写真

আপনাদের সবাইকে শুভ দুপুর বেলা এই ছবিটাতে আপনারা দেখতে পাবেন একটি ফেরিওয়ালার দৃশ্য। এই ছবিটা তোলা হলো আলিয়া মাদ্রাসার রোড থেকে সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশে এখানে দেখতে পাবেন  একটি রাস্তা আছে রাস্তার উপরে রাখা আছে একটি ভ্যান। কত নানা ধরনের জিনিসপত্র বিক্রয় করতে একজন মানুষ বের হইছে।  কত সুন্দর লাগছে এখানকার পরিবেশটি দেখতে এখানে লক্ষ্য করে দেখবেন সুন্দর একটি রাস্তা আছে সে রাস্তার উপর দিয়ে একটি ভ্যান রাখা আছে সেটিতে নানা ধরনের সব জিনিসপত্র রাখা আছে এগুলো প্রতিদিনই ব্যবহার করা একটি জিনিসপত্র এখানে নানা ধরনের জিনিসপত্র নিয়ে মানুষটি ঘোরাফেরা করছে বিভিন্ন জায়গায় এবং এই যে জিনিস গুলো দেখছেন এগুলো ব্যবহৃত হয় পরিবারের কাজে প্রতিদিন। এগুলো ব্যবহার করে মহিলারা এগুলো নিয়ে তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়ান কারণ মহিলারা যদি এরকম দৃশ্য দেখে তাহলে তাদের প্রয়োজন হবে যে এগুলো একটি কেনার যাতে করে মানুষ সহজে হাতের পাতায় কিছু জিনিস কিনতে পারে তার জন্য তিনি বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ফিরে জিনিসপত্র বিক্রয় করেন এগুলো অনেক সুন্দর দেখতে এবং অনেক রকমের হরেক রকমের জিনিস তিনি এতে করে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। এই কাজটি তার প্রতিদিনের। তিনি সকালে বের হন আর রাত্রে বাড়ি ফেরে সারাদিন বাইরে থেকে কত কষ্ট করে এই জিনিসগুলো তিনি বিক্রয় করে অন্যের কাছে।
যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এটি হলো ভিশন কোম্পানির একটি সেন্টার। সেন্টারটিতে বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করছে। এই কোম্পানির ছবিটা তোলা সাতক্ষীরা যশোর থেকে সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশে কত সুন্দর লাগছে এখানকার দোকানটি দেখতে এখানে লক্ষ্য করে দেখতে পাবেন এটি অবস্থিত একটি রাস্তার পাশে এই দোকানটিতে সামনের পার্টি কাঁচের তৈরি এবং বাইরে থেকে সব কিছু দেখা যাবে এবং ভেতর থেকে বাইরে দেখা যাবে। বিভিন্ন জিনিসপত্র তারা অনেক সুন্দর করে তার দোকানটিতে সাজিয়ে রাখছে এসব  বিক্রয় করার জন্য এজন্য যেন কিছু অর্থ উপার্জন করতে পারে এবং এগুলো বিক্রয় করার ফলে অন্য মানুষের অনেক উপকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত তারা অনেক এগুলো ব্যবহার করে উপকৃত হচ্ছে যেমন ভিশন টিভি ফ্রিজ এলজিইডিতে বিক্রয় করে এবং এসব বিক্রয় করা হলে বিভিন্ন মানুষের উপকার  হচ্ছে কেননা এগুলো যার যার  প্রয়জনে  এরকম জায়গা থেকে কিনে নিয়ে যেতে পারবে যাতে করে তারদের প্রয়োজনটা মেটাতে পারে এ কোম্পানিটি অনেক সুনাম অর্জন করছে সব জায়গায় এখানে অনেক সুন্দর ব্যবহার করা হয় ক্রেতা-বিক্রতার মাঝে কথা বলে তাদের জিনিসপত্রগুলো কিনে নিয়ে যায় ক্রেতা- বিক্রেতা সে গুলোকে তার কাছে নিয়ে যায়।
একজন মানুষ কতটা দক্ষতা অর্জন করে  এখানে তার একটি  ছবি দেখতে পারবেন। সাতক্ষীরা পার্ক এখানে দেখতে পাবেন যে একটি মূর্তি তৈরি করা আছে কত সুন্দর করে ছবিটা হল কাথন ডাঙ্গা  সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ কত সুন্দর লাগছে এখানকার পরিবেশটি দেখতে এখানে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন একটি বড় মাঠে সুন্দর করে একটি মূর্তি তৈরি করে রেখে দেওয়া হয়েছে এবং এর আশেপাশে আছে বড় পুকুর এবং গাছ-গাছালি ফুলের বাগান যেগুলো এই পরিবেশটাকে আরো দারুন করে তুলছে এখানকার পরিবেশ  মানুষ দেখার জন্য প্রতিনিয়ত ভিড় করছে। এরকম দৃশ্য বাংলাদেশে অহরহ আছে এবং তার ভিতরে এটি একটি দারুন দৃশ্য হিসেবে যেকোনো মানুষের কাছে বিবেচিত হবে কেননা এরকম একটি দৃশ্য তৈরি করতে একজন মানুষের অনেক দক্ষতা অর্জন করতে হয়েছে কোন সাধারন ভাবেই এটি তৈরি করা যেতে পারে না কারণ এগুলো তৈরি করতে অনেক মেধা এবং দক্ষতার প্রয়োজন হয়। এরকম একটি মূর্তি তৈরি করতে অনেক  চেষ্টা  করতে হয় এবং মেধা শ্রম সবকিছুই কাজে লাগাতে হয়েছে সেই মানুষটাকে। এই ছবিটা নিঃসন্দেহে একটি দারুন ছবি ছবি হিসেবে বিবেচিত হবে মানুষের কাছে।
