写真

এটি হলো আদনান প্যালেস। এটি নবাবগঞ্জ এ অবস্তিত। এটি নবাবগঞ্জ এর কোলাকোপা ইউনিয়ন এ গড়ে উঠেছে।এটি একটি বিশাল পার্ক।এটির সত্বাধিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা কে এম আলম পোখরাজ। এটি পূর্ব আমলে একটি জমিদার বাড়ি ছিল তা ছিল রাধানাথ সাহার।এই পার্কটির নাম আদনান প্যালেস রাখা হয় মুক্তিযোদ্ধার একমাত্র সন্তানের নামে।তার একমাত্র সন্তানের নাম ছিল খন্দকার আদনান।এই পার্কের নৈসর্গিক পরিবেশে আপনি মুগ্ধ হবেন।এটি যেন এক অনন্য সু্ন্দর জায়গা।এখানে সবাই পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসেন।এটি সববয়সী মানুষের কাছে ইতিমধ্যে পরিচিত হয়ে গেছে।আপনারাও চাইলে আসতে পারেন এই পার্কের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করতে।
এটি হলো বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি।সাভার বিরুলিয়া জমিদার বাড়ীটিতে বাস করতেন রজনীকান্ত ঘোষ।তিনি ছিলেন বিরুলিয়ার বিখ্যাত জমিদার। তুরাগ নদীর পাড়ে ছোট্ট গ্রাম বিরুলিয়া।এই গ্রামে গেলেই আপনি দেখতে পাবেন কালের সাক্ষী এখনও দাঁড়িয়ে আছে জীর্ণ সেই বাড়ি।ইতিহাস-ঐতিহ্য ও জমিদার বাড়ি লোকচক্ষুর অন্তরালেই রয়ে গেছে এ জমিদার বাড়ি।এ বাড়িটা দেখলেই বোঝা যায় এটির এক সময় জৌলুশ পূর্ন অতীত ছিল।এসব বাড়ি এখন সময়ের বিবর্তনে হারিয়ে গেলেও একসময় এরও যৌবন ছিল।পাইক পেয়াদায় ভরা থাকতো রাজবাড়িতে।এসব আমাদের থেকে এখন হারিয়ে যাচ্ছে। এ জমিদার বাড়িতে সদরঘর, বিশ্রামঘর, বিচারঘর, পেয়াদাঘর, ঘোড়াশালাসহ উল্ল্যেখযোগ্য আরও কিছু ঘর।এগুলো এখন অজন্ত অবহেলায় পড়ে আছে।
এটি হলো গোয়ালদি মসজিদ।নারায়ণগঞ্জ এর সোনারগাঁ এর ঐতিহাসিক নিদর্শন গোয়ালদি মসজিদ।পৌরসভার গোয়ালদি গ্রামের স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শা এর আমলে নির্মিত হয় এই গোয়ালদি মসজিদ।এটি মানুষের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র।আালাউদ্দীন শাহ এর আমলে বাংলার শিল্প সাহিত্য ও শিক্ষা উৎকর্ষ লাভ করে।সোনারগাঁ এ হোসেন শা এর আমলে যেসব শিল্পলিপি পাওয়া যায় তার মধ্যে মসজিদ সংলগ্ন শিলালিপি অন্যতম।এ মসজিদের ভিতর ও দেয়ালের বাইরে পাথর ও ইটের উপর আরব্য অলংকরণ লক্ষ্য করা যায়।এ মসজিদটির গম্বুজ সংখ্যা একটি।এর চারকোনায় চারটি পিলার রয়েছে।এ টাওারগুলো সুলতানি রীতিতে তৈরি।মসজিদটিতে প্রবেশের জন্য পাঁচটি খিলান পথ রয়েছে।প্রধান প্রবেশপথ বরাবর মূল মেহরাবটি অবস্তিত। এটি কালো পাথরের তৈরি।অন্য দুটি ইটের তৈরি।
এটি হলো সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর। সোঁনারগা বাংলার ইতিহাস এর গৌরবোজ্জ্বল প্রাচীন জনপদ।প্রায় তিনশ বছর সোঁনারগা বাংলার রাজধানী হিসাবে পরিচিত ছিল।মুঘল সুবেদার ইসলাম খা এর সময়ে এই রাজধানী স্থানান্তরিত হয়।বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তরিত হওয়ার পর সোঁনারগা এর গুরুত্ব ম্লান হয়ে যায়।এখানে যেন আমাদের সোনালি অতীত আছে।সোনারগাঁও আমাদের সোনালি অতীত এর কাছে নিয়ে যায়।ঐতিহাসিক সোঁনারগা এর অতীত স্মৃতিকে সামনে রেখেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরামর্শ ও আর্থিক সহায়তায় এবং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন এর আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় গৌরবদীপ্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন যা সোঁনারগা জাদুঘর নামে পরিচিত।
