食のオンラインマーケット RELEASE COMMERCE
食のオンラインマーケット RELEASE COMMERCE

注目の写真

最近投稿された写真

হ্যালো বন্ধুরা, আপনারা উপরের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ছবি। এই অনুষ্ঠানটি আগামীকাল অর্থাৎ ২৬শে ফেব্রুয়ারী ২০২১ এ সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ত্রিপানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। সংস্কৃতি বাংলার সভ্যতাকে উপস্থাপন করে থাকে। এবং সেখানে বহিরাগত অনেক ড্যান্সার শিল্পী কৌতুক অভিনেতা সহ আরো অনেকে মঞ্চে নিজেদের প্রতিভার খেল দেখিয়েছেন। সেখানে প্রায় ১৫০০-২০০০ দর্শক উপস্থিত হয়েছিলেন অনুষ্ঠানটি উপভোগ করার জন্য। সেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন অনেক রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিবর্গরা।
এবং ছবিটা নাচের সময় তোলা হয়েছিলো।
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন শাক সবজির চাষ হয়। আর বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলার শাকসবজি বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানি করা হয়। ছবিতে একটি সবজি দোকান আমরা দেখতে পাচ্ছি।  এই সবজি দোকান টি কুষ্টিয়া জেলার শিলাইদহ বাজারে অবস্থিত। এখানে এসে আমরা দোকানের দৃশ্য দেখতে পারছি। এই দোকানে বিভিন্ন রকমের শাক সবজি রয়েছে। সেখানে আমরা দেখছি বেগুন টমেটো মিষ্টি কুমড়া ফুলকপি পাতাকপি আলু ইত্যাদি। এগুলো খুবই জনপ্রিয় সবজি। এসব শাক-সবজিতে প্রচুর পুষ্টিগুণ থাকে। আমরা প্রচুর পরিমানে সবজি খেতে ভালোবাসি। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারেরা সবজি পরামর্শ দিয়ে থাকেন কেননা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকে এবং শাকসবজি খেলে আমাদের শরীরে অনেক ভালো থাকবে। এখানে ছবিতে আমরা দোকানের দৃশ্য দেখতে পাচ্ছ।  দক্ষিণাঞ্চলের জেলাতে শাক সবজি চাষের উত্তম মাটি রয়েছে। এজন্য দক্ষিণাঞ্চলের সবজি চাষ  স্বয়ংসম্পূর্ণ। এখানে যে দোকানটি দেখা যাচ্ছে তিনি একজন সবজি ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।  দীর্ঘদিন সবজি  ব্যবসা করে আসছে। এবং সবজি ব্যবসা করে তিনি অর্থ ইনকাম করেন। আমরা প্রচুর পরিমাণে কাস্টমার দেখতে পায়। এবং এইসব সবজি ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। আর এর মাধ্যমে তিনি অর্থ ইনকাম করে থাকেন। আর এই দোকানে প্রত্যেকদিন আমরা খোলা দেখতে পাই। এখানে যে সবজি দোকানটি  দেখা যাচ্ছে সেটি দক্ষিণাঞ্চলের জেলা কুষ্টিয়ার শিলাইদহ বাজারে অবস্থিত।
