写真

নিঝুম দুপুরে আমাদের খুবই খারাপ লাগে কারণ নিঝুম দুপুরে সবাই মানুষ রাস্তা থেকে বাসায় যায় এবং অনেকের বাড়িতে রান্নাবান্না করা হয় বাড়ির মহিলারা সবাই রান্নাবান্না কোত্থেকে তো এই দুপুরের সময় কিন্তু আমাদের রাস্তাঘাটে খুবই কম সংখ্যক লোক দেখা যায় এ দুপুরবেলা আমি রাস্তা চলেছি এবং রাস্তায় দেখব একটা পরিবেশে এখন করোনাকালীন সময় কিন্তু আসলে একটু কমই লোক বাইরে যাওয়া আসা করছে এজন্য বাইরেও রাস্তাঘাট সবসময়ই ফাঁকা এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন দেখা যাচ্ছে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে সামনে একটা ভ্যান যাচ্ছে এবং এখানে একটা সাইকেল সাইকেল এটা যদিও আমার এবং আমি ছবি তুলেছি এবং এই রাস্তাটা হলো আমাদের থেকে তারপরও সঙ্গীতার মরে যে মেয়েটা আছে সেখানে ওঠার একটা রাস্তায় রাস্তায় ছোট এবং গ্রামের ভেতর দিয়ে ঢালাইয়ের রাস্তার দু'পাশে অনেক বিল্ডিং আছে যেগুলোতে অনেক বড় বড়লোকেরা বসবাস করে কিন্তু কোনো চিন্তা ছাড়াই কিন্তু মাসের পর মাস কাটিয়ে যাওয়া সম্ভব কিন্তু যারা দিনমজুর দিন আনা দিন খাওয়া কিছু মানুষ আছে তাদের জন্য কিন্তু খুবই কষ্টকর জীবন যাপন করতে হচ্ছে এই করোনাকালীন সময়ে তো রাস্তাঘাটে কোনো লোক নেই এমন কথায় আছে যে কারো পৌষ মাস কারো সর্বনাশ কেমন করে কাউকে আসলে ভালো থাকা যায় না তো আপনারা দেখতে পাচ্ছেন জায়গাটা খুবই সুন্দর এবং এই জায়গাটা খুবই সুন্দর একটা জায়গা এখানে একটা ডিসিশন হবে এবং সেখানেই যেখানে ছেলেদের বিভিন্ন ধরনের শর্ট পাঞ্জাবি ড্রেস গুলো আছে সেগুলো খুবই সুন্দর করে পরিষ্কার করে বানানো হয়।
আমরা বিজ্ঞানের প্রযুক্তিতে বাস করি আর বিজ্ঞান সম্পর্কে কিছু ধারনা চামড়া পায় না এরকম কোন জিনিস কিন্তু নেইতো এই ছবিটিতে আমি বিজ্ঞান সম্পর্কে কিছু ধারনা আপনাদেরকে দেওয়ার চেষ্টা করছি এই ছবিটিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে সাদা লাইটের মত কি সাপের মত বাঁকা বাঁকা যাচ্ছে এটা হলো সাধারণত আলোর রোশনাই এটাকে বলা হয় এবং আমি ক্যামেরাটিকে সোলো মোশন ভিডিও করছিলাম তখন কিন্তু প্রশ্নটা আমার ক্যামেরা তে ধরা পড়েছে আপনিও চাইলে এখন এরকম সুন্দর করে কিন্তু তৈরি করতে পারেন একটা ছবি তো আপনার দেখতে পাচ্ছেন এখানে একটু রাস্তা এবং রাস্তার উপর দিয়ে একজন মানুষ হেঁটে যাচ্ছিল তখন আমি নাইট মোডে আমার ফোন দিয়ে ছবি তুলছিলাম নাইট মোডে ছবি তুলতে গেলে সাধারণত তিন থেকে চার মিনিট একেকটা ছবিতে সময় লাগবে তিন থেকে চার মিনিট পর দেখা যায় সেই ছবিটা তো অন্ধকার হোক না কেন সে ছবিটি সবকিছু পরিষ্কারভাবে দেখা যায় সুন্দর হবে দেখা যায় কিন্তু একমাত্র হাত আছে গুগল ক্যামেরা যে গুগোল ক্যামেরা শুধুমাত্র কোন প্রসেসর এবং সবথেকে ভালো হাই কোয়ালিটির কিন্তু গুগোল ক্যামেরা সাপোর্ট করেনা এই গুগলএরকম ছবি যখন আপনি তুলবেন তখন কিন্তু এরকম একটা মানুষ আমার সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল 3 তার হাতে লাইট ছিলো এবং রাস্তাটা যেহেতু অন্ধকারে তো তার হাতে লাইট থাকাটা স্বাভাবিক এবং লাইট দিয়ে যাচ্ছিল যাওয়ার সময় এই লাইটের চিহ্নটা আলোক রোশনি যেটা ছিল সেটা কিন্তু এরকম আঁকা বাঁকা হয়ে গেছে এবং সে চলে যাওয়ার পরে তাকে দেখা যাচ্ছে না শুধুমাত্র সেলাই তাকে দেখা যাচ্ছে এই ছবিটি সাধারণত তিন মিনিট পর এই ছবিটি উঠেছে এবং এই তিন মিনিট পর সুন্দর হয়ে গিয়েছে বিজ্ঞানসম্মত আমাদের বলে যে আলোক রোশনি বিদ্যুৎ সবথেকে কিন্তু একটু বেশি গতিতে চলে আপনারা এখন দেখতে পাচ্ছেন আমাদের সময় কোথাও লাইট লেজার লাইট আমরা জানি সাধারণত অনেক দূর পর্যন্ত চাইতে অনেক দূর যাওয়ার যে এটা থাকে যে তীক্ষ্ণ একটা জিনিস সেটা কিন্তু আমরা দেখতে পাই না মাঝখানে যেটা দেয়ালের উপরে মারা হয় সে দেয়াল সারাটা দেখা যায় শুধুমাত্র।
একটা মিস্ত্রি বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে এবং বিভিন্ন পেশার বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের মিস্ত্রি প্রয়োজন মিস্তৃপরা মেকানিক কিন্তু আমাদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় ও মানুষ কারণ আমাদের যদি কোন জিনিসের কোন সমস্যা হয়তো সেই মেকানিক মিস্ত্রী সেই জিনিসটা কিন্তু ঠিক করে দিয়ে থাকে তো এই ছবিটিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন একজন মিস্ত্রি একটা মেশিন দিয়ে কি যেন একটা কাটাকাটি করছে তৈরি হলো একটা সাইকেল ভ্যান মিস্ত্রি তিনি খুব সুন্দর করে সাইকেল গুলো ঠিক করে থাকেন এবং কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ তার কারণ হলো আপনারা কোথাও যাওয়ার জন্য আপনাদের যে জিনিস টা প্রয়োজন সেটা হল ভেঙে যাওয়ার জন্য আপনার কষ্ট কম হয় জন্য কিন্তু অবশ্যই আপনি রিক্সায় উঠে যাবে না কিন্তু তারপরে আরও বিভিন্ন ধরনের জিনিস আছে যেগুলো ব্যাটারি চালিত জিনিস সেগুলো কিন্তু অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায় সেগুলো ঠিক করার জন্য অবশ্যই স্বামী স্ত্রীর কাছে যেতে হয় খুব তাড়াতাড়ি ঠিক করে দেন তারপরে কিন্তু আমাদের ভ্যানে করে যেতে হয় অন্য জায়গায় তো এখন একটা মোটর ভ্যান আছেন আমরা সকলেই জানি যে আমাদের দেশে বৈধ না তারপরেও কিন্তু অনেক লোক এটা চালায় এবং এটা হল ব্যাটারি চালিত ভ্যান ইলেকট্রিক যেটাকে বলা হয় চায়না থেকে ইমপোর্ট করে এনে একটা মোটর চালানো হয় এবং মানসম্পন্ন নিয়ন্ত্রণ করে নিয়ে যায় এবং সেখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটা জিনিসতুই এখানে এই ব্যান্ডটা কে সম্পূর্ণরূপে তৈরি করা হবে এবং খুব সুন্দর করে তৈরি করা হবে তারপরে চালাতে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেটা কে চার্জ দিয়ে চালাতে হবে।
কর্ম জীবনে প্রতিটা মানুষের কাজকেই সাধারণত প্রাধান্য দেয়া হয়ে থাকে এবং কোন কাজ আমাদের কাছে ছোট নয় কোনো কাজেই আমাদের কাছে অসম্মানী নয় সবকিছু কাজী আমাদের জন্য কিন্তু সম্মানের কারণ আমরা যে কাজটা করতে পারিনা যে কাজটা অন্যকে দিয়ে করাইও সেই কাজটা যদি সে না করতো তাহলে আমাদের কি হতো আমরা আমাদের এই কাজটা করতে হতো সুতরাং সেই কাজের মধ্যে কিন্তু অসম্মান নেই কিন্তু সেই কাজটা কিন্তু ছোটনা এই কর্ম জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে আমাদের এই বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে লকডাউন লকডাউন এর সময় এখন যারা কর্মজীবী আছেন যারা শ্রমিকদের নিয়ে দিন তাই এরকম শ্রমিকদের জন্য খুবই কষ্টকর জীবন যাপন করা হয়ে পড়েছে কারণ তারা ঠিকমত দু'বেলা খেতে পারছে না কারণ তারা বাইরে দেহে কোন কিছু কাজ করতে পারছে না এবং যারা ভ্যান চালাই রিক্সা চালায় তাদের জন্য ওই পড়েছে সবথেকে বেশি হুমকিস্বরূপ কারণ তারা ভেঙে নিয়ে বাইরে বের হলেই আমাদের বাংলাদেশের ডিফেন্স এর জেলি গুলো আছে তারা কিন্তু তাদের ব্যাংক গুলো কেড়ে নিচ্ছে না হলে ভেঙে দিচ্ছে না হলে তাদের মারধর করছে এভাবে করি গরিব মানুষের পেটে লাথি মারা হচ্ছে এবং তারা কিন্তু বাসায় কিছু খেতে পারছেনা সরকার থেকে তাদের কোন অনুদান দিচ্ছে না এবং তারা কোথাও যেতেও পারে না তো ছবি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন কিছুসংখ্যক ব্যান্ডওয়ালা তারা কিন্তু রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে কিন্তু একটাও লোক না থাকার কারণে তাদের খাড়া হচ্ছে না এবং এদিকে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যারা চাকরিজীবী আছে তারা কিন্তু ঠিকমত বেতন পেয়ে যাচ্ছে এবং তারা মাঠে খেলাধুলা করে সময় পার করছে তাদের সময়টা খুব ভাল যাচ্ছে কিন্তু এই যে ভাইরাস গুলো আছে তাদের কিন্তু অনেক সমস্যা এবং ভোগান্তিতে পড়তে।
বিদ্যুৎ অথবা কারেন্ট আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ কারণ বিদ্যুত অথবা কারেন্ট ছাড়া কিন্তু আমরা কোন ভাবেই চলতে পারি না কারণ আমাদের একটা দিন সম্পন্ন করার জন্য স্বয়ং ভাবে কোনো না কোনোভাবে কিন্তু এই বিদ্যুৎ দা কে বিদ্যুৎ দা কারেন্ট যাতে তাৎক্ষণিকভাবে কোন অসুবিধা না হয় এবং যাতে কোনো দুর্ঘটনার শিকার না হয় সে জন্য কিন্তু কারেন্টের বৈদ্যুতিক খুঁটির উপর দিয়ে তার ব্যবহার গুলো নিয়ে যাওয়া হয় আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যেখানে দাঁড়িয়ে আছে এবং এই গাড়িতে করে নিয়ে এসে তার পরে কথা হচ্ছে এবং এই জিনিসগুলো তৈরি করা এখানে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে বড় একটা রাস্তা এই রাস্তাটি হল কালিগঞ্জ এবং সাতক্ষীরায় মহাসড়কের রহমান সড়ক এর উপরে যে আপনার গাড়িটি দেখতে পাচ্ছে না এটি সাধারণত স্টান্ড করা হয় এবং এই গাড়ির উপরে কিন্তু সহ্য করে নিয়ে আসতে হয় কারণ এগুলো সাধারণত 5 থেকে 20 থেকে 25 জনের মতো লম্বা এবং এর ওজন থাকে অন্যের জিনিস কিন্তু এই গাড়িটার দিকে নিয়ে আসা হয় এবং এর মাধ্যমে কন্ট্রোল করা হয় তো আপনারা এখানে অনেক লোক এখানে দেখছে এবং যে জায়গায় সমস্যা হয় সেগুলো ঠিক করার জন্য এখানে নিয়ে আসা হয়। এই জায়গাটা আমাদের সাতক্ষীরা জেলা সদরের বাকালে অবস্থিত সকালে একটা ঝড় হয়েছিল ঝড়ের কারণে কারেন্টের খুটি ভেঙে গিয়েছিল সেই সময় কিন্তু এটি লাগানোর জন্য কালকে গতকাল বিকালে এই ছবিটা কে পোস্ট করছে এখানে থাকার কারণে আমি ছবি ভালোভাবে তুলে নিয়েছিলাম তখন ছবিটি তুলেছে।
