আশাশুনির শ্রীউলায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গম এলাকায় যেয়ে ১৫০ টি পরিবারের মাঝে খাদ্যবিতরন এর ভিডিও।
61観覧   12 日 前
Mamun | 13 購読者
61観覧   12 日 前
আশাশুনির শ্রীউলায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গম এলাকায় যেয়ে ১৫০ টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌছায় দেন উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তোষিকে কাইফু ঘূর্ণিঝড় আম্ফান পরবর্তী সময়ে অর্থাৎ ৫৩ ও ৫৪ তম দিনে নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত বানভাসি ১৫০ জন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে বি এম সাবাব ফাউন্ডেশন ও হাফেজ্জী হুজুর রঃ সেবা সংস্থার পাঠানো উপহার সামগ্রী পৌছায় দিয়েছেন আশাশুনি উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তোষিকে কাইফু।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপ সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক তোষিকে কাইফু তার এলাকার বর্তমান অবস্থা ঢাকায় যেয়ে একাধিক নেতৃবৃন্দ ও সেবা মূলক সংস্থার কাছে তুলে ধরেন।তারই ধারাবাহিকতায় হাফেজ্জী হুজুর সেবা সংস্থা ও বি এম সাবাব ফাউন্ডেশন প্রায় দুই লক্ষ টাকার খাদ্য সামগ্রী কিনে পাঠায় আশাশুনি উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত বানভাসি মানুষের জন্য।
আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের একাধিক গ্রামে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে ১৫০ পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়েছে বানভাসি মানুষের কাছে। মুসুর ডাল,সয়াবিন তেল,চিড়া,পিয়াজ,আলু,চাউল,লবণ,স্যালাইন,ইমোডিক্স/নাপা।

এছাড়া এই মহতী কার্যক্রমকে সহযোগিতা করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিত মণ্ডল,শ্রীউলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম বুলু, প্রভাষক দীপংকর বাছাড় দিপু,উপজেলা তাঁতী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মুকুল হোসেন, কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান,ইউনিয়ন তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত পরাগ,
,বিশিষ্ট সমাজসেবক আরিফ মোল্লা, যুবনেতা খালিদুর রহমান ও তার সহকর্মীরা।

এক প্রশ্নের উত্তরে যুবনেতা তোষিকে কাইফু বলেন,করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে আশাশুনি উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে মানুষকে সচেতন করতে লিফলেট বিতরণ,হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে যেয়ে সচেতনতা মূলক বক্তব্য প্রচার,মাননীয় এমপি মহোদয় অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক স্যারের পক্ষে আশাশুনি উপজেলার সকল ইউনিয়নে অসহায় মানুষের পাশে যেয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করি।পরে আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত বানভাসি মানুষের পাশে মাননীয় এমপি মহোদয় এর দেওয়া সামগ্রী প্রতাপনগর,আশাশুনি সদর ও শ্রীউলা ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গম এলাকার ৫০০ পরিবারের মাঝে পৌছেয়ে দেয়।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নেহের অনুজ বি এম সাবাব এর কাছে আমাদের এলাকার অবস্থা তুলে ধরি,কেননা স্থানীয় রাজনীতির কারণে অনেক অসহায় পরিবারের মাঝে ইউনিয়ন পরিষদের ত্রান সামগ্রী তাদের কাছে পৌছাচ্ছেনা।বিষয়টা আশাশুনি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা স্যারের কাছে তুলে ধরি,তিনি আমার কাছে শ্রীউলা ইউনিয়নের তালিকা চান,আমি যারা এপর্যন্ত কোন রকম ত্রান সামগ্রী পায়নি তাদের তালিকা দেয় পি আই ও স্যারের কাছে,কিন্তু কোন কাজ হয়নি।তাই এখন এই সকল ক্ষতিগ্রস্ত বানভাসি মানুষের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করতে ঢাকায় যায় এবং একাধিক জায়গা থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। তারই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার ও শনিবার ১৫০ জন পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় ও পর্যাপ্ত খাদ্য সামগ্রী নিয়ে বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে পৌছায় দিয়ে আসি।
コメントするには ログイン するか 登録 をしてください。