বন্ধুরা আপনারা কখনো কি দেখেছেন বাড়ির ভেতরের রাস্তা। আমি  একটি  বাড়ির  রাস্তার  পিকচার  পোস্ট  করলাম । স্থান  চাঁদ পুর।  বাড়ির  রাস্তার  ডান পাশে   তিনটি  মেহগুনী গাছ আছে ।গাছে একটি  দড়িতে  কাপড়  চোপড়  শুকানোর জন্য  নেড়ে  দেওয়া  আছে।  রাস্তার  বাম পাশে  একটি  ইটের  ঘর আছে । ঘরের  জানালা  গুলো   সবুজ  রং করা । ঘরের  নিচে  কয়েকটি  পাথরের  উপর  বস্তা ভরা মাটি আছে । ঘরের  সাথেও একটি  দড়িতে  কয়েকটি  কাপড়  নেড়ে  দেওয়া  আছে । বাড়ির  রাস্তার  ডান  সাইডে গাছের  পাশে  একটি  নীল নেট দিয়ে  ঘেরা  আছে ।  নেটের বাম পাশে  একটি  পেয়ারা গাছ রয়েছে । পেয়ারা গাছের  সামনে  একটি  টিউবয়েল  আছে । এই  টিউবয়েল নিচে  একটি  বডনা ও একটি  ছাল দেখা  যাচ্ছে ।  টিউবয়েলের পাশে  একটি  পানির  গর্থ আছে । টিউবয়েলের বাম পাশে  জমিতে  অনেক  গুলো  মাটি  আছে । তার  পাশে  কয়েকটি  আম,খেজুর, কলা গাছ আছে ।
চা সকলের খেতে পছন্দ করে। এটি সকলেরই জনপ্রিয় একটি খাবার। ছবিতে একটি চায়ের দোকান দেখা যাচ্ছে। এই চায়ের দোকান টি বরিশাল জেলার শিবচর বাজারে অবস্থিত। এখানে ছবিতে আমরা চায়ের দোকানের দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি। এই দোকানদার  খুব সুন্দর করে চা বানাতে পারে। এবং এই দোকানের চা ছাড়াও পান-সুপারি সিগারেট  পাওয়া যায়। আমরা প্রচুর পরিমাণে দোকানে ভিড় দেখতে পায়। বিভিন্ন এলাকা থেকে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষজন চা খাওয়ার জন্য এই দোকানে এসে ভিড় জমায়। দোকানদার একজন জনপ্রিয় চা ব্যবসায়ী। তার দোকানে আমরা প্রচুর পরিমাণে কাস্টমার দেখতে পায়। তার দোকানে খুব সুন্দর বসার ব্যবস্থা আছে এবং মনোরম পরিবেশ বিরাজ করে সব সময়। এটি একটি গ্রামীণ এলাকার চায়ের দোকান। আর এই দোকানদার সুন্দর চা বানাতে পারে। এজন্য প্রচুর পরিমানের কাস্টমার আমরা দেখতে পাই। এটি একটি চায়ের দোকান। দোকানদার চায়ের ব্যবসা করে অর্থ ইনকাম করেন। আরেকটি জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি এই ব্যবসাটি গড়ে তুলেছেন। এবং অর্থ ইনকাম করে তিনি একজন স্বাবলম্বী চা ব্যবসা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এখানে যে চায়ের দোকানটি  দেখা যাচ্ছে সেটি বরিশাল জেলার শিবচর গ্রামীণ এলাকায় অবস্থিত
হ্যালো বন্ধুরা,আপনারা উপরের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন একটি পুরাতন পরিত্যক্ত বাড়ি। যেটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত। অর্থাৎ আমার বাসা থেকে মাত্র ১কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কথিত আছে যে, এটি একটি ভৌতিক বাড়ি। এই বাড়িতে অনেক আগে একটি পরিবার থাকতো। কিন্ত তারা সকলেই অজ্ঞাত কারণেই মারা গিয়েছিলো। কিন্ত সেই কারণ কেউ উদঘাটন করার চেষ্টা করেন নি। তারপরে আর একটি পরিবার থাকতে এসেছিলেন কিন্ত তাদের প্রতিদিন রাতে কোনো অজ্ঞাত পরিবারের এক একজন ব্যাক্তি তাদের ভয় দেখাতেন। সে বাড়ির একজন বৃদ্ধ থেকে শুরু করে বাচ্চা পর্যন্ত সবাই। তারপর তারাও চলে গেলেন তারপর থেকে এই বাড়িতে আর কেউ আসেননি। সেখান থেকে বাড়িটি পরিত্যক্তভাবে পড়ে আছে। আর প্রতিদিন রাতে শুরু হয় ভূতের উপদ্রব।