আপনারা দেখতে পাবেন সাতক্ষীরা জেলার সঙ্গীতা মোড়ের একটি নিত্য দিনের ছবি । মানুষজন যার যার কাজে ব্যস্ত আছে। এই ছবিটা হল সাতক্ষীরা সঙ্গীতা মোড় থেকে সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশে কত সুন্দর লাগছে এখানকার পরিবেশটা দেখতে মানুষজন সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার নির্দিষ্ট কোন গন্তব্য স্থানে কাজ করার জন্য বের হয় এবং সারাদিন কাজকর্ম করে রাতে এসে বাড়ি ফিরে। এখানে যে ছবিটি দেখতে পাবেন এই ছবিটাতে সেরকম একটি দৃশ্য দেখা যাচ্ছে এখানে দেখা যাচ্ছে একটি রাস্তা দিয়ে মানুষ জন যানবাহন একসাথে যাতায়াত করছে এবং কত চঞ্চলতা পূর্ণ একটি অবস্থা এখানকার পরিবেশটা ও কত সুন্দর লাগছে দেখতে। রাস্তার পাশে গুলোতে আছে কত সুন্দর বড় বড় বিল্ডিং এখানে আছে অনেকগুলো মোবাইল ফোনের দোকান মানুষজন মোবাইল ফোন কিনতে এই জায়গাটিতে বেশি ভিড় করে,  এ রাস্তাটিতে অনেক ভিড় হয় প্রতিদিনই কারণ এটা হল সাতক্ষীরা মেইন রোডে ওঠার জন্য একটি রাস্তা যে কারণে মানুষজন এই রাস্তা দিয়ে ওঠার সময় অনেক ভির হয় এ রাস্তাটিতে প্রতিদিন এরকম দৃশ্য আপনি দেখতে পাবেন সাতক্ষীরার সঙ্গীতা মোড়ে মানুষজন তাদের গন্তব্যস্থলে যাওয়ার জন্য এরকম ভিড় করে কজ করে  কিছু টাকা অর্জন করার জন্য এবং সেই অর্থ দিয়ে তারা নিশ্চয়ই তাদের পরিবার-পরিজনের জন্য কিছু করবে সেজন্য। মানুষের জীবনে অনেক অর্থের প্রয়োজন হয় আর তার জন্য তারা প্রতিনিয়ত কাজের পেছনে দৌড়াচ্ছে।
আপনাদের মাঝে এখন যে ছবিটা দেখতে পাবেন এটি হলো সাতক্ষীরা জেলার শিশুপার্কের একটি ছবি। এই ছবিটাতে দেখতে পাবেন একটি সুন্দর গেট। সেগেটের উপরে তৈরি করা আছে সুন্দর দুটি প্রাণী এবং আছে সুন্দর একটি রাস্তা সে রাস্তার পাশ দিয়ে তৈরি করে রাখা হয়েছে গাছপালা যেগুলো এগুলোকে দারুন করে তুলছে এখানকার পরিবেশটা দেখেন কতটা মনোরম  পরিবেশ মানুষজন এখান থেকে বেশি ভিড় করে এটি দেখার জন্য এবং এখানে দেখতে পারেন যে মানুষজনের মনের মতো একটি ছবি। এটি যদি কোন মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হয় তাহলে যে কোনো মানুষেরই মন চাইবে সেখানে একটু ভ্রমন করতে এখানে বেশিরভাগ বেড়াতে আসে শিশুরা যাদের আনন্দ দেওয়ার জন্য এই পার্টি নির্মাণ করা হয়েছে এখানকার পরিবেশটা সবকিছু অনেক সুন্দর এবং শিশুদের জন্য যেসব প্রয়োজন আছে সেগুলো এই জায়গাটিতে স্থাপন করেছে সেখানকার মানুষজন। শিশুরা যেন সঠিক ভাবে খেলাধুলা এবং আনন্দ পেতে হবে তার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করে রাখছে এখানে।  বাইরের গেট টা যদি এরকম হয় তাহলে ভেতরের অংশটা কেমন হবে তা নিশ্চয়ই ভাবনা একবার মানুষ যে কত সুন্দর করে কত কিছু তৈরি করতে পারে তার কোন তুলনা হয়না এখ ন ডিজিটাল বাংলাদেশে সবকিছু সম্ভব হচ্ছে। তৈরি করা জিনিস গুলো  সেগুলো একদম দেখতে জীবন্ত কোন প্রাণী কিংবা অন্যান্য জিনিসের মতো।  হঠাৎ করে দেখলে যেকোনো তৈরি করা জিনিস মনে হবে সত্তিকারের।
