検索結果:: বাংলাদেশ
公開中 1 to 24 of 6169 検索結果.
এখানে একটি দৃশ্য আমি আপনাদের মাঝে তুলে ধরছি আর এই দৃশ্যটি হল একজন কোম্পানির লোক এই কোম্পানিতে চাকরি করে আর কোম্পানিটি হলো এলিফ্যান্ট কোম্পানি এবং এই এলিভেন কোম্পানি বিভিন্ন মালামাল সে বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দোকানে এভাবে বিক্রি করে থাকে বিদেশে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট স্যালারি পাই এভাবে বাংলাদেশের অনেক বেকার যুবকরা লেখাপড়া শিখে তারা বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরি বাকরি করছে এতে করে তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে এবং বেকারত্ব দূর করতে পারছে আজকে যে ছবিটি তোলা হয়েছে সেটি হল যশোর জেলার ঝিকরগাছা বাজারের একটি ছবি এবং অসংখ্য দোকানপাট রয়েছে মুদিখানা দোকান পাট এবং বিভিন্ন দোকানে দোকানে এই কোম্পানির বিভিন্ন মালামাল সংগ্রহ করে বিক্রি করে থাকে এতে করে তা যেমন লাভবান হয় তেমনি লাভবান হয় দোকান মালিকরা এবং মালামাল বিক্রি করার ফলে তারা প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট করে ফেলার উপায় এবং তাদেরকে টার্গেট দেওয়া হয় প্রতিমাসে 2 লাখ তিন লাখ টাকা করে মালামাল সেলারি করতে 

হয় এবং তাহারই ফলে প্রতি মাসে বেতন পায় এভাবে বাংলাদেশের অসংখ্য দোকানপাটে মালামাল দিয়ে থাকে এবং এভাবে মানুষে অনেক বেকার যুবক এখন কোম্পানিতে চ াকরি করে বেকারত্ব দূর করতে পারছে এবং পরিবার পরিজন নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারছে আজকে দেখা যাচ্ছে এই লোকটি একটি ইঞ্জিনচালিত মাধ্যমে কোম্পানি এবং মালামালগুলো সে দোকানে পৌঁছে দিচ্ছে
1 লক্ষ 47 হাজার 570 বর্গকিলোমিটার নিয়ে আমাদের বাংলাদেশে গঠিত এবং বাংলাদেশ একটি সোনালীগের বাংলাদেশের জনসংখ্যার অনেক বেশি কিন্তু জায়গার পরিমাণ খুবই কম এবং বাংলাদেশের জেলা এদেশে মানুষ খুবই আনন্দ ভিডিও এবং আমি আপনাদের মাঝে ঢাকা বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার একটি সুন্দর দৃশ্য ছবি তুলে আপনাদের মাঝে পোস্ট করলাম ছবিটিতে আমাকে দেখতে পাচ্ছি চিড়িয়াখানার সুন্দরের একটি গেট এবং এই গেটটি চিড়িয়াখানার ভিতরে ঢোকার রাস্তা এবং গ্রেট এর মাঝখানে আছে টিকিট কাউন্টার এবং টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট করায় করে ভিতরে প্রবেশের নিয়ম এবং গেটের সামনে অনেকগুলো মানুষের দেখা যাচ্ছে এবং এই চিড়িয়াখানাটি প্রায় 100 বিঘা জমির উপর অবস্থিত এবং এই চিড়িয়াখানার ভিতরে আছে হিরো ধরনের পশু পাখি এবং তার ভিতরে আছে একটি পুকুর এবং কুকুরের ভিতরে কুমির সমাচার এবং বিভিন্ন ধরনের পাখি চাষ করতে দেখা যাচ্ছে এবং এই চিরাখানার ভিতরে আছে সুন্দর সুন্দর রেস্টুডেন্ট সহ থাকার হোস্টেল এবং আরো আছে বিভিন্ন ধরনের ফুল গাছ সহ পশুপাখির মূর্তি তৈরি করা এবং এই চিড়িয়াখানাটিতে দেশ-বিদেশ থেকে এবং বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ আসে পিকনিক করার জন্য এবং আনন্দ উপভোগ করার জন্য
প্রিয় বন্ধুরা আপনারা এখানে একটি ছবি দেখতে পাচ্ছেন ছবিটিতে আপনারা একটি রাস্তা দেখতে পাচ্ছেন। রাস্তাটিতে দেখছেন একটি গাড়ি দাঁড় করানো আছেগাছটির পাশে একটি শিশু এবং দুজন মধ্যবয়সী মানুষ রয়েছে। এখানে একজন মানুষ দুইজন মানুষকে মূলত সাহায্য করছে। আপনার জানেন গোটা বিশ্ব করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।বাংলাদেশে বর্তমানে এই ভাইরাসটি অত্যন্ত মহামারি আকার ধারণ করেছে তার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের লকডাউন করে দিয়েছে বর্তমানে বাংলাদেশের লকডাউন চলছে নির্মাণ মানুষের জীবিকা নির্বাহ করত অনেক কষ্ট হচ্ছে। তাই এখানে একজন ধনী ব্যক্তি নির্মা এর মানুষকে সাহায্য করছে সেই ছবিটি আমি আপনাদের কে দেখানোর চেষ্টা করলাম। এখানে যে দৃশ্যটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা সাতক্ষীরা সদর মহা সড়কের একটি রোডের দৃশ্য ছিল একটি ‌সত্যি এই লোকটি একটি মহৎ কাজের উদ্যোগ নিয়েছে এভাবে যদি প্রত্যেকটা ধনী লোক নির্মল মানুষের পাশে দাঁড়াতে তাহলে কিছুটা হলেও এই লকডাউনে অসহায় মানুষের জীবিকা নির্বাহ করতে একটু কষ্ট কম হতো
