারণত বসন্ত কালের গোড়ায় মার্চ এপ্রিল এ ফুল চলে আসে কিন্তু ফল পাকতে বেশ সময় নেয়, আগস্ট এর মাঝামাঝি থেকে অক্টোবর এর মাঝামাঝি হারভেস্টিং এর সময়, এই প্রক্রিয়া বেশ পরিশ্রম সাপেক্ষ, প্রথমে এটা এক বিশালকায় লম্বা লাঠি দিয়ে যেই ডালে ফল ধরেছে মাটি থেকে প্রায় ২০-২৫ ফুট উচুতে সেটা অনবরত পেটাতে থাকে যতক্ষণ না সব ফল মাটিতে পড়ে, তার পর ফেটে যাওয়া সবুজের খোসা ছাড়িয়ে আখরোট গুলো কে ঝুড়ি তে করে নদীতে চলমান জলের প্রয়োজন ধুয়ে ৭-১০ দিন মাঠে রোদ্দুরে শুকিয়ে বিক্রয়যোগ্য করে তোলে। আগে শোপিয়ান জেলা আখরোট উৎপাদনে এক নম্বর স্থানে ছিল এখন সেই জায়গা কূপওয়ারা জেলা দখল করেছে, তবে কাশ্মীর এর সব জাইগা তেই কম বেশি এই আখরোট গাছ পাবেন, এমনকি গৃহস্থ বাড়ির বাগানেও আছে আখরোট গাছ। কাগজী আখরোট খুব উন্নত মানের দুই আঙ্গুলের চাপে ভাঙ্গা যায়।দাম ও একটু বেশি, শ্রীনগর থেকে Pahalgam যাওয়া আসার পথে হাইওয়ে এর ওপরেই লেতপরা তে দুই ধারে অনেক ড্রাই ফ্রুটস এর দোকানে পাবেন সঠিক দামে, আপনার ড্রাইভার কে বলে রাখলে ওই ভালো দোকানে নিয়ে যাবে, পরিমাণে অনেক বেশি কিনলে দোকানি রা কুরিয়ের মারফত ও পাঠিয়ে দেন। আমি সাধারণত আমার গেষ্ট দের জামিনদার ড্রাই ফ্রুটস সাজেস্ট করি এদের প্রায় সর ভারত এ ব্রাঞ্চ আছে এবং কলকাতা তেও এনারা বড়বাজার এ প্রচুর ড্রাই ফ্রুটস পাঠিয়ে থাকেন।
দাচিগাম ন্যাশনাল পার্ক থেকে ছবিটি তোলা হয়েছ। অনেকে কাশ্মীর গেছেন কিন্তু এই অভূতপূর্ব ন্যাশনাল পার্কটি ঘুরে যান নি, পশ্চিম হিমালয় এর যাবারওয়ান রেঞ্জ এর অন্তর্ভুক্ত  শ্রীনগর থেকে মাত্র ২২ কিলোমিটার শালিমার বাগ ছাড়িয়ে হারওয়ান তার কিছু দূরেই । ১৪৪ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে এর অবস্থান ৫৫০০ ফুট থেকে ১৪৫০০ ফুট এর বিস্তৃতি, এটি দুই ভাগে বিভক্ত লোয়ার অার বলে আপার দাচিগাম। দাঁচিগাম কথার অর্থ ১০ টি গ্রাম, কাশ্মীর এর তৎকালীন মহারাজা এই ১০ গ্রাম নিয়ে যেই অঞ্চল সেটি কে তার শিকার করার জাইগা হিসাবে বেছে নেন ১৯১০ সালে অার এই অঞ্চল এর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত ডাগোয়ান নদী মার্সার লেক থেকে উৎপত্তি পুরো শ্রীনগর।  ৫০ প্রজাতির বন্য প্রাণী, ২৫০ প্রজাতির পাখি অার ১৫০প্রজাতির গাছ পাওয়া যায়, এদের মধ্যে বিখ্যাত ও বিলুপ্ত প্রায় কাশ্মীরি হাঙ্গুল আছে, লোওয়ার দাচিগাম সাধারণ টুরিস্ট র যেতে পারেন পায়ে হেঁটে বা ব্যাটারী চালিত ছোট গাড়িতে, আপার দচিগাম মূলত ট্রেকার দের জন্যে, শ্রীনগর এর সর্বোচ্চ পিক মহাদেব পিক ১৩১০০ ফুট এর ট্রেক এখান থেকেই শুরু হয়। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে পিচ রাস্তা চলে গেছে দুই ধারে ঘনো কনিফেরাস এর জঙ্গর তার মধ্যে দিয়ে বোয়ে চলা নদীর ও বিভিন্ন জলপ্রপাতের আওয়াজ বেশ একটা গা ছম ছম করা পরিবেশ, মাঝে চারিদিক একদম নিস্তব্দ শুধু পাখির আওয়াজ সে এক অভূতপূর্ব পরিবেশ। জঙ্গলের মাঝে আছে অ্যানিমাল রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার শেকা গত দুই চিতা বাঘ ও ধূসর ভাল্লুক আছে, সব পোষ মানা হয়ে হাথ দিয়ে অনেকেই অদর করতে করতে ছবিও তুলছেন , কিছুদূর গিয়ে আছে কাশ্মীর এর বিখ্যাত রেনবো ট্রাউট ব্রিডিং ফরম চারা অবস্থা থেকে বড় অবস্থা পর্যন্ত বিভিন্ন সাইজ এর ট্রাউট মাছ। সবমিলিয়ে শ্রীনগর এসে যারা নরমাল মুঘল গার্ডেন দেখার বাইরে আরো কিছু দেখতে চান তাদের জন্যে এই দাচিগাম টুর অত্যন্ত ভালো লাগা অার সারা জিবন মনে রাখার মতো টুর হবে।দাচিগাম এ ঢুকতে ওয়াইলড লাইফ ওয়ার্ডেন এর পারমিট লাগে, অার ন্যূনতম এন্ট্রি ফি, পার্ক এর গেট এর কাছে ব্যাটারী গাড়ি পাবেন ইচ্ছে হলে নেবেন বা হেঁটেই ঘুরতে পারেন ঘণ্টা দুই এক সেটা বেশি থ্রিলিং হয়, ৪ টে ঘণ্টা এই টুর এর জন্যে বরাদ্দ রাখতে হবে।