মানুষ অবিরত কাজ করে যাচ্ছে। তার একটি ছবি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। এই ছবিটা তোলা হলো ধুলিহর বাজার, সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ থেকে। কত সুন্দর লাগছে এই ছবিটা দেখতে এই ছবিটা দেখলে বুঝতে পারবেন যে মানুষজন প্রতিনিয়ত কাজ করতে যাচ্ছে তার গন্তব্য স্থানে এবং এ কাজগুলোকে তারা বেছে নিয়েছেন জীবন চালিকা হিসেবে এখানে দেখতে পাবেন একটি রাস্তা আছে সে রাস্তার উপর দিয়ে যাচ্ছে মানুষজন এবং যানবাহন।  সামনে দেখতে পাবেন একটি টলিতে করে অনেকগুলো ইট  নিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় যেখানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য টাকা নিয়েছে সে। এই এগুলো দিয়ে তৈরি হবে বিল্ডিং কিংবা বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসা ইত্যাদি সব দালান কোটা এবং এগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে মানুষের জীবনে বহন করে কেননা একটি বাসস্থানে থাকার জন্য তাকে সাহায্য করবে আর এ বাসস্থান  তৈরি করার জন্য ইটের প্রয়োজন হবে  ছবিটিতে  দেখতে পাচ্ছে কত সুন্দর একটি দৃশ্য মানুষজন প্রতিনিয়ত তাদের কাজ করে যাচ্ছে। তাদের যে ইচ্ছে  আছে সেগুলো পূরণ করার  জন্য অর্থের প্রয়োজন হয়। সেসব অর্থ জোগাড় করতে এসব কাজ করছে সেই মানুষ। মানুষ কত কষ্ট করে জীবনে সাফল্য আনার জন্য।
আপনারা এখন একটি দারুন ছবি উপভোগ করতে চলেছেন। এখানে দেখতে পাবেন রাস্তা আছে, সে রাস্তার উপর দিয়ে যাচ্ছে একটি ঘোড়া গাড়ি। সেই ঘোড়ার গাড়িতে কত সুন্দর করে তৈরি করছে মানুষ এবং সেটি দেখলে একটু দেখতে ইচ্ছা করছে। এত সুন্দর করে তৈরি করছে যে যেকোনো মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এই ছবিটা হল সাতক্ষীরা  থেকে সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ কত সুন্দর লাগছে এখানকার পরিবেশটা দেখতে এখানে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন একটি বড় রাস্তা আছে সে রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করছে একটি ঘোড়া গাড়ি আগে অনেক ঘোড়াগাড়ি দেখতে পাওয়া যেত কিন্তু বর্তমানে এখন এগুলো প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে যতই করে এগুলো এখন অনেক কষ্টের  মধ্যে দেখা যায় খুব কমই এরকম পরিবেশ দেখা যায় এবং এখান থেকে মানুষ এরকম একটি ঘোড়ার গাড়িতে উঠছে যারা মনে করে তারা এসব জায়গায় বেশি ভ্রমণ করতে চাই এবং এরাকম একটি ঘোড়ার গাড়িতে যদি কেউ উঠে পড়ে তাহলে তার মন অনেক বেশি খুশি হয়ে যাবে। এই ঘোড়ার গাড়িতে দেখবেন কয়েক জন মানুষ ও উঠে ভ্রমণ করছে বিভিন্ন জায়গায়। এখানে যে বিষয়টা হলো একটি ঘোড়া গাড়ি এবং এখানে যে পরিবেশ এগুলো কত সু ন্দর লাগছে দেখতে। বাংলার মানুষ আগে এরাকম ঘোড়ার গাড়ি ব্যবহার করতো। যাতায়াত ব্যবস্থায় বেশি ব্যবহৃত হতো এই ঘোড়ার গাড়ি।
একজন মানুষ অপর একজন মানুষের জন্য কত কিছু করতে পারে তারই একটা ছবি।  এ ছবিটিতে দেখতে পাবেন এখানে আছে সুন্দর একটি গেট এবং আছে পানির উপরে তৈরি করে রাখা একটি রাস্তা। এই ছবিটা হলো পাটকেলঘাটা, সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ থেকে। কত সুন্দর লাগছে পরিবেশটা দেখতে এবং দেখতে পাবেন এই গেট টিতে সুন্দর রং করা আছে এবং ফুল গাছ লাগানো আছে যেগুলো এই গেটকে আরো দারুন করে তুলেছে এখানে মানুষজন দেখেন চলাফেরা করছে প্রতিনিয়ত মানুষ জন আসে এটা দেখতে এবং এ গেট পরিদর্শন করতে বাইরে থেকেও অনেক মানুষ আসে  বাইরের জেলা থেকে এখানে আর তাছাড়া যারা আসে অনেক মানুষ এরকম একটি দৃশ্য দেখতে কারণ এরকম দৃশ্য দেখলে সবাই নিশ্চয়ই ভালো লাগবে এবং এখানে যে দৃশ্যটি দেখতে পাবেন তা সবাই সৃষ্টি করা একটি দৃশ্য  এই কাজটি করতে যে সৃষ্টি করেছে তার অনেক অর্থ এবং সময় লেগেছে যার জন্য এখন তার অনেক নাম হচ্ছে কেননা এক একটি জায়গায় যদি অনেক মানুষ এবং প্রতিনিয়ত যাওয়া-আসা করে এবং সেই জায়গাটির নাম অনেক উন্নত হয়ে যায়।  