এখানে সুন্দর একটি রাস্তার ছবি দেখা যাচ্ছে এবং রাস্তার দুই ধার দিয়ে অসংখ্য গাছপালা গড়ে উঠেছে এবং খুবই সুন্দর লাগছে এই ছবিটি এই জায়গাটি হল বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা রাজ্জাক পার্ক আছে পার্কের ভিতরে খুবই সুন্দর হবে রাষ্ট্র তৈরি করা হয়েছে এবং কাজ করা হয়েছে কারণ এখানে প্রতিদিন বিভিন্ন মানুষের সময় কাটায় এবং তারা এখানে বসে বসে খুবই আনন্দ করে থাকে এবং এই পার্কের ভিতরে খুবই সুন্দর পণ্য রাস্তা তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন মানুষজন এই রাস্তা দিয়ে হাটাহাটি করে এবং তার সাথে পরিচিত হয় বিভিন্ন গাছপালা লাগানো আছে এবার ভিতরে এবং প্রতিবছর বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষজন আছে এবং সাতক্ষীরা জেলা অনেক ছাত্র-ছাত্রী তারা স্কুল শেষ করে তারা এই পার্কে ঘুরতে যায় এবং তারা আনন্দ করে বন্ধু-বান্ধব মিলে গল্প করে এবং এখানে এই গাছটি গাছ গুলো দেখা যাচ্ছে রাস্তার দুই ধারে গড়ে উঠেছে খুবই সুন্দর লাগছে এবং তার সেই রাস্তা দিয়ে হাটাহাটি করছে একজন পুরুষ আর একজন মহিলা তারা স্বামী-স্ত্রী রাস্তা দিয়ে এই পার্কের ভিতরে ঘুরতে এসেছে 

এবং তা এখানে ঘোরাঘুরি করছে এবং পার্কের প্রাকৃতিক পরিবেশে সাতক্ষীরা জেলা জাগপার সুন্দরভাবে গড়ে তোলা হয়ে ছে সাতক্ষীরা মানুষের জন্য এবং অন্যান্য এখানে এসে সময় কাটাতে পারে এবং এই জায়গাটি খুবই সুন্দর এবং এটি একটি দর্শনীয় জায়গা সাতক্ষীরা জেলা রাজ্জাক পার্ক
আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন আজ বাংলার ঘরে ঘরে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ছে এবং বৈশাখ উদযাপন করছে নতুন নতুন সাজ এই দিনে এবং এই পহেলা বৈশাখ নতুন কাপড়-চোপড়সহ পান্তা ইলিশ মাছ চিংড়ি মাছ খাওয়া-দাওয়া পালন করা হয় এবং এই বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলাতে পালন করে থাকে এবং বাঙালির ঘরে নতুন ধানের উৎসব ওঠে এবং আমি আপনাদের মাঝে বৈশাখের নতুন সাজ ও বৈশাখের নতুন কিছু পালন করার সুন্দর একটি চিত্র আপনাদের মাঝে তুলে ধরলাম এবং চিত্র দেখা যাচ্ছে একটি মাঠের ভিতরে একটি মন্দিরের পাশে অনেকগুলো মহিলারা বিভিন্ন ধরনের জিনিস নিয়ে তারা হাটা চলাচল করছে এবং তারা এই নতুন উৎসব পালন করেছে নতুন পোশাকে এবং মন্দিরের পাশে একটি ছোট্ট ঘর দেখা যাচ্ছে এবং ঘরটির সবুজ কালারের রং করা এবং ঘটি চারিপাশে সুন্দর ফুল দিয়ে সাজানো এবং এই পহেলা বৈশাখ টি বেশির ভাগ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক পালন করে থাকে
68 হাজার গ্রাম বাংলা নিয়ে আমাদের এই বাংলাদেশ অবস্থান এবং এই বাংলাদেশ গ্রাম বাংলা মানুষজন অধিকাংশ মানুষজন কৃষি কাজ করে থাকে এবং কৃষি প্রধান ফসল হলো ধান এবং পুরুষের পাশাপাশি মেয়েরা মহিলারা এখন কৃষিকাজে সাথে জড়িয়ে পড়েছে এবং তারা প্রতিদিন পুরুষের পাশাপাশি কৃষি কাজ করে থাকে এবং এই কৃষিকাজ করে কৃষি প্রধান ফসল ধান সংগ্রহ করার কাজে বিভিন্ন কাজে তারা নিযুক্ত রাখে মহিলা মানুষ গুলো এখানে দেখা যাচ্ছে কৃষি প্রধান ফসল সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বাড়িতে তোলা হয়েছে এবং এই বাড়িতে ধান গুলো দেখা যাচ্ছে মাড়াই করার কাজে ব্যস্ত আছে পুরুষ মানুষ এবং মহিলা মানুষ কারণ এগুলো এই সংগ্রহ করবে তারা এবং বাজারে বিক্রি করবে এগুলো বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে বাংলাদেশের গ্রাম বাংলা অধিকাংশ মানুষজন এই কৃষি কাজ করে থাকে এবং এভাবে তারা ফসলগুলো যখন মাঠ থেকে সংগ্রহ করে বাড়ি নিয়ে আসে তারা তখন পুরুষ-মহিলারা সবাই কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে আজকে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ কুষ্টিয়া জেলার কৃষকরা অধিকহারে সময় এবং ব্যস্ততা সাথে দিন কাটাচ্ছে তাদের মৌসুমের ফসল প্রধান এখন 

