写真

সাতক্ষীরা শহরে আজকে সকালের যানযট। সড়কপথে যখন সড়ক ব্যবহারকারী যানবাহনের সংখ্যা সড়কের ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায়, তখন যানবাহনগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে না, এরকম অবস্থাকে যানজট বলা হয়। যানজটের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে গাড়ির স্বাভাবিকের তুলনায় ধীর গতি, দীর্ঘ যাত্রাকাল, যানবাহনের দীর্ঘ সারি, শব্দদূষণ ইত্যাদি। দুর্ঘটনা যানযটের একটি প্রধান কারণ। যানজটের কারণে শ্রমঘণ্টার অপচয় হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে অপরাধের বৃদ্ধি ঘটে।যখন সড়কে যানবাহনের সংখ্যা, সড়কের স্বাভাবিক যানবাহন ধারণক্ষমতার সীমা থেকে অতিরিক্ত হয়ে যায়, তখন কোন যানই তার স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারে না। এরকম অবস্থায় যানজটের সূচনা হয়। সড়কের মোড়ে একাধিক সড়ক থেকে অতিরিক্ত যানবাহন প্রবেশ করলে সকল যানেরই মোড় থেকে নিষ্ক্রমণে ব্যাঘাত ঘটে এবং সড়ক প্রায় অচল হয়ে পড়ে। যানজটের সূচনা হিসাবে কিছু নির্দিষ্ট বিষয়কে চিহ্নিত করা যায়। কিছু ক্ষেত্রে সড়কের কোন নির্দিষ্ট অংশে বা নির্দিষ্ট দূরত্বে যানবাহন ধারণক্ষমতা হ্রাস পায়, আবার কিছু ক্ষেত্রে যানবাহনের সংখ্যা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায়। এটা পরিহার করা আমাদের একান্ত কর্তব্য
এখানে দেখা যাচ্ছে অনেকগুলো ধান ঝাড়া মেশিন ধান ঝরানো প্রক্রিয়া একমাত্র উপাদান হলো এটা ধানবাদের অত্যন্ত প্রিয় একটি খাবার সংরক্ষণ করতে এটার গুরুত্ব অপরিসীম। ধান কাটার পর সাধারণ একে রোদে শুকানো হয়। রোদে শুকিয়ে এর বীজের আর্দ্রতা কমিয়ে আনা হয় যেনো একে গোলাজাত করার পর কোন ছত্রাক জাতীয় রোগ আক্রমণ করতে না পারে কিংবা যেনো পঁচে না যায়। এরপর একে ঢেঁকির সাহায্যে কিংবা মাড়াইকরণ যন্ত্রের সাহায্যে এর খোসা ছাড়ানো হয়। এ পদ্ধতিকে ইংরেজিতে বলা হয় হাস্কিং। এরপর একে কুলোর সাহায্যে ঝেড়ে বাছা হয়। এই প্রক্রিয়ার পরই পাওয়া যায় চাল।তাছাড়া গ্রাম অঞ্চলের দিকে তাকালেন বিশেষ করে দেখা যায় এই ধরনের মেশিন ধান ঝরানোর জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
এখন সবচেয়ে প্রচলিত একটি মাধ্যম হচ্ছে ঘোড়া। ঘোড়া খুবই পরিচিত একটি মাধ্যমে ব্যবহার হয়ে আসছে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে দিকে ঘোড়া এখন মালবাহী বাহন হিসেবে পরিচিত। ঘোড়ার উপজাতির মধ্যে ক্যাবালাসকে পোষ মানান হয়,যদিও এদের কিছু পোষ্য দল বুনো ঘোড়ার মত খোলা জায়গায় বা জঙ্গলে বাস করে। ঘোড়া বা ঘোটক দ্রুতগামী চতুষ্পদ জন্তু যার পিঠে চড়া যায়। দ্রুতগামী বলে এর নাম তুরগ, তুরঙ্গম।আদিমকাল থেকে প্রতিটি যুগের ঘোড়ার জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে বলে ঘোড়ার বিবর্তনের ক্রমপর্যায় সম্পূর্ণ ভাবে বোঝা সম্ভব হয়েছে। প্রায় ৫ কোটি বছর আগে ইওসিন যুগে আবির্ভূত ঘোড়ার পূর্বপুরুষ ইওহিপ্পাসের জীবাশ্ম উত্তর-পশ্চিম আমেরিকায় পাওয়া গেছে। ঘোড়ার পূর্বপুরুষদের জীবাশ্ম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বোঝা যায়।তাছাড়া এখন যে কোন মাল বহনের ক্ষেত্রে ঘোড়া একটি উপযোগী এবং সহজলভ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাচ্ছে বিশেষ করে আমাদের সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় প্রত্যেকটি মাঠের দিকে তাকালে দেখা যায় ঘোড়ার বাহন