কারখানায় কাজ করে সাধারণত শ্রমিকরা কারখানায় কাজ করে কিন্তু আমাদের এই সব কিছু চালিয়ে নিয়ে যায় এবং তার কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে তৈরি বিভিন্ন ধরনের কারখানা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ এর সাথে যে কাজগুলো করা হয় তার সাথে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ পণ্য কারণ এই অসভ্য কারখানাগুলোতে তৈরি করা হয় বিভিন্ন ধরনের পানির মেশিন দিয়ে পানির মেশিন গুলো দিয়েছে গ্রাম অঞ্চলের অনেক বাসা বাড়িতে এখনো পর্যন্ত কিন্তু কোন ধরনের কোন কারেন্ট প্রবাহ সৃষ্টি হয়নি সেখানেই এই পাম্পগুলো সাধারণত ব্যবহার করা হয় এই বালগুলো প্রচলিত তেল ডিজেল পেট্রোল দিয়ে এই নামগুলো চালানো হয় এবং এই প্রাণ গুলো সারাদিন চালালেও কিন্তু এগুলো নষ্ট হওয়ার কোন ভয় থাকে না এগুলো সব সময় চলতে থাকে এবং এতে করে পানীয় উঠতে থাকে সব সময় তো পানি উঠার জন্য এগুলোকে বলা হয় এবং বাস-ট্রাকের যেগুলো থাকে আমরা জানি সকলের জিনিসগুলোকে থামানোর জন্য একটা ব্রেক অবশ্যই প্রয়োজন কারণ যে যানবাহনগুলো আমরা চাই সব সময় সেগুলো সাধারনত উচ্চগতি সম্পন্ন এবং উচ্চ গতিসম্পন্ন জিনিসকে তাৎক্ষণিকভাবে কমানোর জন্য গতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটা ব্রেক অবশ্যই প্রয়োজন সেগুলো কি তৈরি করা হয় দেহের ভেতরে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে বিভিন্ন ধরনের মেশিন আছে এবং কয়েকজন কর্মচারী হিসেবে কাজ করছে এটা আমি সন্ধ্যাবেলায় খুলেছি এজন্য এর ভিতর আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এবং বড় বড় মেশিনের সাহায্যে চালানো হয় তারপর ইঞ্জিনিয়ার দের কাছ থেকে সবকিছু ঠিকঠাক করে নেওয়া হয় এবং এগুলো সম্পূর্ণরূপে তৈরি হয়ে গেলে তারপরে বাজারজাতকরণ করে বিক্রি করা হয়।
গ্রাম আমাদের সকলের কাছে অত্যন্ত প্রিয় একটি জায়গা আমরা সকলেই জানি যে শহরে থেকে গ্রামের জায়গাগুলো বেশি সুন্দর হয় এবং গ্রামের মাঠে হওয়া সব কিছু কিন্তু আমাদের খুবই পরিচিত এবং গ্রামের হওয়া মাটি বায়ু পানি সেগুলো কিন্তু আমাদের কাছে খুবই পরিচিত কারণ আমরা প্রত্যেকেই কিন্তু গ্রামের থেকে উঠে আসা একটা মানুষ তোমরা গ্রামের থেকে উঠে আজ শহরে বসবাস করি এজন্য গেরামের কথা ভুলে যায় কিন্তু মনের কোথাও না কোথাও কিন্তু একটা জায়গা থেকেই যায় গ্রামের জন্য কারন গ্রামের মধ্যে এত সুন্দর হওয়া প্রকৃতি বাতাসার ছায়াশীতল হলে যে জিনিসটা কিন্তু আপনি কোথাও পাবেন না এই গানটা খুবই সুন্দর লাগে যখন গ্রামে ঘুরতে যাইবা গ্রামে কোন কাজের জন্য যেয়ে থাকি তো আমরা সকলেই জানি যে আমরা যে শহরে বসবাস করে কিন্তু কোথাও এরকম সুন্দর শীতল বাতাস পাওয়া যায় না সেগুলো সাধারনত কীর্তি এসির বাতাস আমাদেরকে উপভোগ করতে হয় কিন্তু গ্রামে গেলে আমরা প্রকৃতির বাতাস এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারি প্রকৃতিতে বসবাস করে থাকতে পারি এবং প্রকৃতির সাথে মিশতে পারি এটাই হলো সবথেকে বড় একটা সুবিধা গ্রাম এবং গ্রামের মানুষ গুলো খুবই সুন্দর গ্রামের চারিদিকে সবুজ সবুজে ভরা এবং শহরের উপরে সব কিছু থাকে চারদিকে বিল্ডিং এবং বাসাবাড়িতে ভরা যেগুলো আমাদের একদম বোরিং করে তুলেছে চারিদিকে শুধু শব্দ দূষণ পানি দূষণ চারদিকে কিন্তু গ্রামে তেমন টা হয় না এজন্য আপনার এখানে একটা গাছ এবং কত সুন্দর সবুজ এবং এখানে একটা রাস্তা চলে গিয়েছে রাস্তাটা গ্রামের রাস্তায় রাস্তায় সাতক্ষীরা জেলার উপকূলীয় অঞ্চল দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত এবং রাস্তা পাকা রাস্তা না এটা কিন্তু একটা কাঁচা রাস্তা দিয়ে যাওয়া-আসা করে রাস্তার পাশের সময় কিন্তু এই গাছগুলো ছায়া দিয়ে থাকে এবং সুন্দরী এবং খুবই সুন্দর দেখা যাচ্ছে