এটি একটি পার্ক।এটি অসম্ভব সু্ন্দর। এই পার্কের নাম হলো পলওয়েল পার্ক।এটি কাপ্তাই লেকের কোল ঘেষে অবস্তিত।এই ডিসি বাংলো রোডে পলওয়েল পার্কের অবস্থান।এই পার্কটি রাঙামাটি জেলায় অবস্তিত। রাঙামাটি পুলিশের তত্বাবধানে এই পার্কটি তৈরি হয়েছে।এটি অত্যন্ত সু্ন্দর। এর গঠনশৈলীর উপর ভিত্তি করে এটি খুবই নান্দনিক।এর চমৎকার নির্মাণশৈলী ও নান্দনিকতার জন্য এটি রাঙামাটির অন্যতম বিনোদন কেন্দ্রের জায়গা করে নিয়েছে।শহরের যান্ত্রিক জীবন ছেড়ে মানুষ চায় একটু সু্ন্দর জীবন।এই পার্কটি যেন মানুষের সেই আবদার পূরন করেছে।এটি খুবই সু্ন্দর। একাধারে লেকের সৌন্দর্য তার পাশাপাশি প্রকৃতির কাছে আসার যে সু্ন্দর সুযোগ তা যেন কেউ ছাড়তে চায় না।এখানে সবসময় তাই মানুষের আনাগোনা।
আমরা সবাই ঝর্না খুব ভালোবাসি।এটি হলো শুভলং ঝর্না।এটির এ যেন অন্য এক প্রকৃতির রংয়ে রাঙানো।এরূপ সৌন্দর্য যেন মুগ্ধ হয়ে থাকার মতো।কি সুন্দর জলাধার।এখানে যেন প্রকৃতির সব রং মিশে একাকার হয়ে গেছে। এ যেন এক অন্যনরকম ঝর্নার রং।এর নিচে আপনি সু্ন্দর করে স্নান করতে পারেন।এরূপ সৌন্দর্যের ছোয়ায় মুগ্ধ হতে যেন প্রকৃতি তার নিজেকে এভাবে সাজিয়ে রেখেছে এ যেন সৌন্দর্যের এক প্রতিরূপ।কি সু্ন্দর ঝর্নার ধারা।এটি যেন যে কাউকে মুগ্ধ করার ক্ষমতা রাখে।এরূপ সৌন্দর্যের টানে দূরদূরান্ত হতে ছুটে আসে মানুষ।এরূপ সৌন্দর্যের ছোয়ায় মুগ্ধ হতে তারা দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে এসে ভিড় জমায়।এখানে যেন তাদের প্রকৃতি টানে।এরূপ ঝর্নার  সৌন্দর্য দেখে যেন চোখ সরতেই চায় না।
এটি হলো ঠাকুর লজ।এটিকে অনেকে ঠাকুর লজের বদলে টেগর লজও বলে থাকে।এটি কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়ায় অবস্তিত।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিমাখা লাল রঙের দোতালা কারুকার্য খচিত এই ঠাকুর লজ। এটি খুবই সু্ন্দর।এই ঠাকুরলজটি নির্মান করেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।তিনি এই বাড়িটি নির্মান করেন ১৮৯৫ সালে।টেগর এন্ড কোম্পানির ব্যবসায়িক কাজে এসে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই ঠাকুর লজ নির্মান করেন।এই ঠাকুরলজটি নয় কাঠা জমির উপর নির্মিত। এটি যেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বহন করে।এই ঠাকুর লজের প্রবেশ মুখে রয়েছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর একটি আবক্ষ মূর্তি।এই ঠাকুরলজটি দোতলা ভবন।এখানে এক তলা থেকে উপরের রুমে যাওয়ার জন্য আছে প্যাঁচানো সিড়ি।এটি খুবই সু্ন্দর।
এটি হলো লালনশাহ মাজার।লালনশাহ ছিলেন একজন বিখ্যাত বাঙালি।তাকে লালনফকিরও বলা হয়।ফকির লালনশাহ এর মাজার কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলায় অবস্তিত। লালনশাহ একাধারে ছিলেন বাউল,গীতিকার সমাজ সংস্কারক ও চিন্তাবিদ। তিনি কুমারখালি উপজেলার ছেউড়িয়ায় তার শিষ্যদের নীতি ও আধ্যাত্মিক শিক্ষা দিতেন।তিনি প্রতি শীতকালে আখড়ায় একটি অনুষ্ঠান করতেন সেখানে তার শিষ্যদের অংশগ্রহণে সংগীত ও আলোচনা হতো।তার মৃত্যুর পর তার সমাধি স্থলেই এক মিলন ক্ষেত্র গড়ে উঠে।তার সমাধি ঘিরে তার শিষ্যদেরও সারি সারি কবর রয়েছে।তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এখানে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।এখানে সঙ্গীত ও বিভিন্ন অনিষ্ঠানের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