হাই বন্ধুরা আমি আশা করি সবাই ভাল আছেন আমিও ভাল আছি আমার নাম শেখ মাহফুজ আহমেদ আমি নীরবতার চেয়েও আজ একটি দোকানে আছি তবে আমি নিজের দোকানে নীচে একটি দোকানে কাজ করি এবং এই দোকানে আপনি খুব সুন্দর এবং আকর্ষণীয় চিত্র দেখতে পাচ্ছেন।  আমি প্রতিদিন খাই তবে প্রতিদিন আমি সস্তা জিনিসগুলিতে আমার জিনিস বিক্রি করি তবে এটি মিউজিক নামে পরিচিত, অবশেষে, আমি বলতে চাই যে আপনি যদি সুন্দর প্রকৃতির ছবি উপভোগ করতে চান তবে আমাদের সাথে থাকুন, মুক্তিটি বাংলাদেশকে উত্সাহিত করবে,  অনেক সুন্দর, খুব আকর্ষণীয়, অনেক সুন্দর ছবি, তবে আমি আপনাকে একটি উপহার দিতে পারি ally শেষ পর্যন্ত, আমি বলতে চাই যে আপনি যদি সুন্দর প্রকৃতির ছবিগুলি উপভোগ করতে চান তবে আমাদের সাথে থাকুন, মুক্তিটি বাংলাদেশকে উত্সাহিত করবে, তারপরে অনেকগুলি  সুন্দর, খুব আকর্ষণীয়, অনেক সুন্দর ছবি তবে আমি আপনাকে উপহার দিতে পারি
সবুজ প্রকৃতির আমাদের এই গ্রাম তারই একটা অসাধারণ দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে গড়ে ওঠা আমাদের এই গ্রাম আমাদের গ্রামের একটা সৌন্দর্য আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম গ্রামের মানুষেরা তারা ধান রোপন করেছে সবুজ প্রকৃতির ধান সবুজপাতা তারে একটা দৃশ্য তারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন আশা করি এটা দেখে আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমাদের মাঠের পর মাঠ অসাধারণ সবুজ দৃশ্য আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন আমাদের এখন বোরো ধানের সময় চলে এসেছে এটা মানুষের জীবনে একটা মূল্যবান সময় এইসময় মানুষেরা ধান রোপন করে এবং শীতের মৌসুমে বোরো ধান রোপন করতে হয় এই ধান রোপন করলে মানুষ এটা তাদের জীবনের একটা অনেক বড় সঞ্চয় তারা সফল করতে পারে এবং টাকা উপার্জন করতে পারে আশাকরি আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে এই মাঠের পর মাঠ সবুজ প্রকৃতি আমাদের গ্রামের একটা দৃশ্য দেখে আমাদের গ্রামের যে প্রকৃতির সৌন্দর্য রয়েছে সেগুলো দেখে শেষ করতে পারবো না আমি আজ আমাদের একটা মাঠের দৃশ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম যেটা অনেক সুন্দর লেগেছে আমার কাছে এবং বিকেল বেলায় যখন ঘুরতে গিয়েছেন অসাধারণ একটা দৃশ্য চোখে পড়ে এবং আমার এটা মন থেকে অনেক অনেক ভালো লেগে যায় এজন্য আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম আশা করি এটা দেখে আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমাদের সবুজ প্রকৃতির এই অসাধারণ দৃশ্য দেখে বাংলাদেশ যে দেশে রয়েছে গাছগাছালি সে দেশে রয়েছে প্রাণী মানুষের বসবাস সব মিলিয়ে অসাধারণ একটা দৃশ্য আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম আশা করি আপনাদের অনেক অনেক ভালো আমাদের গ্রামের মাটির একটা অসাধারণ দৃশ্য এটা প্রতিটা মানুষের ভালো লাগবে আমাদের এই গ্রামের অসাধারন দৃশ্য দেখে আমাদের মানুষেরা সবাই মিলেমিশে চলাফেরা করে সবাই একসঙ্গে মিলেমিশে চলাফেরা করতে ভালবাসে এবং সবুজ প্রকৃতির আমাদের এই মাঠের পর মাঠ আপনারা আপনাদের অনেক অনেক ভালো লাগবে আমার এই দৃশ্যটা অনেক অনেক ভালো লেগেছে মন থেকে
