Not even known as the Fortress of Heaven’ or the ‘Fortress of Gold’ declared by the world, the time of sunset is as bright as the fortress of Peel Varua stone.  The fort was cut by the Rajput king Rawal Jesel at Karwaya in 1156. Jasmir's fort was built at Murustal Trikikuta hill.  Many historical battles have taken place here.  Alauddin Khilji was imprisoned in this clay in 13 Vin Shatabadi and Khileji Khilji was imprisoned for 9 years. The Rajput decision was taken by Joharde.
 Second we were on this fort in 1515 by the Mughal emperor Humayun.  Then the day of her marriage to Akbar began in 1570 for the reform of communication with the Mughals.  The Mughals remained captive on the fort until 1762.  After that Mahalval Maurajya was brought under control.  Then there was the news between Maularaj and the unknown and the capture took place but after the death of Maurya in 1820, the hands of the pet yard lion came here. It was created to see the name Tricuara in the field of Kila Ther Resistani.  Is it because of the gold from the pillar stone? The reason you have this feature is the Golden Road.  At night when the lights of the flight lights in Clay are dimmed, a unique image is displayed.  Jessmere's Beward Castle is the main center for observing conditions.  Like the castle of heaven as a city of gold, Jaisalmer's identity has been a nightmare for observers all over the country and abroad for years. It is surrounded by a 30-foot final wall of the fort.  It is one of the largest 99 Georgian warriors in the world at present, with a fourth of the city’s population located in one of the settlements.  There are many dogs in the fort research, the residents here have a regular source of water.  Kila Rajput and Mars style is the standard science registratio Kileo Akhai Pol, Batas Pol, Suraj Pol and Ganesh Pol are the second names for the item Akhai Pol or the first second level is published for your event style. 1500 feet long  It is 1500 feet (460 m) long and 750 ft (230 m.) Crossroads and 250 feet (76 m.) Built on the top of Uhai Mountain.  Is 15 degrees long.  A total of four entrances to the fort occurred on the second, so a second from Janem. The merchants also built big havelis.  Some Havelis in Gene are more than a decade old.  In the town of Jismir there are many huge and beautiful mansions such as Bonnie from Play Rock An experienced Jolanica system, also has varnish moved away from the fort in the direction of the water near the water. Jaisalmer Fort (Golden Fort) is located in the town of Jaisalmer in the Indian state of Rajasthan.  It is considered one of the few "living castles" in the world (e.g. Carcassonne, France), as about a quarter of the old city still resides within the castle.  For the better part of its 800-year history, the fort was the city of Jaisalmer.  The first settlement outside the walls of the fort, for the growing population of Jaisalmer, is said to have come up in the 17th century. It is the only fort in the world, after 400 people are not yet on the lis The fort of Jaisalmer is the second oldest fort in Rajasthan, built by Rajput Rawal (ruler) Jaisal in 1156 AD, which got its name and stands at the crossroads of important trade routes (including the ancient Silk Road The vast yellow sandstone walls of the fort are a soft lion's color during the day, blending with the honey-gold as the sun sets and spreading the fort in the yellow desert.  For this reason, the fort, also known as the Golden Quila or the Golden Fort, is a vast expanse of sand dunes in the vast Thar Desert of the Trikuta Hills.  It has its name along the southern edge of the city today;  Its towering hilltop makes the towering towers of its forts visible for almost many miles. In 2013, the 3rd session of the World History Committee held at Phenom Peh in Cambodia was declared a UNESCO World Heritage Site under the Group Hill Forts of the State along with five other forts in Rajasthan.