বাড়িতে তুলতে সক্ষম হচ্ছে এবং এইগুলো তারা যত তাড়াতাড়ি স ম্ভব এগুলো সংগ্রহ করবে এবং তারা এগুলো বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে এবং এগুলো বিক্রি করে তারা তাদের পরিবারের ভরণ পোষণ করতে পারবে এভাবে বাংলাদেশের অধিকাংশ কৃষক এই ধানগুলো পান করে থাকে এবং এগুলো বাড়িতে সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয় এবং তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে পারে
আজকে বাংলাদেশের একটি পরিচিত খেলা সম্পর্কে আমি আপনাদের বর্ণনা করব এটা কোন শারীরিক খেলা নয় তবে এই খেলাটি খুবই ভয়ানক এবং মারাত্মক একটি খেলা এই খেলাটির নাম হচ্ছে সাপখেলা যেটি সকলে অনেক ভয় করে থাকে আর যে কোন ব্যক্তি এই সাপ খেলা দেখাতে পারেনা এই সাপ খেলা দেখাতে হলে তাকে অবশ্য সাপের বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে তাকে অবশ্যই সাপুরে হতে হয় এখানে খুবই সুন্দর একটি পার্কের ভেতরে এই সাপ খেলা দেখানো হচ্ছে এই পার্কের নাম হচ্ছে রমনা পার্ক খুলনায় অবস্থিত তাছাড়া এই পার্কের ভিতর অনেক মানুষকে একত্রিত করে ফেলেছেসাপ খেলা দেখানোর জন্য এবং মানুষজন গোল হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে সাপ খেলা দেখার জন্য কারণ সাপ খেলা প্রত্যেকের কাছে অনেক পছন্দ যদিও ভয় করে কিন্তু দেখতে অনেক মজার ব্যাপার এই লোকটি বিভিন্ন ধরনের কাঠের বাক্স এখানে একত্রিত করে রেখেছে এই কাঠের বাক্স ভেতরে সাপগুলোকে বন্দি করে রেখেছে সে একটি গাছের গোড়ায় এই খেলা দেখার ছিল এবং সে বাক্স খুলে এখান থেকে সাপ বের করতে তাছাড়া এখানে বড় একটি কাঠের বাক্স রয়েছে এই কাঠের বাক্স ভিতরে সবচেয়ে বড় সাপটি রয়েছে এবং এই লোকটির হাতে একটি মাইক্রোফোন রয়েছে যেটির মাধ্যমে সে কথা বলছিল এবং দূর থেকে মানুষের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিল এখানে আরো অনেক মানুষ যখন এইসব খেলা দেখার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সাপখেলা সকলের কাছে একটি পছন্দ কারণ কঠিন জিনিস দেখতে সকলেরই অনেক পছন্দ আমিও জীবনে অনেক সাপ খেলা দেখেছি আমার অনেক ভয়ানক একটি জিনিস আমি প্রচন্ড পরিমানে ভয় করি একারণেই আমি এ সকল খেলা খুব কম পরিমাণে থাকে
প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর আমাদের বাংলাদেশে। এই জাতীয় প্রাকৃতিক দৃশ্যের দেখা অস্বাভাবিক নয়। এই সুন্দর  আকাশ টা একবার দেখুন। নীল আকাশে  সাদা  মেঘ  ভেসে  বেড়াচ্ছে । প্রাকৃতিক এই সুন্দর্য আপনাদের মনকে শান্তিতে মুগ্ধ  করবে। শুধু আকাশ টা নয়,আকাশের নীচে ছোট্ট একটি নদী রয়েছে। নদীতে কয়েকটি  নৌকা ও রয়েছে। নদীর চারপাশে তাকালে দেখতে পাবেন সবুজ গাছ পালা। প্রকৃতির এই অপরুপ সুন্দর্য সবাই কে মুগ্ধ  করবে। নদীর তীরে অনেক ছোট ছোট বাড়ি ঘর রয়েছে। এই সব মানুষ নদী থেকে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। তাছাড়া নদীবিহীন সবুজ কল্পনা অসম্ভব। এই মনোমুগ্ধকর ছবিটি তুলেছি সাতক্ষীরা থেকে। সুন্দর এই নদী দেখতে চাইলে আপনাকে যেতে হবে গ্রামে। গ্রামের নদী গুলো অনেক সুন্দর হয়। নদীর তীরের পাশ দিয়ে অনেক ছোট  ছোট  গ্রাম রয়েছে। এই সব গ্রামের অনেক মানুষ নদীর উপর নির্ভর করে।