শুভ বিকাল  বন্ধুরা , এই রাস্তাটি আপনারা দেখতে পারছেন।স্থান  কোমর পুর। আমি  এই  পিকচারটি  পোস্ট  করলাম  আপনাদের  মাঝে । রাস্তায়  প্রথমে দেখা  যাচ্ছে   একটি  সাইকেলের  হ্যান্ডেল।   সাইকেলের নিচে  রাস্তায়  অনেক  গুলো  ছেড়া  জামা কাপড়  ফেলানো আছে। রাস্তার  বাম সাইডে একটি  বড়  খেলার  মাঠ আছে । খেলার  মাঠে  খানেক  গুলো  পাতা  নেড়ে দেওয়া  আছে । রাস্তার  ডান সাইডে একটি  বাঁশের বেড়া  রয়েছে । তার  ভেতরে  একটি  বাঁশের  ঝাড় আছে । রাস্তার  সাইডে  বড় মাঠের  বাম পাশে   অনেক  ছোট   বড় গাছ দেখা  যাচ্ছে ।  সে গাছ গুলো  হলো  তাল গাছ, আমড়া গাছ, মেহগুনী গাছ, তার  পেছনে  বাঁশ গাছ। রাস্তার  বাম সাইডে মাঠের  সামনে  একটি   টিনের  ঘর দেখা  যাচ্ছে । টিনের  ঘরের  পাশ দিয়ে  একটি   লম্বা নীল  বাঁধা আছে । ঘরের  সামনে  তিনটি  সাদা  রং করা  বাঁশ দেখা যাচ্ছে । ঘরের  পেছনে  আম আছে ।
এটি একটি ঘড়ির দোকানের দৃশ্য এবং ঘড়ি আমার সবাই ব‍্যাবহার করে থাকি এবং এটি আমাদের সকলের কাছে খুব জনপ্রিয় একটি জিনিস এবং ঘড়িতে আমারা টাইম দেখতে পারি এবং আমি যে ঘড়ির দোকানটি আপনাদের মাঝে পোষ্ট করছি দোকানটি অবস্থিত সাতক্ষীরা শহীদ নাজমুল সরণী পাকা পোলের উত্তর পাশে এবং এই দোকানটি রাস্তার পশ্চিম পাশে অবস্থিত এবং এই দোকানটির নাম সোনালী ওয়ার্চ এবং ওয়ার্চ এই শব্দটি ইংরেজি ভাষা এবং এই দোকানটিতে মাত্র দুই জন লোক থাকে একজন কর্মচারী এবং অপর জন দোকানের মালিক এবং দোকানটিতে অনেক গুলো বিভিন্ন ধরনের ঘড়ি দেখা যাচ্ছে এবং এখানে হাত ঘড়িও পাওয়া যায় এবং এখানে ঘড়ির ও অডার নেওয়া হয় এবং দোকানের ভিতরে ঘড়ি গুলো দেওয়ালের গায়ে সাজানো এবং ঘড়ি গুলো কাচ দিয়ে সাজিয়ে রেখেছেন এবং দোকানের সামনে ও কাচ দিয়ে ঘেরা ইত্যাদি
আমরা এখন একটা মিউজিয়ামের ছবি লক্ষ্য করছি। আসলে এটি আমাদের বাংলাদেশের কোন মিউজিয়াম নয়।এটি পৃথিবীর বিখ্যাত একটি দেশ অর্থনৈতিকভাবে পরিপূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ উন্নত একটি দেশ ইংল্যান্ডের বিখ্যাত শহর লন্ডনের একটি মিউজিয়াম। এটি শুধু ও ইংল্যান্ডে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি।এটি সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে অনেক বেশি পরিচিত এবং এই মিউজিয়ামটির সত্যিই অনেক বেশি অনেক বেশি জ্ঞান বহন করে।এই মিউজিয়ামে পরিদর্শন করে অনেক বেশি তথ্য পাওয়া যায় এবং সেইসবের পুরাতন সব তথ্য সাথে সাথে নতুন নতুন আবিষ্কার নতুন নতুন সব মানুষের জানার আগ্রহকে পরিপূর্ণতায় পুড়িয়ে দেয় এই মিউজিয়াম।মিউজিয়ামটি বাইরে থেকে দেখতে যত চমৎকার লাগছে তার থেকে আরও বেশি চমৎকার ও চমকপ্রদ সব অজানা তথ্য এর ভেতরে পাওয়া যায়। এজন্যই তো এইসব মিউজিয়াম গুলো এত বেশি জনপ্রিয়তা বেশি বিখ্যাত।তো আমি আপনাদের এই মিউজিয়ামটি এপ্রোভ পোষ্ট করে আপনাদের জানানোর প্রধান কারণ হলো এই মিউজিয়ামে আপনারা পরিদর্শন করবেন এবং এসব স্থানে গিয়ে আপনাদের জ্ঞানের পরিধিকে আরো বেশি বাড়িয়ে তুলবে এবং এর অফার উপভোগ করবেন এবং পৃথিবীতে একজন জ্ঞানী ব্যক্তি হিসেবে আপনার পরিচিত হবেন এটাই সবার মনের ইচ্ছা।