বাংলাদেশের নাটোর সদর উপজেলায় অবস্থিত একটি রাজবাড়ি হলো নাটোর রাজবাড়ি যা নাটোর রাজবংশের একটি স্মৃতিচিহ্ন।অষ্টাদশ শতকের শুরুতে নাটোর রাজবংশের উৎপত্তি হয়। ১৭০৬ সালে পরগণা বানগাছির জমিদার গণেশ রায় ও ভবানী চরণ চৌধুরী রাজস্ব প্রদানে ব্যর্থ হয়ে চাকরিচ্যুত হন। দেওয়ান রঘুনন্দন জমিদারিটি তার ভাই রাম জীবনের নামে বন্দোবস্ত নেন। এভাবে নাটোর রাজবংশের পত্তন হয়। রাজা রাম জীবন নাটোর রাজবংশের প্রথম রাজা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন ১৭০৬ সালে, মতান্তরে ১৭১০ সালে। ১৭৩৪ সালে তিনি মারা যান। ১৭৩০ সালে রাণী ভবানীর সাথে রাজা রাম জীবনের দত্তক পুত্র রামকান্তের বিয়ে হয়। রাজা রাম জীবনের মৃত্যুর পরে রামকান্ত নাটোরের রাজা হন। ১৭৪৮ সালে রাজা রামকান্তের মৃত্যুর পরে নবাব আলীবর্দী খাঁ রাণী ভবানীর ওপর জমিদারি পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন। রাণী ভবানীর রাজত্বকালে তার জমিদারি বর্তমান রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর, রংপুর, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহ জেলা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
বিশাল জমিদারির রাজধানী নিজ জন্মভূমিতে স্থাপনের নিমিত্তে রঘুনন্দন, রাম জীবন ও পণ্ডিতবর্গ তৎকালীন ভাতঝাড়ার বিলকে নির্বাচন করেন। ভাতঝাড়ার বিল ছিল পুঠিয়া রাজা দর্পনারায়ণের সম্পত্তি। এজন্য রঘুনন্দন ও রামজীবন রাজা দর্পনারায়ণের নিকটে বিলটি রায়তী স্বত্বে পত্তনীর আবেদন করেন। নতুন রাজাকে রাজা দর্পনারায়ণ জমিটি ব্রহ্মোত্তোর দান করেন। রামজীবন বিলে দীঘি, পুকুর ও চৌকি খনন করে সমতল করেন এবং রাজবাড়ি স্থাপন করেন। এলাকাটির নামকরণ করেন নাট্যপুর। ১৭০৬-১৭১০ সালে নাটোর রাজবাড়ি নির্মিত হয়েছিল। রঘুনন্দন বড়নগর বর্তমান মুর্শিদাবাদে থাকতেন।রাজবাড়ির মোট আয়তন ১২০ একর। ছোট-বড় ৮টি ভবন আছে। ২টি গভীর পুকুর ও ৫টি ছোট পুকুর আছে। রাজবাড়ি বেষ্টন করে আছে দুই স্তরের বেড়চৌকি। পুরো এলাকা ২টি অংশে বিভক্ত – ছোট তরফ ও বড় তরফ। রাজবাড়ির উল্লেখযোগ্য মন্দিরগুলো হল শ্যামসুন্দর মন্দির, আনন্দময়ী কালিবাড়ি মন্দির, তারকেশ্বর শিব মন্দির।১৯৮৬ সাল থেকে রাজবাড়ির পুরো এলাকাটি রানী ভবানী কেন্দ্রীয় উদ্যান বা যুবপার্ক হিসেবে জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের পর্যটন স্থান গুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য স্থান এবং বাংলাদেশের সমুদ্রপ্রেমীদের কাছে এটি ব্যাপক পরিচিত একটি নাম। সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত একটি ছোট প্রবাল দ্বীপ যার আয়তন মাত্র ৮ বর্গকিলোমিটার প্রায়। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে ও মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। মূলত প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরা বলা হয়ে থাকে। 
দু:সাহসিক ভ্রমণকারীগন ইঞ্জিতচালিত নৌকায় করে বছরের যেকোন সময় সেখানে ভ্রমণ করতে যেতে পারলেও মূলত এখানে ভ্রমণের উপযুক্ত সময় হলো অক্টোবরের শেষ থেকে মার্চ মাসের শেষ অবধি। কেনোনা এই সময়ে দেশের মূল ভূখন্ড থেকে এই দ্বীপে সরাসরি জাহাজ চলাচল করে থাকে। বর্তমানে টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন রূটে ৫-৬ টি, কক্সবাজার থেকে একটি ও চট্রগ্রাম থেকে একটি জাহাজ চলাচল করে থাকে এই দ্বীপ থেকে।
