写真

আকাশ পথে যোগাযোগ চালুর দ্বিতীয় দিনে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গেছে। ফ্লাইটটির সব যাত্রীকে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম কলকাতা।

অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে লকডাউন শিথিল করছে ভারত। তারই অংশ হিসেবে গত সোমবার বিমান পরিষেবা চালু করা হয়। প্রথম দিনে ৩৯ হাজার যাত্রী ভ্রমণ করেন। ওই দিন ইন্ডিগো বিমানের এক যাত্রীর শরীরে করোনা ধরা পড়ে। ২৩ বছর বয়সী ওই যুবককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ফ্লাইটে ৯০ জন যাত্রীর প্রত্যেকের করোনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এলেও সতর্কতার অংশ হিসেবে তাদের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার দিল্লি থেকে লুধিয়ানা যাবেন বলে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে ওঠেন অ্যালায়েন্স এয়ারের সিকিউরিটি বিভাগের এক কর্মকর্তা। তিনি করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় ফ্লাইটের সব যাত্রীদের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। বুধবার এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশে সড়ক পরিবহন খাত সংশ্লিষ্ট মালিক ও শ্রমিকদের চারটি শীর্ষ সংগঠন টার্মিনাল ও মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ট্রাক কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতি এই চার সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গণপরিবহন চালু করার ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তাদের দাবির কথা বলেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, সড়ক পরিবহনে চাঁদাবাজি পরিবহন খাতকে বিশৃঙ্খল করে তুলেছে। আগামী ৩১ মে গণপরিবহন চালু হওয়ার সময় থেকে টার্মিনালে, সড়কে বা অন্য কোথাও চাঁদা উত্তোলন করা যাবে না। শুধুমাত্র সরকার অনুমোদিত নিজ নিজ গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী নিজ নিজ মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সদস্যদের কাছ থেকে নিজ নিজ অফিসে চাঁদা সংগ্রহ করা যাবে।

এই বিধানের ব্যত্যয় হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনগুলোর নেতারা।
আজ ঈদ কিনা এটা নিশ্চিত হতে হলে কারও কাছে জানতে চাইতে হবে। ঈদগাহে কোনো জামাত নেই। অল্প কিছু মানুষ মসজিদে গেছেন ঈদের নামাজ পড়তে। তারাও নামাজ শেষে ঈদের সেই চিরচেনা কোলাকুলি আর হাত মেলাননি। একত্রিত হয়েও যেন আমরা পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন। সারা দিন বাসায় কোনো অতিথি নেই, কেউ কাওকে দেখতে কারও বাসায় যাচ্ছেন না। উদযাপনের পরিসর ছোট হতে হতে নিজের ঘর আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে।

বাচ্চারা ঈদের চাঁদ দেখতে দৌড়ে বাসার ছাদে যায়নি। কোনো হইহুল্লোড় নেই, আতশবাজি নেই, উচ্চস্বরে হর্নের শব্দ নেই, এমনকি বাইরে উদযাপনের কোনো আয়োজনও নেই। বাইরে সব কিছু শান্ত, চারিদিক নিস্তব্ধ। ভিতরে, করোনায় ঘরবন্দি মানবের কাটানো আরও একটা দিন।

ঈদ আমাদের জীবন, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে এতটাই প্রভাব ফেলে যে, এই দিনটার উপলক্ষে সব কিছুই বদলে যায়। দুই ঈদ আর পহেলা বৈশাখে যে ব্যবসা হয় তা দিয়েই দেশের ব্যবসায়ীরা সারা বছর চলার রসদ পেয়ে থাকেন। দুঃখের বিষয়, এই মহামারির মধ্যে পড়ে গেছে পহেলা বৈশাখ এবং ঈদুল ফিতর
বেইজিং ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর চায়না অ্যান্ড গ্লোবালাইজেশনের প্রেসিডেন্ট ওয়াং হুহাইওর মতে, ১৯৭৯ সালে দুই দেশের মধ্যে পুরোমাত্রায় কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠান পর পারস্পরিক অবিশ্বাস এত খারাপ কখনো হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা এশিয়া সোসাইটির মার্কিন-চীন সেন্টারের পরিচালক অরভিল শেল বিজনেস ইনসাইডার পত্রিকাকে বলেন, “আমরা একটি শীতল যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে।“

হংকংয়ের ব্যাপটিস্ট ইউনিভার্সিটির রাজনীতির অধ্যাপক জ্যঁ পিয়ের সেবাস্টিয়ান লন্ডনের ফিনানশিয়াল টাইমস পত্রিকাকে বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন নতুন এক ধরণের শীতল যুদ্ধের মুখোমুখি হয়েছে।“
ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অতিবৃষ্টিতে সিলেটের উত্তরের উপজেলা গোয়াইনঘাটের সারি, পিয়াইন ও গোয়াইন নদীতে পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল।

২৫টি গ্রাম ও প্রধান সংযোগ সড়ক প্লাবিত হয়ে উপজেলার সঙ্গে অন্যান্য উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এ ছাড়া অসংখ্য বাড়িঘর ও আউশ ধানের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম সরকার জানান, ‘পাহাড়ি ঢলে সারি নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পিয়াইন ও গোয়াইন নদীর পানিও সারাদিন বেড়েছে। সীমান্তের ওপার মেঘালয়ে বৃষ্টিপাত বাড়লে স্থায়ী বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হবে।’

পাউবোর সারিঘাট গেজ স্টেশনের তথ্য অনুযায়ী সারি নদীর পানি মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে যা সকাল ৬টায় ৩ সেন্টিমিটার উপরে ছিল। এ নদীতে নিরাপদ জলস্তরের সীমা ১১ দশমিক ৭৭ মিটার।

動画

Amin
03:38

ブログ