এখন যে চমৎকার একটা জায়গায় আপনার দেখতে পাচ্ছি  এটি ইতালিতে অবস্থিত।ইতালির ক্যাপ্রি তে অবস্থিত এই সুন্দর সমুদ্র সৈকত যেখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি অসংখ্য নৌকার সারি সারি রাখা হয়েছে। যে নৌকাগুলো রংবেরঙের থাকার কারণে আরও বেশি আকর্ষণীয় লাগছে।আর নদীর জলের উপর ভাসমান এইসব নৌকার সাথে সাথে সৌন্দর্য্যকে হাজার গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে তার একটি প্রধান কারণ সেটি হল নদীতীরে এসব পাহাড়ি এলাকা গুলো সত্যি আমার অনেক বেশি ভালো লাগে এবং এগুলো এত বেশি চমৎকার হয় এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সং একসাথে অনেকগুলো একত্রিত হয় তখন আসলে সত্যিই আলাদা একটা মাধুর্যতা কাজ করে তার মধ্যে। ঠিক যেমন একটা ছবি আপনারা এখানে তে পাচ্ছেন।তবে সব দৃশ্যগুলো আগেকার দিনে বাঙ্গালীদের অর্থাৎ গ্রাম অঞ্চলের নদীতে পালতোলা নৌকা বেশি দেখতে পারতাম কিন্তু এখন না সেগুলো দেখতে পাওয়া যায় না। এখন প্রযুক্তির উন্নয়নে আধুনিকতার ছোঁয়ায় মানুষ এখন সব নতুনত্ব সৃষ্টি করছে।টেকসই নতুনত্বের পরিপূর্ণ এক অপরূপ দৃশ্য নৌকাগুলোর সারিবদ্ধ ভাবে আমরা দেখতে পাচ্ছি যেখানে তাদের কথায় পরিপূর্ণতায় তৈরি করা নৌকাগুলো এবং প্রাকৃতিক অপরূপ পাহাড়ি এলাকার সৌন্দর্য পরিপূর্ণ স্থান আমাদেরকে সত্যিই যেন হৃদয় জানিয়ে দিচ্ছে।
ভোজন রসিক মানুষ এরা সব সময় খাইতে পছন্দ করে।একরা  কোন আকর্ষণীয় সুন্দর পুষ্টিকর খাবার পেলেই খাইতে কোন মুহূর্তে দেরি করে না।শেখ তেমনই একটা সুস্বাদু বাঙালির প্রিয় পিঠার ছবি আপনাদের মাঝে আমি দেখাচ্ছে আপনাদের।যদি দেখে আপনারা লক্ষ্য করছেন এখানে যে পিঠা সাজানো আছে যেগুলো মানুষ নিজেদের বাড়িতে নিজের শখের বশে তৈরি করে থাকে।যেটা খেতে অনেক ভালো লাগে এবং অনেক বেশি মজার হয়।এখানে দেখা যাচ্ছে অনেকগুলো পিঠা সাজানো হয়েছে।এবং সাথে রয়েছে সস।যাবে তার সাথে খেতে অনেক ভালো লাগবে।তাই তো যে কেউ নিজেদের একটুখানি সময় পেলে বা খাইতে ইচ্ছা হলে এ ধরনের পিঠা পুলি তৈরি করে বিশেষ করে বাঙালিরা। এছাড়া বাঙ্গালীদের বহুকালের  খাবারের মধ্যে পিঠাপুলি অন্যতম। তবে এটি বাঙ্গালীদের গ্রাম অঞ্চলের মানুষদের মধ্যে বেশি লক্ষ্য করা যায়।