মানুষ অসুস্থ হলে তাকে প্রথম নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। হাসপাতাল মানব জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে বিশেষ করে যারা অসুস্থ ব্যক্তি তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে একটি সদর হাসপাতাল যেটা চুয়াডাঙ্গা জেলায় অবস্থিত। হাসপাতাল বলতে এক ধরনের চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। হাসপাতালের উদ্ভাবন করে মুসলিমরা। বর্তমানে হাসপাতাল বলতে এমন প্রতিষ্ঠানকে বোঝায় যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ ও সেবাকর্মীগণ প্রয়োজনীয় উপকরণের মাধ্যমে রোগীদের সেবা প্রদান করেন। অনেক সময়েই হাসপাতালে রোগীর দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার জন্য আবাসিক শয্যার ব্যবস্থাও থাকে। হাসপাতালসমূহ সরকারী, বেসরকারী দাতব্য কিংবা মূনাফাভিত্তিক অথবা বীমা প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হতে পারে। প্রাচীনকালে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ হাসপাতাল পরিচালনার কাজে নিয়মিত নিয়োজিত থাকতেন।তাই আসুন হাসপাতালের পরিবেশ  পরিষ্কার রাখি এবং নিজে সুস্থ থাকি।
চলছে ধান ঝরানোর প্রক্রিয়া। ধান কাটার পর এভাবে ধান গাছ থেকে ধান ঝরানো মাধ্যমে শুরু হয়ে যায় তারা সকাল থেকে সকাল সন্ধা বিভিন্নভাবে কাজ করে ধান নিয়ে। বাংলাদেশে আউশ, আমন এবং বোরো এই তিন মৌসুমে ধান চাষ করা হয়।ধান সাধারণত একবর্ষজীবী উদ্ভিদ, কোন কোন অঞ্চলে বিশেষ করে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে ধান দ্বি-বর্ষজীবী উদ্ভিদ হিসেবে চাষ করা হয়। ধানকে ৩০ বছর পর্যন্ত চাষ করা যায়। ধানের বৃদ্ধি ও উৎপাদন অনেকসময় মাটির উর্বরতার উপর নির্ভর করে থাকে।বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ তাছাড়া এখানকার প্রায় প্রত্যেকটি গ্রামে ধান চাষ হয় এবং ধান বাঙালি জাতির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাদ্য ধান ছাড়া কোন কিছু কল্পনা করতে পারেনা।তাছাড়া ধান নিজেরা খাওয়ার পরেও এটি বিদেশে রপ্তানী করে বাংলা যাত্রা প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে।ছবিটি আজকে সকালে সাতক্ষীরা জেলা থেকে তোলা হয়েছে
গ্রাম অঞ্চলের সবচেয়ে সাধারণ একটি জিনিসের নাম হল কলাগাছ যেটা আমাদের বাসার আশপাশে তাকালে আমরা দেখতে পাই। এলাকায় শত শত বৎসর যাবৎ ব্যাপকভাবে কলার চাষ হয়ে আসছে। বাংলাদেশে কলা চাষের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল সারা বছর এ দেশের প্রায় সব অঞ্চলের উঁচু জমিতেই এর চাষ করা যায়। পার্বত্য এলাকায় বনকলা, বাংলাকলা, মামা কলাসহ বিভিন্ন ধরনের বুনোজাতের কলা চাষ হয়।।কলম্বিয়া ইত্যাদি ল্যাটিন আমেরিকান দেশে কলা প্রধান অর্থকরী ফসল। প্রাগাধুনিক ভারতীয় অর্থনীতিতেও একটি প্রধান অর্থকরী ফসল হিসাবে কলার চাষাবাদ হতো। খনার বচনে আছে, কলা রুয়ে না কেটো পাত, তাতেই কাপড়, তাতেই ভাত। তাছাড়া কলাকার অনেক উপকারিতা রয়েছে বিশেষ করে ভিটামিন ও সরকারে জাতীয় চাষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার।