মানুষজন সেখানে যদি একটু বেশি যায় তাহলে অন্যান্য মানুষ জন ভাবে এখানে টু গিয়ে ভ্রমন করে আসি। এরকম করতে করতে একসময় সেই জায়গাটিতে অনেক উন্নত মানের এক টি জায়গা হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশের মানুষ যে কত কষ্ট এবং কত কঠিন কাজও করতে পারে তা এই ছবিটি দেখলে বুঝতে পারবেন। এই কাজটার নাম রাজ মিস্তি ও সহকারী। প্রতিটি দেশে এরাকম কাজ করে মানুষ। এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি বিল্ডিং তৈরি করছে মানুষজন তারা এখানে কাজ করছে প্রতিদিন এবং এই ছবিটা তোলা হলো সাতক্ষীরা মুক্তিযোদ্ধা সড়ক রাধানগর, সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ থেকে। কত সুন্দর লাগছে এখানকার পরিবেশটা দেখতে। মানুষজন প্রতিদিন কঠিনতম কাজ করে যাচ্ছে তাদের পরিবার এবং জীবন পরিচালনা করার জন্য  এখানে যায় বাড়িটি তৈরি হবে সেটি কত সুন্দর করে তারা তৈরি করবে তা ভাবতেই অবাক লাগে মানুষ জন তাদের ইচ্ছেগুলোকে কত সুন্দর করে তা প্রকাশ করছে বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থাৎ এখন যে নতুন নতুন বাড়ি তৈরি করছে নতুন নতুন ডিজাইন তৈরি করছে তা কত সুন্দর লাগছে দেখতে মানুষজন এগুলো তৈরি করে বিভিন্ন মানুষের কাজকর্ম করার দ্বারা  এগুলো কাজ করার পরে তাদের টাকা দেওয়া হয় এবং এখানে যে মানুষগুলো দাঁড়িয়ে আছে তারা সবাই কাজ করার জন্য আসছে বাড়ি থেকে এবং সারাদিন এখানে কাজকর্ম করার পর যা টাকা হবে তাই নিয়ে বাড়ি চলে যাবে। তারপর সে টাকা দিয়ে বিভিন্ন জিনিস পত্র খাবার-দাবার ইত্যাদি কিনে নিয়ে তারপর পরিবারের জন্য বাড়িতে নিয়ে যাবে। তাহলে প্রতিদিন তারা কতই না কষ্ট করে এই অর্থের জন্য।
মানুষজন  একটু বেশি খেতে পছন্দ করে তাই সে অল্প আর বেশি হোক। এখানে যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এটি হলো একটি খাবারের দোকান। এখানে বিভিন্ন খাবার বিক্রি করে থাকেন এর দোকানদার। এই ছবিটা তোলা হলো পুরাতন বাজার খোলা ধুলিহর, সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ  থেকে। কত সুন্দর লাগছে পরিবেশটা দেখতে বিভিন্ন জিনিসপত্র খাবার-দাবার বিভিন্নভাবে কত সুন্দর ভাবে এই দোকানটিতে উপস্থাপন করছেন সে দোকানদার টি। দোকানটিতে নির্মাণ করতে তিনি অনেকগুলো অর্থ ব্যয় করেছেন এবং এই যে খাবার গুলো দেখে নে খাবারগুলো করায় করা হয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির হতে যা কোনো অর্থ প্রদান করে তা থেকে খাবার নিয়ে আসছেন এই দোকানটিতে এই খাবারগুলো কে তিনি অনেক সুন্দর ভাবে দোকানটিতে অবস্থান করছেন বিক্রয় করার জন্য মানুষজন প্রতিনিয়ত এই দোকানটিতে বিভিন্ন খাবার এবং জিনিসপত্র কেনার জন্য আসেন। এই যে খাবার গুলো দেখছেন এখানে বিভিন্ন রকমের খাবার আছে যা ছোট বড় সবাই খেতে পছন্দ করে।  সেই সব খাবার  দোকানদার বিক্রি করে যাতে করে তার দোকানটিতে বেশি লাভজনক ভাবে বিক্রয় করা যায়। যে কোনো দেশেরই আছে এইসব খাবার এবং  এগুলো অনেক সুস্বাদু খেতে তেমনি অনেক সুন্দর করে সাজিয়েছেন দোকানদার।