প্রকৃতি আমাদের মা প্রকৃতি আমাদের সবকিছু এবং প্রকৃতির উপর আমরা সব কিছুর উপর নির্ভরশীল প্রকৃতি এবং যেমনভাবে হয়ে থাকে সেটাই কিন্তু আমাদের কাছে খুবই সুন্দর লাগে যেমন এই গরমের সময় এসে গেছে এই গরমের সময় কিন্তু আমরা যতই এসির মধ্যে আর যতই ফ্যানের বাতাস খাই না কিন্তু কেন যে বাতাস টা হয় সেটা কিন্তু সব থেকে ভালো বাতাস এবং প্রকৃতির বাতাস এবং বিশুদ্ধ বাতাস যেটা আমাদের শরীরের পক্ষে খুবই সুন্দর এবং শরীরের পক্ষে খুবই লোভনীয় একটা বাতাস যেটা খুবই ভালো লাগে আমাদের জন্য এবং আমাদের প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয় কিন্তু কোন কিছুই না প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রকৃতির সৌন্দর্যের মধ্যে সবসময় তুমি একটা ঘের এবং এটা পড়ন্ত বিকালের ছবি যেটা দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে আকাশের মেঘগুলো কেমন লালচে লালচে মত হয়ে গেছে এবং প্রচুর পরিমাণে মাছ আছে রাস্তার উপরে কিন্তু নেট দিয়ে আলপনা দেওয়ার কারণে যদি বের হয়ে যায় সে জন্য এরকম সুন্দর করে দেয়া হয়েছে এটা একটা গ্রামের দৃশ্য দেখতে খুবই সুন্দর লাগে আর সব থেকে বড় কথা হল শহরের উপরে সব বাড়ি করার জন্য কিন্তু প্রকৃতির নিদর্শন খুব কম দেখা যায় কিছু কিছু পার্ক আছে যেগুলোতে কিছু কিছু প্রকৃতির জিনিস দেখা যায় তারপরেও সেগুলো কিন্তু কৃত্রিম ভাবে সৃষ্টি করা কিন্তু ছবি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন কিন্তু কোন কিছু প্রকৃতির প্রকৃতিরগ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা তাহলে কতটা ভালো এবং তারা কি সুন্দরভাবে জীবন যাপন করে আপনারা একটু ভেবে দেখুন গ্রামের প্রকৃতি এটাও কিন্তু খুব সুন্দর আমরা হিন্দু মাঝেমধ্যে বেড়াতে যাই গ্রামের মধ্যে দেখতে চাই এবং গ্রামের কিন্তু অনেক লোক বাস করে।
বিশ্বে করো না পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়ার কারণে ভয়াবহ রূপ ধারণ করার কারণে বাংলাদেশে আজ থেকে সারাদেশে পালিত হচ্ছে লকডাউন এক সপ্তাহের এই লকডাউন পালিত হচ্ছে 5 তারিখ থেকে 11 তারিখ পর্যন্ত এক সপ্তাহেই লকডাউন চলবে এই লকডাউন এর সময় আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে সাতক্ষীরা শহরের রাস্তায় যে মেয়েটা আছে সেখানে মানুষ এখনো ঘোরাফেরা করছে এবং কোন শাসক দল ছাড়াই তারা এভাবে কিন্তু দাঁড়িয়ে আছে তাদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতার কোন বালাই নেই তারা রাস্তায় উদ্ধারের এরকম অসচেতনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে তারা কিন্তু গায়ে গা লাগিয়ে এবং আমাদের সাতক্ষীরা জেলার রাস্তার পাশে দোকান গুলো আছে সেগুলো কিন্তু এখনও পর্যন্ত সব কিছু খোলা আছে এখনো দোকান বন্ধ করা হয়নি সকাল থেকে সব দোকানপাট খোলা ছিল সবকিছু কিন্তু 11 টার দিকে পুলিশ বার হওয়ার কারণে বন্ধ করেছে এবং কিছু কিছু দোকান কিন্তু এখন থেকে শাটার বন্ধ করে তারা কিন্তু দোকানের ভেতরে রয়েছে এবং তার ভিতরে আমি যেখানে কাল সন্ধ্যা বেলাতে কাল সারা দিন কিন্তু আমাদের সাতক্ষীরা জেলায় প্রচুর রাস্তায় ভিড় ছিল এরকম সময় দুপুর বেলার দিকে রাস্তায় প্রচুর ভিড় ছিল আমি যে কোন ছবিটি তুলেছে সে সময় হয়তো একটা থেকে দেড়টার মধ্যে এরকম সময়ে কিন্তু প্রচুর পরিমাণে ভিড় ছিল রাস্তায় গতকালকে কারণ আজ থেকে লকডাউন এর জন্য মানুষ সবাই মার্কেটে এবং বাজারগুলো নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী যেগুলো কিনলে সেগুলো কিন্তু সব কিছু কিনে নিয়েছে তারপরেও কিন্তু আজকে তারা সবাই বার হয়েছে এবং খোলামেলা ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে এগুলো করা ঠিক না কারণ করো না পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে এর ফলে হয়তো দেশে জনসংখ্যা অনেক কমে যেতে পারে।
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে প্রবৃদ্ধি প্রেমে প্রকৃতিপ্রেমীরাও কিন্তু প্রকৃতি কে খুব ভালোবাসে এবং প্রকৃতি হিসেবে দেখতে খুবই ভালোবাসে না দেখতে পাচ্ছেন এই ছবিটিতে একটা প্রকৃতির ছবি আছে প্রকৃতির আমি সকালবেলায় হাঁটতে গিয়েছিলাম গিয়ে তারপর এই ছবিটি তুলেছিলেন যদি ভালো লেগে থাকে অবশ্যই আমার ছবিতে কমেন্ট করে জানাবেন এবং এটি সকালবেলা ছটার সময় তোলা হয়েছে আপনারা দেখতে পাবেন যে কখন এবং কয়টার সময় সব কিছু দেওয়া হয়েছে এবং এতে আমার ফোন থেকে তোলা সেটাও আমার নাম দেওয়া আছে সেখানে কিন্তু খুবই সুন্দর একটা জায়গা সূর্যটা দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে সুন্দর লাগছে আস্তে আস্তে উঠে এবং মেঘগুলো সূর্যের কাছে যাওয়ার ফলে এই দৃশ্যটা খুব সুন্দর দেখা যাচ্ছে এবং লোকেশন হলো সাতক্ষীরা বাইপাস রোডের পাশে অবস্থিত এবং ছবিটা দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে আপনারা আপনাদের করতে পারেন তাছাড়া লাগবে যখন চেষ্টা করেছিল আমি বলার চেষ্টা করতে করতে বার বার ভেসে যাচ্ছে এজন্য জেতে পারিনি মেঘ ভেসে যাওয়ার কারণে সূর্যটা ভালো দেখাচ্ছে না তারপরেও কিন্তু মেয়েটা ভালো দেখা যাচ্ছে জন্য ছবিটা অনেক সুন্দর লাগছে ছবিটা খুব সকাল বেলায় জন্য যেতে এখনো গরম পড়ছে তার পরেও দেখেন আপনারা দেখতে পাবেন যে গুলো দেখতে আরো ছবিটা কে ভাল করে দিয়েছে।