এখানে যে বিল্ডিং টা দেখতে পাচ্ছেন সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিল্ডিং দেখতে পাচ্ছেন।এই বিশ্ববিদ্যালয়টি অনেক সুনাম রয়েছে বাংলাদেশের গিয়ে কয়টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে তার মধ্যে লেখাপড়ার উন্নয়নের দিক দিয়ে এটি একটি উন্নত মানের বিশ্ববিদ্যালয়। আপনার ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন বিল্ডিংটির প্রবেশপথ সত্যিই এটি একটি অসাধারণ প্রবেশ পথ ছিল। এই প্রবেশ পথ দিয়েই শিক্ষার্থীরা তারা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস রুমগুলোতে প্রবেশ করে থাকে।এখানে যে বিল্ডিংটি দেখতে পাচ্ছ না এটি একটি উন্নত মানের এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন করবেন এটি তৈরি করতে অনেক টাকা খরচ হয়েছে এটি তৈরি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।এ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থীরা এখানে লেখাপড়া করে উন্নত মানের ডিগ্রি নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন উচ্চ পদে কর্মরত আছে। সত্যিই এটি একটি অসাধারণ বিল্ডিং ছিল। আশা করি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিল্ডিংটা আপনাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে
56 হাজার বর্গকিলোমিটার নিয়ে আমাদের এই বাংলাদেশে গঠিত এবং বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষিকাজ করে থাকে এবং কৃষি প্রধান প্রধান এবং ধানের পাশাপাশি কৃষকরা এখন ব্যাপকহারে উন্নতমানের বীজ সার এবং পানি সেচের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন শাক সবজি রোপন করতে সক্ষম হচ্ছে এবং শিক্ষিত যুবকরা চাকরি না পেয়ে তারা কৃষি কাজের সাথে যুক্ত হচ্ছে এতে করে অল্প দিনের মধ্যে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে তারা ভাষণগুলো বাঁচিয়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে এতে করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে এবং ক্রেতাদের পছন্দের শাক সবজি বাজার থেকে কিনতে পারছে এবং শাকসবজি ভিটামিন জাতীয় খাদ্যের জন্য এগুলো প্রত্যেকটি মানুষের বাড়িতে প্রতিদিন রান্না করা হয় সেগুলো বাজারে বিক্রি করে কৃষকরা যেমন উপকৃত হচ্ছে তেমনি উর্দুতে হচ্ছে তারা তাদের 7567 গুলো বাজার থেকে সময় মতো চিনতে পেরে এভাবে বাংলাদেশের অসংখ্য কৃষকরা সবজি গুলো বাজার থেকে সংগ্রহ করে থাকে এবং এগুলো বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে আজকে যে ছবিটা আমি তুলে ধরছি সেই ছবিটি হলো বাংলাদেশ কুষ্টিয়া জেলার হাবিবনগর বাজারে একটি দৃশ্য এভাবে অসংখ্য আলোচনা আছে এবং সবজি বিক্রি করে থাকে এবং এই সবজি গুলো ক িনে নেয়ার জন্য অনেক উপকৃত হচ্ছে এতে করে কৃষকরা সময়মতো সবজি বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে
এখানে চিত্র দেখতে পাচ্ছি বাজারের দৃশ্য আমরা যে বাজারটি দেখতে পাচ্ছি এ বাজারটি হলো আমাদের ফরিদপুরের খোলা বাজারে বাজার বাংলাদেশের প্রতিনিয়ত করোনাভাইরাস এর মৃত্যুর সংখ্যা এবং আক্রান্ত সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে সেজন্য প্রশাসনিক কর্তৃক এই খোলা বাজারের আয়োজন করা হয়েছে যাতে লোকসমাগম এড়িয়ে চলা যায় একটি খোলা মাঠে এরকম বাজার বসিয়ে মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য আহ্বান করা হয়েছে এবং সকলেই খোলা মাঠ থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনছে আমরা ছবিতে দেখতে পাচ্ছি যে রমজান মাসের জন্য এখানে এই খোলা মাঠে বাজার করতে অনেক লোকজন ভিড় জমাচ্ছে এখন বাংলাদেশ মাহে রমজানের সময় মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় খুবই অল্প লাগে তবুও তারা এই ফাঁকা স্থানে বসে এই নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকান দিয়ে তারা ব্যবসা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের লকডাউন এর কারণে এই খোলাবাজারের আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসক এবং জেলার সকল উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা মিলে মানুষের বাজার ঘাটে যাওয়ার দেখতে একটু সচেতন বলার জন্য এই খোলাবাজারে আয়োজন করা হয়েছে এটি একটি স্কুল মাঠে খোলাবাজারে আয়োজন করা হয়েছে।