এই যে ছবিটা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এই ছবিটিতে আছে অনেকগুলো কাঠের তৈরি খাট রাখা আছে, একটি  খাল এবং খালের ধারে আছে অনেকগুলো দোকানপাট। এই ছবিটা হল  সাতক্ষীরা মুক্তিযোদ্ধা  সড়ক রাধানগর সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ থেকে। কত সুন্দর লাগছে এখানকার পরিবেশটা মানুষজন এখান থেকে বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনে নিয়ে যায় এবং সামনের দেখতে পাচ্ছেন  আছে তৈরি করা খাট যাতে মানুষ আরাম করে ঘুমাতে পারে।  তার পাশে আছে একটি খাল এটা হল সাতক্ষীরার অতি পরিচিত একটা খাল। পাশে যে দোকানগুলোতে পাচ্ছেন  এগুলো হলো বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রয় জন্য একটি নির্দিষ্ট দোকান। দোকানে আছে নানা জিনিসপত্র যা  প্রতিনিয়ত বিক্রি করে যাচ্ছে জিনিসপত্র  বাংলাদেশে এরকম দৃশ্যটি অনেক দেখতে পাবেন কেননা বাংলাদেশ ছোট একটি দেশ সবাই এখানে প্রতিনিয়ত বিক্রয় করার জন্য নানাভাবে দোকান তৈরি করে এবং সেই দিনগুলো সুন্দর করে সাজানো এবং পরিচালনা করার জন্য এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ হয়ে দাঁড়ায় মানুষের জীবনে। মানুষ  জীবন পরিচালনা করার জন্য সাধারণত সব ধরনের কাজ করে থাকে বাংলাদেশের মানুষ এবং শুধু বাংলাদেশ নয় বিভিন্ন দেশের মানুষরাও এখন বিভিন্ন কাজকর্ম করে তাদের জীবন এবং পরিবারকে পরিচালনা করছে। যাতে করে সবাই  সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে।
মানুষ জীবন পরিচালনা করার জন্য এবং পরিবার-পরিজনকে পরিচালনা করার জন্যই কাজকর্ম করে। সারাদিন কাজকর্ম করে তার নিজস্ব বাড়ির দরকার হয়। এখানে যে ছবিটি দেখেছেন এই ছবিটা হল সাতক্ষীরা খালধারের একটি  দোকানের ছবি সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ। এখানে দেখতে পাবেন কতগুলো টিন এবং এ্যালবেস্টর এর  ছবি এখানে যেগুলো জিনিসপত্রগুলো সব বিক্রয় করার জন্য রাখা আছে কিন্তু এগুলো দিয়ে তৈরি করা হয় বিভিন্ন বাড়িঘর দরিদ্র মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।  কারণ দারিদ্র পণ্য মানুষ যে তাদের সাদওয়ালা বাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে তা কিন্তু নয় তারা সাধারন একটি ঘর বানিয়ে সেখানে জীবন যাপন করার জন্য চেষ্টা করে তাদের জন্য এগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ আর এই দোকানটিতে এরকম জিনিস অনেকগুলো আছে যা মানুষকে বিক্রয় করার জন্য উপস্থাপন করছে এগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগের হতে হালকা পরিমাণে রক্ষা করলে অন্যের জীবন পরিচালনায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কেননা  থাকার জন্য বাসস্থানের প্রয়োজন হয়। এটি ব্যবহার করে সহজেই তৈরি করা একটি ঘর। বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আসে এগুলো কিনার জন্য এবং এগুলো অনেক দামি তা কিন্তু নয় মানুষ  তার পছন্দ অনুযায়ী এসব ক্রয়  করে নিয়ে যায়। যাতে করে সে একটি সুন্দর বসতভিটা তৈরি করতে পারে।  এটি অনেক সুন্দর একটি দৃশ্য তে পরিণত করা যায়। মানুষজন সুন্দর একটি  ঘর বাড়ি তৈরি করার জন্য এগুলো ব্যবহার করছে প্রতিনিয়ত।
বাংলাদেশ ছোট একটি রাষ্ট্র কিন্তু এদেশে বসবাস করে অনেক মানুষ এবং এই যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এই ছবিটা হল ধুলিহর পুরাতন বাজার খোলার একটি রাস্তার দৃশ্য। এখানে দেখতে পাবেন একটি সুন্দর রাস্তা, এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করছে মানুষজন এবং যানবাহন এবং দেখতে পাচ্ছে সেই রাস্তার দুই ধার দিয়ে কত সুন্দর করে প্রায় গাছপালা লাগানো আছে এরকম প্রাকৃতিক দৃশ্যের একটি দেশ পরিচিত বাংলাদেশ বাংলাদেশ আছে অর্ধেক প্রায় ১৭ ভাগ গাছপালা, আর নদী-নালা ও যেগুলো প্রতিনিয়তই মানুষের মনকে আকৃষ্ট করেছে বাইরে থেকে মানুষজন আছে এ দেশে ভ্রমণ করতে এবং বাংলাদেশের অধিকাংশ জায়গায় আছে প্রাকৃতিক দৃশ্যের একটি অংশ কেননা এখানে চার পাশে  সবুজ গাছপালা আর গাছপালা যেগুল বাইরের দেশে খুবই কম।  