কান্তজীউ মন্দির বা কান্তজির মন্দির বা কান্তনগর মন্দির বাংলাদেশের দিনাজপুরে অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দির। এটি নবরত্ন মন্দির নামেও পরিচিত কারণ তিনতলাবিশিষ্ট এই মন্দিরের নয়টি চূড়া বা রত্ন ছিলো। কান্তজীউ মন্দির ১৮ শতকে নির্মিত একটি চমৎকার ধর্মীয় স্থাপনা। মন্দিরটি হিন্দু ধর্মের কান্ত বা কৃষ্ণের মন্দির হিসেবে পরিচিত যা অতিলৌকিক রাধা-কৃষ্ণের ধর্মীয় প্রথা হিসেবে বাংলায় প্রচলিত। ধারণা করা হয়, মহারাজা সুমিত ধর শান্ত এখানেই জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। ২০১৭ সালের কলকাতা বইমেলায় এই মন্দিরের আদলে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন করা হয়। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে এই মন্দির ধ্বংস হওয়ার আগে রাবণেষু, জন হেনরি এর ১৮৭১ সালে তোলা ছবিতে মন্দিরের নয়টি রত্ন বর্তমান। দিনাজপুর শহর থেকে ২০ কিলোমিটার উত্তরে এবং কাহারোল উপজেলা সদর থেকে সাত কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে সুন্দরপুর ইউনিয়নে, দিনাজপুর-ঠাকুরগাও মহাসড়কের পশ্চিমে ঢেঁপা নদীর তীরে কান্তনগর গ্রামে অবস্থিত এই প্রাচীন মন্দির।
নয়াবাদ মসজিদ বাংলাদেশের দিনাজপুর শহর হতে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে কাহারোল উপজেলার নয়াবাদ গ্রামে অবস্থিত। মসজিদটির পাশ দিয়ে চলে গেছে ঢেপা নদী। ১.১৫ বিঘা জমির উপর এই মসজিদটি তৈরি করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। মসজিদের প্রবেশের প্রধান দরজার উপর স্থাপিত ফলক হতে জানা যায় এটি সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের রাজত্ব কালে ২ জৈষ্ঠ্য, ১২০০ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৭৯৩ সালে) নির্মাণ করা হয়। সেসময় জমিদার ছিলেন রাজা বৈদ্যনাথ। যিনি ছিলেন দিনাজপুর রাজ পরিবারের সর্বশেষ বংশধর। এলাকার অধিবাসীদের থেকে জানা যায় যে, ১৮ শতকের মাঝামাঝিতে কান্তনগর মন্দির তৈরির কাজে আগত মুসলমান স্থপতি ও কর্মীরা এই মসজিদটি তৈরি করেন। তারা পশ্চিমের কোন দেশ থেকে এসে নয়াবাদে বসবাস শুরু করে এবং তাদের নিজেদের ব্যবহারের জন্য এই মসজিদটি তৈরি করেতিন গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদের চার কোনে ১২.৪৫ মিটার x ৫.৫ মিটার আকারের চারটি অষ্টভুজ মিনার রয়েছে। দেয়ালগুলির পুরুত্ব ১.১০ মিটার। উত্তর ও দক্ষিণের দেয়ালে একটি করে জানালা রয়েছে। পশ্চিম পাশের দেয়ালে মোট তিনটি মিম্বার রয়েছে যেগুলি মসজিদের তিনটি প্রবেশ দরজা বরাবর তৈরি করা হয়েছে। মাঝের মিম্বারটি আকারে বড়(উচ্চতা ২৩০ মিটার এবং প্রস্থ্য ১.০৮ মিটার) এবং অপর দুটি মিম্বার একই আকারের।মসজিদটা তৈরির সময় যে সকল টেরাকেটা বা পোড়ামাটির কারুকার্য ব্যবহার করা হয়েছিল তার অধিকাশংই এখন নেই এবং যেগুলি রয়েছে সেগুলিও সম্পূর্ণ অক্ষত নেই। এখানে বর্তমান মোট ১০৪টি টেরাকোটা অবশিষ্ট রয়েছে। মসজিদটির পাশে একটি কবর রয়েছে। তবে কবর বা মসজিদে কোন অংশেই এটি সম্পর্কিত কোন তথ্য দেয়া নেই। তবে কথিত আছে যে এটি মসজিদের কোন নির্মাণ শ্রমিকের কবর।