হ্যালো বন্ধুরা আপনারা এখানে একটি ছবি দেখছেন এটি একটি খাবারের ছবি ছিল।সেই ছবিটি তোলা হয়েছিল কিছুদিন আগে ছোট ভাইদের কে নিয়ে ঘুরতে গিয়েছিলাম যাওয়ার পরে তারা সবাই বলল যে তারা পুরি খাবে এবং সেই অসাধারণ পুরি ছবি হচ্ছে এটি। এটি খেতে অত্যন্ত মজাদার ছিল। এটি একটি উন্নত মানের এবং কল একটি সম্পুর্ন পুরি ছিল।বাংলাদেশের মানুষের বিশেষ করে সন্ধ্যার সময় নাস্তার জন্য পুরি খেতে খুবই ভালোবাসি।এই খাবারটি খাদ্যতালিকায় সন্ধ্যার নাস্তা সময় সবার উপরে থাকে। এখানে যে পরীর ছবি দেখতে পাচ্ছেন সেটি তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার সবথেকেউন্নত মানের এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন রেস্টুরেন্ট সাতক্ষীরা লেক ভিউ ক্যাফে রেস্টুরেন্টে এই পুরি  তৈরি হয়েছিল।সত্যি আমরা সবাই সেদিন এই পুরিগুলা খুব আনন্দের সাথে খেয়েছিলাম অত্যন্ত মজাদার ছিল এই পুরি। এটি একটি অসাধারণ ছবি ছিল
বর্ষার মৌসুম গ্রাম বাংলার চিরচেনা দৃশ্য এখানে আমি এই ছবিটির মাধ্যমে আপনাদের মাঝে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছি গ্রামবাংলা বর্ষার দিনে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা কিভাবে স্কুলে বা পাঠশালায় যায় তার একটি দৃশ্য এখানে দেখা যাচ্ছে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হচ্ছে এবং দুইটি ছোট ছেলে তোরা পাঠশালায় যাচ্ছে লেখাপড়া শেখার জন্য এবং তারা একটি ছাতা দুইটি শিশু একসাথে স্কুলে যাচ্ছে কাদা রাস্তা দিয়ে এবং বৃষ্টির মধ্য দিয়ে এভাবে বাংলাদেশ অসংখ্য গ্রাম বাংলার ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা বৃষ্টির দিনে খাতার ভেতর একসাথে স্কুলে যায় কাদা রাস্তা দিয়ে এতে করে তাদেরকে অনেক কষ্ট করতে হয় এবং তাদেরকে কষ্ট করে লেখাপড়া শিখতে হয় কান বাংলাদেশ অসংখ্য গ্রাম বাংলাদেশ এবং এই গ্রাম বাংলার ভেতরে একটি গ্রাম এবং একটি জেলা হল আমাদের এই ঝিনাইদহ জেলার চাঁদখালী গ্রামে গ্রামে বর্ষার দিনে কাঁচা রাস্তা দিয়ে বৃষ্টির পানি পড়লে রাস্তাগুলো পানিতে ভরে যায় এবং কাদা সৃষ্টি হয় এভাবে তারা ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা স্কুলে যায় খুবই কষ্ট করে এবং এত কষ্ট করে তারা লেখাপড়া 

শিখে এবং তারা একদিন দেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধার হবে এবং কেউ ইঞ্জিনিয়ার পাইলট সেনা সৈনিক এভাবে তারা গড ়ে উঠবে এবং তারা একদিন দেশের কর্ণধার হিসেবে এ দেশ পরিচালনা করবে এজন্য তাদেরকে লেখাপড়া শেখা প্রয়োজন এজন্য তারা খুবই কষ্ট করছে এই গ্রাম বাংলা বৃষ্টির দিনে রাস্তা দিয়ে স্কুলে যাচ্ছে এমন একটি দিচ্ছ আমি আপনাদের মাঝে তুলে ধরলাম
মাটির রাস্তা,ছবিটিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটি মাটির রাস্তা রাস্তার দুই ধার দিয়ে ছোট-বড় অনেক ধরনের গাছ রয়েছে। আপনারা সবাই জানেন যে গ্রামের রাস্তা গুলি খুব সুন্দর এবং পরিপাটি।আপনি যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি আমাদের গ্রামের রাস্তা। বাংলাদেশের সরকার প্রায় সব রাস্তার পাশ দিয়ে গাছ লাগিয়েছে। এই গাছের জন্য রাস্তার চারপাশ যেমন সুন্দর দেখায় তেমন পরিবেশকে ও অনেক সুন্দর লাগে। আমাদের বাড়ির পাশের সাতক্ষীরা জেলার গ্রামের এই দৃশ্যটি আপনার পছন্দ হবে। রাস্তার ধারে অনেক ধরনের ফলের গাছ সহ অনেক ধরনের ঔষধ গাছ রয়েছে। এইসব সুন্দর কাজ গুলোর কারণে রাস্তাটি আরো সুন্দর দেখাচ্ছে। সুন্দর এই ছবিটি সবার ভালো লাগবে। ভালো লাগলে মন্তব্য করবেন । ধন্যবাদ।