প্রাকৃতিক দৃশ্য মানুষের অনেক ভালো লাগবে কেননা এরকম প্রাকৃতিক দৃশ্য পরিবেশের দেখা যায় তাহলে কত সুন্দর লাগে এসব গাছপালা যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে তেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে মানুষকে প্রতিনিয়ত বাসে যাচ্ছে যখন বাংলাদেশে কোন বড় রকমের ঝড় আসে তখন বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলে থাকা একটি বোন আছে যার নাম সুন্দরবন এই বোনটির থেকে অনেক গাছপালা আছে যেগুলোতে বাতাস  বাধাপ্রাপ্ত করে হালকা পরিমাণে দেশের উপর দিয়ে যেতে সাহায্য করে। যাতে করে বাংলাদেশের অনেক অংশে  বেঁচে যায়।
আপনারা এখন যে ছবিটি দেখতে পাবেন  যে একটি নদী আছে। সেই নদীর তীরে চলাচল করছে নৌকা বাহিক বিভিন্ন মানুষ এবং আছে বড় পাহাড় আর গাছপালায় ভর্তি। এটা হলো বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের একটি দৃশ্য দেখতে কত সুন্দর। দেখবেন যে নদীতে এখানে ভ্রমণ করতে প্রতিবছরই বাইরে থেকে লোক আসে এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই জায়গায় জড়ো হয় এই স্থানটি দেখার জন্য  এখানে দেখতে কত সুন্দর করে গাছপালা লাগানো আছে যেগুলো দেখতে আরো দারুন লাগছে পরিবেশটাকে এবং নানাভাবে মানুষ নৌকায় যাতায়াত করছে বিভিন্ন মানুষ এবং বাইরে থেকে যারা ভ্রমণ করতে আসে তারাই এসব  নৌকায় ভ্রমণ করতে চাই কেননা নৌকা ভ্রমণ একটি দারুণ একটি মাধ্যম  এটি একটি অত্যন্ত মজার বিনোদনের স্থান এখানে মানুষজন প্রতিনিয়তই ঘুরছে তা দেখলেই বুঝতে পারবেন এবং এমন কোনো মানুষ নেই যে এরাম একটি জায়গার নাম জানেনা। বাংলাদেশে এমন অনেকে স্থান আছে। যেখানে মানুষ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন স্থান থেকে ঘুরতে যায়। এটা সব থেকে বড় একটা বিনোদনের জায়গা, তা আপনারা দেখলেই বুঝতে পারবেন। যারা একটু বেশি ভ্রমণ করতে চায় তাদের জন্য এটি একটি বড় বিনোদনের জায়গা হবে।
বর্তমান সময়ে প্রতি বিশ্বে একটি বিরাট অবদান রাখছে বিদ্যুৎ।এই  বিদ্যুৎ এখন প্রতি ঘরে ঘরে জ্বলছে।  এখন যে ছবিটা দেখতে পারবেন সেই বিদ্যুতের কিছু অংশ। এখানে দেখতে পাবেন  আছে সুন্দর একটি দোকান এই দোকানের ছবি তোলা সাতক্ষীরা খালধার সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ থেকে কত সুন্দর লাগছে পরিবেশটা দেখতে এবং কত সুন্দর এখানকার জিনিসপত্রগুলো যে ক্রেতা বিক্রেতা যারা কথা বলে তাদের কথাবার্তা গুলো এখানে আপনারা দেখতে পাবেন কত সুন্দর করে দোকানদার তার দোকানটিতে ইত্যাদি জিনিস পত্র দিয়ে সাজিয়েছেন কত সুন্দর লাগছে দেখতে এবং তার পাশেই আছে সুন্দর একটি বাড়ি কত সুন্দর লাগছে দেখতে সব গুলো মিলিয়ে একটি দারুন দৃশ্য সৃষ্টি হয়েছে  এখানে। যে দোকানটা আছে এই দোকানটিতে বিক্রি করে বিভিন্ন কারেন্টের জিনিসপত্র যেমন ফ্যান, ব্যাটারি ইত্যাদি ইত্যাদি সব জিনিসপত্র বিক্রি করেন দোকানটিতে কত সুন্দর করে সাজানো আছে এবং মানুষজনের চোখে খুব সহজেই পড়বে। এখানকার পরিবেশটা অনেক সুন্দর দোকানটিতে কত রং করে কত সুন্দর করে তৈরি করছে দোকান তাতে অনেক টাকা খরচ হলেও তাকে পরবর্তীতে এই টাকা তোলার জন্য তিনি এইসব কাজ  শুরু করেছেন। এগুলো প্রতিটি মানুষের জন্য প্রয়োজন যখন তারা ঘর তৈরি করবে।  তখন এগুলোর প্রয়োজন অতুলনীয়।