আজকে সকালে বড়বাজার এর একটি চিত্র। ছবিটিতে বিভিন্ন ধরনের ফল ফলাদি কাঁচামালের বাজার দেখা যাচ্ছে। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফল ফল গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস আমাদের জীবনে ফল-মূল রান্না করে আমাদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। ফল শব্দটি বিভিন্ন পরিস্থিতে বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করা হয়। যেমন খাবার তৈরিতে এবং আর জীববিজ্ঞানে ব্যবহৃত ফল শব্দটি সমার্থক নয়। ফল বলতে কোন সপুষ্পক উদ্ভিদ, যা বীজ ছড়ায়। এ বীজ গাছে থাকলে তাকে অনেক সময় ফল বলা যায় আবার বীজ ফলের মধ্যও অবস্থান করে তবে সকল বীজই ফল হতে আসে না।আবার কোনো কোন ফল ফুল থেকে নাও হতে পারে।তাছাড়া আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা দেখলে আমরা বিভিন্ন ধরনের ফলমূল এবং শাকসবজি দেখতে পাই সেখানে ফলের তালিকা টাই বেশি প্রাধান্য পায়।
আমাদের দেশে এমন কোনো মানুষ নেই যে গরুর গোশত পছন্দ করে না। বিশেষ করে মুসলিম ধর্মপ্রাণ মানুষেরা গরুর গোশত প্রায়ই খেয়ে  থাকে। বিশেষ করে সকালে বড় বাজারে নিতে গেলে প্রথমে যেটি আপনার চোখে পড়বে সেটা হচ্ছে যে গরুর গোসের দোকান থেকে শুরু হয়ে যায় এবং গভীর রাত পর্যন্ত বিক্রি হয়।গরুর মাংসের ক্ষতিকর দিক যেমন আছে, তেমনি এই মাংস অনেক উপকারও করে থাকে। এবং গরুর মাংসে যতো পুষ্টিগুণ আছে সেগুলো অন্য কোন খাবার থেকে পাওয়া কঠিন।এখন এই মাংস আপনার জন্য ক্ষতিকর হবে না উপকারী, সেটা নির্ভর করবে আপনি সেটা কতোটা নিয়ম মেনে, কি পরিমাণে খাচ্ছেন। তাই গরুর গোশত খাওয়ার সময় সর্তকতা অবলম্বন করুন এবং সঠিক পরিমাণে খান একেবারে বেশি বেশি খাওয়ার ফলে আপনার বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে।
শুভ দুপুর। খুবই সুন্দর একটা পরিবেশে এই রাস্তাটি অবস্থিত। রাস্তার পাশে সবুজ গাছপালা। এক টুকরো ভূমিবিশেষ যা দুই বা ততোধিক স্থানের সাথে সংযোগ রক্ষা করে। সাধারণত রাস্তায় সহজে মালামাল পরিবহন, লোক চলাচল বা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে তৈরী করা হয়। গাছ, নালা-নর্দমা, পাহাড়-পর্বত যথাক্রমে কর্তন, ভরাট, সুড়ঙ্গ তৈরী বা মধ্যস্থল আরো সমান্তরাল করে রাস্তার উপযোগী করা হয়। এসব রাস্তা তৈরিতে রাস্তা বিনির্মাণ এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বার্ষিকভিত্তিতে নির্ধারিত হারে কর বা ট্যাক্স প্রদান করতে হয়। এছাড়াও, কিছু রাস্তায় টোল প্রদান করতে হয় যা রাস্তায় যানবাহন চলাচলের সময় প্রদেয়। এটা সাতক্ষীরা সদর উপজেলাতে অবস্থিত। খুবই সুন্দর একটা রাস্তা।
বিনোদনের রকেট। এটি ঝিনাইদহ জেলার জোহান্সবার্গ এন্ড ড্রিম ভ্যালি পার্কে অবস্থিত। গতকাল আমি সেখানে বেড়াতে গিয়েছিলাম এটি অত্যন্ত সুন্দর এবং মনোরম পরিবেশে অবস্থিত খুবই সুন্দর একটি দৃশ্য অনেক সুন্দর যেখানে চিত্রায়িত হয়েছে যে কিভাবে কিভাবে আমরা ঘরে বসে এটা বিনোদন নিতে পারি। একটি বিশেষ ধরনের প্রচলন কৌশল। এটি এমন এক ধরনের যান যেখানে রাসায়নিক শক্তির দহনের মাধ্যমে সৃষ্ট উৎপাদকগুলিকে প্রবল বেগে যানের নির্গমন