আমরা সকলেই চলাচলের জন্য কোন গ্যাস ব্যবহার করে থাকি এই ব্যবহার করা জিনিসটা যন্ত্রচালিত যে মিউজিক গুলো আছে সেই বাইকের দোকান আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন এই দোকানটি  বিক্রি করা হয় এবং এখানে সবকিছু ফিটিং করা হয় এখানে একজন টেকনিশিয়ান থাকে সুন্দর করে সবকিছু দিয়ে সুন্দর করে ফিটিং করেন এবং নিজের ইচ্ছামত সে কিন্তু প্রিন্ট করে নিতে পারে তো এই দোকান টা নাম হল হাবিব ইস বেক বাজার সাতক্ষীরা জেলার সার্কিট হাউজ মোড়ে অবস্থিত আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এই হাবিব ইজিবাইক বাজারে একটা দোকান আছে যেটা আমি দিয়েছি যেহেতু এবং এখানে কিন্তু মোবাইলের বিভিন্ন ধরনের জিনিস বিক্রি করা হয় যেমন আমরা যে স্মার্টফোনগুলো ব্যবহার করে থাকি এই স্মার্টফোনগুলোতে ব্যাকপার্ট অথবা গ্লাস প্রটেক্টর অথবা গরিলা গ্লাস আমরা যে জিনিসটা সকলের সুন্দর ভাবে বুঝাতে ইয়ারফোন এবং মোবাইলের সাজানোর জন্য ভালো কিছু জিনিস পাওয়া যায় সেই জিনিস গুলো কিন্তু এই মুন্না টেলিকম পাওয়া যায় এই বাজারের পাশেই অবস্থিততখনই এই ছবিটি তুলে ছিলাম তো আপনারা যদি কেউ কিনতে চান তো এখান থেকে ইজি বাইক কিনতে পারেনি এবং এখানে ইজি বাইকের দাম 1 লাখ থেকে 1 লক্ষ টাকা পর্যন্ত আছে আপনি যেকোনো ধরনের এবং এখান থেকে 6 মাসের ওয়ারেন্টি সহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়ে যাবেন তো এগুলো আসলে অনেক সুন্দর এবং সবকিছু এই সাতক্ষীরায় জন্য খুবই সুন্দর করে বানানো হয় এখানে যে ম্যানেজার আছে তাকেও আমি ভালভাবেই চিনি এবং টেকনিশিয়ান তাকে ভালভাবে চিনি কিন্তু গানটা সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্র সার্কিট হাউজ মোড়ে অবস্থিত সার্কিট হাউস রোড সার্কিট হাউসে খুবই সুন্দর করে রাখা হয় যারা মন্ত্রী মিনিস্টার আছে তারা কিন্তু এখানে এসে থাকে এবং এখানে তাদেরকে রাখা হয় তারা এখানে কিন্তু রেলি করা হয় তারপর এখানে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান সংগঠন করা হয় সেখানে সাতক্ষীরা জেলার পুকুরের এখানেও কিন্তু একেবারে সামনে অবস্থিত।
পানির কল পানির পাম্প মোটর এই সব কিছুর জন্য আমাদের অবশ্যই একটা দোকানের উপর নির্ভর করতে হয় একটা দোকানে একটা জিনিস বিক্রি করা হয় যেমন পানির কল তারপরে আপনার পানির পাম্প পাইপে সবগুলো কিন্তু সাধারণত হার্ডওয়ারের দোকানে পাওয়া যায় এই হার্ডওয়ারের দোকান টা আপনার এই ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন এটা একটা হার্ডওয়ারের দোকান এবং এই হার্ডওয়ারের দোকান থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত এই দোকান টা খুবই সুন্দর একটা দোকানের মালিক পাইকারি দামে সবকিছু শেয়ার করে থাকি আমরা এখানে গিয়েছিলাম বিক্রি করার জন্য তোমাদের প্রেমটা সাধারণত আপনার কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে কর্মজীবী শ্রমিক কাজ করে থাকে তাদের কিন্তু আপনি এই কর্পোরেট সিমের মাধ্যমে লোকেশন ট্র্যাক করতে পারবেন আপনি আপনার আন্ডারে কর্মরত সকল শ্রমিকগণ কে একটা করে সিম দিয়ে তাদেরকে যেকোনো জায়গায় যদি মার্কেটিংয়ের পাঠান তো যে কোথায় আর কিভাবে কোন জায়গায় যাচ্ছে সেগুলো কিন্তু আপনি বাসায় বসে ট্র্যাক করতে পারবো না তো দেখতে পারবেন যে সে কোথায় আছে এবং আপনি ভিডিও দেখতে পারবেন সেক্ষেত্রে চাওয়াটা একটু বেশি প্রযোজ্য হবে তারপরে আপনার পানির পানির পাম্প তারপরে যে হার্ডওয়ার সামগ্রী গুলো আছে সব কিছু কিন্তু এই হার্ডওয়ারের দোকানে পাওয়া যায় আমরা এখানে বসে বসে সবকিছু দেখছিলাম এবং এখানে মালিকের সাথে খুবই সুন্দরভাবে কথা বলছিলাম তো আপনারা যদি চান এখান থেকে সব জিনিস গুলো কিনতে পারেন এবং এখানে এসে দেখে আসতে পারেন।