যে ছবিটা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এখানে দেখবেন কতগুলো খাবার আছে একটি দোকানে। কত সুন্দর করে সাজানো। এই দোকানটি হল ধুলিহর পুরাতন বাজার খোলা থেকে সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ থেকে কত সুন্দর লাগছে এখানকার পরিবেশটা দেখতে যে কোনো মানুষেরই পছন্দ হবে এবং এই দোকানটিতে যে খাবার গুলো দেখছেন সেগুলো সে কোন কোম্পানির কাছ থেকে নিয়ে আসছে তারপর  সেই খাবারগুলো কে সুন্দর ভাবে দোকানটিতে সাজিয়ে বিক্রয় করার জন্য উপস্থাপন করছে তার দোকানটিতে মানুষ তার  প্রয়োজন অনুযায়ী সেই খাবারগুলো থেকে নিশ্চয়ই কোন না কোন খাবার কিনবে।  মানুষজন এবং ছোট ছেলে মেয়েরাও এই খাবার খেতে অনেক বেশি পছন্দ করে এখানে দেখবেন যে কত রকমের খাওয়ার আছে বিস্কিট, চিপস, চানাচুর ইত্যাদি নানা ধরনের খাবার যা মানুষ প্রতিনিয়ত খেতে পছন্দ করে। এগুলোর মূল্য অনেক কম এবং এগুলো খেতে অনেক সুস্বাদু দারিদ্র পূর্ণ একটি পরিবার ও একটু সামান্য অর্থ দিয়ে কিনে নিয়ে যেতে পারবে এসব খাবার  দোকানটি অনেক সুন্দর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রেখে দিয়েছেন দোকানদার অন্যান্য মানুষের জন্য। এখানে মানুষ  আসলে যেন অসুবিধা না হ য় তার জন্য তিনি দোকানটিকে নানা ভাবে পরিচালনা করেন।
সবাইকে শুভ সকাল এই ছবিটাতে দেখা যাচ্ছে একটি রাস্তা এবং রাস্তার পাশেই  আছে একটি খাবারের দোকান। কয়েকজন মানুষজন দাঁড়িয়ে আছে যানবাহন নিয়ে এই ছবিটা হল সাতক্ষীরা কদমতলা থেকে সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ এখানকার পরিবেশটা কত সুন্দর লাগছে দেখতে আর এখানে যে রাস্তাটি আছে এটি থেকে সারাদিনে বহুৎ মানুষজন এবং যানবাহন যাতায়াত করছে বিভিন্ন জায়গায় এই যে এখন যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছি এখানে দেখলে বুঝতে পারবেন রাস্তার পাশে দোকান থাকা কতটা জরুরি একজন মানুষ সেই দোকান থেকে খাবার দাওয়ার কিনছে যাওয়ার সময় হয়ত বিভিন্ন মানুষের এরকম যাওয়ার সময় কিছু খাবারের প্রয়োজন হয় যারা এরকম রাস্তার পাশ থেকে খাবার কিনে নিয়ে যায় যাতে করে তাদের অনেক সময় কম লাগে যদি এটা আলাদা করে কেন হয় তাহলে প্রথমে একটি দোকানে যাওয়া লাগবে তারপর সেখান থেকে জিনিসপত্র কিনে তার পরে গাড়ীতে উঠতে হবে আর এরকম যদি হয় যে রাস্তার পাশে একটি দোকান থাকবে সেই সব দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা যাবে তাহলে সুন্দর হবে। এখানে একজন লোক একটি দোকান থেকে কত সুন্দর ভাবে ব্যবহার করে জিনিসপত্র কিনছেন এবং কত চঞ্চলতা পূর্ণ একটি রোড দেখা যাচ্ছে। এরকম  দৃশ্য সাতক্ষীরায় অহরহ আছে। বাংলাদেশে একটি রাষ্ট্র হলেও এখানে আছে প্রচুর মানুষ জন এবং প্রচুর রাস্তা যেখান দিয়ে প্রতিনিয়ত এই মানুষজন যাওয়া আসা করছে তাদের নির্দিষ্ট গন্তব্যস্থলে। তাদের প্রয়োজনীয় কাজ কাম মেটাতে প্রতিদিন এরকম রাস্তা ব্যবহার করে তারা।
মানুষজন অনেক দায়িত্বপূর্ণ এবং তারা প্রতিনিয়ত কাজকর্ম করে যাচ্ছে। এই ছবিটা হলো সাতক্ষীরা মুক্তিযাদ্ধা সড়ক, রাধানগর থেকে বাংলাদেশ। তাদের এই কাজকর্মকে তারা বেছে নিয়েছে জীবন চালিত হিসেবে এখানে দেখতে  পাবেন এখানে আছে একটি রাস্তা সে রাস্তার উপরে কত যানবাহন চলাচল করছে এবং পাশেই আছে কতগুলো দোকানপাট এবং  খোলা জায়গা মানুষজন তাদের জীবন পরিচালনা করে বিভিন্ন কাজকর্ম করে এই ছবিটা দেখলেই তা বোঝা যাবে এরকম শুধু বাংলাদেশে নয় প্রত্যেকটি দেশেই আছে মানুষজন এবং তারা বিভিন্ন কাজকর্ম করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে এখানকার পরিবেশটা সুন্দর দেখাচ্ছে সব কিছু ছন্দ পূর্ণ স্থিরতা বলতে কোন কথাই নেই যে আর আছে সেগুলো হলো