আপনাদের বাঁচে আমি একটু ছবি তুলে ধরছি আর এই ছবিটি হলো একটি নদী ছবি এবং নদীর পাড়ের ছবি বাংলাদেশের বুকে বুক চিরে বয়ে গেছে অসংখ্য নদী এবং এই নদীগুলো পারে গড়ে উঠেছে বিশাল বড় একটি পা এবং পাহাড়ের ঢালুতে রয়েছে অনেক গাছপালা বাংলাদেশ এভাবে অসংখ্য গাছপালা গড়ে উঠেছে এই পারে এবং এই দেখা যাচ্ছে নদীতে অসংখ্য মানুষ প্রতিবছর ঘুরতে আসে এবং এই প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখতে থাকে এই ছবিটি তোলা হয়েছে বাংলাদেশ রাঙ্গামাটি জেলা থেকে এবং রাঙ্গামাটির জন্য অসংখ্য পাহাড় পর্বত রয়েছে এবং পাহাড়-পর্বতে মানুষ প্রতিবছর ঘুরতে আসে এবং তারা এই নদীর মোহনায় ঘুরতে আসে এবং তারা অবশেষে পাহাড় এবং 

গাছপালার মাঝে হারিয়ে যায় এবং এগুলো দেখতে অনেক সুন্দর লাগে কারণ বাংলাদেশের অনেক প্রাকৃতিক পরিবেশে মানুষ আছে তারা বিভিন্নভাবে তারা ঘোরাঘুরি করতে ভালবাসে এবং পরিবেশের সাথে মিশে যায় এবং পাহাড়-পর্বত নদী-নালা সকলে দেখতে ভালো লাগে গাছপালা এগুলো দেখার জন্য অবশ্যই রাঙ্গামাটি জেলা তে যেতে হবে আর এই পাহাড়-পর্বত গুলো দেখে মানুষের মন মুগ্ধ হয়ে যাবে
এই জায়গাটা একটি অসাধারন এই রাস্তাটা খুবই দৃশ্যমান এটা দেখলেই মনে হয় আমেরিকা লন্ডন অথবা সুইডেনের একটি রাস্তা কিন্তু এইটা আমাদের বাংলাদেশের ঢাকা শহরের হাতির ঝিলের রাতের দৃশ্য এটা হাতিরঝিলে রাস্তার ছবি অসাধারণ রাস্তার সাইডে গাছ গাছালি দিয়ে পাখির ভরপুর কিচিমিচি হাতিরঝিল ব্রিজ দেখতে পাচ্ছেন এবং এখানে বিল্ডিং বাড়ি কল কারখানা কত কিছুইনা আছে রাস্তার ছবিটা অসাধারণ তাই বাংলাদেশের একটি রাজধানী ঢাকা রাজধানী ঢাকা রাজধানীর হাতিরঝিলে রাস্তার দৃশ্যটা একটি অসাধারণ একটি ডিজিটাল রাস্তা তৈরি করা হয়েছে তাই বন্ধুরা এ রাস্তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য একটি অসাধারন এবং দৃশ্যমান সৌন্দর্য আপনাদের জরি ঢাকা শহরের রাস্তার ছবিটা ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই অবশ্যই আপনারা ঘুরে আসবেন ছবি দৃশ্যমান এবং অসাধারণ তাই বন্ধুরা আপনাদের এই হাতিরঝিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবশ্যই ভালো লাগে তাই বন্ধুরা এ রাস্তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও যানবাহন চলাচল কল-কারখানা বিল্ডিংয়ের ভরা আকাশের আকাশ নীল এর ছবিগুলো অসাধারণ হয়ে উঠেছে ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করবেন আর আমার এই চ্যানেলটা সাবস্ক্রাইব করুন
বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ। এখন বাংলাদেশের ধান কাটার মৌসুম চলছে। কৃষকরা এখন বোরো ধান চাষ করেছে। বোরো ধান এখন কাটার মৌসুম চলছে। প্রিয় বন্ধুরা ছবিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন রাস্তা দিয়ে কৃষকরা বিল থেকে বোরো ধান কেটে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেসেই সুন্দর মুহূর্তটি আমি আপনাদেরকে দেখানোর চেষ্টা করেছি। সত্যিই এটি একটি অসাধারণ মুহূর্ত ছিল। এবছর ধানের ফলন ভালো হয়েছে যার কারণে কৃষকের মনে অনেক আনন্দ রয়েছে। বাংলাদেশ মূলত বোরো ধানের মৌসুম বেশি ধান উৎপন্ন করা হয়ে থাকে।বন্ধুরা আপনারা এখানে যে দৃশ্যটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার বড়দল গ্রামের আজকের একটু আগের কৃষকরা ধান বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে সে দৃশ্য আপনাদেরকে দেখিয়েছি। সত্যিই এটি একটি অসাধারণ ছবি ছিল
কৃষি প্রধান দেশ আমাদের এই বাংলাদেশ এদেশে অসম কৃষি জমি রয়েছে এবং কৃষকরা এখন কতগুলো পাক ধরেছে মাঠে এবং এই ওষুধগুলো কৃষকরা এখন সংগ্রহ করার কাজে ব্যস্ত রয়েছে আজকে আমি যে ছবিটি তুলে ধরছি এই ছবিটি হলো এখানে একজন কৃষক এবং একের অধিক কৃষক এই ছবিটির মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে এবং আকাশে অনেক মেঘ হয়েছে এজন্য দেখা যাচ্ছে এই শুকনো ধান গুলো কেটে রেখে ছিল এবং এই ধানগুলো তারা এখন জালি করে রেখেছে যাতে করে বৃষ্টি হলে এই ধানগুলো ক্ষতি না হয় এভাবে বাংলাদেশের কৃষকরা খুবই কষ্ট করে মাঠে ফসল ফলায় আর এই ধানগুলো সংগ্রহ করতে তাদেরকে অনেক কষ্ট হয় এমন দেখা যাচ্ছে এই কৃষকরা সারাদিন পরিশ্রম করে এবং সন্ধ্যাবেলা পরিশ্রম করছে এই সন্ধ্যাবেলায় এই আকাশে এই ধানগুলো করার কাজে ব্যস্ত আছে এই ছবিটি তোলা হয়েছে বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলার থেকে এবং চাঁদপুর জেলার অধিকাংশ 