দেবহাটা এবং সাতক্ষীরা জেলার মহাসড়কে সড়ক দিয়ে দেবহাটা জেলায় প্রতিনিয়তই মানুশানুকুল্লা করা হয় মানুষের যাতায়াত সড়ক দিয়ে এবং এটা  হাজরত আহসানুল্লাহ কলেজ আমরা সকলেই জানিয়েছে এ সাতক্ষীরা জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তি ছিলেন তার স্মরণে এখানে এই কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এই কলেজে প্রায় 5 থেকে 6 হাজার শিক্ষার্থী একসাথে পড়াশোনা করে এবং কললিস্টে বিশাল বড় কলেজের সামনে একটা মাঠ আছে যে মাঠে প্রতিদিন ঝগড়া করে থাকে এবং কলেজ ক্যাম্পাস খুবই সুন্দর আমরা সকলেই জানি এবং আমাদের বাংলাদেশে কিন্তু ছোট-বড় অসংখ্য নদী আছে সেগুলো কিন্তু সারা বছরই প্রবাহিত হতে থাকে এমন একটা নদী আছে যেটা হবে কপোতাক্ষ নদী এই কপোতাক্ষ নদীর মাঝখান থেকে ভারত-বাংলাদেশ বিভক্ত করা হয়েছে কারণ ভারত এবং বাংলাদেশের মাঝখান দিয়ে এই কপোতাক্ষ নদী অবস্থিত এই কপোতাক্ষ নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে একটা পার্ক আছে পার্কের নাম হল মিনি সুন্দরবন সুন্দরবন সুন্দরবন বোঝানো হয়েছে এবং এই গানটা কিন্তু অনেক মানুষ আসে ঘোরাফেরা করে এখানে খুবই ভালো লাগে তাদের সময় কাটায় এখানে এসে অবসর সময় তারা খুবই ভালো থাকে এখানে এসে এবং জায়গাটা দেখতে খুবই ভালো লাগে ইন্ডিয়ার বর্ডার কিন্তু এখান থেকে খুব সুন্দর ভাবে দেখা যায় এবং এখান দিয়ে যে নৌকাগুলো চলাচল করে তারা কিন্তু খুবই দক্ষতার সাথে নৌকা চালায় কারণ মাঝখান থেকে ভারত-বাংলাদেশ বিভক্ত হওয়ার কারণে ভারতের এরিয়ার ভিতরে কোন নৌকার ঢুকে পড়লে খাবি কিন্তু জরিমানা করা হয় এবং ভারতের নৌকা বাংলাদেশে কোন কারনে করলে তা কিন্তু জরিমানা করা হয়
বর্তমান সময়টা আমাদের জন্য খুবই খারাপ এবং আমরা সবাই জানি যে বর্তমান সময়ে করণা ভাইরাসের কারণে কিন্তু আমাদের দেশে পড়াশোনা এবং সবকিছু একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে গত বছর থেকে এই এক বছর পর্যন্ত কিন্তু আমাদের দেশে পড়াশোনার প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিন্তু এখনও পর্যন্ত খোলা হয়নি সব কিছু কিন্তু বন্ধ হচ্ছে যার ফলে ছেলে মেয়ে যারা শিক্ষার্থী তারা কিন্তু পড়াশোনা বাদ দিয়ে অন্য দিকের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছে অন্যদিকে বলতে আমাদের দেশে অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা কিন্তু এটা গ্রামের প্রতিবেশী করে তারা এ স্মার্ট ফোনের ভেতরে আছো সারাদিনে স্মার্ট ফোনের ভিতরে পড়ে থাকে এবং ডিমের ভিতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে সেটা হলো একটা ফ্রী ফায়ার এবং আরেকটা হল পাবজি পাবজি আর ফ্রী ফায়ার কিন্তু আমাদের দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের কে নিয়ে টাকে নষ্ট করে দিচ্ছে এবং এই স্মার্টফোনের ফলে তারা সারাদিন পড়াশোনা বাদ দিয়ে শুধু স্মার্টফোনেই গেম খেলে যাচ্ছে একের পর এক থেকে যদি আমাদের শিক্ষার্থীরা আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ কে ভালো ভাবে তৈরি করতে হয় তাহলে কিন্তু অবশ্যই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে হবে এবং নিয়েছে স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশনগুলো আছে তার ভেতর থেকে কিন্তু তাকে অবশ্যই সরিয়ে ফেলতে হবে তা না হলে আমাদের আগামী প্রজন্ম কিন্তু অনেক খারাপ দিকে চলে যাচ্ছে যার ফলে আমাদের দেশের উন্নতি করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে যাবে তো আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এখানে দুইটা শিশু একজন গেম খেলছে এবং আরেকজন কার পাশে পুলিশের ট্রেনিং নিচ্ছে তাহলে একটা মুদিখানার দোকানে বসে বসে তারা এই কাজটা করছে মুদিখানার দোকান টা যে ছেলেটা গেম খেলছে তার বাপের দোকানে অবস্থিত আমাদের গ্রামের ভিতরে আমাদের গ্রামটা সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।
আমরা সকলেই জানি 17 ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন আর এই জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালন করা হয়েছে এবং এই জন্মশতবার্ষিকী পালন করার জন্য আমাদের দেশে আমাদের সারা বাংলাদেশ যে সরকারি কার্যক্রম বেসরকারি বিদ্যালয় তাছাড়া সরকারি অফিস-আদালত গুলো আছে সেখানে কিন্তু এরকম সুন্দর করে সাজানো হয়েছিল খুব সুন্দর করে জন্মদিন অনুষ্ঠান পালন করার জন্য এটা সাধারণত একটা দেখতে পাচ্ছেন ইটাগাছা মরে বাস স্ট্যান্ড এর পিছনে একটা পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিস আছে সেখানে এই ছবিটা আমি তুলেছিলাম এই ছবিটি দেখে সরকারি অফিস পর্যন্ত দিয়ে লাইটিং করা হয়েছে এবং দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে এখানে কাটা হয়েছিল সেটি আনন্দঘন পরিবেশে এবং খুবই ভালো লাগছিল দেখতে তো পুরো বাংলাদেশকেই শুধু সাতক্ষীরা জেলা 9 প্রো বাংলাদেশে এরকম করা হয়েছে এবং সরকারি-বেসরকারি যেকোনো জায়গায় কিন্তু এরকম করা হয়েছিল সাজানো হয়েছিল সাজানো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছিল আমাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 100 বছর আগে জন্মগ্রহণ করেছিল ওই জন্য আজ তার মৃত্যুর 100 বছর পূর্ণ হয়েছে জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের বাংলাদেশে এসেছিল এবং নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশে।