এটি হলো চাটমোহর শাহী মসজিদ।এটি খুবই সু্ন্দর একটি জমিদার বাড়ি।এটি একটি প্রাচীন জমিদার বাড়ি।এই জমিদার বাড়ির প্রাচীনতা যেন ধরে রেখেছে এখানকার কারুকাজ।এটি দারুন একটি ঐতিহ্যেপূর্ন জমিদার বাড়ি।শিতলাই জমিদার বাড়ি নামে অনেকেই এটি চিনে থাকে।এটি পাবনা জেলার শিতলাই গ্রামে অবস্তিত। এর ইতিহাস ঘেটে জানা যায় এটি অনেক প্রাচীন একটি জমিদার বাড়ি।বর্তমানে এটি সংরক্ষিত ইরামত এবং ধর্মীয় স্থান।এই মসজিদটি তিন গম্বুজ বিশিষ্ট।এ গম্বুজ তিনটি মসজিদের উপরিভাগে এবং সম্মুখ ভাগে তিনটি খিলান আকৃতির গেট রয়েছে।এ মসজিদের আাশেপাশে খিলান আকৃতির আরো দুইটি গেট রয়েছে।এটি ইতিহাস খুবই সমৃদ্ধ এবং এটি খুবই সু্ন্দর একটি মসজিদ।
এটি একটি পার্কের ছবি।এখানে তৈরি করা আছে বৌদ্ধ মুর্তি।এটি জাপানে অবস্তিত। এটি জাপানের সুরাকুয়েন পার্কে অবস্তিত। এটি খুবই সু্ন্দর।এটি একটি পবিত্রতার প্রতীক। এই প্রতিককে শ্রদ্ধা ভরে স্মরন করা হয়।এটি একটি পার্ক যেখানে সু্ন্দর করে এই মুর্তিটি তৈরি করা।এটি খুবই সু্ন্দর।এটি দারুন একটি জায়গা।এখানে আসলে মন শান্ত হয়।এ যেন নয়নাভিরাম এক পরিবেশ।এরূপ সৌন্দর্য মুগ্ধ করে সকলকে।এরূপ জায়গায় যেন সমস্ত ক্লান্তির অবসান হয়।এ যেন এক নতুন করে দিন শুরু করার জায়গা।এটি খুবই সু্ন্দর।চারিদিকে এরকম শান্ত আর সৌন্দর্যে ভরপুর যেন দেখলেই মন শান্ত হয়ে যায়।এরূপ নিরব প্রকৃতির মাঝে এত শান্তি আর কোথাও নেই।
এটি হলো ভিরুভাল্লুয়ার ভাস্কর্য। এটি অনেকে ভল্লভার ভাস্কর্য ও বলে থাকে।এটি হলো পাথরের তৈরি একটি ভাস্কর্য। এটি খুবই সু্ন্দর। এটি একটি ধর্মীয় ভাস্কর্য।এই ভাস্কর্যটি ধর্মীয় দিক বজায় রাখে।এটি খুবই সু্ন্দর। এটি একটি সু্ন্দর ভাস্কর্য। এটি পাথরের তৈরি এবং খুবই উঁচু। এটি যেন এমন ভাবে বানানো হয়েছে যা হাত তুলে আশির্বাদ করছে আমাদের। এ যেন এক সু্ন্দর রূপ।ধর্মীয় দিক বিবেচনায় এরূপ আশিবার্দ যেন আমাদের সুন্দরের জন্য আমাদের মঙ্গকামনায় করা হয়ছে।এরূপ প্রকৃতির মাঝে এটি তৈরি।এর চারপাশে সমুদ্রের নিল জল।এই নীল জল প্রকৃতিকে যেন আরও সু্ন্দর করেছে।এখানে যাওয়ার জন্য সু্ন্দর একটি রাস্তা।এটি দারুন একটি ভাস্কর্য যা সমুদ্রের মাঝে উদিয়মান হয়ে রয়েছে।
এরকম একটা সু্ন্দর বাড়িতে কে না থাকতে চায়।এ যেন এক অনন্য সু্ন্দর প্রকৃতি।এই প্রকৃতির  মাঝে যেন সুন্দরের বহিঃপ্রকাশ।এরূপ প্রকৃতি যেন আপনাকে কাছে টানে।এটি অদ্ভুদ সু্ন্দর যেন পটে আকা ছবি।এরকম দৃশ্য দেখে মন আনন্দে ভরে যায়।প্রকৃতির রূপের কোন তুলনা হয় না।এ যেন অনন্ত সু্ন্দর। এ এক চিরচেনা সৌন্দর্য।উপরে সুনীল আকাশ।আকাশে পাখিরা ভেসে বেড়াচ্ছে। এ যেন এক নতুন রূপ। তার মাঝে সু্ন্দর একটি ভবন।এটি যেন কারুকাজে মুগ্ধ করে।এরূপ সৌন্দর্য সত্তি যেন সুন্দরের নিদর্শন। কি নান্দনিক এটি।অসম্ভব সু্ন্দর এর কারুকাজ এ যেন এক অনন্য সু্ন্দর। ফুলের সৌন্দর্য গুলো যেন এইখানকার পরিবেশেকে সিন্ধ আর মনোরম করে তুলেছে।