写真

এটি একটি গ্রামের ছবি।  গ্রামে শহরের মতো আধুনিক সুবিধা নেই।  এই কারণে জমিদার ও রাজাগানরা শহরে বাস করতেন তবে গ্রামের সাথে সম্পর্ক বজায় রেখেছিল। বাংলাদেশে হাজার হাজার গ্রাম রয়েছে।  গ্রামগুলি মানব বসতির একক।  এটি মূলত কৃষিক্ষেত্রে মানব সম্প্রদায়ের একটি ছোট্ট বসতি।  যেখানে জীবিত সম্প্রদায়গুলি কৃষি এবং বিভিন্ন ছোট কাজ যেমন মৃৎশিল্প বা ছুতের কাজগুলির মাধ্যমে খুব সাধারণ উপায়ে বাস করে।  গ্রামগুলি সাধারণত বড় শহরগুলি বা রাজধানী থেকে দূরে অবস্থিত।  গ্রামে শহরের মতো আধুনিক সুবিধা নেই।  এ কারণে জমিদার ও রাজাগানরা শহরে বাস করতেন তবে গ্রামের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখত।  এটি একটি গ্রামীণ ক্ষেত্র ছিল।  প্রাচীন সামন্তবাদী সমাজে কৃষিভিত্তিক গ্রামগুলি ছিল আয়ের উত্স।  কৃষকরা ছাড়াও একটি গ্রামে কামার, কুমোর, নৌকোচালক, বেদী এবং জেলেদের বাস।  গ্রামটি প্রথমে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসাবে বিবেচিত হত।  বেশিরভাগ মানুষ
ত্লাবং ঝর্ণা বা ডাবল ফলস বা ক্লিবুং ঝর্ণা যে নামেই আপনি জানেন না’কেন এটি পাহাড়ের দেশ বান্দরবানের রুমা উপজেলায় সুংসাং পাড়ার নিচে অবস্থিত। স্থানীয় বম গ্রাম থেকে দক্ষিণ-পূর্বে এর দূরত্ব প্রায় ২.৫ কিলোমিটার। কেওক্রাডং থেকে প্রায় ২ ঘণ্টা হেটে সুংসাং পাড়া আর থাইক্ষাং পাড়ার মাঝের জঙ্গলের অত্যন্ত গভীরে এই ঝর্নাটি যেতে হয়।অন্য ঝর্ণাগুলোর থেকে এর মৌলিক পার্থক্য হল, এটাতে ঝর্ণাধারা আছে দুটো।  দুটি প্রবাহ প্রানশা বা প্রাংশা (বামে) ও পাঙ্খিয়াং বা পাংখিয়াং (ডানে) ঝিরি মিলে দুটি আকর্ষনীয় জলপ্রপাত তৈরী হয়েছে। ২টা ঝর্ণা একসাথে থাকার কারণের একে ডাবল ফলস বলা হয়। বর্ষা ও শীত সবসময়ই এ ঝর্ণায়  কম – বেশি পানি থাকে।
The picture shows children playground park.park is usually a protected area preserved in natural or near-natural conditions.  Apart from this, in some cases parks are also created artificially.  After being identified as a park, many times different types of plants are planted in the park.  The park may have grassy areas as well as rocky areas, reservoirs and designated areas for various animals, including artificial reservoirs or aquariums built to preserve live fish and plants.  The grass in the park is cut with a machine for various sports and picnics.  Parks are usually named after a region or a prominent person. There are different types of parks and protected areas in the world. National parks and country parks are green spaces used for recreation in the countryside. State parks and provincial parks are administered by sub-national government states and agencies. Parks may consist of grassy areas, rocks, soil and trees, but may also contain buildings and other artifacts such as monuments, fountains or playground structures. Many parks have fields for playing sports such as baseball and football, and paved areas for games such as basketball. Many parks have trails for walking, biking and other activities. Some parks are built adjacent to bodies of water or watercourses and may comprise a beach or boat dock area.National parks and country parks are green spaces used for recreation in the countryside. State parks and provincial parks are administered by sub-national government states and agencies. Parks may consist of grassy areas, rocks, soil and trees, but may also contain buildings and other artifacts such as monuments, fountains or playground structures.