এটা হল চৌদ্দ রশির ব্রিজ প্রতিটি পিলারের সাথে চৌদ্দটা ঢালাই দিয়ে এই বৃষ্টি তৈরি করা হয়েছে এজন্য চৌদ্দরশি ব্রিজ বলে এটাকে নামকরণ করা হয়েছে এই ব্রিজটা গাবুরা ইউনিয়ন থেকে বাইরে আসার জন্য আসার জন্য এই ব্রিজটা তৈরি করা হয়েছে এবং এই ব্রিজটা একমাত্র লক্ষ্য নিয়ে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম মাধ্যম টা আছে সেটা হল নদীপথে নৌকায় করে যাওয়া আসা করতে হয় এখানকার মানুষদের অনেক কষ্ট করে যাওয়া আসা করতে হয় এবং গাবুরা ইউনিয়ন একটা দিয়ে বললেই চলে কারন এই গাবুরা ইউনিয়নের চারিপাশ জুড়ে রয়েছে নদী এবং নদীর মাঝখানে ছোট্ট একটা দ্বীপে অবস্থিত এবং যখন এ দ্বীপের ভিতর পানি ঢুকে পড়ে তখন কিন্তু মানুষ বেঁচে থাকা খুবই কষ্টকর হয়ে যায় মাঝে মধ্যে প্রায়ই দেখা যায় যে গাবুরা ইউনিয়নের ভেঙে যায় এবং কানে পানি ঢুকে পড়ে যার ফলে মানুষের বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে এবং সেখানে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যায় এর ফলে মানুষকে সাইক্লোন শেল্টার ভবনে আশ্রয় নিতে হয় প্রতিবছর এ সময় এরকম হতে যাচ্ছে এবং এগুলো হয়ে থাকে যার ফলে মানুষের জীবনধারণ করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে এজন্য এখানে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে নির্মাণের ব্যবস্থা করেছে এবং কিছু কিছু বাঁধ নির্মাণ করা হয়ে গেছে আমরা জানি সকলেই যে 2009 সালে বড় একটা ঝড় হয়েছিল সেটা হলো আইলা ঝড় নামে নামকরণ করা হয়েছে প্রায় 5 থেকে 6 লক্ষ মানুষ গাবুরা ইউনিয়নের মানুষ মারা গিয়েছিল তারা সবাই ভেবেছিল এবং সেই লাশগুলো কিন্তু শহরে ফোন করা হয়েছিল এটা গুলো কিন্তু আমরা সকলেই জানি এবং যেটা সেটা হলো এই ব্রিজটা দেখতে খুবই সুন্দর এবং আপনারা দেখতে পাচ্ছেন কত সুন্দর করে তোলা হয়েছে নদীটাও বিশাল বড় হয়ে এই কল পেটুয়া নদীর মাঝখান দিয়ে এই ইন চৌদ্দরশি সেতুটি অবস্থিত।
অনলাইনে কাজ করা বা ফ্রিল্যান্সিং করা আজকের দিনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় কারণ এখন বাজারে মানে আমাদের সমাজের যে অবস্থায় সেখানে কিন্তু চাকরি পাওয়া খুবই ভাগ্যের ব্যাপার এখানে চাকরি পাওয়া যায় না বললেই চলে কারন একটা সিটের জন্য প্রায় 1 লক্ষ মানুষ লড়াই করতে থাকে যে ওইটা কে পাবে এজন্য আমাদের অবশ্যই নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে এবং নিজেকে স্বাধীন পেশা নিয়ে যেত করতে হবে আপনারা এই ছবিটিতে দেখতে পাচ্ছেন একজন ছেলে দেশে অনলাইনে কাজের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে এবং কম্পিউটারে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ শিখছে এভাবে করে এসে বাসায় বসেই কম্পিউটারের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে কিন্তু একজন চাকরি বা ব্যবসা এর থেকে বেশি টাকা আয় করতে পারে একজন ব্যবসায়ী বা একজন চাকরিজীবী যদি মাসে 30000 টাকা বা 50 হাজার টাকা ইনকাম করে সারা দিনমান ঘন্টা কাজ করে তবে সে 8 ঘণ্টা বা নিজের প্রয়োজনীয় সময় বাদ দিয়ে সে কিন্তু থেকে 2 লক্ষ টাকা পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারে তো এজন্য অবশ্যই আমাদেরকে নিজে থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে হবে এবং দেশকে বেকার মুক্ত করতে হলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কোন ফ্রিল্যান্সিং এর বিকল্প কিছু হয় নাই সেজন্য ফ্রিল্যান্সিং করা অবশ্যই কর্তব্য এবং আমরা প্রতিটি গল্পে একটা করে ফ্রিল্যান্সারের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে নিজ থেকে যে আমরা ছোট থেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখবো এবং অনলাইনে কাজের প্রতি দক্ষতা অর্জন করে আমরা বেকার মুক্ত করব এবং বিদেশ থেকে রেমিটেন্স সেগুলো কিন্তু আমাদের দেশের অর্থনীতিকে সচল করবে এবং আমাদের দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