ছবিটি  মেলায় গিয়ে তোলা হয়েছিল।সবে ফাল্গুনের শুরু, বসন্তের মিষ্টি বাতাস বইছে শহরে, সেই হাওয়ার আবেশ মেখে অফিস ফেরত এক বিকেলে ইষ্ট-ওয়েষ্ট মেট্রো চেপে সোজা পৌঁছে গেলাম সল্টলেকের করুনাময়ী ষ্টেশনে। ষ্টেশনের বাইরের মেলা প্রাঙ্গনে চলছে বিরাট মেলা, নাম স্বয়ংসিদ্ধা মেলা। রাজ‍্য সরকার আয়োজিত এই মেলায় বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠি এবং বাংলার নানান জেলার মহিলারা তাঁদের কুটিরশিল্পের সম্ভার তুলে ধরেছে। গৃহস্থালির টুকিটাকি থেকে শুরু করে ঘর সাজানোর সরঞ্জাম, আসবাবপত্র যেমন রয়েছে সেইসাথে রূপচর্চা ,পরিধেয় বস্ত্র ও অলংকারের সম্ভার রয়েছে। সেইসাথে রয়েছে "ফুড প‍্যাভিলিয়ন", বাংলা ও নানান রাজ‍্যের খাদ‍্য সম্ভারের সমাহার চেখে দেখাও যাচ্ছে। বেশ কিছুটা সময় মেলাপ্রাঙ্গনে ঘুরে উপভোগ করে এলাম।
তাজহাট জমিদার বাড়িতে ভ্রমণ করতে গিয়ে ছবিটি তুলেছিলাম। বাড়িটি রংপুর শহর থেকে প্রায় ৪ মাইল পূর্ব দক্ষিনে কোণে বর্তমান কৃষি ইনস্টিটিউট পাশে সবুজ গাছপালা পরিবেষ্টিত আর্কষর্ণীয় পরিবেশে অবস্থিত । জমিদার বাড়ির সামনে রয়েছে বিশাল আকৃতির ৪টি পুকুর।  তাজহাট বাজার হতে উত্তর দিক দিয়ে প্রধান ফটক অতিক্রম করে পশ্চিমে কয়েকশ’গজ পেরিয়ে জমিদার বাড়ির প্রধান প্রবেশ পথে আসা যায়। তাজহাট জমিদার মূলতঃ গোবিন্দ লালের পুত্র গোপাল লাল  এর সাথে সর্ম্পকযুক্ত যা স্থানীয়ভাবে তাজহাট জমিদার নামে পরিচিত।এ বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মান্নানলাল রায়।তিনি সুদূর পাঞ্জাব হতে রংপুরের বিশিষ্ট সমৃদ্ধ স্থান মাহিগঞ্জে স্বর্ণ ব্যবসা করার জন্য এসেছিলেন। এখানে ভ্রমণ করতে আমার ভালো লাগে ছিল। এবং চারিদিকে সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করেছিলাম  এবং এখানে অনেক পর্যটকরা ভ্রমণ করতে এসেছিল। এটি একটি রোমাঞ্চকর দিন ছিল আমার কাছে। এই এলাকাটা আমি মাঝে মাঝে আমার মন চায় কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হওয়ার কারণে আমি এখানে তেমন ভ্রমণ করতে পারি না। কিন্তু অনেকে এখানে ভ্রমণ করতে আসে।
২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২১,আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে পূর্ব-চাঁদনীমুখা স্বতন্ত্র নূরানীয়া ইবতেদায়ী মাদ্রাসাতে শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে ভাষা-শহীদদের স্বরণে কবিতা,বক্তৃতা,চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয় | অত্র অনুষ্ঠানটি  বাস্তবায়ন করেন সিডিও গাবুরা ইউনিট, সার্বক্ষনীক উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটি সাফল্যমন্ডিত করেন, বড় ভাই এস,এম কবির। অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং শুভাকাঙ্ক্ষী সকলে মিলে |ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের গুরুত্ব, ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা ও গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করা হয়, সবশেষে  ভাষা-শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া এবং প্রতিযোগীয় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় |প্রোগ্রামটি গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তারা আর্থিকভাবে সাহায্য করেছিলেন। এবং সেখানে আমাদের প্রোগ্রামটা অনেক সার্থকভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। আমরা প্রোগ্রামটি অনেক সুন্দর ভাবে করতে পেরেছিলাম। এবং বাচ্চাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ টা ছিল অনেক সুন্দর এবং একটা ভালো উদ্দেশ্যে।

動画

Video of the Iron Bridge
HD 00:21