দোকানপাট জিনিসপত্রগুলো মানুষজন অবিরত চলছে প্রতিনিয়ত তাদের নির্দিষ্ট গন্তব্যে স্থানে পৌছানোর জন্যই মানুষজন এত কষ্ট করছে যে তাদের ইচ্ছাটাকে যেন সম্পূর্ণভাবে পূরণ করতে পারে এবং তাদের প্রত্যেকটি মানুষের আছে একটি নির্দিষ্ট ইচ্ছে যা পূরণ করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে এবং সে যতো  কষ্টই হোক না কেন সেই কাজটাই করেছে তার ইচ্ছা পূরণ করার জন্য নইলে তার পরিবারে ইচ্ছে গুলোকে মেটানোর জন্য  তার যে একটি পরিবার আছে সেটি পরিচালনা করার জন্য অবশ্যই তাকে কোন না কোন কাজ করতে হবে। তাই সে এই ধরনের কাজ করুক কিংবা চাকরি-বাকরি করে। যে কোন কাজ করে তার পরিবারকে বাঁচিয়ে রাখবে মানুষ।
বাংলাদেশ একটি দারিদ্র পূর্ণ একটি দেশ হলেও এ দেশে আছে নানা ধরনের সব উন্নয়নশীল একটি কার্যক্রম। এই যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এখানে আছে সুন্দর একটি নতুন রাস্তা এবং আছে অনেক যানবহন, মানুষজন, দোকানপাট, এই ছবিটা তোলা ধুলিহর বাজার সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ থেকে। কত সুন্দর লাগছে দেখতে এখানকার পরিবেশটা অনুভব করা যাচ্ছে একদম প্রত্যেক মানুষজন তাদের নিয়োজিত কাজে চলেছে এবং প্রতিনিয়ত চলাফেরা করছে এই যে রাস্তাটি হল আশাশুনি থেকে সাতক্ষীরা যাওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এটি মেরামত করে নতুন করে তৈরি করা হয়েছে যাতে করে মানুষজন একটি সুন্দর ভাবে যাতায়াত ব্যবস্থা করতে পারে এবং এই ছবিটি দেখলেই বুঝতে পারবেন মানুষ কত কাজে নিয়োজিত আর বিভিন্ন যানবাহনও দেখতে পাচ্ছেন সেগুলোতে মাল বহন করা আছে যেগুলো এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য। মানুষ প্রতিনিয়ত চলছে তার কাজে এবং পাশে দেখতে পাবেন কতগুলো তৈরি করা দোকানপাট ওপেন করা আছে।  কত সুন্দর দেখাচ্ছে আর দোকানগুলো কত সুন্দর করে না তৈরি করছে মানুষ।  দোকানগুলোতে জিনিসপত্র রাখা হয়েছে  যা মানুষের  কাছে বিক্রয় করার জন্য এ জায়গাটিতে তুলে ধরছে।
এখন যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন এটি হলো সাতক্ষীরা ইসলামী হাসপাতালের একটি এক্সরে মেশিন।  এই যে ছবিটি দেখছেন এখানকার পরিবেশটা এত সুন্দর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। এই ছবিটা সাতক্ষীরা  ইসলামী হাসপাতালের ভিতর থেকে তোলা সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশ।  কত সুন্দর লাগছে এই যন্ত্রটি এর কার্য ততটাই সুন্দর,  এটি যখন কোন একজন  মানুষের হাড় কিংবা কোন ভাঙা অংশের এক্সেরে করা হয় তখন এ যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয় এতে আছে অতিবেগুনি রশ্মির মতো শক্তিশালী আলো য় যা মানুষের মাংস পেশিকে ভেদ করে ভাঙা হাড়ের  ছবি তুলে আনে এবং ডাক্তারকে সম্পূর্ণভাবে দেখিয়ে দেয় যে সেই ভাঙা অংশটি  এখন এত উন্নত একটি বিশ্বে এগুলো ব্যবহার করে খুব সহজেই মানুষজন তাদের এ ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগাছে এবং তাদের এগুলোকে নিরীক্ষণ করছে এ যন্ত্রটি ব্যবহার করে শুধু বাংলাদেশেই নয় বাইরের দেশে কত সুন্দর সুন্দর ব্যবস্থা আছে এরকম এখন যে পরিবেশে দেখতে হচ্ছে এখানে অনেকগুলো এক্সরে মেশিন আছে এবং অনেক দক্ষ  মানুষ সে এগুলোকে ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত মানুষের উপকার করে যাচ্ছে।  এখনকার বাংলাদেশের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় কত সুন্দর একটি পদ্ধতি  তৈরি করে মানুষের উপকারের জন্য। মানুষের জীবন মরণে এগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।