বাঙালি যতই যাই করুক না কেন নিজের সৌন্দর্য বা নিজের ঘরকে সাজানো-গোছানো রাখতে সবসময়ই পছন্দ করে সে যতই গরীব হোক না কেন তা সে যতই কালো হোক না কেন খুব সৌখিন ধরনের মানুষ হয় কারণ বাঙালিরা সবকিছুতে নিজের পছন্দ টায় বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে এবং তারা খেতে পারল না পারল সে দিক থেকে তারা তাদের সৌন্দর্য নিয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দিক দিয়ে থাকে সেদিকে বেশি ভাবে তারা সব সময় এরকম ছবি তোলা জিনিসের মধ্যে সবকিছু করতে চাই তবে ছবিতে কিছু ছোট ছোট মাছ আছে যেগুলো একুরিয়ামের মাছ বলা হয় ছোট্ট একটা কাচের ঘরের ভিতরে ছোট ছোট বিভিন্ন ধরনের মাছ বিক্রি করা হয় কালারের মাছ গুলো দেখতে খুবই সুন্দর লাগে এবং অক্সিজেনের মাধ্যমে একুরিয়ামের ভেতরে রেখে দেওয়া হয় এবং তার ভিতরে এই মাছগুলো সাতার কেটে বেড়াচ্ছে খুবই সুন্দর লাগে ঘরের ভিতরে দিলে খুবই সুন্দর লাগে দেখতে জন্য এটাকে একুরিয়ামের মাছ বলা হয় এজন্য ঘর সাজালি খুবই সুন্দর লাগে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন কিছুক্ষণ টাইম গ্লাসের ভিতরে কিছু মাস যে মাছগুলো কিন্তু দেখতে খুবই সুন্দর এবং এই মাছগুলো 5 থেকে 10 টাকা পিস দরে বিক্রি করা হচ্ছে এবং এই মাসগুলোর বিভিন্ন কালার আছে কালারগুলো দেখতেও খুব সুন্দর এবং পাশে একটা টপ আছে এটা সাধারণত শোপিস হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
বর্তমান বিশ্বে অনলাইনের উপর নির্ভরশীলতা মানুষের বেড়েই চলেছে তার এই অনলাইন এর উপর নির্ভরশীলতা থেকেই আমাদের বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় একটা গ্রুপ খোলা হয়েছে সাতক্ষীরা অনলাইন শপ নামে সৎখিরা অনলাইন শপে হাজার হাজার বেকার যুবক যুবতীরা তারা কিন্তু ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে তো ব্যবসা শুরু করছে তারা অল্প পুঁজি থেকে যেকোনো ধরনের জিনিস কিনে নিয়ে ব্যবসা শুরু করছে এ ব্যাপারে যেকোনো ধরনের জিনিস যারা বাসাবাড়িতে রান্না করে যারা আছেন তারা কিন্তু বাড়িতে তৈরি করা খাবার নিয়ে শুরু করেছে এবং যারা আছে তারা বাইরে থেকে কিছু জিনিস কিনে নেব তারপরে সবগুলো কিন্তু বিক্রি করছে এগুলো সব শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করছে এবং এগুলো বিক্রি করার জন্য একজন ডেলিভারি ডেলিভারি দিয়ে দেখলে সব কিছু তারা এই গ্রুপটা ক্রিয়েট ইমরান হোসেন ভাইয়া তিনি কিন্তু একটা অফিসের এজেন্সির অনলাইন শপের নামে অফ স্টাতে সাতক্ষীরা অনলাইন শপের একটা মেলা হচ্ছে এই ছবিটা তুলেছি এই ছবিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে ধরনের ফুলের টপ তৈরি কসমেটিক সহ বিভিন্ন ধরনের জিনিস কিরে অনলাইন শপিং মেলোডি হচ্ছে গভমেন্ট কলেজ রোড সকাল কম্পিউটারের দ্বিতীয় তলায়।
গোলাপি কালারের পাখিগুলো দেখতে খুবই সুন্দর এবং এগুলো কুটির শিল্পের অন্তর্গত।জীবিকা নির্বাহের জন্য মানুষ অনেক ধরনের কাজ করে থাকে এবং কিছু কিছু মানুষ আছে যারা নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য নিজের থেকেই কোন কিছু করার চেষ্টা করে বলার অনেক মানুষ আছে প্রতিভাবান মানুষ তাদের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে অনেক কিছু তৈরি করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে তো আমাদের অনেক মানুষ আছে যারা কিন্তু সরকারি চাকরির আশায় বসে থাকি আবার অনেক মানুষ পড়াশোনা শেষে তাদের নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে এমন একটা প্রতিভাবান মানুষ এই পাখিটি তৈরি করেছেন এই যে পাখিটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন এটা হলো ময়না পাখি এই ময়না পাখি সাধারণত যেটা হয় আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে যে টাকা পাঠানো হয় সেটা কিন্তু কথা বলতে পারে খুবই সুন্দর এবং এটা যেহেতু একটা মোমের জিনিস দিয়ে তৈরি করা দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে গোলাপি কালারের পাখি হওয়ার কারণে খুবই সুন্দর এবং এগুলো সাধারণত বাজারে 20 থেকে 25 টাকা 30 টাকা দরে কিনতে পাওয়া যায় এগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে এবং এগুলো বাড়িতে সাজিয়ে রাখার জন্য এই যেটা বানানো হয়েছে এটা কিন্তু একটা কুটির শিল্পের অন্তর্গত কুটির শিল্পের মানুষ গুলো সাধারণত বাংলাদেশ খুবই কম প্রাধান্য পায় কারণ কুটির শিল্প বলতে যে শিল্পগুলো সাধারণত ছোট ছোট জিনিস দিয়ে তৈরি করা হয় বা ছোট ব্যবসার আয়তন হিসাব করা হয় সাধারণত দশ থেকে পনের হাজার টাকা পর্যন্ত