মানুষ কৃষিকাজ করে থাকে এবং কৃষি একমাত্র ফসল হলো ধান ধান রোপন করে তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে এখন কৃষকরা চাঁদপুর জেলার কৃষকরা এখন সঙ্কর কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছে সঠিক ভাবে এবং তারা খুবই কষ্ট করে এই অর্থোপার্জন করে থাকে এবং ধানগুলো মাঠ থেকে সংগ্রহ করছে এখন কৃষকরা একট ি দৃশ্য আমি আপনাদের মাঝে তুলে ধরলাম
শুভ সকাল আপনাকেও আছে আপনি একটি ছবি তুলে ধরছি আর এই ছবিটি হলো এটাম বাংলা ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা সেখানে ফুটবল খেলা খেলছে আর এভাবে তারা প্রতিদিন বিভিন্ন খোলা আকাশের নিচে খেলাধুলা করে থাকে এবং ছুটে বেড়ায় বাংলাদেশ একটি গ্রাম প্রধান দেশ এদেশের অসংখ্য জামাত রয়েছে এবং কৃষি জমিতে যখন থাকেনা তখন এইসব খোলা মাঠে এবং কৃষি জমিতে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা বিভিন্নভাবে খেলাধুলা করে থাকে এতে করে তাদের তেমন শরীরচর্চা হয় তেমনি মেধা শক্তি বৃদ্ধি পায় আর বাংলাদেশ অসংখ্য গ্রাম বাংলাদেশ 68 হাজার গ্রাম বাংলা নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ এবং এদেশের অসংখ্য গ্রামাঞ্চলের মানুষ বসবাস করে থাকে এবং এসব মানুষের ছোট ছোট বাচ্চারা সাথে মিলে এই কাজগুলো করে থাকে 

ফুটবল খেলে তারা অনেক আনন্দ পায় এবং তাদের শরীর চর্চা হয় এভাবে কাল দেখা হচ্ছে এই ছবিটি তোলা হচ্ছে একটি গ্রাম অঞ্চলের ছবি এবং এই গ্রামেতে ছোট ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করছে আর এই গ্রামটি হলো বাংলাদেশ রংপুর জেলা সখিপুর গ্রামে গ্রামে অসংখ্য ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা প্রতিদিন বিভিন্ন ভাবে একসাথে খেলাধুলা করে থাকে এতে করে তাদের মেধা শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং শরীর চর্চা হয়
প্রিয় বন্ধুরা আপনারা এখানে একটি ছবি দেখতে পাচ্ছেন। ছবিটিতে একটি রাস্তা দেখতে পাচ্ছেন এটি হচ্ছে একটি মাটির রাস্তা। রাস্তার দিকে দেখতে পাচ্ছেন একটি ছেলে কাঁদে ঘড়ি নিয়ে ঘুড়ি উড়ানোর জন্য বিলের দিকে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ছেলেরা কইসবে এমন ঘুড়ি ওরানতে মেতে থাকে এবং তারা ঘুড়ি উড়িয়ে আনন্দ উপভোগ করে থাকে।আমরা ছোটবেলায় এমন ঘুড়ি উড়িয়ে আনন্দ উপভোগ করতাম বন্ধুরা মিলে।এখানে যে ছেলেটাকে দেখছেন তার ঘাড়ে যে ঘুড়িটা দেখতে পাচ্ছেন সে এই ঘুড়িটা নিজে তৈরি করেছে এবং এই ঘুড়িটা সে প্রতিদিন সকালে ও বিকালে উড়িয়া আনন্দ উপভোগ করে। এখানে যে দৃশ্যটি আপনার দেখছেন সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার মামুদপুর গ্রামের আজকের সকালের একটি ছেলের ঘুড়ি ওড়াতে যাওয়ার দৃশ্য ছিল এটি। সত্যিই এটি একটি অসাধারণ মুহূর্ত ছিল।আশা করি এই ছবিটা আপনাদের সকলের কাছে অনেক ভালো লাগলবে
আমি সবুজ রঙে ঘেরা এই সুন্দর ছবিটি পোস্ট  করছি। আপনারা যে ছবিটি  দেখতে  পাচ্ছেন  সেটি  একটি বড় পুকুর। পুকুরের চারপাশে  ছোট বড় অনেক ধরনের গাছ  রয়েছে ।শুধু পুকুরের জন্য নয় আকাশ টা এ অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে যার করনে ছবিটি সুন্দর্য ফুটে উঠেছে। আমি এই ছবিটি তুলেছি যশোর থেকে।এই পুকুরটি যশোর পৌর পার্ক এ অবস্থিত।  বাংলাদেশে গ্রামঅঞ্চালে ছোট বড় অনেক ধরনের পুকুর দেখা যায়। এই সব পুকুরে অনেক ধরনের মাছ চাষ করা হয়।এই সব মাছ কিছুদিন পর ধরে মাছ চাষিরা বিক্রয় করে জিবিকা নির্ভর করে। এই সব পুকুরের মাছ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রয় করা হয়।শুধু মাএ গ্রামে পুকুর বেশি দেখা যায় শহরে খুবই কম পুকুর দেখা যায়। আর এই সব পুকুরে পাশে নানা রকমের গাছ থাকায় পরিবেশের সুন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