রাজশাহী বিভাগের একটি জেলা হল নাটোর জেলা। এই 35 টি তম জেলা রাজহাজার 1 জেলাবাসীর কোনও পরিবর্তন সৌন্দর্যের শেষ পর্যবেক্ষণই নয় জেলায়  পুরাতন দর্শনাটি বহু বছরের পূর্বে মানুষের জীবনযাত্রার শীর্ষস্থানীয় ছিল আজ এখনকার যুবতী রাজশাহী বিভাগের সরবরাহগুলি নোটোরের দিনঘটিত রাজবাড়ীর ছবি দেখা যাবে  যে ছবিটি আপনার রাজবাড়ির সম্পর্কে জানতে পারত একটা আমাদের আপনার দু'পক্ষের পর্যবেক্ষণ রাজবাড়ীতে প্রবেশের জন্য সুন্দর দরজা এবং সুন্দর গেট আমরা এখানে পরিদর্শন করা যেতে পারে যে রাজবাড়ীর অনেক দরজা বা কক্ষের সেই জায়গাটিই ছিল যাঁর সবচেয়ে বড় বাচ্চা ছেলেটির চিত্রনাটকের ঘটনা ঘটেছিল ছাড়া দেখার বিষয়গুলি দেখার জন্য বিশেষ পর্যালোচক আনাগোনা এবং তার ইতিহাসের বৌটি সমস্ত সুন্দর উপভোগ করার জন্য সুন্দর সাবলীল মনমুগ্ধকর সব জায়গা রয়েছে।
আমরা দেখতে পাচ্ছি যে কোনও গ্রামীণ অঞ্চলের একটি প্রোগ্রাম অঞ্চলে আমি বিজ্ঞপ্তি করি কারণ এই ধরণের পোকামাকড় প্রচুর পরিমাণে দেখা যায় বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে এবং আমরা দেখছি যে আমরা গোসল করছি।  পুকুরে মানে প্রকৃতি স্নান করছে।  আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরণের প্রকৃতির সৌন্দর্য রয়েছে।  এখানে বিভিন্ন ধরণের সবুজ জমি রয়েছে।  আমরা এই সবুজ ভূমি দেখতে ভালোবাসি।  আমরা একটি ছবি দেখতে পারেন।  ছবিটি সন্ধ্যায় তোলা।  আমরা আকাশে অনেক সুন্দর দৃশ্য দেখতে পাই।  বিভিন্ন স্থানের লোকদের দেখতে খুব ভাল লাগছে কারণ এখানে বিকেলের দৃশ্যটি দেখতে এবং এখানে বিকেলটি কাটাতে খুব ভাল লাগছে।  বড় বা ছোট সবাই একসাথে এখানে বেড়াতে আসে।  বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকেরা বেড়াতে আসে এবং এখানে টিকিট বিক্রি করে অর্থ উপার্জন হয়।  বলা যেতে পারে যে বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সবুজ দেশ।  সে কারণেই এই সৌন্দর্যের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের ঘটনা দেখা যায়
আমাদের গ্রামের কিছু দুপুর, গ্রামের সৌন্দর্য আশ্চর্যজনক।  আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি  আমি প্রতিদিন বিকেলে বিভিন্ন জায়গায় যাই কারণ আমার হাঁটার অভ্যাস ছিল।  আমি হাঁটতে না যেতে পছন্দ করি না।  আমি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন জায়গায় যাই আমার শৈশবকাল থেকেই আমার অভ্যাস ছিল যে আমি শীতের মৌসুমে বিকেলে হাঁটতে যেতাম তবে আজ আমি বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে গিয়েছি।  সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা ইউনিয়নে একটি জায়গা রয়েছে।  আমি আপনাদের সামনে এমন কিছু দৃশ্য উপস্থাপন করেছি যা সৌন্দর্য দেখলে লোকের মন আরও ভাল করে তুলবে।  এগুলি কেবল গ্রামের সৌন্দর্য এবং প্রতিটি মুহূর্তে গ্রামের সৌন্দর্য দেখা যায়।  আমি আমার জীবনের সাথে জড়িত সমস্ত ইতিহাস নিয়ে খুব খুশি, মৃত্যু আমি প্রতিটি মুহুর্তে আপনার কাছে সমস্ত স্মৃতি উপস্থাপন করতে চাই এবং আমি তাদের খুব পছন্দ করি গ্রামীণ চন্দ্র আমার সবচেয়ে সুন্দর এবং অনেক খুশি স্মৃতি

最近投稿された動画

Cox's Bazar beach
00:14
Play football
HD 00:26
冷泉公園✨
HD 00:15
Play volleyball.
HD 00:12
Duck playing
HD 00:53

注目のブログ

最近投稿されたブログ