পিরামিড পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তম আশ্চর্যের একটি। প্রাচীন মিশর শাসন করতেন ফিরাউনরা। প্রাচীন মিশরীয় শাসক বা রাজাদের ফিরাউন বলা হতো। তাদেরকে কবর বা সমাধী দেয়ার জন্যই পিরামিড নির্মান করা হতো। মিসরে ছোটবড় ৭৫টি পিরামিড আছে। সবচেয়ে বড় এবং আকর্ষনীয় হচ্ছে গিজা'র পিরামিড যা খুফু'র পিরামিড হিসেবেও পরিচিত। এটি তৈরি হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৫০০০ বছর আগে। এর উচ্চতা প্রায় ৪৮১ ফুট। এটি ৭৫৫ বর্গফুট জমির উপর স্থাপিত। এটি তৈরি করতে সময় লেগেছিল প্রায় ২০ বছর এবং শ্রমিক খেটেছিল আনুমানিক ১ লাখ। পিরামিডটি তৈরি করা হয়েছিল বিশাল বিশাল পাথর খন্ড দিয়ে। পাথর খন্ডের এক একটির ওজন ছিল প্রায় ৬০ টন, আর দৈর্ঘ্য ছিল ৩০ থেকে ৪০ ফুটের মত। এগুলো সংগ্রহ করা হয়েছিল দূর দুরান্তের পাহাড় থেকে। পাথরের সাথে পাথর জোড়া দিয়ে পিরামিড তৈরি করা হত। চার হাজারের বছরের পুরানো এক সমাধিতে অঙ্কিত এক চিত্রে দেখা যায় এক বিশাল স্তম্ভকে স্লেজে করে সরানো হচ্ছে; অনেক মানুষ রশি দিয়ে সেই স্লেজ টেনে নিচ্ছে। আর তাদের মধ্যে একজন পাত্র থেকে জল ঢালছে বালির উপরে। এতে ঘর্ষণ প্রায় অর্ধেক হয়ে যায়। এভাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল আড়াই টন ওজনের এক একটা ব্লক।
আমরা এখানে ছবি তো দেখতে পাচ্ছি রাস্তার ধারে দ্বিতল বিশিষ্ট একটি সুন্দর মসজিদ মসজিদ দ্বারা আবৃত করা হয়েছে সুন্দর ভাবে এই সাদাটা এ ছাড়া খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মসজিদে আমরা এখানে যে ছবিতে যে দ্বিতল মসজিদটি দেখতে পাচ্ছি এই মসজিদটি হল লক্ষীপুর এর তিতাখা নামে বহুৎ পুরাতন একটি ঐতিহ্যবাহী এই তিতা খাঁ জামে মসজিদ চিত্র এখানে ছবিতে দেখানো হচ্ছে
তিতা খাঁ মসজিদ বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুরে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। তবে কয়েকদফা সংস্কারের ফলে এর প্রাচীন রূপ এখন আর বিদ্যমান নেই। মসজিদটি লক্ষ্মীপুর পৌর বাজারে অবস্থিত। প্রায় তিনশত বছর পূর্বে হযরত আজিম শাহ বাগানের মধ্যে মসজিদটি আবিষ্কার করেন। মসজিদটি শৈল্পিক কারুকার্য এবং দৃষ্টি নন্দনতার জন্য খ্যাতি লাভ করেছিলো।
আমরা ছবিতে দেখতে পাচ্ছি প্রকৃতি এক 
পানির স্তর আছে সুন্দর একটা মসজিদ  মালাক্কা প্রণালী মসজিদ মালয়েশিয়ার মালাক্কা দ্বীপে অবস্থিত একটি মসজিদ। এই মসজিদটির নির্মাণ ব্যয় হয় প্রায় ১০ মিলিয়ন মালয়েশীয় রিংগিত।২০০৬ সালের ২৪শে নভেম্বর তারিখে মালয়েশিয়ার তৎকালীন রাজা তুয়ানকু সৈয়দ সিরাজউদ্দিন সৈয়দ পুত্র জামাল্লালাইল এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ই মসজিদের উদ্বোধন করেছেন।মধ্যপ্রাচ্য এবং মালয় কারুশিল্পের মিশ্রণ ব্যবহার করে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। পানির স্তর বেশি হলে মসজিদটিকে ভাসমান কাঠামোর মতো দেখায়। এই মসজিদে দুটি ছেদকৃত খিলান আছে, যেগুলো প্রধান প্রবেশপথের দিকে যাওয়ার রাস্তা নির্দেশ করে। খিলানের মাঝখানের জায়গাগুলো দাগযুক্ত কাচ দিয়া পূর্ণ। এই মসজিদে একটি ৩০ মিটার উচ্চ মিনার রয়েছে, যা বাতিঘর হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