মাটির নিচে জমা হওয়া পানি পাহাড়ের কোন খাড়া অংশ ফুঁড়ে বেরিয়ে আসলে ঝর্ণার সৃষ্টি হয়। বৃষ্টি, বন্যা, নদীর বা বরফ গলা পানি মাটির কথা ভেদ করে ভূপৃষ্ঠের উপরিতল থেকে নিচের দিকে নামতে থাকে। এই পানিগুলো মাটির নিচের কোন শিলাস্তরে পৌঁছুলে সেগুলো ভেদ করে আর নিচে নামতে পারে না। তখন পানিগুলো শিলাস্তরের উপর জমা হতে হতে একসময় মাটির নীচ দিয়ে শিলাস্তরের ঢালু অংশ বরাবর সরে আসতে থাকে। পাহাড়ি বা উঁচু এলাকায় মাটির নীচে শিলাস্তরের উপর জমে থাকা পানি এভাবে সরতে সরতে কোন খাড়া প্রান্ত পেয়ে গেলে পানিগুলো মাটি ফুঁড়ে বেরিয়ে এসে অপূর্ব ঝর্ণার সৃষ্টি করে। বড় আর বিশাল বিশাল নদী পাহাড়ের গা বেয়ে এঁকেবেঁকে নামতে গিয়ে অনেক জলপ্রপাত তৈরি করে বলে পৃথিবীতে যেমন বিশাল বিশাল জলপ্রপাত আছে, তেমনি বিশাল বিশাল ঝর্ণা নেই। সে হিসেবে ঝর্ণারা জলপ্রপাতদের মত অত বিস্তৃত, উন্মক্ত, আর প্রবল প্রতাপশালী নয়। আবার, কিছু কিছু জলপ্রপাত অনেক ঝর্ণার চেয়েও ছোট, খাটো আর শান্ত! হয়ত পাহাড়ের উপর দিয়ে বয়ে চলা খুব ছোট্ট, খুব শান্ত একটি জলধারা অসংখ্য.পাথরের গা বেয়ে কলকল শব্দ করে অলস ভঙ্গিতে নেমে এসে শান্ত একটি জলপ্রপাত তৈরি করে।
করোনা মোকাবিলায় পরিস্থিতি সামাল দিতে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে অবস্থিত নিকোপার্ক চালু করা হলো কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে।কলকাতা শহরের এই বড় অ্যামিউজমেন্ট পার্কে ছোট বড় সমস্ত বয়সী মানুষের ভিড় প্রায় সারাবছরই লক্ষ্য করা যেত। কিন্তু গত মার্চ মাস থেকে করোনা সংক্রমণের কারণে নিকো পার্ক বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতদিন ধরে পার্কটি বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ে বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তাদের এই পরিস্থিতি হওয়া সত্ত্বেও করোনা সেন্টারের অভাব থাকাই নিকো গ্রুপের চেয়ারম্যান রাজীব কৌল রাজ্য সরকারের কাছে নিকো পার্কের রয়্যাল কোর্টইয়ার্ড হলটি করোনা সেন্টারে উন্নিত করার প্রস্তাব দেয়।
সিরাজগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার চির ঐতিহ্যের নিদর্শন সবুজ শ্যামল ছায়া-ঘেরা শান্তির নীড় মাটির তৈরি কুড়েঘর। যা এক সময় ছিল গ্রামের মানুষের কাছে মাটির ঘর গরীবের এসি বাড়ি নামে পরিচিত। আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে মাটির বাড়ি। তৈরি হচ্ছে ইটের দালান কোটা।সিরাজগঞ্জে আগে প্রতিটি গ্রামে নজরে পড়তো মাটির ঘর। ঝড়-বৃষ্টি থেকে বাঁচার পাশাপাশি প্রচুর গরম ও শীতে বসবাস উপযোগী মাটির তৈরি এসব ঘর এখন আর তেমন একটা নজরে পড়ে না। আধুনিকতার ছোঁয়ায় আর সময়ের পরিবর্তনে গ্রাম বাংলা থেকে ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি বাড়ি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। অতি প্রাচীনকাল থেকেই মাটির বাড়ির প্রচলন ছিল। গ্রামের মানুষের কাছে এ বাড়ি ঐতিহ্যের প্রতীক ছিল। গ্রামের বিত্তবানরা এক সময় অনেক অর্থ ব্যয় করে মাটির দ্বিতল মজবুতবাড়ি তৈরি করতেন যা এখনো কিছু কিছু গ্রামে চোখে পড়ে।