পথে বের করে দেয়া হয় এবং এর ফলে উৎপন্ন ঘাতবলের কারণে রকেট বিপরীত দিকে প্রবল বেগে অগ্রসর হয়। এক্ষেত্রে নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুসৃত হয়। তাই এই সূত্রটিকে রকেট ইঞ্জিনের মূলনীতি হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। রকেট ইঞ্জিন প্রতিক্রিয়া ইঞ্জিনের সাহায্যে কাজ করে। এই ইঞ্জিনের প্রচালক কঠিন, তরল বিভিন্ন রকম হতে পারে। এই ভ্রমন আমার কাছে খুবই সুন্দর একটা মুহুর্ত হয়ে থাকবে।
রাতে ঘুমানোর আগে চা খেলে যেন মনে হয় যে ঘুমটাই ভালো হচ্ছে না।চা অনেক মূল্যবান একটি জিনিস। বিশেষ করে শরীর এবং মনকে সতেজ ও তাজা রাখতে চা এর গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে যা মানুষের মনকে প্রফুল্ল রাখে।  বিশেষ করে সকাল ও রাতে ঘুমানোর আগে চা পান করা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। চা বলতে সচরাচর সুগন্ধযুক্ত ও স্বাদবিশিষ্ট এক ধরনের উষ্ণ পানীয়কে বোঝায় যা চা পাতা পানিতে ফুটিয়ে বা গরম পানিতে ভিজিয়ে তৈরী করা হয়। চা গাছ থেকে চা পাতা পাওয়া যায়। চা গাছের বৈজ্ঞানিক নাম ক্যামেলিয়া সিনেনসিস। 'চা পাতা' কার্যত চা গাছের পাতা, পর্ব ও মুকুলের একটি কৃষিজাত পণ্য যা বিভিন্ন উপায়ে প্রস্তুত করা হয়।
সকাল সকাল উঠে শুরু হয়ে গেছে আজকের পথচলা। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে খুব সুন্দর একটি পরিবেশ এবং খুব সুন্দর একটি জনবহুল রাস্তায় যে রাস্তা দিয়ে আমাদের পুরাতন সাতক্ষীরা হয়ে বড় বাজারের দিকে চলে গেছে। রাস্তাটি অনেক জনবহুল এবং বিভিন্ন গাড়ি এবং বিভিন্ন অটোরিকশা দ্বারা পরিপূর্ণ। এমন ধরনের রাস্তা আমাদের সাতক্ষীরায় খুবই কম দেখা যায় তবুও আজকে সকাল সকাল দেখা হচ্ছে যে বিভিন্ন ধরনের বৃষ্টিপাত দেশের মানুষ বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ দলে দলে বেরিয়ে পড়েছে রাস্তায় আজকে সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে কারণ হচ্ছে যে আমাদের সাতক্ষীরা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে যাচ্ছে। সকালের এমন পরিবেশ সত্যি আমার মনকে মনোমুগ্ধ করে তোলে না কেননা সকাল সকাল বেরিয়ে ভাই বোন ও বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে দেখা হওয়া অনেক মজার একটা বিষয়।
হালকা শীত এবং হালকা গরমের মাঝে আমি দাঁড়িয়ে অবস্থান করছে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গনে। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে সম্মানিত বড় ভাই দাঁড়িয়ে আছেন এবং তার পাশে একটি মোটরসাইকেল রাখা আছে। মোটরসাইকেল এবং সব মিলিয়ে আশপাশের পরিবেশ অনেক সুন্দর। কলেজের শুধুমাত্র লেখাপড়া করতে আসেন আপনার পাশাপাশি কলেজের পরিবেশ উপভোগ করতে আসে কলেজ এর আশপাশের পরিবেশের সঙ্গে দেখা যায় যে বড় একটা  পরিবেশের সঙ্গে একটি পরিবেশে সহজেই অন্যের মন জুড়িয়ে দেয়। গ্রাম বাংলার প্রকৃতি আসলে অনেকটা সুন্দর আর বিশেষ করে সাতক্ষীরা জেলার প্রকৃতি তার বেশি সুন্দর বলে আমার কাছে মনে হয় আমার এই পরিবেশটা আজকে সকালে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠ থেকে তোলা হয়েছে যেখানে তারা খুব সুন্দর এবং মনোরম একটা পরিবেশ ছবিটা দেখা যাচ্ছে