গাদ্দাফি জাতীয় মসজিদ উগাণ্ডার রাজধানী কাম্পালার কাম্পালা হিলে অবস্থিত উগাণ্ডার জাতীয় মসজিদ। এ মসজিদ উগাণ্ডা তথা পূর্ব আফ্রিকার সর্ববৃহৎ মসজিদ। ২০০৬ সালে মসজিদের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ২০০৭ সালে চালু করা হয়। গাদ্দাফি মসজিদে একসাথে ১৫০০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারে। উগান্ডায় অনেক মসজিদ রয়েছে কিন্তু এটিই একমাত্র গগনচুম্বী মিনার সহ মসজিদ।মসজিদের নামকরণ করা হয় লিবিয়ার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মুয়াম্মর গাদ্দাফির নামে। গাদ্দাফি মসজিদ লিবিয়ার পক্ষ থেকে উগান্ডার মুসলিম জনসংখ্যার জন্য উপহার স্বরুপ ছিল বলে এ নামকরণ করা হয়েছিল। এ মসজিদের এক অংশে উগান্ডা মুসলিম সুপ্রিম কাউন্সিল এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
মান সাগর নামক লেকের মাঝখানে এক বিশাল প্রাসাদ। আর লেকের চারপাশ পাহাড়ে ঘেরা। তাই প্রাসাদে যেতে হলে নৌযান ব্যবহার করতে হবে। প্রাসাদটি দেখতে এক তলা মনে হলেও পানির নিচে তলিয়ে থাকে চার তলা। এই প্রাসাদটি হলো জলমহল বা জলের প্রাসাদ।
১৫৯৬ সালে রাজা মান সিং লেকের মধ্যে এই প্রাসাদটি তৈরি করেন। উদ্দেশ্য ছিলো হাঁস শিকার করা আর রাজ প্রাসাদের গরম থেকে কিছুটা নিস্তার পাওয়ার জন্য এখানে সময় কাটানো। প্রাসাদ বলা হলেও এখানে থাকার সুবিধা নেই, তবে বিশাল চত্বর রয়েছে। আর ছাদে রয়েছে বিশাল চারকোনা ছাতা। সেখানে বসে আশেপাশের অপরুপ সৌন্দর্য্য উপভোগ করা যায়। আর রয়েছে বাঁকানো সিড়িসহ বাগান।
ভারতের রাজস্থানের পিংক সিটি খ্যাত জয়পুরে অবস্থিত এই জলমহলটি মান সাগর লেকের মাঝখানে অবস্থিত। এলাকার মানুষের পানির সংকট দূর করতেই এই লেকটি তৈরি করা হয়। ১৮ শতকে জলমহলটি নতুনভাবে সাজানো হয় এবং লেকের আকার বড় করা হয়। পরে এই প্রাসাদের মালিকানা পান মহারাজ মাধো সিংয়ের ছেলে দ্বিতীয় মাধো সিং। তিনি প্রসাদের সাথে একটি বিচারালয় যোগ করেন।
জলমহলটির নিচের তলাগুলোতে গেলে রাজপুত ও মোঘল এই দুই ঘরানার শিল্পের দুর্লভ ছোঁয়ার দেখা পাওয়া যায়। কিন্তু একসময় স্থানীয় শাসকদের কাছে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে এই প্রাসাদ। ফলে অনাদর-অবহেলায় নষ্ট হতে থাকে এর সৌন্দর্য। আর আশেপাশে গড়ে ওঠা শিল্প-কারখানার বিষাক্ত রাসায়নিক আর গৃহস্থালির আবর্জনা এসে জড়ো হতে থাকে পানিতে। বিকট গন্ধের কারণে একসময় পর্যটক আসা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দৃষ্টির আড়ালে চলে যায় জলমহল। পরের ২০০ বছরের বেশি সময় অবহেলিতই থাকে জলমহল আর মান সাগর।
২০০৪ সালে একটি বেসরকারি সংস্থাকে জলমহল ও মান সাগর লেকের দেখভালের দায়িত্ব দেয়া হয়। পানি পরিস্কার করা হয়। আগের রূপে ফিরে আসে জলমহল ও মান সাগরের। যদিও এখনও পর্যটকদের জন্য এটি উন্মুক্ত করা হয়নি। তাই দূর থেকে দেখতে হবে পরিস্কার পানির মাঝখানে থাকা এই অপরূপ নিদর্শন।
আজকে আমাদের খুলনার ১৩৯ তম জন্মদিন। 
১৮৮২ সালের ২৫ এপ্রিল এই জেলার যাত্রা শুরু। চব্বিশ পরগনা জেলার সাতক্ষীরা, যশোর জেলার খুলনা এবং বাগেরহাট মহাকুমা নিয়ে খুলনা জেলা গঠন হয়।খুলনা শহরের যেন একটা আলাদা মোহ আছে। খুলনা ঢাকার মতো চরমভাবে নৈসর্গিক ও না, চরমভাবে নরকীয় না। খুলনা নিরীহ, খুলনা নিবিড়। এখানে ট্রাফিক জ্যাম নামে বিচ্ছিরি যান্ত্রিক বিড়ম্বনা নেই। নেই কোটি টাকার রাজপ্রাসাদের সামনে বাস্তুহারা মানুষের ঝুপড়ির মতোন আকাশ পাতাল জীবনের বৈষম্য। নেই কুয়াশার মতো ভারী দুষিত বাতাস অথবা ফরমালিনছোয়ানোকাঁচাবাজারেপসরা...