প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বর্ষা মৌসুমে মাটির ঘরের ক্ষতি হয় বলে বর্তমান সময়ে দীর্ঘ স্থায়ীত্বের কারণে ইট-সিমেন্টের বাড়ি নির্মাণে আগ্রহী হচ্ছেন গ্রাম বাসীরা।
গ্রাম বাংলার পথ গুলো সাধারণত গ্রামের
ভিতর দিয়ে আকাবাকা হয়ে গ্রামের গ্রাম বেয়ে চলে গেছে। যা দিয়ে গ্রাম বাংলার মানুষ চলাচল করে। ক্লান্ত হলেই পাশে গাছের ছায়া গিয়ে বিশ্রাম নেয়। যার ফলে মানুষ বৃষ্টি দিনে পিচ্ছিল হওয়া রাস্তা দিয়ে
হাটতে গিয়ে।বিভিন্ন  সমস্যার সম্মুখিন হয়। তা
সত্ত্বেও মানুষের অন্য কোন উপায় থাকে না।
কিন্তু গ্রামের মানুষের কাছে এতটাই প্রিয় এই
রাস্তাগুলোর পাশ দিয়ে চলতে গিয়ে চোখে
পড়ে বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।এর মধ্য সবচেয়ে ভাল লাগে গ্রামের মাঠির রাস্তা দিয়ে হেটে যাওয়া স্কুল ছাএ  ছাত্রি কলেজে পড়ার সময় পড়ছি শোধামিনি মালর গল্প যেখানে ম্রিত্নুয় জয় গ্রামে পড়ার সময় কত মানুশের গাছের ফল ফুল সাবার করেছে পড়ার নামে দুস্টামি টাই ভাল করত গ্রামের পরিবেশ আবহাওয়া মনোরম চিনারি কথই না সুন্দর মনোরম।
এই ছবিতে একটি সুন্দর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন গ্রাম দেখা যাচ্ছে।এখানে একটা মানুষভর্তি নৌকা দেখা যাচ্ছে।পুকুর মানুষ  কর্তৃক খননকৃত - উভয় ধরনেরই হতে পারে। পোষা ও বন্য প্রাণীর উত্তম আবাসস্থল হিসেবে এটির ভূমিকা বিশাল ও ব্যাপক। প্রধানতঃ পুকুরের পানিতে মার্শ, জলজ উদ্ভিদ এবং জলজ প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে বিবেচিত।ছোট-বড় মাছ, পাতিহাঁস, রাজহাঁস, কচ্ছপ, সাপ, ব্যাঙ, গোসাপ ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের জলচর, স্থলচর কিংবা উভচর প্রাণী পুকুরে বাস করে। পুকুরের পানির স্তর, খাদ্য স্তর, গাছপালার উপস্থিতি, ক্ষতিকর প্রাণীর অবস্থান, আলো নিশ্চিতকরণ, লবণাক্ততার মাত্রা ইত্যাদির উপর অন্যান্য প্রাণীর অবস্থান নির্ভর ও নিশ্চিত করে।পানির গভীরতা অনুসারে অধিকাংশ পুকুরের তলদেশেই সূর্যের আলোকরশ্মি প্রবেশ করতে পারে।প্রকৃতিগতভাবেই নদীর পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি পুকুরেও পানি বৃদ্ধি পায় যা বন্যার সময় চোখে ধরা পড়ে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুকুরের পানি সারাবছর মজুত বা সংরক্ষিত হয় না। এ ধরনের পুকুরকে বসন্তকালীন পুকুর, ক্ষণস্থায়ী পুকুর, মৌসুমী পুকুর অথবা অস্থায়ী ভেজা জমি নামে পরিচিত হয়ে থাকে।