শুভ সকাল প্রিয় বন্ধুরা আপনাদের এখানে একটি অসাধারণ দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন। দৃশ্যটি অত্যন্ত চমৎকার ও মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ছিল। আপনারা ছবিটিতে দেখতে পাচ্ছেন একটি বিলের দৃশ্য। বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ। বাংলাদেশ এখন চলছে বোরো ধানের মৌসুম। ছবিটিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন বিলে বোরো ধানের মৌসুমের ধান চাষ করা হয়েছে অত্যন্ত চমৎকার ফলন হয়েছে। ছবিটিতে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সুন্দর একটি ফলনের জন্য।এখানে অত্যন্ত সুন্দর ধান হয়েছে এ ধন দেখে কৃষকের মন আনন্দে উৎফুল্ল হৃদয় ভরে গিয়েছে। এখানে যে দৃশ্যটি আপনার দেখতে হচ্ছে সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার বড়দল গ্রামের একটি বিকালের ধানের ক্ষেতের দৃশ্য ছিল এটি। এই ধান দিয়ে কৃষকরা তাদের জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। সত্যিই এটি একটি অসাধারণ দৃশ্য ছিল।সাধারণত বিল ফাকা থাকে শুধুমাত্র বোরোধানের মৌসুমে আমরা দেখতে। পায়।
কুমারপাড়ার লোকেরা পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে তাদের ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।  এই ছবিটি যদি দেখেন তবে দেখতে পাবেন বাচ্চারাও হরি-পাতিল তৈরিতে ব্যস্ত।  এবং এই ছবিতে আপনি দেখতে পাচ্ছেন বাবা-মেয়ে এবং ছেলেকে একসাথে বসে আছেন।  এত সুন্দরভাবে তৈরি কারুকাজ করা ডিজাইনটি দেখে সত্যিই আশ্চর্য লাগে।  ছেলে এবং মেয়ে একসাথে নেকলেস ডিজাইন করছে এবং এটি এত সুন্দর দেখাচ্ছে যে এটি খুব সুন্দর দেখাচ্ছে এবং বর্তমানে সবুজ মাটির তৈরি এই মৃৎশিল্পটি আর দেখা যায় না তবে এখন এটি বিলুপ্তির পথে তবে মেলাটি কেন্দ্রিক  পহেলা বৈশাখ এটি এখনও পাওয়া যায় এবং এটি প্রমাণ করে যে প্রত্যেকে পহেলা বৈশাখ, জীবনের উত্সব উদযাপন করছে, যা একটি খুব সুন্দর জিনিস।  অনেক জায়গায় তিন জন বসে বসে বিভিন্ন ধরণের বি ভর্তি করছেন বিভিন্ন ধরণের ডিজাইন আশ্চর্যজনক এবং সুন্দর দেখাচ্ছে
শুভ নববর্ষ দিনের শুরুটা করলাম একটি বৈশাখী মেলার ছবি দিয়ে কেননা আজ বৈশাখ মাসের দ্বিতীয় দিন আর পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু করে একটানা এক সপ্তাহ গ্রাম গঞ্জের খুবই সুন্দর অনুষ্ঠান হয় এ বিষয়ে একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান বলা হয় কেননা বৈশাখী মেলা হচ্ছে বাঙালির প্রাণের মেলা ছবিটি তারই প্রমাণ দেয় আজ বৈশাখ মাসের দ্বিতীয় দিন সারা দিন চলবে এই আনন্দ উল্লাস আর গ্রামের প্রত্যেক মানুষের এই অনুষ্ঠানের জন্য খুবই আনন্দ এবং খুবই উল্লাসিত সারা বছর ধরে অপেক্ষা করে কখন পহেলা বৈশাখ পহেলা বৈশাখ হচ্ছে বাঙালির প্রাণের মেলা এখানে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান হয় গ্রাম গঞ্জের মানুষেরা পহেলা বৈশাখ আনন্দ করে সেখানে বিভিন্ন ধরনের জিনিস বিক্রয় করা হয় প্রায় প্রত্যেক গ্রামে মেলায় বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র বিক্রি হয় মাটির তৈরি ও নাগর দোলায় নাগরদোলায় মানুষ ভালোবাসে আর বিশেষ করে বাচ্চারা বাচ্চারা তো খুবই আনন্দ করে তারা বিভিন্ন ধরনের শাড়ি পড়ে যেগুলো সাদা হলুদ রঙের অসাধারণ লাগছে অনেক মানুষের সমাগম তারা সকলেই উপস্থিত হয়েছে সবাই আনন্দ করছে অসাধারণ একটা পরিবেশ এই মেলা প্রত্যেক বছর হয়