খুলনার সপিংমল গুলো হয়তোবা একটু ছোটো,নিউমার্কেটটা খুব বেশি বড় নয়, খুলনার বুকে কোনো ফিউচার পার্ক-বসুন্ধরা নেই, নেই বিশাল বিশাল জীবিকার জেলখানা। আমাদের আছে হাদিস পার্ক, যেখানে বসে বন্ধুর সাথে মন খুলে আড্ডা দেয়া যায়। গলা খুলে গান গাওয়া যায়। আমাদের আছে রুপসা ঘাট , ভৈরবের তীর । মন খারাপের সময় যেখানে বসে এক নিমিষে মনটা হাসি আনন্দে ভরে ওঠে। আমাদের আছে নিউজপ্রিন্ট মিল যা এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তমবর্তমানে বন্ধ, মংলা পোর্ট, সুন্দরবন, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিংড়ি আর কাকড়ার কথা নাই বলি। খুলনার রাজপথ, ওলি গলিতে একা একা হেটে যে শান্তি এমনটা আর কোন শহরেই খুজে পাবে না। খুলনার মানুষের মতো আন্তরিক, পরপোকারী, বন্ধুসুলভ মানুষ আর কোথাও নেই খুলনা সম্পর্কে বর্ননা করতে থাকলে তা শেষ করা সম্ভব নয়।খুলনার এই মোহ কাটানোর কোন উপায় নেইসবশেষে, তুমরা যাই কও আর তাই কও আমাগে  খুলনা, আমাগে শহর, আমাগে গর্ব।
আজ আমরা একটা আশ্চর্য জিনিস দেখব কারণ খুবই হাসি এবং খুবই আনন্দের একটি বিষয় এখানে তুলে ধরা হয়েছে আমরা এখানে ছবিতে যে লোকটিকে দেখতে পাচ্ছি এই লোকটি কিছুক্ষণ আগে আমাদের বাজারে ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ আসার কারণে এবং ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশের ভয়ে সে তাড়াতাড়ি তার কাছে মাক্স না থাকায় তাঁর বিক্রি করা পানের পেপার দিয়ে সে মুখ ঢেকে রয়েছে আমরা খুবই ভালভাবে এখানে দেখতে পাচ্ছি যে তার পান বিক্রি করা পেপার দিয়ে সে তার মুখ ঢেকে পুলিশ এবং রাষ্ট্রের কাজ করছে সে তার জরিমানা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তার করোনাভাইরাস এর কারণে আমাদের বাজারে বিভিন্ন জায়গায় মাক্স পরিধান না করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ এসে তাদেরকে জরিমানা করছে সেজন্য এই মুরুব্বির মাক্স না পাওয়ায় পেপার দিয়ে তার মুখ ঢেকে রেখেছে দেখতে পাচ্ছি যে মাক্স না থাকার কারণে একজন পান বিক্রেতার দিয়ে মুখ ঢেকে মাক্স বানিয়েছে এটি একদিকে যেমন হাসির ব্যাপার তেমনি একটি কর্ণ ভাইরাসের রোগ থেকে এরকম মাছ পরিধান করা খুবই জরুরী আমাদের সদর উপজেলায় সবখানে পুরুষের মধ্যে মানুষ পরিধানের জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং যাদের মা নেই তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের সাজা দেওয়া হচ্ছে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি খুবই খারাপ অবস্থা প্রতিদিন শতশত লোক মারা যাচ্ছে হাজার হাজার লোক আক্রান্ত হচ্ছে সেজন্য সরকার খুবই কঠোর ভাবে লকডাউন এর মধ্য দিয়ে মানুষের ঘরে থাকার জন্য আহবান করছে।