বাংলাদেশে আছে অসংখ্য নদনদী।সোনাদিয়া সাগর চ্যানেল।দূর থেকে দেখতে প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিনের মতো। কিন্তু সোনাদিয়ার সৌন্দর্য আলাদা। পাহাড়, সবুজ ঘন প্যারাবন পেছনে ফেলে বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে যেতে হয় এই সোনাদিয়ায়। আবাসিক হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ গড়ে ওঠেনি বলে সোনাদিয়া এখনো পর্যটকদের কাছে অপরিচিত। কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে এই দ্বীপের অবস্থান।শহরের কস্তুরাঘাট দিয়ে আট থেকে দশজন মিলে একটি স্পিডবোটে মাত্র ১০ মিনিটের পথ সোনাদিয়া। হাতে দু-তিন ঘণ্টা সময় থাকলে পুরো দ্বীপ ঘুরে আসা যায়।সোনাদিয়ার নরম বালুচরে দাঁড়িয়ে সকালে সূর্যোদয় ও বিকেলে সুর্যাস্ত দেখা যায়।
আবারো লকডাউন দিচ্ছে সরকার, ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজান মাসে মানুষ কেনাকাটা করে দুপুরের পর। ওই সময় দোকানপাট বন্ধ থাকলে একদিকে ক্রেতারা নিত্যপণ্য কেনাকাটা করতে পারবেন না, অন্যদিকে ক্ষতির মুখে পড়বেন ব্যবসায়ীরা। নির্দিষ্ট সময়ে দোকান খোলা থাকলে ওই সময় মানুষ কেনাকাটা করতে ভিড় করেন। এতে করে করোনারোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয় না। যদি দীর্ঘ সময় দোকান খোলা থাকে তাহলে ক্রেতারা সুবিধামতো সময়ে কেনাকাটা করতে পারবেন। এতে বাজার কিংবা দোকানে ভিড় কম হবে। এ ছাড়া রমজান মাসে ইফতার বিক্রির বিষয়টি বিবেচনা নিয়ে সারাদিন খোলা রাখা প্রয়োজন। তা না হলেও মুদি ও খাদ্যপণ্যের দোকান খোলা রাখার সময় বাড়ানো উচিত।
স্বল্প সময় ও অল্প খরচে বিনোদনের জন্য যেতে পারেন শাহবাগের শিশু পার্কে। খোলামেলা প্রাকৃতিক পরিবেশে সময়টা বেশ ভালোই কাটবে। রমনা পার্কের ঠিক বিপরীতে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশেই শহীদ জিয়া শিশু পার্কটির অবস্থান। অনেকের কাছে এটি ঢাকা শিশু পার্ক বা শাহবাগ শিশু পার্ক নামেও পরিচিত। নামে শিশু পার্ক হলেও সব বয়সী মানুষের জন্য এটি উন্মুক্ত।বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে ১৯৭৯ সালে যাত্রা শুরু করে পার্কটি। পার্কিং এরিয়াসহ জায়গা ১৫ একর। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন পার্কটির দেখভাল করছে।ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উপসহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘ঢাকা ও আশপাশের মানুষ সপরিবারে একটু স্বস্তির জন্য শিশু পার্কে আসে। সরকারি ছুটির দিন, ঈদ বা পূজার মতো উৎসবগুলোতে এখানে ভিড় সামলাতে বেশ বেগ পেতে হয় আমাদের। শিশুদের বিনোদনের জন্য এখানে রেলগাড়ি, বিস্ময়চক্র, আনন্দঘূর্ণি, ঝুলন্ত চেয়ার, উড়ন্ত নভোযান, উড়ন্ত বিমান, ব্যাটারি কার, ফুলদানি,ইত্যাদি।

動画