আমাদের বাংলাদেশে এখন বর্তমান সময়ে মাহে রমজান মাস চলে এসেছে তবুও বাংলার কৃষকরা এই মাহে রমজানের রোজা থেকেও তারা মাঠে-ঘাটে কাজ করছে আমরা ছবিতে দেখতে পাচ্ছি যে এই রমজান মাসে আমন ধান কাটার পর সেগুলো আমরা ছবিতে দেখতে পাচ্ছি যে আধুনিক প্রযুক্তির একটি মেশিন ব্যবহার করে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে অনেক ধান ঝাড়ছে এই মেশিনে রোজা থাকার পরেও তাদের একটু কষ্ট নিবারন করার জন্য এই আধুনিক প্রযুক্তির মেশিন ব্যবহার করে তারা খুবই অল্প সময়ে তারা তাদের আমন ধান ঘরে তুলতে সক্ষম হচ্ছে এখানে ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে আধুনিক প্রযুক্তির যেটুকু মেশিনটি আছে এই মেশিনটি তাদের মাঠ থেকে কেটে আনা ধানগুলো খুবই সুন্দর ভাবে ছেড়ে দিয়েছে এবং এগুলো ধান এবং দিছিলি আলাদা করতে সক্ষম হচ্ছে ধান এবং বিক্রি আলাদা করার মধ্য দিয়ে তারা খুবই সুন্দর হবে এই কাজগুলো গুছিয়ে নিতে পারছে বর্তমান সময়ে আমন ধানের মৌসুম চলছে এবং বাংলাদেশি বিভিন্ন জায়গায় এই আমন ধান কাটার জন্য তারা সকলে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আমরা এখানে ছবিতে যে বিল্ডিংটি দেখতে পাচ্ছ এটি হলো আমাদের বরিশাল এর নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিল্ডিং আমরা ছবিতে দেখতে পাচ্ছি যে শহর এলাকায় তৈরি করা হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বরিশাল জেলায় এবং বিভাগের সব জায়গায় বেশিরভাগ এলাকায় কারণ বরিশাল নদী বন্দর এলাকা এবং এই এলাকার নদীতে কার্যক্রম চলে এখানে যানবাহন ব্যবস্থা খুবই কম এবং মানুষ চলাচল করে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি হল একটি নদী চর এলাকায় এবং এখানে মাটির উপরে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি তৈরি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুবই সুন্দর আকৃতির বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়
এখানে ছবিতে দেখতে পাচ্ছি যে আমাদের সাতক্ষীরা সদর এর রাস্তার উপরে বিভিন্ন কাপড় সরিয়ে নিয়ে ক্রেতারা বসে আছে এবং এখানে আমরা ছবিতে দেখতে পাচ্ছি যে ক্রেতাদের কাছে বিভিন্ন ধরনের শাড়ি লুঙ্গি প্যান্ট জামা ইত্যাদি সামগ্রী বিক্রি করার জন্য তারা বসে আছে এটি হলো আমাদের সাতক্ষীরা প্রতিদিন হাটের একটি দৃশ্য আমরা ছবিতে যে হাঁটতে দেখতে পাচ্ছি এটি হলো আমাদের সাতক্ষীরা জেলার ফয়জুল্লাপুর গ্রামের একটি সুন্দর বাজারের দৃশ্য আমরা সবই দেখতেই বাজারটি অনেকদিন থেকে এখানে বসে এবং প্রতি সপ্তাহে একবার এই হাট বসে এবং ইহাতে অনেক লোকজন এবং ঘটে আমরা আজ আমাদের এই কাপড়ের দোকান থেকে কিছু কাপড় কেনার সময় এই ছবিগুলো তুলে আমরা ছবি তো দেখতে পাচ্ছি যে অনেক দোকান এখানে কাপড় নিয়ে বসে আছে এবং বিভিন্ন ধরনের কাপড় ছোট বড় সব বয়সের জন্য কাপড় নিয়ে বসে আছে তারা এখানে বিক্রি করার জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই হাট চলে খুবই ভিড় এবং প্রচলন দেখা যায় এই হাট বাজারে এটি একটি ঐতিহ্যবাহী হাট বাজার।